Blog

  • মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গুলিসহ রিভলবার উদ্ধার !

    মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গুলিসহ রিভলবার উদ্ধার !

    উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে একটি চাইনিজ রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার আরুয়া ইউনিয়নের দরিকান্দি খালপাড় মসজিদের পাশের বাঁশঝার থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। শিবালয় থানা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল আজম জানান, সেনাবাহিনীর সরবরাহ করা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো দুই রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়।

    পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত রিভলবারের গায়ে ইংরেজিতে ‘MADE IN CHINA’ খোদাই করা রয়েছে। এর বাট থেকে ব্যারেল পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার। সোনালি ও ধূসর রঙের এই রিভলবারে ব্যারেল, ট্রিগার ও ফায়ারিং পিন সংযুক্ত আছে। গুলির প্রতিটির ক্যাপের পেছনে ইংরেজিতে ‘E’ লেখা রয়েছে।

    ওসি আরও জানান, অস্ত্রটি সাক্ষিদের উপস্থিতিতে জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

  • ভারতের ওপর ট্রাম্পের অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক আরোপ

    ভারতের ওপর ট্রাম্পের অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক আরোপ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। মস্কোর কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা অব্যাহত রাখার কারণ দেখিয়ে এই ‘জরিমানা’ আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে বেশিরভাগ ভারতীয় পণ্যের ওপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাঁর পূর্বঘোষিত ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এই নতুন আদেশের ফলে এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ভারতীয় পণ্যের ওপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক ২৫ শতাংশ শুল্ক আগামী ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে এবং নতুন ২৫ শতাংশ শুল্ক এর ২১ দিন পর কার্যকর করা হবে। ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী, ট্রানজিটে থাকা পণ্য ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী সব ভারতীয় পণ্যের ক্ষেত্রেই এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে।

    ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমি দেখতে পাচ্ছি, ভারত সরকার বর্তমানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ান ফেডারেশন থেকে তেল আমদানি করছে।”

    হোয়াইট হাউস সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি রাশিয়া বা প্রভাবিত বিদেশি সরকারগুলো প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এই আদেশ সংশোধন করা হতে পারে। অর্থাৎ শুল্ক আরও বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে।

    এর আগে এই সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প ভারতের ওপর ‘যথেষ্ট পরিমাণে’ শুল্ক বৃদ্ধির হুমকি দিয়েছিলেন। তখন তিনি নতুন আরোপিত ২৫ শতাংশের কথা উল্লেখ করেননি।

  • গাজীপুরে সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা

    গাজীপুরে সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা

    গাজীপুরে এক সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনার সময় একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন ওই সাংবাদিক।

    বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে মহানগরীর ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তায় মসজিদ মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুরের গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা গ্রামে মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্থানীয় জজ মিয়ার নেতৃত্বে ৬ জনের একদল সন্ত্রাসী ধারাল দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাংবাদিক আরিফকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু হয়েছে ভেবে মাটিতে ফেলে রেখে চলে যায়।

    পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।

    নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন।

  • আমাকে রিমান্ডের মতো ডিসিশন দেবেন না-সুমাইয়া জাফরিন

    আমাকে রিমান্ডের মতো ডিসিশন দেবেন না-সুমাইয়া জাফরিন

    আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন আদালতে দাবি করেছেন, আগে থেকেই সেখানে সব আয়োজন করা ছিল। তিনি এবং তার স্বামী কিছু সময়ের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন মাত্র।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রিমান্ড শুনানি চলাকালে বিচারককে জাফরিন বলেন, আগে থেকেই ওটা অ্যারেঞ্জ করা ছিল। সেখানে ইনভাইটেশন পেয়ে আমি ও আমার হাজবেন্ড কিছু সময়ের জন্য গিয়েছিলাম।

    তিনি বলেন, জায়গাটা অন্য কেউ ভাড়া করেছিল। কিন্তু দোষটা আমার ওপর চাপানো হচ্ছে। দয়া করে আমাকে রিমান্ডের মতো ডিসিশন দেবেন না। কিছু জানার থাকলে এমনিতেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। আমি উত্তর দেব। আমি নিজে এটা করিনি। তাই অনুরোধ আমাকে রিমান্ড দেবেন না।

    পরে শুনানি শেষে ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জাফরিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ অন্যরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।

    বুধবার (৬ আগস্ট) মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে সুমাইয়া জাফরিনকে হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি জানায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশে একটি কনভেনশন হলে ‘গেরিলা প্রশিক্ষণের’ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।

    অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সময় মেজর সাদিকের সঙ্গে তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনও উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় সাদিককে হেফাজতে নেয় সেনাবাহিনী। পরে তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ।

     

  • `ফ্যাসিবাদের পতনের দিবসে’ শিবগঞ্জে বিএনপির বিজয় র‌্যালি

    `ফ্যাসিবাদের পতনের দিবসে’ শিবগঞ্জে বিএনপির বিজয় র‌্যালি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ‘৫ আগস্ট’ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি শিবগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে এ র‌্যালির আয়োজন করা হয়। বিজয় র‌্যালিটি শিবগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

    র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হায়াত উদ্দৌলা। বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. মবিনুর রহমান মিঞা, সদস্য শরিফুল ইসলাম শারিফ, সদস্য আবদুল মাকেক, যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন অপু, একে আসগার, এরশাদ আলী বিশ্বাস।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জিন্নুর রহমান, সদস্য সচিব মতিউর রহমান লিটিল বিশ্বাস, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান কবির টুটুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সামসুল রহমান, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন রিপনসহ বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্ট আমাদের জন্য গৌরবের দিন। এই দিনে ছাত্র-জনতার বিজয়ের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের দাবিকে শক্তিশালী করা হয়েছিল।

    আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের এ দিনটি আমাদের আন্দোলনের প্রেরণা হয়ে থাকবে। র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বিএনপির চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।

  • জুলাই ঘোষণাপত্রের নীরব প্রতিবাদ জানাতে কক্সবাজার গিয়েছি: হাসনাত

    জুলাই ঘোষণাপত্রের নীরব প্রতিবাদ জানাতে কক্সবাজার গিয়েছি: হাসনাত

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় পাঁচ নেতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কক্সবাজার ভ্রমণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ওঠে। এ বিষয়ে দল থেকে তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এর জবাব দিয়েছেন।

    এবার দিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) হাসনাত আবদুল্লাহ।বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ওই শোকজের জবাব দিয়েছেন তিনি। শোকজের জবাবে তিনি লিখেছেন, “আপনার স্বাক্ষরিত ৬ আগস্ট কারণ দর্শানোর নোটিশটি আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছি এবং এনসিপির প্রতি আমার অঙ্গীকার ও দায়বোধ থেকেই আমি এই ব্যাখ্যা লিখছি।

    তিনি লিখেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ জীবন দিয়েছিল নতুন বাংলাদেশের জন্য। এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের আশায়, যেখানে কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না এবং প্রতিটি নাগরিক মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবেন। এই আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যেই এই সরকার গঠিত হয়েছিল।

    সরকারের উচিত ছিল এমন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা, যা সেই মানুষ গুলোর আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিনিধিত্ব করবে। ঘোষণাপত্রের খসড়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই ঘোষণাপত্র প্রণয়নের সময় সেই মানুষদের কথা সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করা হয়েছে, যারা অভ্যুত্থানের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন। শহীদ পরিবার, আহত এবং নেতৃত্বদানকারীদের অনেকেই মতামত প্রদানের সুযোগ পাননি, এমনকি অন্তর্ভুক্তির ন্যূনতম সম্মানটুকুও পাননি।

    হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “ঘোষণাপত্রের চূড়ান্ত খসড়ায় এমন কিছু উপাদান দেখি, যা অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেমন, ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে সংবিধান সংস্কারের জন্য জনগণ পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর দায়িত্ব অর্পণের অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে। এই দাবিটি অসত্য এবং সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনার পথে একটি বড় অন্তরায়।

    আমরা শুরু থেকেই দাবি করে আসছি, গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে, যা রাষ্ট্রের কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আনবে এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ঘটাবে।”

    তিনি দাবি করেন, ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় তিনি জানতে পারেন আন্দোলনের আহত এবং নেতৃত্বদানকারীদের অনেককেই ঐ দিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তিনি বলেন, “এটা শুধু রাজনৈতিক নয়, নৈতিক ব্যর্থতা বলেই মনে হয়েছে। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

    তিনি জানান, ৪ আগস্ট রাতে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এরপর মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবহিত করেন ভ্রমণের ব্যাপারে। তার ভাষায়, “তিনি আমাকে জানান যে, তিনি আহ্বায়ক মহোদয়কে বিষয়টি জানাবেন।

    প্রায় ত্রিশ মিনিট পর তিনি আমাকে নিশ্চিত করেন যে, আহ্বায়ক মহোদয় এতে সম্মতি প্রদান করেছেন।” হাসনাত জানান, এই ভ্রমণে তার সঙ্গে যোগ দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সস্ত্রীক সারজিস আলম ও তাসনিম জারা-খালেদ সাইফুল্লাহ দম্পতি।

    তিনি আরো লিখেছেন, “কিছু মিডিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থার যোগসাজশে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে অপরাধপ্রবণ এবং সন্দেহজনক হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এমনকি গুজব ছড়ানো হয়েছে যে, আমরা পিটার হাসের সঙ্গে গোপন বৈঠকে যাচ্ছি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করতে-যখন তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন না।”

    গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “এই প্রবণতা, যেখানে কাউকে টার্গেট করে রাষ্ট্রদ্রোহী বানিয়ে ফেলা যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে চলতে পারে না।সবচেয়ে আশঙ্কা-জনক ব্যাপার হলো, এই একই প্যাটার্নে হাসিনার আমলেও বিরোধীদলের নেতাদের নামে প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন চালানো হতো।”

  • এনসিপির ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    এনসিপির ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদকে আগে থেকে না জানিয়ে কক্স-বাজার ভ্রমণ করায় দলটির শীর্ষ ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিশের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার (৬ আগস্ট) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক নোটিশে পাঁচ নেতার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

    এনসিপির ওই পাঁচ নেতা হলেন- মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

    নোটিশে বলা হয়েছে, “গতকাল ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে আপনি এবং দলের আরও চারজন কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজার গিয়েছেন। এই সফর সংক্রান্ত কোনো তথ্য কিংবা ব্যাখ্যা ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ এর কাছে পূর্বে অবগত করা হয়নি।

    ”আরো বলা হয়েছে, “এ অবস্থায়, আপনার এই সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আপনাকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা যাচ্ছে।”

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিনে এনসিপির ওই পাঁচ নেতা হঠাৎ কক্সবাজারে যান। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ও আলোচনা-সমালোচনা হয়।

  • ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইসিকে চিঠি

    ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইসিকে চিঠি

    ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি পাঠিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। এই চিঠির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইসিকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হলো।

    আজ বুধবার (৬ আগস্ট) প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর প্রেরিত এক পত্রে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া উল্লিখিত সময়ে প্রত্যাশিত মানের অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের অনুরোধ করেন।

    উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে রোজা শুরুর আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইসিকে চিঠি দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এই চিঠি পাঠালো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

    সবশেষে, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার ভিত্তিতে উল্লেখিত সময়ে জাতীয় নির্বাচন আয়ো-জনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব।

  • বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই-ফখরুল ইসলাম

    বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই-ফখরুল ইসলাম

    বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বিএনপির বিজয় র‍্যালির পূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে খুব শিগগিরই। নতুন জুলাই ঘোষণা পত্র হয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি ৩১ দফা। সেই ৩১ দফার বাস্তবায়িত হতে চলেছে সংস্কারের মধ্য দিয়ে।

    তিনি বলেন, আসুন আজকে আমরা সেই শপথ গ্রহণ করি যে আমরা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে একটা সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে স্বপ্ন ছিল সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

    তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের মধ্যে দিয়ে যে গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করেছিলাম। আজকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সেই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করব। আমরা একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করব। সাম্য, মানবিক মূল্যবোধ ও মর্যাদার একটি রাষ্ট্র আমরা তৈরি করব। বিশ্বের দরবারে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আসুন আজকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়ে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সহযোগিতায় আমরা বিজয় অর্জন করতে পেরেছি।

  • দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন-তারেক

    দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন-তারেক

    মতভেদ থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশ ও জনগণের স্বার্থে এক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (৬ আগস্ট) রাজাধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে বিএনপির বিজয় র‌্যালির আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বলতে চাই- বিভিন্ন ইস্যুতে মতভেদ থাকবে। এসব মতভেদ দূর করতে আমাদের আলোচনা চলবে। জাতীয় কোনো ইস্যুতে, গণতন্ত্রের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যাতে মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। কারণ আমি বিশ্বাস করি ধর্ম, দর্শন, মত যার যার, রাষ্ট্র আমাদের সবার।

    ”গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের আরো সতর্ক ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “নাগরিকদের কাছে আহ্বান রাখছি, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, ফ্যাসিবাদের সময় আমরা নিরাপদ ছিলাম না। আমাদের সন্তানরা নিরাপদ ছিল না। আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পুরো বাংলাদেশকে বর্বর বন্দিশালা বানানো হয়েছিল। গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন না থাকায় এমন হয়েছিল।

    ”গণতন্ত্র এবং দেশের জনগণের সামনে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সম্ভাবনা এবং সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “চব্বিশের আন্দোলনের কারণে আসা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করা গেলে; জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারলে, ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পাবে না। দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না। আর কোনো রক্তাক্ত চব্বিশ আমাদের দেখতে হবে না।”