Blog

  • আসছে না ভোটের বিধান !

    আসছে না ভোটের বিধান !

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথ বন্ধ করতে ‘না’ ভোটের বিধান চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া, ইসি চাইলে পুরো আসনের ফল বাতিল করতে পারবে।

    সোমবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    তিনি বলেছেন, “যদি কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকে, তাকে বিনা ভোটে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে না। কোনো আসনে যদি একজন প্রার্থী হয়, তাহলে তাকেও নির্বাচনে যেতে হবে। তার বিপক্ষ ‘না’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সেখানে যদি ‘না’ হেরে যায়, তাহলে আর ভোট হবে না। তখন ব্যক্তি প্রার্থী বিবেচিত হবে।”

    আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত ও বাতিল নিয়ে যে বিধানগুলো ছিল, পুরো আসনের নির্বাচন বাতিল করার বা ফলাফল বাতিল করার যে সক্ষমতা সীমিত করা হয়েছিল, সেটা পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

    ইসি অবস্থা বুঝে এক বা একাধিক কেন্দ্র বা পুরো আসনের ফলাফল বাতিল করতে পারবে।” বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গণমাধ্যমকর্মীরা ভোট গণনার সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন। তবে, সেক্ষেত্রে গণনা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা সময় থাকতে হবে। মাঝপথে বের হয়ে যাওয়া যাবে না।

    জাতীয় নির্বাচনে এক আসনে দুইজন প্রার্থী সমান ভোট পেলে আগে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করার বিধান ছিল। কমিশন সেটা থেকে সরে এসেছে।

    সানাউল্লাহ বলেন, “আগে ব্যক্তি পর্যায়ে ১০ লাখ, প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৫০ লাখ অনুদান নিতে পারত, এখন সেটাকে ৫০ লাখ করা হয়েছে। তবে, শর্ত দেওয়া হয়েছে, ব্যাংক অ্যঅকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হতে হবে।

  • নাটক কম করো পিও-শাওন

    নাটক কম করো পিও-শাওন

    অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে পর্দায় সেভাবে দেখা না গেলেও সামাজিকমাধ্যমে সব সময়ই সরব। প্রায়ই বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেন তিনি। শোবিজ অঙ্গন হোক বা রাজনীতি, শাওনকে প্রায়ই লিখতে দেখা যায় ফেসবুকে। এবার ‘মুজিব’ সিনেমায় শেখ ফজিলাতুননেসা চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সমালোচনা করে পোস্ট করলেন শাওন।

    রোববার (১০ আগস্ট) তিশার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন যেখানে তিশাকে ‘মুজিব একটি জাতির রুপকার’-তে অভিনয়ের বিষয়ে নিজের ভালোলাগা শেয়ার করতে দেখা গেছে। এছাড়াও শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও তিশার বেশ কিছু ছবি সেই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে।

    ভিডিওটি শেয়ার করে শাওন লেখেন, এই মেয়েটাকে ছোটবেলা থেকে চিনতাম। নতুন কুঁড়ি তে আমার ছোট বোনের সঙ্গে এক ব‍্যাচে ছিল, একই গানের শিক্ষকের কাছে তালিম নিয়েছে। আমার বোন আমাকে আপুনি ডাকে- এই চটপটে মেয়েটাও আপুনি ডাকত। আর আমিও তাকে আমার বোনের মতোই দেখতাম।

    তিশা প্রসঙ্গে শাওন আরও লেখেন, ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদে আমার মায়ের সহকর্মী শাহিন মনোয়ারা হক (এমপি) ওর কেমন যেন আত্মীয় ছিল (খুব সম্ভবত খালা)। তখনো প্রায়ই কমন প্ল্যাটফরমে এই মিশুক মেয়েটার সঙ্গে দেখা হতো। আমার পরিচালনায় ‘একলা পাখী’ ধারাবাহিকে অভিনয় করার সময় অনেকটা দিন কাছাকাছি ছিল।

    যোগ করে শাওন লেখেন, এফডিসির কোনো কোনো সভায় দেখতাম তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ‘ইনু মামা ইনু মামা’ ডেকে শ্রদ্ধাভরে বিভিন্ন আবদার করছে। মন্ত্রী মহোদয়ও মেয়েটাকে বেশ স্নেহ করতেন।

    ‘মুজিব- একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিশা। তবে সেই সিনেমাটি এখনো দেখা হয়নি বলেই জানিয়েছেন শাওন। তিনি লেখেন, সিনেমাটি দেখা হয়নি। দেখার ইচ্ছাও নেই। বাস্তবজীবনে মেয়েটার যে অভিনয় দেখলাম! শখ মিটে গেছে। সবশেষে হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিশার উদ্দেশে শাওন লেখেন, ‘নাটক কম করো পিও। ’

    উল্লেখ্য, ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী ফজিলা-তুন্নেছা মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। ভারতের খ্যাতনামা নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত সিনেমাটিতে শেখ মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করেন আরিফিন শুভ।

  • তিন দিনের সফরে মালয়েশিয়া পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

    তিন দিনের সফরে মালয়েশিয়া পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন।

    সোমবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।এর আগে, দুপুর ২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা।

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস এই সফর করছেন। সফরকালে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীসহ দেশটির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হবেন।

    এই সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, হালাল খাদ্যসহ বিভিন্ন খাতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি আরও তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ (চিঠিপত্র বিনিময়) হবে বলে জানা গেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

  • আমি ইউনুস-হাসিনা দ্বন্দ্বের বলির পাঠা-টিউলিপ সিদ্দিক

    আমি ইউনুস-হাসিনা দ্বন্দ্বের বলির পাঠা-টিউলিপ সিদ্দিক

    বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমি এ ইউনুস-হাসিনা দ্বন্দ্বের বলির পাঠা মাত্র। বাংলাদেশে অবশ্যই কিছু মানুষ ভুল কাজ করেছে ও তাদের শাস্তি পাওয়া উচিত। কিন্তু আমি তাদের কেউ নই।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার খালার পক্ষে সাফাই গাইতে আসিনি। বাংলাদেশের জনগণ যেন প্রয়োজনীয় ন্যায়বিচার পায়, সেটাই চাই। ’

    ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেটের এমপি এবং সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক এসব কথা বলেন।

    তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের দুর্নীতি মামলায় তিনি ‘রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বলির পাঠা’। তিনি বলেন, এক সপ্তাহ আগে একজন সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

    বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে টিউলিপ মায়ের, ভাইয়ের ও বোনের জন্য ঢাকার পূর্বাচলে একটি জমি নিশ্চিত করেছিলেন।

    তিনি এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেন। তার ও আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১১ আগস্ট। তিনি ব্যক্তিগতভাবে বা ভিডিও কনফারেন্সে হাজির হবেন কিনা- এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি।

    টিউলিপ সিদ্দিক জানান, তিনি ব্রিটিশ আইনজীবী হুগো কিথ কেসির পরামর্শ নিচ্ছেন। এখনো তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক সমন পাননি।

  • কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

    ভারতের দিল্লি পুলিশ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা এবং শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউতসহ সিনিয়র বিরোধী সংসদ সদস্যদের আটক করেছে।

    সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল থেকে তাদের আটক করা হয়।

    যুগ্ম পুলিশ কমিশনার দীপক পুরোহিত আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিন্তু সংখ্যাটি জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আটক হওয়া ইন্ডিয়া ব্লক নেতাদের নিকটবর্তী একটি থানায় নেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ কর্মকর্তা পুরোহিত বলেন, বিরোধীদের বিশাল এ বিক্ষোভের জন্য পুলিশের অনুমতি ছিল না এবং কেবল ৩০ জন সংসদ সদস্যের একটি দলকে নির্বাচন কমিশনে মিছিল করে অভিযোগ জমা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

    প্রতিবাদস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী রাস্তায় বসে আছেন, হাতে ব্যানার ও পতাকা নেড়ে স্লোগান দিচ্ছেন। অনেককে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে ধাক্কাধাক্কি করতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা গেছে।

    আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমের সামনে রাহুল গান্ধী বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলতে পারি না, এটাই বাস্তবতা। সত্যটা আজ জাতির সামনে। এই লড়াই রাজনৈতিক নয়, এটি সংবিধান রক্ষার জন্য। এটি এক ব্যক্তি এক ভোটের লড়াই। আমরা একটি পরিষ্কার এবং নির্ভুল ভোটার তালিকা চাই।

    রাহুলের পাশাপাশি তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও আটক করেছে পুলিশ। বিহারের এসআইআর বিতর্কের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে প্রতিবাদ মিছিলের সময় তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় প্রিয়াঙ্কা বলেন, ওরা ভয় পেয়েছে। সরকার কাপুরুষ।

     

  • সারাদেশে নাশকতার সৃষ্টির ভয়ংকর তথ্য দিল জাফরিন

    সারাদেশে নাশকতার সৃষ্টির ভয়ংকর তথ্য দিল জাফরিন

    গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে আটক সুমাইয়া জাফরিন দায় স্বীকার করে বলেছে, আওয়ামী লীগ কর্মীদের গেরিলা সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে কে.পি.আই. (কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন) প্রতিষ্ঠানে হামলাসহ ঢাকা ব্লকের পরিকল্পনা করেছিল।

    মেজর সাদিক জাফরিন প্রতিটি প্রশিক্ষণেই অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তবে সকল প্রশিক্ষণ সমন্বয় করত সুশান্ত দাস গুপ্ত নামে একজন। জাফরিনকে জিজ্ঞাসাবাদে সারাদেশে নাশকতার ভয়ংকর তথ্য দিয়েছে।

    জাফরিন ODB-তে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। ODB-র কিছু সদস্যদের সে রেজিস্ট্রেশন করেছে, তবে সবার করেনি। তার স্বামী মেজর সাদেকুলের ODB-র সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে, তবে সাদেকুল সমন্বয়ক তা অস্বীকার করে।

    সে বলে “সুশান্ত দাস গুপ্ত” সবকিছু সমন্বয় করে এবং সবরকম নির্দেশনা দেয়। KB কনভিকশন হল, মিরপুর ডিওএইচএস, কাঁটাবন মোড়, সি সেল রিসোর্ট—তারা স্বামী-স্ত্রী উপস্থিত ছিল তা স্বীকার করেন।

    পূর্বে গ্রেফতারকৃত সোহেল রানা জবানবন্দিতে বলে, মেজর এবং তার স্ত্রী সমন্বয়ক ছিল। সোহেলের সাথে পরিচয় এবং তাদের বাসায় সোহেলের যাওয়া-আসা আছে, তা স্বীকার করে। সুশান্ত দাসের সাথে তার কথা হতো, মেজরের কথা অস্বীকার করে।

    ODB-র সাজ্জাদুল আনাম, শিমুল, সোহেল রানা, ইয়ামেন—সাথে তার কথা হয়, তার বাসায়ও যায়। সজীব ওয়াজেদ জয়ের কথা অস্বীকার করে। ট্রেনিং সেন্টারের কথা অস্বীকার করে। মেজরের হার্টের সমস্যার কারণে অসুস্থ অবস্থায় সিক লিভ নিয়ে ঢাকায় আসে এবং লিভ এক্সটেনশন করতে থাকে।

    জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেওয়া একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, মেজর সাদিক, তার স্ত্রী সুমাইয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট গুলশান আরার কেসটাকে আমরা যতটা সহজ হিসেবে নিয়েছি, আদতে এটা অতটাও সহজ নয়। যথেষ্ট কমপ্লিকেটেড। তাদের পরিকল্পনার ব্যাপারে আমরা যতটুকু জেনেছি, আসল পরিকল্পনা তার চেয়েও ডেঞ্জারাস এবং ইফেক্টিভ।

    আওয়ামী লীগের কর্মীদের ট্রেনিং দেওয়ার ব্যাপারে মেজর সাদেকের নাম, পরিচয়, কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে তাকে তো ঠিকই অ্যারেস্ট করা হয়, কিন্তু তার ওয়াইফ সুমাইয়াকে অ্যারেস্ট করার প্ল্যান কিন্তু ছিল না।

    সুমাইয়াকে যেদিন অ্যারেস্ট করা হয়, সেদিন কক্সবাজারে ১০ম পদাতিক ডিভিশন বা রামু ক্যান্টনমেন্টের একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলসহ আর্মির তিন থেকে চারজন মেজর সাদেকের স্ত্রী সুমাইয়ার সাথে একটি রেস্টুরেন্টে সাক্ষাৎ করেন। তাদের মাঝে কথাবার্তা চলাকালীন সময়েই ডিসি-ডিবি (ডিভিশনাল ক্রাইম ডিটেকটিভ ব্যুরো) তার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

    ডিসি-ডিবি উপস্থিত ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে বলেন: “স্যার, উনাকে (সুমাইয়া) আমাদের কাছে দিতে হবে, আমাদের হাতে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট আছে”; কিন্তু তিনি সুমাইয়াকে হ্যান্ডওভার করতে না চেয়ে বরং বলেন “তার সাথে আমাদের কিছু কথা আছে”।

    পরবর্তীতে ডিসি-ডিবি জোরাজুরি করলে তিনি আর্মি হেডকোয়ার্টার ডিপিএসকে (ডিরেক্টর পার্সোনাল সার্ভিসেস) কল করেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বাছবিচার না করে সুমাইয়াকে ডিবির হাতে হ্যান্ডওভার করার জন্য এক্সেস দেন।

    সাদিক-সুমাইয়া-গুলশান আরার কেসটি বর্তমানে হ্যান্ডেল করছে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল/টিম। অর্থাৎ ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি, ডিবি—সমন্বয় করে কাজ করছে। এর আগে বহুদিন যাবত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল শুধুমাত্র ডিজিএফআইয়ের কন্ট্রোলে ছিল (ক্ষেত্রবিশেষে র‍্যাবেরও)।

    গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাদেক-সুমাইয়ারা যাদের ট্রেনিং করিয়েছেন, এরা মূলত বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। তাদেরকে যে ট্রেনিংটা দেওয়া হয়েছে, এর নাম “সাব-ট্যাকটিকাল আরবান ওয়ারফেয়ার”। এটাকে আমরা অনেকে সহজভাবে গেরিলা ট্রেনিং বলেও জানি।

    তাদের প্ল্যান ছিল ঢাকা শহরের কেপিআই বা “কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন” গুলিকে টার্গেট করা; বিশেষভাবে—‘এম্বাসি’। এছাড়া কুর্মিটোলা জেনারেল হসপিটাল, সিএমএইচ, পপুলার হসপিটাল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি।

    এধরনের হাই ভ্যালু টার্গেটের আফটার ইফেক্ট হয় অত্যন্ত মারাত্মক, আর সেসব দিক বিবেচনা করেই তারা এসব ইনফ্রাস্ট্রাকচারগুলিকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পরিকল্পনা করেছিল।

    তাদের মূল লক্ষ্য ছিল চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরের মাঝে দেশে অ্যানার্কি বা ক্যাওস তৈরি করা। কয়েকটি এম্বাসিকে লক্ষ্যবস্তু বানানো গেলে আন্তর্জাতিকভাবেই বাংলাদেশ কোনঠাসা হয়ে পড়ত।

    পতিত ফ্যাসিস্ট রেজিমের মন্ত্রী-এমপি সহ রেজিম কর্তৃক বিভিন্নভাবে বেনিফিসিয়ারি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনগুলোর যে তদন্ত চলমান— সে কাজগুলি বাধাগ্রস্ত হতো এবং এটাকে লেন্থি বা পুরোপুরি বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই উক্ত পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

    একইসাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, মন্দিরে হামলার পরিকল্পনাও ছিল তাদের।

    পরিকল্পনা সফল হলে বাংলাদেশ এমনিতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সমর্থন হারাত, আর ঠিক সেটারই অ্যাডভান্টেজ নিয়ে ফায়দা লুটত ভারত। সংখ্যালঘু নির্যাতনের কার্ডকে পুনরায় জাগ্রত করে বিভিন্ন কনসালটেন্সি এবং লবিং ফার্মকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করিয়ে ইন্টারিম সরকারকে রিজাইন করানো’ও ছিল তাদের পরিকল্পনার অংশবিশেষ।

    শুধু তাই নয়, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভারত তাদের এয়ার অ্যাসেটস দ্বারা বাংলাদেশ সীমান্তে ২ থেকে ৩ দিনের লিমিটেড স্ট্রাইক করবে—এই তথ্যও নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এই প্ল্যান একদম সর্বোচ্চ পর্যায়ের জন্য, প্রাইমারি লেভেলে দেশের অভ্যন্তরে ক্যাওস তৈরি করাটাই ছিল তাদের লক্ষ্য।

    তবে যেহেতু উক্ত র‍্যাকেটের অন্যতম দুই মাস্টারমাইন্ড এখন বন্দি, একইসাথে ট্রেইনিংপ্রাপ্ত ৪০ জনের অধিক গ্রেফতার হয়েছে, তাই উক্ত পরিকল্পনা আপাতত ভেস্তে গেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার ওসিকে বঙ্গবন্ধু গেরিলা বাহিনী প্রধান পরিচয়ে ফোন করে হুমকি দেওয়ার পরেই আলোচনায় আছে গেরিলা বাহিনী। গত জুলাই বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে গেরিলা প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগানের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জানা যায় কর্মী সমাবেশের কথা।

    পরে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, সেখানে গেরিলা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল সারা দেশ থেকে আসা বাছাই করা আওয়ামী লীগ কর্মীদের।

    আটক শম্পা ও সোহেল রানার জবানবন্দিতে আসে মেজর সাদিকুল হক, তার স্ত্রী ইউএন লাইব্রেরি কর্মকর্তা সুমাইয়া জাফরিন ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট গুলশান আরার কথা। মেজর সাদিককে সেনা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার স্ত্রী সুমাইয়াকে ডিবি আটক করে টাস্ক ফোর্স গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে লেফটেন্যান্ট গুলশান আরা ও মূল মাস্টারমাইন্ড সুশান্ত দাস গুপ্তের কথা।

  • আগামী সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিবেন-আফরোজা খানম রিতা

    আগামী সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিবেন-আফরোজা খানম রিতা

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, সরকারে না থেকেও বিএনপি জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ ও জনগণের উন্নতির জন্য কাজ করছেন। তিনি ক্ষমতায় এলে এ কাজ আরও সহজ হবে। তাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করতে হবে।

    রবিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রিতা আরও বলেন, দলের দুঃসময়ের দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা নানা বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও দলের প্রতি অটল থেকেছি। নেতাকর্মীরা শত কষ্টেও দল ছাড়েনি, কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করি এবং তাদের ভালোবাসা আমাদের প্রেরণা। বিদেশে থেকেও তারেক রহমান যেভাবে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, তা আমাদের গর্বিত করে।

    মানিকগঞ্জের ইতিহাসের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নবগ্রামের মাটিতে এসেছিলেন, মিশেছিলেন এখানকার সাধারণ মানুষের সাথে। আওয়ামী লীগ সরকার তার হাতে গড়া শিশু পার্ককে অবহেলায় ফেলে রাখলেও, আমরা তা পুনরায় সংস্কার করে শিশুদের জন্য উপযোগী করবো।

    অনুষ্ঠানের আগে তিনি বিদ্যালয়সংলগ্ন জিয়া স্মৃতি শিশু পার্ক পরিদর্শন করেন। নবগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম খান রিমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নূরতাজ আলম বাহার, গোলাম আবেদীন কায়সার, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বাদল, সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান সজীবসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • অসভ্য স্লোগানে লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়-শাহনাজ খুশি

    অসভ্য স্লোগানে লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়-শাহনাজ খুশি

    রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যবহৃত আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি। শনিবার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এই অসন্তোষ জানান।

    শাহনাজ খুশি লেখেন, “আগে স্লোগান শুনলেই দেশের জন্য মন উত্তাল হয়ে উঠত। বিভিন্ন দলের আদর্শ প্রকাশ পেত তাদের মিছিল ও স্লোগানে। কিন্তু এখন স্লোগান শুনলে দ্রুত ফোনের সাউন্ড বন্ধ করে চারপাশে কেউ আছে কি না দেখে নিতে হয়।”

    তার ভাষায়, “বাচ্চা, বয়োজ্যেষ্ঠরা পাশে থাকলে লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়! ছিঃ! কীভাষা?! ”অভিনেত্রী আরও জানান, সম্প্রতি অসভ্য স্লোগানের সঙ্গে একটি নতুন স্লোগানও যুক্ত হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে পৌঁছে গেছে।

    তিনি লিখেন, “এই আমাদের দেশ!! কারো কিচ্ছু যায় আসে না। রাজনীতি করতে শিক্ষা লাগে স্যার! সেটা প্রকৃত শিক্ষা, শুধু সার্টিফিকেট নয়! আক্রোশ দিয়ে কিছু দিন ক্ষমতা ধরে রাখা যায়, মানুষ ধরে রাখা যায় না! অবশ্য মানুষ এখন আর লাগেও না! মানুষকে আর কে ভাবছে?”

    তার এই স্ট্যাটাস প্রকাশের পর ভক্তরা ব্যাপক সমর্থন জানান এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের আপত্তিকর ভাষায় স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।

  • সাটুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    সাটুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলীনূর বকস রতনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে তাকে গ্রেফতার করে সাটুরিয়া থানা পুলিশ।

    আলীনূর বকস রতন দরগ্রাম এলাকার এলাহী বকসের ছেলে এবং সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। গেলো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হন তিনি। এর আগেও একবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন।

    সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, আলীনূর বকস দরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি।

    গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান ওসি।

  • ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন: সিইসি

    ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন: সিইসি

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। শনিবার (৯ আগষ্ট) বিকেলে রংপুর সদর দপ্তরের হলরুমে বিভাগের আট জেলার প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ক মতবিনিময় শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    সিইসি বলেন, “এবারের নির্বাচনে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সজাগ থাকবে। কেউ যদি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করে, তবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, “আজ দিনব্যাপী রংপুরের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেছি। তারাও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।”

    এক দিনের সফরে রংপুরে এসে শনিবার সকালে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব কর্মকর্তার সঙ্গেও মতবিনিময় করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সেখানে বিগত সময়ের নির্বাচনগুলো দেখে বর্তমান নির্বাচন সিস্টেমের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে, তাই মানুষকে কেন্দ্র নিয়ে আসাই একটা বড় চ‍্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।একই সাথে নির্বাচনের আগেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

    এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল, আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।

    এর আগে আজ সকালে রংপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেছিলেন, “‍বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো, আরো উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আমরা চাই যাতে শান্তিপূর্ণ ও নির্ভয়ে মানুষ পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারেন।মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়া ভুলে গেছে।

    তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াই নির্বাচন কমিশনের চ্যালেঞ্জ। এজন্য সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে।আর এই সচেতনতা তৈরিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে। আমরা সাংবাদিকদের কাছে সহযোগিতা চাই, পরামর্শ চাই।”