Blog

  • শরীয়তপুরের ডিসির আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল

    শরীয়তপুরের ডিসির আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুরের (ডিসি) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে এক নারীকে তার সঙ্গে অবস্থায় দেখা যায়। এ ঘটনা জেলা ও দেশ জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছে।

    ২০ জুন শুক্রবার সকালে প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ব্যক্তিগত ফেসবুক টাইম লাইনে ও টেলিগ্রামে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিওটি প্রকাশ করেন।

    ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘শরিয়তপুরের ডিসি মো. আশরাফ উদ্দিন। একজন জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যক্তি। উনি এই ছবিগুলো নিজেই খুশি মনে তুলেছেন। ভিডিও করেছেন। ছবির ওনাকে (ছবিতে থাকা নারী) বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। এখন বিয়ে না করে হুমকি দিচ্ছেন। গল্পের খানিকটা কমেন্টের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া আছে।’

    এছাড়াও টেলিগ্রামে পোস্ট করা ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন শার্টের বোতাম খুলে বুক খোলা অবস্থায় লাল-হলুদ রঙের জামা ও সেলোয়ার পড়া এক নারীকে কোলে নিয়ে চুম্বন করছেন। এছাড়া ভিডিওর মাঝে মোবাইলের ভিডিও কলে থাকা অবস্থায় ওই নারীকে তার বিশেষ অঙ্গ প্রদর্শন করতে দেখা গেছে আশরাফ উদ্দিনকে।

    ভিডিওতে থাকা নারীর সঙ্গে কথা হলে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘উনি (ডিসি) আমার নিকটতম আত্মীয়। আমাকে বিয়ের কথা বলে আমার স্বামীর সাথে ডিভোর্স করিয়েছে। তিনি আমার সংসার ও সমাজ ধ্বংস করে পথে বসিয়েছে। এখন আমাকে বিয়ে না করে উল্টো মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। সে এর আগে আমাকেশারীরিকভাবে মারধর করেছে। আমার ২৫ বছর সংসারে আমি কোথাও সম্পর্কে জড়াইনি।

    কিন্তু সে আমাকে মানসিকভাবে ব্লাকমেইল করে তার প্রতি আসক্ত করেছে। সে আমাকে কলঙ্কিনী বানিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তার জন্য কোথাও আমি মুখ দেখাতে পারি না। কিন্তু সে রাজার হালে রয়েছে। কোটি কোটি টাকা কামাবে সেই ধান্দা করছে। ওর কারণে দুটি সংসার নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এখন তার বিচার চাই।’

    এদিকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ছবি-ভিডিও প্রকাশের পর এ নিয়ে সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ক্ষোভ জানিয়ে জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির বলেন, ডিসি তার চরিত্র ধরে রাখতে পারেননি। ডিসির কাছ থেকে এ ধরনের কাজ কেউ প্রত্যাশা করে না। তার এমন অপ্রত্যাশিত ভিডিও বা ছবি ভাইরাল হবে এটা আমরা বা জনগণ কেউ প্রত্যাশা করিনি।

    এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের মুঠো-ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে নাম্বারে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক হয়ে যোগদান করেন।

    এর আগে তিনি ২৭ তম বিসিএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে পূর্বে নিউরো ডেভলপমেন্ট ও প্রতিবন্ধী ট্রাস্টের পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • বন অধিদপ্তরে চাকুরী মানে গুপ্ত ধনের সন্ধান

    বন অধিদপ্তরে চাকুরী মানে গুপ্ত ধনের সন্ধান

     

    বন অধিদপ্তরে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে ১২ বছর চাকুরি করে গুপ্ত ধনের সন্ধান পেয়েছেন জসিম উদ্দিন হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি। তিনি শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের (মডার্ণ স্কুল এলাকার) কৃষক এসকান আলী হাওলাদারের পুত্র। এলাকাবাসীর ধারণা করছেন বন অধিদপ্তরে চাকুরী করে জসিম গুপ্ত ধন পেয়েছেন।

    জসিম উদ্দিন হাওলাদার ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, এসকান আলী হাওলাদারের বড় ছেলে মতলেব হাওলাদার মাহমুদপুর ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি আলাদা বাড়ি তৈরী করে বসবাস করছেন। অপর ছেলে মোশারফ হাওলাদার দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসে ছিলেন। সেও ঢাকায় বাড়ি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন। জসিম উদ্দিন ছিলেন ভাইদের মধ্যে ছোট। কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হওয়ায় চাকুরির বয়স শেষ হওয়ার পূর্ব মূহুর্তে বন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার মাধ্যমে জসিম চতুর্থ শ্রেণি পদে চাকুরি পায়।

    তিনি ২০১৩ সালের জুলাই মাসে চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ পেয়ে পার্বত্য জেলা রাঙ্গা মাটি ও খগড়াছড়িতে একযুগ দায়িত্ব পালন করেন। প্রথমে তার বেতন কাঠামো ছিল ৪ হাজার ১০০ টাকা স্কেলে। ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেলে ২০তম গ্রেডের আওতায় গিয়ে বেতন স্কেল দ্বিগুন হয় তার। দীর্ঘ ১০ বছর ২০তম গ্রেডে চাকুরি করার পরে ২ বছর ধরে তৃতীয় শ্রেনিতে পদোন্নতি পাওয়ায় ১৭তম গ্রেডে এখন বেতন পান জসিম উদ্দীন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বন অধিদপ্তরে চাকুরির এই স্বল্প সময়ে তিনি স্ত্রী-সন্তান ও পিতা-মাতার চাহিদা পূরণ করে জমি ক্রয় ও বহুতল ভবন নির্মাণে সক্ষম হয়েছেন। সুনামের সাথে কাজ করেও তিনি চলতি বছরের ১৮ মে (স্ট্যান্ড রিলিজ আদেশ) তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। পরে তিনি ২৪ মে বগুড়া সার্কেলে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর ডিভিশনের নবাবগঞ্জ বিটে কর্মরত রয়েছেন।

    তিনি তার পৈত্রিক সম্পত্তির ওয়ারিশ মতলেব হাওলাদারের অংশ ক্রয় করে সেখানে ১ হাজার ৮০০ বর্গ ফুটের দ্বিতল ভবনের প্রথম তলা নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন। সন্তানদের আবাসিকে রেখে লেখাপড়া করান। বিত্তবানদের মতো এলাকায় চলাফেরা করেন। ঘরেও রয়েছে দামী আসবাবপত্র। চাকুরী পাওয়ার পর থেকে তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। ঠিকাদার নিয়োগ করে আধুনিক ডিজাইনে বাড়ির কাজ শুরু করেন। এতো টাকার মালিক কি ভাবে হয় এলাকায় এমন গুঞ্জন শুরু হওয়ায় সে দ্বিতীয় তলার কাজ বন্ধ রাখেন।

    বন অধিদপ্তরে ছোট পদে চাকুরী করে বহুতল ভবনের মালিক হওয়ার রহস্য জানতে চাইলে জসিম উদ্দিন বলেন, রাঙ্গা মাটি, খাগড়াছড়ির দিখিনালা এলাকায় যখন বসবাস করতেন তখন সন্তানদের পড়ালেখা খরচ কম ছিল। সেখানে খাবার খরচও কম। তাছাড়া তখন তিনি অফিসের কিছু টালি খাতা লিখতেন। সেখান থেকেও অনেক টাকা পেতেন। বর্তমানে তিনি ১৭তম গ্রেডের আওতায় ২৯ হাজার টাকা বেতন পান। তিনি কোন দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। সম্পদের বিবরনীতেও তিনি তার সম্পদের হিসেব দেখিয়েছেন বলে তিনি দাবী করেন। বিল্ডিং তৈরী করতে গিয়ে তিনি ধার দেনা করেছেন। এখনও ধারের টাকা শোধ হয়নি।

    তবে এলাকাবাসী জানায়, বন অধিদপ্তরে চাকুরী করে জসিম উদ্দিন এখন অর্থে-বিত্তে ভালোই আছে। জমি ক্রয় করে দালান করেছে। স্ত্রী-সন্তান ও বাবা-মাকে নিয়ে তার সংসার। সকলকেই ভালো রাখতে চেষ্টা করে। ঈদে ও উৎসবে অর্থ ব্যয় করে। তাছাড়া এলাকায় দাপটের সাথে চলাফেরা করে। তবে তার অর্থের উৎস সম্পর্কে কেউ জানে না বলে দাবী করে এলাকাবাসী।

  • রংপুরে জিএম কাদেরের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

    রংপুরে জিএম কাদেরের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

    রংপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে নগরীর সেনপাড়ায় ‘স্কাই ভিউ’ বাসভবনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় বাড়িতে ঢিল ছুড়ে জানালার কাচ ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

    তখন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা প্রতিহতের চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা ওই বাড়ির সামনে জড়ো হতে থাকেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    এর আগে বিকেলে রংপুরে গিয়ে জিএম কাদের গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) চলমান বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কথা বলেন।এরপর জিএম কাদের রংপুরে অবস্থান করার প্রতিবাদে রাত ৮টার দিকে প্রেস ক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে মিছিলটি প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে সেনপাড়ার স্কাই ভিউ বাড়ির দিকে রওনা হয়।এরপরই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

    মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসীর বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতি করতে চাই। কোনো কারণ ছাড়াই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আজকে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। আমরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

  • জাপানের ১.০৬৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা প্রদান

    জাপানের ১.০৬৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা প্রদান

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।

    বৈঠকে জাপান ও বাংলাদেশ চুক্তি বিনিময় করেছে, যার আওতায় টোকিও ঢাকাকে বাজেট সহায়তা রেলপথের উন্নয়ন এবং অনুদান হিসেবে ১.০৬৩ বিলিয়ন ডলার দেবে।

    শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    সেখানে বলা হয়, মোট ৪১৮ মিলিয়ন ডলার জাপান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার জন্য উন্নয়ন নীতি ঋণ হিসেবে দেবে।

    টোকিও জয়দেবপুর-ঈশ্বরদীকে ডুয়েল-গেজ ডাবল রেলপথে উন্নীত করার জন্য ৬৪১ মিলিয়ন ডলার এবং বৃত্তির জন্য অনুদান হিসেবে আরও ৪.২ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে।

  • তাজউদ্দীন কলেজের নাম পরিবর্তন নিয়ে সোহেল তাজের প্রতিক্রিয়া

    তাজউদ্দীন কলেজের নাম পরিবর্তন নিয়ে সোহেল তাজের প্রতিক্রিয়া

    দেশের ৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যার মধ্যে রয়েছে গাজীপুরের কাপাসি-য়ায় অবস্থিত সরকারি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজের নাম। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু বলার নাই।

    কারণ, আমার বাবা এবং মা এই দেশ এবং এই দেশের মানুষকে অনেক ভালোবাসতেন। আর তাই এই দেশের জন্য অনেক ত্যাগ করেছেন কিছু পাওয়ার জন্য না- তাই ওনাদের কর্মের স্বীকৃতি এই দেশ কোনোদিন যদি নাও দেয়- ইটস ওকে। বাংলাদেশ ভাল থাকলেই হল।’

    কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, ‘মুছে যাক আমার নাম, তবু বেঁচে থাকুক বাংলাদেশ’- তাজউদ্দীন আহমদ।

    শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ আমাদের কাপাসিয়ার গর্ব ও অহংকারের নাম! বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ সাহেবের পরিবার এবং ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ্ সাহেবের পরিবার এটা আমাদের কাপাসিয়ার ঐতিহ্য।

    সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, আজ ৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে তালিকার ৩৬ নম্বর কলেজের নামটি সরকারি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ। এই নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম ঠিক করা হয়েছে, কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ।

    তিনি লিখেছেন, বোঝার সুবিধার্থে জানিয়ে রাখি কলেজটি অবস্থিত গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের গ্রামের বাড়ি দরদরিয়া থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে হাইলজোর গ্রামে।

    কলেজটি যখন সরকারিকরণ করা হয় তারও  অনেক আগে থেকেই এই কলেজের নামকরণ করা হয় ‘শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ’ এবং এই নামেই কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়, যার আগে নাম ছিল ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ হাইলজোর।

    সোহেল তাজ লিখেছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হওয়ার ৯ মাসের মাথায় দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম বাদ দিয়ে নতুন নাম দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছে বর্তমান সরকার। যার ফলে আমরা এখন নতুন নাম পেয়েছি ‘কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ’।

    আপনাদের সুবিধার্থে আরও একটি তথ্য জানিয়ে রাখি, কাপাসিয়া সদরে কিন্তু আরো একটি ডিগ্রি কলেজ আছে। তার নামও ‘কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ’ (সরকারি হয় নাই এখনও)।

    তিনি আরও লিখেছেন, কথা হচ্ছে, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের নাম বাদ দিয়ে নতুন নামের কারণে কী কী সুবিধা আমরা পাব! স্বাধীনতা যুদ্ধের এই মহানায়কের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যই বা কী? কর্তৃপক্ষ কি এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা দিতে পারবে?

    সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, আসলে নাম পরিবর্তনেই বা কী আসে যায়, যেখানে আমাদের নেতা তাজউদ্দীন আহমদ বলে গিয়েছেন, ‘মুছে যাক আমার নাম, তবু বেঁচে থাকুক বাংলাদেশ’। আর এইটা তো একটা কলেজ মাত্র। তবে দুঃখ লাগে! তাও লাগতো না, যদি না কলেজটি অন্য কোনো জায়গায় হতো৷ কলেজটি যে তাজউদ্দীন আহমদের নিজ ইউনিয়নে।

    তিনি লিখেছেন, সারাদেশে যখন শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙা হচ্ছিল, তখন তাজউদ্দীন আহমদ চত্বরে উনার ম্যুরালে মালা পরিয়ে ছিল ছাত্র-জনতা!

    বিগত ৫৪ বছরের নাম নিয়ে কাপাসিয়ায় কোনো অপরাজনীতির ইতিহাস নেই উল্লেখ করে তাজউদ্দীনপুত্র আরও লিখেছেন, কেবল চোখে পড়ছে! এরা কারা, কী স্বার্থ তাদের?

    সবশেষে তিনি লিখেছেন, আমি এতো কিছু জানি না, এতো কিছু বুঝি না। তবে আমি এই কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।

  • ৪ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে ১৬ জেলা

    ৪ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে ১৬ জেলা

    অমাবস্যা ও গভীর নিম্নচাপের কারণে দেশের ১৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ২ থেকে ৪ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

    এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে এবং ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।

  • বাংলাদেশ থেকে এক লাখ শ্রমিক নেবে জাপান

    বাংলাদেশ থেকে এক লাখ শ্রমিক নেবে জাপান

    ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।

    বৃহস্পতিবার (২৯ মে) টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।”

    তিনি বলেন, “এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।”

    সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন। প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ; দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক। বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।” তিনি বলেন, “সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।”

    শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, “অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব।” এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের সহায়তার গল্প বলেছিলেন।

    তিনি বলেন, “আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।”

    ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতি বছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।”

    জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।” জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, “জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।”

    তিনি বলেন, “এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।”

    স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, “২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরো দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।”

    সূত্র: বাসস

  • শিবগঞ্জে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন ॥ ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ

    শিবগঞ্জে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন ॥ ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

    এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ভুক্তভোগী মো. আব্দুল করিম জানান, তিনি ও তার সহযোগী মো. তাজামুল হক ও মো. নূরুল ইসলাম মিলে স্থানীয় মো. এসলাম আলীর কাছ থেকে চাপড় মৌজায় ১ একর ১২ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছেন।

    গত ২৭ মে রাত ৯টার দিকে প্রতিদিনের মতো পুকুর তদারকি শেষে তারা বাড়ি ফিরে যান। পরদিন ২৮ মে ভোরে এসে দেখেন, পুকুরের সব মাছ মরে পানিতে ভেসে আছে।

    এসময় স্থানীয় লোকজন এসে মৃত মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে যান বলে জানান তিনি। আব্দুল করিমের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে কোনো অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিংসার বশবর্তী হয়ে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে।

    এতে তাদের চাষকৃত মাছ সম্পূর্ণরূপে নিধন হয়ে যায়। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান হেরোইন ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার -১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান হেরোইন ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার -১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ মাদক পাচারের গোপন সংবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি ৩’শ গ্রাম হেরোইন ও নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকাসহ সাখাওয়াত হোসেন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার সকালে মাদক ব্যবসায়ীর সাখাওয়াত হোসেন খান এর নিজ বাসায় এই অভিযান চালানো হয় বলে নিশ্চিত করেছে মাদকদ্রব্যনিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে এক প্রেসব্রিফিং এ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে একটি ডিএনসির একটি দল বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল ৭ টার দিকে জেলার সদর মডেল থানার চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ওরফে সাখ্ধসঢ়;খান এর নিজ বসতবাড়ী তল্লাশি করে হেরোইন-০৩ কেজি ৩০০গ্রাম, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, সিলার মেশিন-০১ টি এবং হেরোইন পরিমাপক যন্ত্র-০১টি উদ্ধার করা হয়।

    অভিযানে পরিদর্শক মোঃ ইলিয়াস হোসেন তালুকদার এর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্য এবং ডিএনসি-র সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।গ্রেফতার কৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পলাতক আসামী চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়ার শফিকুল আলমের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ ওরফে আব্দুল (৩৫), একই এলাকার মো: আমির হোসেনের ছেলে মো: জুয়েল রানা (৩৪) দ্বয়ের পারস্পরিক সহযোগিতায় তারা মাদক ব্যবসা করে আসছে।

    এ বিষয়ে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে মদ-ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে মদ-ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার-৩

    মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে  চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র পৃথক পৃথক অভিযানে বিদেশী মদ-ফেন সিডিলসহ ৩জন গ্রেফতার হয়েছে।

    বুধবার গভীর রাতে চালানো এই পৃথক অভিযানে ১০ বোতল বিদেশী মদ এবং ৫১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরউপজেলার নারায়নপুর চিমটাপাড়ার মৃত শামসুল হক এর ছেলে মোঃ জুয়েল রানা (৩২), দেবীপুরের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ বশির আহমেদ (২৩) এবং জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পিয়ালীমারীর মৃত মাহিদুর এর ছেলে মোঃ সুমন (২৮)।

    জেলা পুলিশের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম-সেবা মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন আকন্দ’র তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল ২৮ মে রাত পৌনে ১০টার দিকে সদর মডেল থানার সুন্দরপুর ইউনিয়নের সুন্দরপুর রিয়াজ মোড়ল এর বাঁশঝাড়ের মধ্যে অভিযান চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী মোঃ জুয়েল রানা মোঃ বশির আহমেদ কে ১০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ গ্রেফতার করা হয়।

    এছাড়া অপর এক অভিযানে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ফয়সাল হাসান এর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল ২৮ মে রাত পৌনে ১২ টার দিকে নাচোল থানার নিজামপুর ইউনিয়নের বৈদ্ধপুর এলাকার পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুমন কে ৫১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারসহ গ্রেফতার করা হয়। এঘটায় পৃথক পৃথক থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।