Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা মহিলালীগের কোষাধ্যক্ষ গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা মহিলালীগের কোষাধ্যক্ষ গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মহিলালীগের কোষাধ্যক্ষ রাজিয়া সুলতানা সম্পা কে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া দশটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শিয়ালা কলোনী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে উদযাপন এবং “আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী-শুভেচ্ছা-স্বাগমত, শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে, জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু” শ্লোগান দিয়ে আওয়ামীলী গের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ উল্লাস করার সময় গোপন সংবাদে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আওয়ামীলীগের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনার পরও আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ উল্লাস করা করায় তদন্তাধিন পূর্বের একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মহিলালীগের কোষাধ্যক্ষ রাজিয়া সুলতানা সম্পা কে বলে বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমান।

  • সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

    সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

    সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার পর এবার রাষ্ট্রদ্রোহ, অন্যায় প্রভাব খাটিয়ে প্রহসনের নির্বাচন দেওয়ার মামলায় সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

    এদিন বেলা ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে বেলা ১টা ২৫ মিনিটে তাকে আদালতে তোলা হয়।মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার এ আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

    শুনানিতে তিনি বলেন, “এই আসামি ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি এ দেশে কলঙ্কজনক নির্বাচন হয়। সেই ডামি নির্বাচনে আ.লীগ ও ২-১ টি দল ছাড়া আর কেউ অংশ নেয়নি। সেই নির্বাচন ছিল ডামি নির্বাচন, একতরফা, লোক দেখানো ও প্রহসনের নির্বাচন।”

    তিনি বলেন, “তিনি (আউয়াল) সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দিতে পারেননি। তখন তিনি বলেছিলেন, কেউ নির্বাচনে না আসলে আমি কি বসে থাকবো? তিনি ৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে চলে যান। অন্যায় করেছেন বলেই তিনি গা ঢাকা দেন।”

    শুনানিতে তিনি আরো বলেন, “৭ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি গণমাধ্যমে বলেছেন, সারাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। এত বড় মিথ্যা বলে তিনি কিভাবে তার পরিবারের সামনে মুখ দেখান। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত ২৭.১৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানান। তার ১ ঘণ্টা পর ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানান। অথচ আমরা দেখেছি কেন্দ্রগুলোতে কোনো মানুষ ছিল না, কুকুর-বিড়াল কেন্দ্রে শুয়ে ছিল। ওই ১ ঘন্টা তিনি কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে বলেন, ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। কতটা হাস্যকর কথাবার্তা।”

    শুনানিতে সরকারি এই আইনজীবী বলেন, “আসামির বিরুদ্ধে তৎকালীন সরকারের সঙ্গে আঁতাত করার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনের থোক বরাদ্দ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সংবিধান বহির্ভূত বক্তব্য দিয়ে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহ করেছেন। আমরা তার সর্বোচ্চ রিমান্ড প্রার্থনা করছি।”

    আসামি পক্ষের আইনজীবী এমিল হাসান রুমেল তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে বলেন, “তার বয়স ৭০। তিনি অনেক দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছেন। আমরা যেন ফ্যাসিস্ট দমাতে গিয়ে নিজেরা ফ্যাসিস্ট না হয়ে যাই।”
    এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, “প্রসিকিউশনের বক্তব্যের সঙ্গে আমিও একমত। নির্বাচনটি ডামি ও প্রহসনের নির্বাচন ছিল।”

    এ সময় তাকে থামিয়ে বিচারক বলেন, “প্রত্যেক জেলায় নির্বাচনী ইনকোয়ারি কমিটি করা হয়। যেখানে একজন যুগ্ম-জেলা জজ পদমর্যাদার একজন দায়িত্বে থাকেন। আগে যার ভাতা ছিল ২২ হাজার টাকা, সেটা আপনি ৫ লাখে উন্নীত করেছেন। এতে কি জনগণের টাকা অপচয় হয়নি?”

    এ বিষয়ে তার জানা নেই উল্লেখ করে আউয়াল জানান, ৫ বছরের মুদ্রাস্ফীতি হিসেব করে হয়তো ভাতা বাড়ানো হয়েছিল।

    এরপর বিচারক আবারো বলেন, “এই যে ইনকোয়ারি কমিটি করা হয়েছিল নির্বাচনের সময়, কোথাও কি তারা সরেজমিনে গিয়েছিলেন?”

    তখন আওয়াল বলেন, “একজন রিটার্নিং অফিসারের অধীনে ৪-৫টা সংসদীয় আসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাকে সহযোগিতা করতে আরও ৪-৫ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার থাকেন। একটা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার জন্য ২ ভাগ দায়িত্ব কমিশনের, বাকি ৯৮ ভাগ দায়িত্ব মাঠ পর্যায়ে কাজ করা অফিসারদের।”

    বিচারক জিজ্ঞেস করেন, “নির্বাচনের আগে এমন অবস্থা জেনে আপনি পদত্যাগ করলেন না কেন?”

    এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ওই অবস্থায় পদত্যাগ করা সম্ভব ছিল না। আমার এক বন্ধুও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল পদত্যাগের কথা। আমি বলেছি তুমি যদি আগে বলতে এমন ভয়ংকর নির্বাচন হবে, তাহলে আমি দায়িত্বই নিতাম না।”

    আউয়াল পূর্বের নির্বাচনের কথা তুলে ধরে বলেন, “৭২ এর সংবিধান প্রণয়নের তিন মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত ৭৩ এর নির্বাচনে আ.লীগ ২৯৩টি আসন পায়। সেই নির্বাচনও সুষ্ঠু ছিল না। ক্ষমতার লোভ এমন যে, শেখ মুজিবও তা সামলাতে পারেননি। ৯৬ সালে আ.লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করে। পরবর্তীতে তারাই আবার দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সংবিধান সংশোধন করে।”

    এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী উত্তেজিত হয়ে আদালতকে বলেন, “তিনি (আউয়াল) নিজেকে জাস্টিফাই করছেন। তার এসব বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই।”

    জবাবে আউয়াল বলেন, “জাস্টিফাই না করতে দিলে রিভলবার দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলেন।”

    এ সময় উপস্থিত আইনজীবীরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে এজলাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    নির্বাচন কমিশনের অসহায়ত্ব তুলে ধরে আউয়াল আরো বলেন, “মৌলিক সংস্কার ছাড়া আগামী ১ হাজার বছরেও এদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।”

    আধ ঘণ্টার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

    এর আগে, বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর মগবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় গত ২৩ জুন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    আওয়ামী লীগ আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আসামি করে মামলা করে বিএনপি। মামলায় মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    গত রোববার (২২ জুন) বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. সালাহউদ্দিন খান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এছাড়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজির আহমেদ ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও আসামি করা হয়।

  • ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস

    ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস

    ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ এবং ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার (২৫ জুন) রাতে সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস শ্রেণিভুক্ত, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালিত হবে। ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রতি বছর দিবসটিকে শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালন করা হবে। তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, সরকার ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর এ তারিখকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    তথ্য অধিদপ্তর জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ সরকার ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতি বছর দিতবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

    তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর এ তারিখকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ ঘোষণা ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে পালন এবং দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার প্রতিবছর ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ওই তারিখকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে পালনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবরের পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    এসব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যার তীব্র নিন্দা জানালো ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যার তীব্র নিন্দা জানালো ইরান

    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থাপিত ব্যাখার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান।

    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি এই ব্যাখ্যাকে ‘আইনিভাবে ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছেন।চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাকে ‘অবৈধ এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে ইরান।

    একইসঙ্গে জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের আওতায় আত্মরক্ষার অধিকার দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের হত্যা’ বলেও অভিহিত করেছে। খবর বিবিসির।

    চিঠিতে ইরাভানি আরো উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাধারণ সম্মেলনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ‘শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর যে কোনো ধরনের হামলা কিংবা হামলার হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা ও যাচাই প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ণ করে।

    এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাইয়া কালাসও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যে কেউ বলপ্রয়োগ করলে তাকে আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তা ব্যাখ্যা করতে হবে।হামলাটি আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে কতটা বৈধ- এই প্রশ্নের জবাবে কায়া কাল্লাস বলেন, শতভাগ বৈধ বলা যায় না।

  • সাটুরিয়া আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফ গ্রেপ্তার !

    সাটুরিয়া আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফ গ্রেপ্তার !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশ।

    বুধবার সকাল ১১ টার দিকে ধানকোড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। আব্দুর রউফ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তিনি ধানকোড়া ইউনিয়নের মৃত আব্দুস সামাদ চেয়ারম্যানের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মানিকগঞ্জে মমতাজ চক্ষু হাসপাতালের সামনে ছাত্র-জনতার ওপর আওয়ামী লীগের হামলার পর চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি কিরণ মিয়া বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের ৬৮ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০০ জনকে আসামি করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমান উল্ল্যাহ জানান, গত ৬ জানুয়ারি সদর থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় আব্দুর রউফকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল  ইসলামের (জনু পাগলার) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত সোমবার (২৩শে জুন ২০২৫ সাল) বেলা ৪টায় মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চাচিতারা গ্রামে ‘চাচিতারা খেলার মাঠ প্রাঙ্গনে’ এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৎপর জানাজা শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলামের (জনু পাগলার) দাফনের আগে সাটুরিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন। এ সময় উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা তানভীর হাসান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম (জনু পাগলা) দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিকস-সহ বিভিন্ন জটিল রোগে  ভোগ ছিলেন। ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় (২৩ জুন) সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো আনুমানিক ৭৫ বছর।

    ব্যক্তিগত জীবনে নিঃসন্তান কামরুল ইসলাম (জনু পাগলা) একাধারে বহুমূখী প্রতীভার অধিকারী ছিলেন। তরীকাভক্ত, সমাজ সেবক, দানবীর, মুক্তিযোদ্ধা ও পন্ডীত ব্যক্তি হিসাবে তিনি সর্বমহলে সুপরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশবাসী একজন সৃজনশীল-ব্যক্তিকে হারালো।

     

  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মানিকগঞ্জ-০৩ আসনে এমপি প্রার্থী তৃণমূলের মতামত গ্রহণ

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মানিকগঞ্জ-০৩ আসনে এমপি প্রার্থী তৃণমূলের মতামত গ্রহণ

    মানিকগঞ্জ-০৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এমপি প্রার্থী মনোনয়ন বিষয়ে তৃণমূল দায়িত্বশীলদের মতামত গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে চরসাটুরিয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাটুরিয়া শাখার কার্যালয়ে এ মতামত গ্রহণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী।

    তিনি বলেন, “দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে লক্ষ্যে হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে।” অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. নিজাম উদ্দিন।

    এসময় সাটুরিয়া ও মানিকগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলার ইসলামী আন্দোলন ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে কর্মস্থলে নেই শরীয়তপুরের ডিসি

    ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে কর্মস্থলে নেই শরীয়তপুরের ডিসি

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুরের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে এসব ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তিনি ভাড়া গাড়িতে ঢাকায় চলে গেছেন বলে জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তারা আরো জানিয়েছেন ডিসি ছুটিতে গেছেন। বিষয়টি জেলা ও সারাদেশে আলোচনা-সমালোচনা কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে।

    ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া ওই নারী জানায়, বিভিন্ন কৌশলে তাকে ফাসিয়েছে ডিসি। বিয়ের প্রলোভনও ছিল প্রতারণামূলক। আমার সব কিছু ধ্বংস করে দিয়ে আমাকে বিয়ে করেনি। ওই নারী শরীয়তপুরের একজন গমমাধ্যম কর্মির সাথে যোগাযোগ করেছেন।

    সেখানে তিনি দাবী করেন, আশরাফ উদ্দিন তাকে বিয়ের কথা বলে স্বামীর সাথে ডির্ভোস করিয়েছেন, সংসার ভেঙ্গেছেন। এখন বিয়ে না করে মেরেফেলার হুমকি দিচ্ছেন।

    ঘুমের ঔষধ খেয়ে, নেশা করে আত্মহত্যা করার ভয় দেখিয়ে তার প্রতি আমাকে দুর্বল ও আসক্ত করেন। এক বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক চলছে। বিয়ের জন্য বললে আমার ছবি ও ভিডিও সে ভাইরাল করে দিবে এমন হুমকিও দিয়েছেন।

    বিষয়টি নিয়ে ডিসি আশরাফ উদ্দিনের সাথে কথা বলে জানাগেছে, ছবি ও ভিডিওতে থাকা নারী ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের আত্মীয়। আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে তাদের সম্পর্ক হয়। প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও কিছু সত্য এবং কিছু সংগৃহিত। তবে ওই নারী তালাকপ্রাপ্ত।

    তিনি আরো বলেন, ফেসবুকে ছবি-ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে ওই নারী প্রচুর টাকাও নেয়। ভিডিওতে থাকা ওই নারীর বাড়ি টাঙ্গাইলে। তিনি স্বামীর সঙ্গে ঢাকার মিরপুর এলাকায় থাকতেন। ডিসি আাশরাফ উদ্দিনের বাসাও মিরপুরে । স্বামীর সাথে ডিভোর্স হওয়ার পর তিনি টাঙ্গাইলে বসবাস করছেন।

    তবে ওই নারীর সাথে তার সম্পর্ক ছিল বলেও তিনি দাবী করেছেন। দুই মাস ধরে ডিসি ও ওই নারীর মধ্যকার বিরোধ আইনজীবীর মাধ্যমে মধ্যস্থতার চেষ্টা চলছিল। মধ্যস্থতায় কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় এমন ছবি ও ভিডিও মানুষের সামনে চলে এসেছে।

    শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাসুদুল আলম বলেন, ডিসি স্যার ছুটিতে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে রাতে তিনি ঢাকায় গেছেন।

    অবর্তমানে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব কে পালন করবেন তা জানানো হয়নি। তিনি কবে ফিরে আসবেন, তাও আমরা বলতে পারছি না।

  • র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক ২ আসামী  গ্রেফতার

    র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক ২ আসামী গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা এবং সদর কোম্পানী র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক ২ জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

    র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাব-৫ সিপিসি- ১,চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সিপিএসসি, রাজশাহী এর যৌথ অভিযানে হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১০ নম্বর পলাতক আসামী মোঃ সিয়াম আলী(২০), পিতা-মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাং-সুবইল, থানা-গোমস্তাপুর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ ’কে ২২ জুন ২০২৫ ইং তারিখ ১৫:৩০ ঘটিকার সময় রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন তালাইমারী ট্রাফিক মোড় এলাকা হতে গ্রেফতার করে।

    একই ঘটনায় র‌্যাব-৫ সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সদর কোম্পানী র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে এজাহারনামীয় ৮ নম্বর পলাতক আসামী মো: আরজেদ আলী @ টুনু (৫৫), পিতা-মৃত রুস্তম আলী, সাং-সুবইল, থানা-গোমস্তাপুর, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ’কে ২২ জুন ২০২৫ বিকেল ৪টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার দবিরগঞ্জ বাজার হতে গ্রেফতার করে।

    ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৯ জুন/২৫ সময় অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় এজাহারনামীয় আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গোমস্তাপুর থানার পার্বতীপুর ইউপিস্থ সুবইল গ্রামের পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ মাঠের পূর্ব পার্শ্বে বাদিনীর চাচাতো ভাই মোঃ নাহিদ আলীর বসতবাড়ীর ভিতরে ও বাহির আঙ্গিনায় প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বাদিনীর বাবা মোহা: আব্দুল বাশেদ আলী’কে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা বরাবর স্বজোরে আঘাত করে।

    আঘাতে ভিকটিমের মাথার মাঝখানে লেগে গুরুতর রক্তাক্ত জখমপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে অন্যান্য আসামীরা তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারী মারপিট করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এ সময় এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামীগণের মারপিটের ফলে বাদীর চাচী ও চাচাতো ভাই আহত হয়।

    উক্ত ঘটনায় ভিকটিম মৃত আব্দুল বাশেদ আলীর মেয়ে বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • ভারতে ঢুকে পড়া বিজিবিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ !

    ভারতে ঢুকে পড়া বিজিবিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের জোহরপুর সীমান্তে চোরাকারবারি ধরতে গিয়ে দলছুট হয়ে ভারতে ঢুকে পড়া এক বিজিবি সদস্যকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।

    শুক্রবার রাতে দলছুট হওয়া বিজিবি সদস্য মতিউর রহমানকে শনিবার রাতে বিজিবি- বিএসএফ’র সাথে পতাকা বৈঠকের পর ফেরত দেয়া হয়। মতিউর জোহরপুর বিওপিতে সিপাহী পদে কর্মরত। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবি’র রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ইমরান ইবনে রউফ।

    বিজিবি ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের জোহরপুর সীমান্ত ফাঁড়ির একটি দল গরু চোরাকারবা রিদের ধরতে অভিযান চালায়। এসময় চোরাকারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে ভারত ভুখন্ডে ঢুকে পড়েন মতিউর রহমান। পরে আর তিনি ফিরে আসতে পারেননি।

    ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, চোরকারবারিদের ধরতে গিয়ে দলছুট হয়ে ভারতের ভিতরে ঢুকে পড়া বিজিবির একজন সদস্য একটি বিএসএফ ক্যাম্পে আশ্রয় নেন বলে শুনেছি।

    বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমা-ার বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে বিএসএফকে জানানো হলে শনিবার রাতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেয়া হয় তাকে। ভারতে ঢুকে পড়া মতিউর রহমানকে ফেরত দেয়ার আগে বিএসএফের বাজিতপুর ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল।

    সীমান্তের শূন্য রেখায় শনিবার রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত বিজিবি-বিএস এফ’র পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিজিবি সদস্যতে ফেরত দেয় বিএসএফ।