Blog

  • আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই-ডা. শফিকুর রহমান

    আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই-ডা. শফিকুর রহমান

    বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদে চলমান ‘জুলাই জাতীয় সংবিধান সংস্কার আদেশ-২০২৫’ সংক্রান্ত বিরোধীদলীয় নোটিশের ওপর দুই ঘণ্টার আলোচনা শেষে স্পীকারের কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা সংসদের ভিতরেই সমাধান চেয়েছিলাম।

    জনগণের চূড়ান্ত রায়কে সম্মান জানাতে চাইছিলাম। কিন্তু স্পিকার ও সরকারি দল তা গ্রহণ করেননি। আমাদের ওয়াকআউটের কারণ হলো জনগণের অভিপ্রায়কে অবমূল্যায়ন করা। এখন আমরা সেই রায় জনগণের কাছে নিয়ে যাব।”

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “গত তিনটি গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ প্রথমবার যেখানে সরকারি দল ও বিরোধীদল উভয়ই একমত ছিল, কিন্তু তা উপেক্ষিত হলো।

    তিনি আরও যোগ করেন, “সংসদে থাকবো না আমরা, এটা আমরা বলিনি। ওয়াক আউট করেছি, কিন্তু গিভ আপ করিনি। জনগণের সঙ্গে নিয়ে গণভোটের দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করব। আমাদের ১১টি দল বসে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ইনশাআল্লাহ।”

     

  • যুক্তরাষ্ট্র বিপরীতে ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন আর্মি

    যুক্তরাষ্ট্র বিপরীতে ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন আর্মি

    ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর পর ৩২ দিন ধরে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে পরাজিত করতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্র এবার স্থল আগ্রাসনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন সৈন্যরা হামলা করলে তাদের প্রতিহত করতে ইরানের পক্ষে যুদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার চেচেন আর্মি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইরানের সংবাদ মাধ্যম গুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

    ইরানি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা যায়, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান শুরু করে, তবে রমজান কাদিরভের অনুগত চেচেন সামরিক ইউনিটগুলো সেখানে মোতায়েন হওয়ার জন্য প্রস্তুত।

    কাদিরভপন্থী বাহিনীগুলো ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি সামরিক অভিযানকে একটি ‘ধর্মীয় যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং সম্ভাব্য যেকোনো হস্তক্ষেপকে ‘জিহাদ’—ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিরক্ষায় ভালো ও মন্দের লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেছে।

    সূত্র: দ্য ইয়ন

  • ঈদের পথে মার্চেই ঝরেছে ৫৮৭ প্রাণ !

    ঈদের পথে মার্চেই ঝরেছে ৫৮৭ প্রাণ !

    ঈদের আগে-পরের ১৫ দিনে ৩৫৮ সহ মার্চে সড়ক-রেল ও নৌপথে ঝরেছে ৫৮৭ জনের প্রাণ। গবেষণা-সচেতনা ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সেভ দ্য রোড-এর মহাসচিব শান্তা ফারজানা আরো জানান, ১৬ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত সড়ক-রেল ও নৌপথে চরম নৈরাজ্য-বিশৃঙ্খলা আর পুালিশ-প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারির অবহেলায় ছোট-বড় ৩৫০১ টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৮৫৯ জন।

    সেভ দ্য রোড-এর পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়- অদক্ষ ও ক্লান্ত চালকদের দ্বারা পরিচালিত বাস-ট্রাক দুর্ঘটনা অতিতের ঈদের চেয়ে যেমন বেশি ঘটেছে, তেমনি নারী ও শিশু হতাহত ও নিহতর ঘটনাও ঘটেছে বেশি।

    ১৯৩৭ জন নারী ও শিশু আহত এবং নিহত হয়েছেন ২৯৪ জন। ষাটোর্ধ পুরুষ ৮১১ আহত এবং নিহত হয়েছেন ১১২ জন। ১৮-৫৫ বছর বয়সী পুরুষ ১১১১ আহত এবং নিহত হয়েছেন ১৮১ জন।

    সেভ দ্য রোড-এর প্রতিবেদনে আরো জানানো হয় যে, এবার যোগাযোগ মন্ত্রী-সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতা ও দায়সাড়া গোছের বক্তব্যের সুযোগে গড়ে ওঠা পরিবহন সিন্ডিকেটের কাছে অতিতের চেয়ে অনেক বেশি জিম্মি হয়েছিলো সাধারণ মানুষ। শত ভাগ বেশি ভাড়া দিয়েও বাস না পেয়ে অনেককেই ট্রাকের ছাদে যেমন উঠে যেতে হয়েছে বাড়ির পথে, তেমনি যাত্রী হতে হয়েছে পিকআপের মত বিপদজনক বাহনে। সেই সাথে যোগ হয়েছিলো জ¦ালানি সংকটের বিড়ম্বনাও।

    উল্লেখ্য, ‘সেভ দ্য রোড-এর অঙ্গীকার পথ দূর্ঘটনা থাকবে না আর…’ বাক্যটিকে লালন রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে ২০০৭ সালে পথচলা শুরু করে আকাশ-সড়ক- রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত করার জন্য নিবেদিত দেশের একমাত্র সচেতনতা-গবেষণা ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সেভ দ্য রোড।

  • সাটুরিয়ায় (এলডিডিপি) এর আওতায় পিজি সদস্যদের মাঝে উপকরণ বিতরণ

    সাটুরিয়ায় (এলডিডিপি) এর আওতায় পিজি সদস্যদের মাঝে উপকরণ বিতরণ

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলায় প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) এর আওতায় পিজি সদস্যদের মাঝে উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় সাটুরিয়া উপজেলা ( প্রাণী সম্পদ) কার্যালয়ে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় উপকরণ বিতরণ করা হয়।

    সাটুরিয়া উপজেলা ( প্রাণী সম্পদ) অফিসার ডা: তানজিলা ফেরদৌসী জানান সাটুরিয়া উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে বিভিন্ন খামারিদের সমিতির মাঝে উপকরণ হিসাবে মিলক্যান, ডামবোট,বালতি,বালতির ডাকনা, মেজারিং পট, হান্ড গোলস বিতরণ করা হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া উপজেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকতা ও খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন এ্যাড. জামিলুর রশীদ খান

    মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন এ্যাড. জামিলুর রশীদ খান

    মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশীদ খান। মৃদুভাষী ও সৎ মানুষ হিসাবে তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।

    আজ ৩১শে মার্চ মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির আদেশে উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতা বিবেচনায় সরকার এ নিয়োগ প্রদান করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচন করেন। ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

    জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির একাধিকবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি মানিকগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা, রাইফেলস ক্লাব, বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ডিরেক্টর হিসেবে জব্বার জুট মিলস লিমিটেড এবং চেয়ারম্যান হিসেবে সিমাটিক লিমিটেডে দায়িত্ব পালন করছেন।

     

     

  • সমতা ও ন্যায্যতার বিচারে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীই মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আশার প্রতিক!

    সমতা ও ন্যায্যতার বিচারে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীই মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আশার প্রতিক!

    বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের অত্যাধিক দলীকরণে সাধারন মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। বিয়ের দাওয়াত থেকে শুরু করে রোজাদারদের দাওয়াতেও দলীয় প্রভাব দেখা গেছে। বিচার-আচার কিম্বা সরকারী বাজেট বরাদ্দেও দলীয় লোকদের সীমাহীন অধিকার ছিল। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে, একচাটিয়া প্রভাব বিস্তারে দলীয় নেতা-কর্মীরা ছিল একট্র। তাদের এই অত্যাচার-নীপিড়ন, নির্যাতন আর দলীয় প্রভাবের বিরুদ্ধে সাধারন জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জুলাই বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়লে অবশেষে স্বৈরাচার সরকারের পতন হয়। যার কারণে আজ আমরা একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছি।

    দেশের মানুষের বহুল কাঙ্খিত এই নির্বাচিত সরকার মাত্র একমাস পার করেছেন। এর মধ্যে দলীয় চামচেমীতে সরকার অনেকটাই কোনঠাসা। যদিও সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বার বার বলছেন, ‘সত্য সুন্দর ও কল্যাণকার কাজে তারা কোন ভাবেই দলীয় হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীও কঠিণ হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেছেন ‘সরকারী দলে কোন চাদাঁবাদ, সন্ত্রাসী ও লুটেরার আশ্রয় হবে না। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে এই সিদ্ধান্ত কতটুকু কার্যকর হয়েছে তা এখন ভাবনার বিষয়।

    আলোচনার প্রসঙ্গে উল্লেখ, আমার বাড়ী মানিকগঞ্জ জেলাধীন সাটুরিয়া উপজেলায়। জন্মের পর থেকেই দেখে আসছি, এখানকার মানুষ শান্তি প্রিয় ও সহ-অবস্থানে বিশ্বাসী। জাতীয়তাবাদী ধারনা তাদের যুগ যুগের পথিকৃৎ। কিন্তু আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে হঠাৎ করেই এই উপজেলাটিতে একশ্রেণীর ‘নব্য- আওয়ামী শ্রেণীর উন্মেষ ঘটে।  কিঞ্চিত জাতীয়তাবাদীরা, অধিক সুবিধা আদায়ে তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের দলে যোগ দেয়। ‘ডাল-চাউলের’ তথাকথিত এই শ্রেণী ছলে-বলে, কলে কৌশলে এলাকায় আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় মরিয়া হয়ে উঠে।

    বিচার-সালিশ থেকে শুরু করে স্থাণীয় পযার্য়ের সকল সরকারী বাজেট বরাদ্দে তারা দলীয়করণের আশ্রয় নেয়। প্রশাসণের পরোক্ষ সহযোগিতায় ‘একটি ফ্যাসিষ্ট শ্রেণী- গোষ্ঠীর গড়ে তুলার চেষ্টা করে। পথে প্রান্তরে, যত্রতত্র পোষ্টার-ব্যানার ও দলীয় সঙ্গ তৈরী করে মানুষের মনে ভীতির সৃষ্টি করে। বিশেষ করে সমাজের বখে যাওয়া ছেলেরা এই সঙ্গগুলোর নেতৃত্ব দিতে থাকে। সর্বপোরি তারা নিজেদের অসহিষ্ণু মতবাদ জোড়-পুর্বক সাধারন মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

    টেন্ডারবাজী, সন্ত্রাস, চাদাঁবাজী ও সরকারী সম্পদ লুট নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তাদের অত্যাধিক জুলুম-যাতনায় অস্থির হয়ে শেষ পর্যন্ত মানুষের রাস্তায় নেমে আসে এবং যার সফল জুলাই বিপ্লব সংগঠিত হয়।

    আমরা সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জবাসী, বর্তমান সরকারের পথ চলাকে নিরাপদ দেখতে চাই। আমাদের নন্দীত এমপি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খান রিতা ম্যাডাম ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়েছেন, বর্তমান সরকার দল-মতের উর্ধ্বে। তিনি দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি সুস্থ্য মানিকগঞ্জ-সাটুরিয় গড়ে তুলতে চান। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান সরকার দলীয় কোন ব্যক্তি সালিশ-বিচারে অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে এই সিদ্ধান্ত কতটুকু কার্যকর হয়েছে তা ভাবনার বিষয়!

    সাধারন জনগন মনে করেন, মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়ার বাস্তব চিত্র আশানুরুপ নয়।এখানে ফ্যাসিষ্টদের অনুসারীরা সরকারী দলে ডুকে পড়েছে। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে নব্য-ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট বেড়েছে। বিচার-আচারে, দলীয় লোকদের এক-চাটিয়া প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    স্থানীয় পর্যায়ে সরকারী বাজেট-বরাদ্দে দলীয় চামুচাদের কসরতে সাধারন জনতার প্রাপ্তি শূন্যের কোঁটায়। ভূমি আফিসের নানাবিদ দুনীর্তিতে অস্থির ভোক্তভূগি ভূমির মালিকেরা। শিক্ষা অফিসের স্কুল ভিজিটে খিচুড়ি-খাওয়ার দেরৈাত্ব বেড়েই চলছে। বিশেষ করে খিচুড়িপাগল শিক্ষকনেতারা বিভিন্ন অযুহাতে দল-পাকিয়ে শিক্ষার পরিবেশকে হ-য-ব-র-ল করে তুলেছে।

    এ দিকে অবৈধ নির্বাচনের, মেম্বার বা চেয়ারম্যানেরা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজ সমর্থকদের মাঝে সরকারী বাজেট বরাদ্দ দিয়ে আগাম নির্বাচনী কাজ সেরে নিচ্ছেন। দলীয় দৌরাত্ব্যে কৃষি অফিসের ‘কৃষক-বরাদ্দ’ চলে যাচ্ছে অ-কৃষকদের হাতে। স্থানীয় পর্যারে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো (হাসপাতালে) ঔষধ শূন্য। খালি হাতে, মৌখিক সেবা প্রদান করছেন স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা। এতদ্ব্য সত্যেও এই সকল বিভাগের কর্মকর্তারা (নিতীনির্ধারকরা) রাজনৈতিক সমর্থকবাজির কারণে ধূয়া তুলসীপাতেই রয়ে গেছে।

    মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়ার সাধারন নাগরিক, মাননীয় বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর কাছে এই সকল বিষয়ের একটি সুষ্ট সমাধান আশা রাখে। যেহেতু, বর্তমান সরকার সার্বজনীন নাগরিক অধিকারে বিশ্বাসী, তাই প্রশাসনকে দল-মতের উর্ধ্বে উঠে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র-ব্যবস্থা কায়েমের জন্য দেশের সকল প্রকার দুনীর্তি ও অ-কল্যাণকর কাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। আর মানিকগঞ্জের অভিভাবক হিসাবে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে সাম্য শান্তি প্রিয় মানিকগঞ্জ আমাদের সময়ের দাবি।

     

  • মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই মো. আরিফ খান

    মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই মো. আরিফ খান

    মানিকগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলার শ্রেষ্ঠ সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাটুরিয়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. আরিফ খান।

    মাদক উদ্ধার অভিযান, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিষ্পত্তিতে দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    আজ রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটা সময় মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, পুলিশ সুপার, মানিকগঞ্জ।

    এসময় পুলিশ সুপার বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদের নিরলস পরিশ্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে যারা নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করছেন, তাদের এ ধরনের স্বীকৃতি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

    পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মহরম আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সালাউদ্দিন এবং জেলার বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জগণ সভায় অংশ নেন।

  • যেকোনো সময়ের তুলনায় এবারকার ঈদ স্বস্তিদায়ক হয়েছে-সড়ক ও সেতুমন্ত্রী

    যেকোনো সময়ের তুলনায় এবারকার ঈদ স্বস্তিদায়ক হয়েছে-সড়ক ও সেতুমন্ত্রী

    সাম্প্রতিক ঈদযাত্রা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি স্বস্তিদায়ক হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে বাসে জিপিএস ট্র্যাকিং চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

    রোববার (২৯ মার্চ) ঈদ-পরবর্তী মূল্যায়ন সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    তিনি জানান, স্বল্প সময়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়লেও বড় ধরনের যানজট বা স্থবিরতা তৈরি হয়নি। কিছু এলাকায় চাপ থাকলেও দেশের অধিকাংশ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

    সভায় মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে—মহাসড়কে অস্থায়ী বাজার বসানো বন্ধ করা, ট্রাক ও পণ্যবাহী যান চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নজরদারি। বিশেষ করে গাজীপুর-চন্দ্রা ও সফিপুর এলাকায় যানজট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে যত্রতত্র টিকিট কাউন্টার বসানো যাবে না। নির্ধারিত বাস টার্মিনাল থেকেই টিকিট বিক্রি নিশ্চিত করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ফেরি পারাপারের ক্ষেত্রে আগে যাত্রী নামিয়ে তারপর যানবাহন ওঠানো বাধ্যতামূলক করার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে বলে উল্লেখ করেন।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ধাপে ধাপে সব গণপরিবহনে জিপিএস ট্র্যাকিং চালু করা হবে। এর মাধ্যমে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, রুট ভঙ্গ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ফিটনেসবিহীন যান চলাচল সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। ওভারস্পিড বা নির্ধারিত রুটের বাইরে চলাচল করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মন্ত্রী জানান, এই ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করবে।

  • ইরানে স্থল অভিযান চালোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানে স্থল অভিযান চালোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থল অভিযান চালোনোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। খার্গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোও অভিযানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে শনিবার ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে পোস্ট জানিয়েছে, এই পরিকল্পনায় বিশেষ অভিযানকারী ও প্রচলিত পদাতিক বাহিনীর অভিযান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনাগুলোর কোনোটিতে অনুমোদন দেবেন কিনা তা এখনো অনিশ্চিত।

    সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বৃহত্তম তেল টার্মিনাল যেখানে অবস্থিত সেই খার্গ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা এবং হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী অন্যান্য উপকূলীয় এলাকায় অভিযান চালানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে এমন ‘অস্ত্র খুঁজে বের করে ধ্বংস করা।’

    এক কর্মকর্তা বলেছেন, বিবেচনাধীন উদ্দেশ্যগুলো সম্পন্ন করতে সম্ভবত ‘কয়েক মাস নয়, বরং কয়েক সপ্তাহ’ সময় লাগবে। তবে অন্য একজন বলেছেন, সম্ভাব্য সময়সীমা ‘কয়েক মাস’ হতে পারে।

    মার্কিন সামরিক বাহিনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত একজন প্রাক্তন ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা ব্যাপক। তিনি বলেছেন, “আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। এর জন্য যুদ্ধ মহড়াও হয়েছে। এটি শেষ মুহূর্তের কোনো পরিকল্পনা নয়।”

    ওই কর্মকর্তা বলেন , ইরানের ভূখণ্ড দখল করা হলে তা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থাকে ‘লজ্জিত’ করবে এবং ভবিষ্যতের আলোচনায় ‘মূল্যবান দর কষাকষির হাতিয়ার’ তৈরি করবে।

    তিনি জানান, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভূখণ্ড দখল করে থাকা যেকোনো মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষা দেওয়া।

    ওই কর্মকর্তা বলেন, “আপনাকে খার্গ দ্বীপের লোকদের জন্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এটাই কঠিন কাজ। দ্বীপটি দখল করা কঠিন নয়। আপনার লোকেরা একবার সেখানে পৌঁছে গেলে তাদের সুরক্ষা দেওয়াটাই আসল।”

  • সাটুরিয়ায় ‘হ্যালো-বাইক চুরি’ সহযোগিতার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে !

    সাটুরিয়ায় ‘হ্যালো-বাইক চুরি’ সহযোগিতার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে !

    সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের দেলুয়া গ্রামে হ্যালো-বাইক চুরি নিয়ে চলছে তেলেসমতি কারবার। বাইক চুরিতে স্থাণীয় মেম্বারের যোগ-সাজেস রয়েছে এমন অভিযোগ করেছে গ্রামবাসীর একাংশ ।

    জানা যায়, গত ২৭ই মার্চ বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭: ৩০ মিনিটে অত্র গ্রামের ‘রাজাবাবু ডেইরী ফার্মের’ পাশ হতে স্বপন মিয়ার (পিতা:মানু মিয়া) একটি হ্যালো-বাইক চুরি হয়। পরে ‘জনৈক’ সিএনজি ড্রাইভার জানান যে, একই গ্রামে  রাসেল (পিতা-রাজা মিয়া) ও তার বন্ধু শাকিলকে হ্যালো-বাইকটি নিয়ে দরগ্রাম পথে যেতে দেখেছে। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে গ্রামবাসী রাসেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে হ্যালো-বাইক চুরির কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুসারে ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া হতে (রাসেলের বন্ধু শাকিলসহ) হ্যালো-বাইকটি উদ্ধার করা হয়।

    এই নিয়ে গ্রামবাসীর তাৎক্ষণিক বিচার চাইলে, স্থানীয় ইউপি মেম্বার ইন্তাজ আলী ঘটনার পরের দিন (অথার্ৎ ২৮শে মার্চ) চোরদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিতে একটি সালিশি-বৈঠকের আশ্বাস দেন এবং চোরদেরকে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেন। পরের দিন যথা সময়ে চোরদের বিচারে হাজির করতে না পারায় গ্রামবাসীদের সাথে মেম্বারের মনোমালিন্য হয়।

    এই বিষয়ে দেলুয়া গ্রামের সবুজ বাংলা ক্লাবের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠে, মেম্বার চোরদের দায়িত্ব নিয়ে কেন তাদেরকে বিচারে হাজির করতে পারছেন না। নিশ্চিয় মেম্বারের সাথে চোরদের গোপনে আতাঁত হয়েছে। যার ফলে মেম্বার চোরদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন !

    এই ব্যাপারে মেম্বার ইন্তাজ আলী জানান, তাৎক্ষণীক ভাবে উত্তেজিত জনতার হাত হতে চোরদের রক্ষায় আমি মানবিক হয়ে পরের দিন (২৮শে মার্চ) বিচারের তারিখ দিয়ে ছিলাম। কিন্তু চোররা সুযোগ বুঝে পালিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি অনুতপ্ত।

    তিনি আরো বলেন, চোরদের বিচারে হাজির করতে আমি সাধ্যমত চেষ্ঠা করছি। এ ব্যাপারে তাদের অভিভাবক ও গ্রামবাসীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। যদি চোরেরা বিচারে হাজির না হয়, তবে থানা-পুলিশের সহায়তায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।