Category: আন্তর্জাতিক

  • আমেরিকা পার্টি নামে নতুন রাজনৈতিক দল করেছেন ইলন মাস্ক

    আমেরিকা পার্টি নামে নতুন রাজনৈতিক দল করেছেন ইলন মাস্ক

    মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক একটি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করছেন।মাস্ক তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি আমেরিকা পার্টি নামের একটি নতুন দল প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি তার দলকে রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে অভিহিত করেছেন।

    তবে দলটি মার্কিন নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত কিনা তা স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে জন্ম নেওয়ায় মাস্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অযোগ্য। দলের নেতৃত্বে কে থাকবেন তা জানাননি এখনো মাস্ক।

    ট্রাম্পের সাথে তার প্রকাশ্য বিরোধের সময় মাস্ক দল গঠনের সম্ভাবনা উত্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ট্রাম্প প্রশাসন থেকে বের হয়ে সাবেক মিত্রের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

    বিরোধের সময় মাস্ক এক্স-এ একটি জরিপ পরিচালনা করেছিলেন। সেখানে ব্যবহারকারী দের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি নতুন রাজনৈতিক দল থাকা উচিত কিনা।

    শনিবার তার পোস্টে সেই জরিপের কথা উল্লেখ করে মাস্ক লিখেছেন, “২-১ এর ব্যবধান, আপনারা একটি নতুন রাজনৈতিক দল চান এবং আপনারা তা পাবেনেই! যখন অপচয় ও দুর্নীতির মাধ্যমে আমাদের দেশকে দেউলিয়া করার কথা আসে, তখন আমরা গণতন্ত্র নয়, একদলীয় ব্যবস্থায় বাস করি।

    আজ, আমেরিকা পার্টি আপনাকে আপনার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য গঠিত হয়েছে।”শনিবার পর্যন্ত ফেডারেল ইলেক্টোরাল কমিশন দলটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত করার নথি প্রকাশ করেনি।

  • এক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে হামলার আশঙ্কা!

    এক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে হামলার আশঙ্কা!

    ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা চালানো হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তেহরানের একজন শীর্ষ নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

    তার মতে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এই হামলা হতে পারে। রোববার (২৯ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুষদের প্রধান ড. ইব্রাহিম মোত্তাকি এ আশঙ্কার কথা জানান।

    তিনি বলেন, “বর্তমান যুদ্ধবিরতি ইসরায়েল ও আমেরিকার সংঘবদ্ধ হওয়ার একটি সাময়িক প্রস্তুতিমূলক সময় মাত্র। তারা এই সময়টিকে সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের জন্য ব্যবহার করছে এবং শিগগিরই ধ্বংসাত্মক হামলা শুরু করবে।

    ”ড. মোত্তাকি জানান, যুদ্ধবিরতি ইরানি কর্তৃপক্ষের জন্য সতর্কতা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, কেননা এ যুদ্ধে পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানি শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করা হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের হাতে থাকা তথ্য বলছে—যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইসরায়েল আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ইরানের ওপর আবারও আকস্মিক ও উচ্চমাত্রার হামলা চালাতে পারে। এই যুদ্ধবিরতি আমেরিকা ও ইসরায়েলের জন্য শ্বাস নেওয়ার সুযোগ মাত্র।

    ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত ২৪ জুন ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তবে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিরতি যেনো এক ধরনের ‘স্ট্র্যাটেজিক পজ’—যেখানে দুই পক্ষই যুদ্ধের পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    গত সপ্তাহে ইরানের ফরদো ও নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন ও ইসরায়েলি বোমা হামলা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই হামলার ফলেই নতুন করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

    বিশেষজ্ঞদের এই সতর্কতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উচ্চমাত্রার সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

    যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করা হচ্ছে এবং রাজধানী তেহরানের পশ্চিমাঞ্চল এসলামশাহরে সম্প্রতি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যার তীব্র নিন্দা জানালো ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যার তীব্র নিন্দা জানালো ইরান

    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থাপিত ব্যাখার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান।

    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি এই ব্যাখ্যাকে ‘আইনিভাবে ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছেন।চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাকে ‘অবৈধ এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে ইরান।

    একইসঙ্গে জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের আওতায় আত্মরক্ষার অধিকার দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের হত্যা’ বলেও অভিহিত করেছে। খবর বিবিসির।

    চিঠিতে ইরাভানি আরো উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাধারণ সম্মেলনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ‘শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর যে কোনো ধরনের হামলা কিংবা হামলার হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা ও যাচাই প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ণ করে।

    এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাইয়া কালাসও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যে কেউ বলপ্রয়োগ করলে তাকে আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তা ব্যাখ্যা করতে হবে।হামলাটি আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে কতটা বৈধ- এই প্রশ্নের জবাবে কায়া কাল্লাস বলেন, শতভাগ বৈধ বলা যায় না।

  • শান্তি আলোচনার জন্য ইস্তাম্বুলে জেলেনস্কি যাননি পুতিন

    শান্তি আলোচনার জন্য ইস্তাম্বুলে জেলেনস্কি যাননি পুতিন

    রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে বৈঠক করতে তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে গেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি শান্তি আলোচনা থেকে সরে যাওয়ার পর—তা পুনরায় শুরুর উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলেনস্কি এই সফর করছেন।

    জেলেনস্কি বলেন, তিনি ইস্তাম্বুলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে প্রস্তুত।

    বুধবার(১৪ মে) জেলেনস্কি বলেন, ‘শান্তি আলোচনার জন্য রাশিয়া থেকে কে আসবেন—তা দেখার জন্য আমি অপেক্ষা করছি। এরপর আমি সিদ্ধান্ত নেব—ইউক্রেনের কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমের বরাতে তাদের কাছ থেকে পাওয়া ইঙ্গিতগুলো বিশ্বসযোগ্য নয়।’

    তবে ক্রেমলিন ঘোষণা করেছে, বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলের শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যোগ দেবেন না। তবে, রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রেসিডেন্টের সহকারী ভ্লাদিমির মেডিনস্কি।

    আনাতোলিয়ায় ন্যাটোর অনানুষ্ঠানিক একটি বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ‘ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আলোচনা আশা করি আমাদের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’

    এরআগে ২০২২ সালের মার্চে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হয়েছিল। ওই বৈঠকে উভয়পক্ষ যুদ্ধ বন্ধে একমত হতে পারেননি।

     

  • চলছে ভারত ও পাকিস্তান কূটনৈতিক উত্তেজনা

    চলছে ভারত ও পাকিস্তান কূটনৈতিক উত্তেজনা

    ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও কূটনৈতিক উত্তেজনা এখনো থামেনি। ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তানের এক কূটনীতিককে মঙ্গলবার (১৩ মে) বহিষ্কার করেছে ভারত। ওই কূটনীতিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। তবে প্রতিবেদনে ওই কূটনীতিকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

    এ ব্যাপারে পিছিয়ে নেই পাকিস্তানও। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, ভারত পাকিস্তানি কূটনীতিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার পরপরই, পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় এক কূটনীতিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ওই কূটনীতিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধিবহির্ভূত কর্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের এক কর্মীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত জানাতে গতকাল মঙ্গলবার তাকে মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছিল।

    চার দিনের সামরিক সংঘাতের পর চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দুই প্রতিবেশী দেশ আবারো পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নিল।

     

  • ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত- ট্রাম্প

    ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত- ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তান একটি পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ রাত ধরে আলোচনার পর, আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে ভারত ও পাকিস্তান একটি পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

    ট্রাম্প আরো লিখেছেন, সাধারণ জ্ঞান এবং দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য উভয় দেশকে অভিনন্দন।” পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার নিশ্চিত করেছেন যে পাকিস্তান এবং ভারত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

    তিনি এক্স-এ এক পোস্টে লিখেছেন, পাকিস্তান সবসময় তার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার সাথে আপস না করে এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে!”তবে এ ব্যাপারে এখনো ভারতের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

     

  • ভারতের অত্যাধুনিক এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি পাকিস্তানের !

    ভারতের অত্যাধুনিক এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি পাকিস্তানের !

    পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ভারতের অত্যাধুনিক এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। ভারত এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি রাশিয়ার কাছ থেকে কিনেছিল। খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।

    পাকিস্তানের দাবি, শনিবার ভোরে অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুসের অংশ হিসেবে তারা ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধর জেলার আদমপুরে অবস্থিত এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করে ধ্বংস করেছে। তবে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে একটি সাইবার হামলা চালিয়ে শাসক দল বিজেপিসহ শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে বলেও দাবি করেছে। বিবিসি জানিয়েছে, ভারতের ভেতর থেকে এখনও বিজেপির ওয়েবসাইট সচল রয়েছে এবং তাতে প্রবেশ করা যাচ্ছে।

    শুক্রবার দিবাগত রাতে পাকিস্তানের তিনটি বিমানঘাঁটিতে ভারতের হামলার দাবি করার পর, পাকিস্তানের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের সব ধরনের বেসামরিক বিমান ফ্লাইট ফ্লাইট বাতিল করেছে।

    অন্যদিকে ভারতের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দেশটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ৩২টি বিমানবন্দর ১৫ মে সকাল পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।

    গত ২২ এপ্রিল ভারত-শাসিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার দায় পাকিস্তানের ঘাড়ে চাপিয়ে গত ৭ মে মধ্যরাতে পাকিস্তানে হামলা চালায় ভারত। এরপর থেকে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে একের পর এক হামলা-পাল্টা হামলার খবর আসছে।

  • ভারতের ১৫ শহরে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ভারতের ১৫ শহরে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ভারত শাসিত কাশ্মীর পেহেলগাম গত ২২ এপ্রিল হামলা ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা যুদ্ধের রূপ ধারণ করতে চলেছে। দুই সপ্তাহ ধরে চলা শঙ্কার মধ্যেই পাকিস্তানে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে দিয়েছে দিল্লি। জবাবে এবার ভারতের ১৫ শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার (৮ মে) ডয়চে ভেলে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

    দিল্লি সরকারের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, ভারতের অবন্তীপুরা, জম্মু, শ্রীনগর, পাঠানকোট, অমৃতসর, কাপুরথালা, জলন্ধর, লুধিয়ানা, আদমপুর, ভাতিন্দা, চণ্ডীগড়, নাল ফালোদি, উত্তরলাই ও ভুজে বুধবার রাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় পাকিস্তান। ভারতের দাবি তারা এসব হামলা প্রতিহত করেছে।

    ভারত সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তানের আক্রমণের সাক্ষ্য হিসাবে নষ্ট হওয়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রর ধ্বংসস্তূপ উদ্ধার করা হয়েছে। পাকিস্তানের হামলার পরই বৃহস্পতিবার সকালে লাহোরসহ বিভিন্ন শহরে সামরিক পরিকাঠামোর ওপর আঘাত করা হয়েছে। এ হামলায় লাহোরে রাডার ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে।

    এদিকে, পাকিস্তান দাবি করেছে, বুধবার রাতে ভারত থেকে আসা ইসরায়েলে তৈরি ২৫টি হারোপ ড্রোন ধ্বংস করেছে পাকিস্তানের সেনা। তবে, এরমধ্যে লাহোরের কাছে একটি সামরিক লক্ষ্যে একটি ড্রোন আঘাত করেছে। চারজন সেনা এতে আহত হয়েছেন।

     

  • পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে নিহত ১০

    পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে নিহত ১০

    পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩২ জন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দিল্লির বিমান হামলার জবাবে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান যখন ভারী গোলাবর্ষণ শুরু করে তখন এই ঘটনা ঘটে।

    এদিকে ভারতের বিমান হামলায় পাকিস্তানে নিহত বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিশ করেছে।

    তবে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতের হামলায় পাকিস্তানে অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেনান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারত ছয়টি স্থানের ২৪টি স্থাপনায় বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

    পহেলগামের ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এ সময় ভারতের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।

     

  • ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহত ৭০

    ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহত ৭০

    পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি স্থানে ভারতীয় বাহিনী ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, অপারেশন সিন্দুর সামরিক প্রতিশোধের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত নয়টি স্থানে ২৪টি সুনির্দিষ্টভাবে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ভারত প্রমাণ করেছে যে তারা আর সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ সহ্য করবে না, এমনকি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতাও সহ্য করবে না…।

    মুজাফফরাবাদ, কোটলি, বাহাওয়ালপুর, রাওয়ালকোট, চকস্বরী, ভিম্বর, নীলম উপত্যকা, ঝিলাম এবং চকওয়ালে পরিচালিত হামলায় ৬০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসী আহত হয়েছে।

    ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই স্থানগুলোকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

    লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের সাথে যুক্ত শিবিরগুলিকে লক্ষ্য করে এসব স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল।