Category: আন্তর্জাতিক

  • পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘লজ্জাজনক’-ট্রাম্প

    পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘লজ্জাজনক’-ট্রাম্প

    পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের মধ্যে চলমান সংকট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের পর পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। হামলায় অন্তত আটজন নিহত এবং ৩৫ জন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

    এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটা লজ্জার। ওভাল অফিসের দরজা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমরা এ খবর শুনেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, অতীতের ইতিহাসের ভিত্তিতে মানুষ বুঝতে পেরেছিল যে, কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। তারা (ভারত-পাকিস্তান) দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে।’খুব শিগগিরই চলমান সংকটের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    এদিকে পাকিস্তান ও পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতের সামরিক অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ভারত ও পাকিস্তান—দুই দেশের কাছ থেকেই সর্বোচ্চ মাত্রার সংযত আচরণ প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

    পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিয়ন্ত্রণ রেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তজুড়ে ভারতের সামরিক অভিযানে মহাসচিব গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি উভয় দেশকে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।’ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত বিশ্ব নিতে পারবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

    মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তানের কোটলি, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাগ ও মুজাফ্ফরবাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এরই মধ্যে এর বদলা নিতে শুরু করেছে বলে দেশটির আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানিয়েছেন।

    গত ২২ এপ্রিল ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ৩৬ জনের প্রাণহানির পর থেকে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ হামলা চালাল ভারত। নয়াদিল্লি এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কোনো স্থাপনায় হামলা চালায়নি।

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এআরওয়াই নিউজকে বলেছেন, বেসামরিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাপুরুষেরা তাদের নিজস্ব আকাশসীমা থেকেই হামলা করেছে। তারা কখনো তাদের ঘর থেকেই বের হয়নি। তারা বেরিয়ে আসুক, আমরা সমুচিত জবাব দেব।’

    পাকিস্তান কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে–জানতে চাইলে খাজা আসিফ উত্তরে বলেন, পাকিস্তান প্রতিশোধ নেবে। তিনি আরও বলেন, তাদের হামলার তুলনায় অনেক বড় পরিসরে আমরা এর জবাব দেব। তারা শুধু বেসামরিক মানুষদের ওপর হামলা করেনি, বরং নিজেদের আকাশসীমা থেকে এ কাজ করেছে।’

     

     

  • পাকিস্তানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত

    পাকিস্তানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত

    পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের ওপর ক্ষেপনাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ভারত। মধ্যরাতে পাকিস্তানের মোট নয়টি জায়গায় হামলা চালানো হচ্ছে বলে ভারতের সরকার দাবি করেছে।

    এদিকে, ভারতের সেনাবাহিনী তাদের এক্স হ্যান্ডেলে দেয়া এক পোস্টে দাবি করেছে, ভারত শাসিত কাশ্মীরের পুঞ্চ-রাজৌরি এলাকার ভিম্বার গলিতে কামান থেকে গোলা নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তান। এর আগে ভারতের দুইটি বিমান এবং একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তান।

    গত ২২শে এপ্রিল ভারত শাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে

    কয়েকদিন ধরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ হামলা চালানো হলো।সবশেষ খবরে জানা যাচ্ছে, কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকা থেকে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বলেছে, দেশটির তিনটি স্থানে হামলা চালিয়েছে ভারত, এবং হামলায় দুইজন শিশুসহ এ পর্যন্ত মোট আট জন নিহত হয়েছেন।

    এদিকে, ‘অপারেশন সিন্দুর’ নাম দিয়ে চালানো এই হামলায় ‘সন্ত্রাসী স্থাপনা’কে নিশানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত। যেসব স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, সেখান থেকে ভারতের ওপরে ‘সন্ত্রাসী’ হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে ভারতের সরকার দাবি করেছে।

    তবে, পাকিস্তানের কোনও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয় নি বলে দাবি করেছে ভারত। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সময়মতো এ হামলার জবাব দেবে। তাদের বিমান বাহিনীর জেট বিমানগুলি ইতিমধ্যেই আকাশে রয়েছে।

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে যে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দাবি করছে যে পাকিস্তান থেকেও ভারত শাসিত কাশ্মীরের পুঞ্চ-রাজৌরি অঞ্চলের ভিম্বর গলিতে গুলি চালানো হচ্ছে।

  • বাংলাদেশ-মিজোরাম সীমান্তে ভারতের ফরোয়ার্ড হেডকোয়ার্টা স্থাপন !

    বাংলাদেশ-মিজোরাম সীমান্তে ভারতের ফরোয়ার্ড হেডকোয়ার্টা স্থাপন !

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার বদলের পর থেকেই বাংলাদেশ সীমান্তে বিতর্কিত ও সন্দেহজনক নানান তৎপরতা বাড়িয়ে চলেছে ভারত। এসব নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মাঝে বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েনের জন্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ-এর জনবল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ-মিজোরাম সীমান্তে বিএসএফ-এর একটি ফরোয়ার্ড হেডকোয়ার্টার বা অগ্রবর্তী সদরদপ্তর স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    একই প্রকল্পের আওতায় ভারত-পাকিস্তান সীমান্তেও একটি ফরোয়ার্ড হেডকোয়ার্টার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেই সাথে ঐ সীমান্তেও বাড়ানো হবে সীমান্তরক্ষীর সংখ্যা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, ১৬টি নতুন ব্যাটালিয়ন যুক্ত করতে সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বিএসএফ। এসব ব্যাটালিয়নের আওতায় বাড়ানো হবে ১৭ হাজার সীমান্তরক্ষী। সেই সাথে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে অর্থাৎ পূর্ব ও পশ্চিম কমান্ডে দুটি অগ্রবর্তী সদরদপ্তর স্থাপনেরও অনুমোদন দেয়া হবে। এরই মাঝে এসব ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    ভারতীয় বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমগুলো বলছে, গত বছর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থায় আছে বিএসএফ। অন্যদিকে ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তেও চলছে ব্যাপক উত্তেজনা। সার্বিক প্রেক্ষাপটে সীমান্তরক্ষীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অগ্রবর্তী সদর দপ্তর স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে বিএসএফ-এর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়বে।

    নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় এসব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানাচ্ছে তারা। প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া-পিটিআইকে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এসব প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে আশাবাদী তারা। অর্থ মন্ত্রণালয় শিগগিরই এ খাতে তহবিল বরাদ্দ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরই মাঝে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন মিলেছে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন বিএসএফ সদস্যদের বড় একটি অংশকে মোতায়েন করা হবে বাংলাদেশ ঘেঁষা সীমান্তে। বিশেষ করে বাংলাদেশ-মিজোরাম সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে। বাকি সদস্যদের মোতায়েন করা হবে পাকিস্তান ঘেঁষা জম্মু-কাশ্মীর ও পাঞ্জাব সীমান্তে।  বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের সাথে উত্তেজনা বৃদ্ধি ও পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় মিজোরাম সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আছে ভারতের। সে কারণেই এমন উদ্যোগ।

    দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা বাস্তবতা, ভৌগোলিক অবস্থানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিএসএফ-কে শক্তিশালী করার বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দেশ মিলিয়ে মোট ৬ হাজার ৭২৬ কিলোমিটার সীমান্ত পাহারা দেয় বিএসএফ। এর মাঝে কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোলে ৩৩৯ কিলোমিটারের বাইরে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত আছে ২ হাজার ২৯০ কিলোমিটার। অন্যদিকে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তদৈর্ঘ্য অনেক বেশি, ৪ হাজার ৯৭ কিলোমিটার।

    বিএসএফ-এর তথ্য মতে, দুই দেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্যের মাঝে নদী ও গভীর জঙ্গলের কারণে ১ হাজার ৪৭ কিলোমিটার কাঁটাতার বিহীন। এ বাদে বাকি অংশে বিএসএফ-এর সীমান্ত চৌকির সংখ্যা ১ হাজার ৭৬০টি।

  • দিল্লিতে ৪৭ বাংলাদেশি আটক

    দিল্লিতে ৪৭ বাংলাদেশি আটক

    ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে ৪৭ বাংলাদেশি আটক করেছে। শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই এ তথ্য জানিয়েছে। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জ) সঞ্জয় কুমার জৈন জানিয়েছেন, এই অভিযানটি অবৈধ অভিবাসীদের, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের লক্ষ্য করে একটি বিশেষ অভিযানের অংশ ছিল।

    জৈন বলেন, দিল্লি পুলিশ অবৈধ অভিবাসীদের, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের সময়, দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জ, বিশেষ করে দক্ষিণ জেলা, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    এএনআই জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের নেটওয়ার্ক পরিচালনা মূল অভিযুক্তের নাম চাঁদ মিয়া বাংলাদেশের নাগরিক। সে এজেন্টদের নিয়ে অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতো যারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের বিভিন্ন শহরে বসতি স্থাপনে সহায়তা করতো।

     

  • স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

    স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

    ৪৫০ কিলোমিটার পাল্লার ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সফল উৎক্ষেপণ করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া অ্যাফেয়ার্স উইং শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এই উৎক্ষেপণের লক্ষ্য ছিল সেনাদের অপারেশনাল প্রস্তুতি নিশ্চিত করা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নত নেভিগেশন সিস্টেম ও উন্নত  কৌশলের বৈশিষ্ট্যসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত পরামিতি যাচাই করা।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছ, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং অন্যান্য সামরিক প্রধানরা দেশের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার উপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।

    আইএসপিআর সফল উৎক্ষেপণের একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এমন সময় হলো যখন, ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়।

    এ ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পাকিস্তানের ওপর আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত।

     

  • সকল পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে বেইজিং

    সকল পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে বেইজিং

    কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কার্যত যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। টানা সাত দিনের মতো ঘটেছে গোলাগুলির ঘটনা। এক দেশ অপর দেশের বিরুদ্ধে নিয়েছে নানা পদেক্ষেপ। চলমান উত্তেজনাকর এই অবস্থায় মধ্যে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে পুরোনো মিত্র চীন।

    পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে নিযুক্ত চীনা কনসাল জেনারেল ঝাও শিরেন বলেছেন, সব পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে বেইজিং। অবশ্য তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। পাকিস্তান ও ভারতের উচিত সংলাপ ও কূটনৈতিক পথে শান্তির রাস্তা খোঁজা। বৃহস্পতিবার (১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল।

    লাহোরে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কেন্দ্রীয় পাঞ্জাব শাখার নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় পিপিপি কেন্দ্রীয় পাঞ্জাবের অর্থ সম্পাদক আহমাদ জাওয়াদ রানার বাসভবনে।

    ঝাও বলেন, চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক কৌশলগত সহযোগিতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা অবকাঠামোতে দীর্ঘদিনের। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, চীন পাকিস্তানের সঙ্গে ছিল, আছে, এবং ভবিষ্যতেও থাকবে—বিশেষ করে নিরাপত্তা, কৌশলগত সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে।

     

  • পারমাণবিক’ শক্তিধর পাকিস্তান আক্রমন করা সহজ নয়-মরিয়ম নওয়াজ শরীফ

    পারমাণবিক’ শক্তিধর পাকিস্তান আক্রমন করা সহজ নয়-মরিয়ম নওয়াজ শরীফ

    পাকিস্তান যেহেতু ‘পারমাণবিক’ শক্তিধর দেশ তাই এত সহজে দেশটিতে কেউ আক্রমণ করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরীফ। বুধবার (৩০ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরীফ বলেন, পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ আল্লাহ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে দেশ রক্ষার শক্তি দিয়েছেন। পাকিস্তানের যেকোনো শত্রু আক্রমণ করার আগে ১০বার ভাববে। সবাই জানে যে পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান যাই হোক না কেন, আমাদের অবশ্যই ইস্পাতের প্রাচীরের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান শক্তিশালী হয়েছে। পাকিস্তানকে পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে নওয়াজ শরিফ ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর কাশ্মীরে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা। পরোক্ষভাবে পাকিস্তান এ হামলায় জড়িত, এমন অভিযোগ তুলে বুধবার দেশটির সঙ্গে ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করে ভারত। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় দেশটি।

    জবাবে সিমলা চুক্তি স্থগিত ও ভারতীয় বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। স্থগিত করে দেওয়া হয় ভারতের সঙ্গে সবরকম বাণিজ্যও।

     

  • ভারত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলা চালাতে পারে: পাক-তথ্যমন্ত্রী

    ভারত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলা চালাতে পারে: পাক-তথ্যমন্ত্রী

    ভারত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। এ বিষয়ে বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে তিনি বলেন, বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, ভারত আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘন্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    গত সপ্তাহে ভারতশাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই এমন তথ্য সামনে এলো। গত ২২ এপ্রিল পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়।

    ওই হামলার জন্য নয়াদিল্লি শুরু থেকেই ইসলামাবাদকে দোষারোপ করে আসছে, যদিও এ বিষয়ে তারা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। পহেলগামে হামলার পর থেকেই একে অপরের ওপর পালটাপালটি দোষারোপের কারণে দুপক্ষের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

    কাশ্মীরে ওই ভয়াবহ হামলার প্রতিশোধ নিতে একদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামরিক বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক করেন। সেখানে তিনি পহেলগাম হামলার জবাবের ধরন, লক্ষ্যবস্তু ও সময় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে সেনাবাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেন।

    মোদী বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করা আমাদের জাতীয় সংকল্প এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর তার পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও চিফ অব স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানও অংশ নেন।

    এদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, পাকিস্তানের কাছে বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যে ভারত পহেলগাম ঘটনায় জড়িত থাকার ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট অভিযোগের অজুহাতে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘন্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে চাচ্ছে।

    তিনি ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারতের এ ধরনের সামরিক অভিযানের জবাব নিশ্চিতভাবে এবং চূড়ান্ত আকারে দেওয়া হবে।

     

     

  • ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ স্থগিত যুদ্ধ ঘোষনার সামিল- ইসলামাবাদ

    ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ স্থগিত যুদ্ধ ঘোষনার সামিল- ইসলামাবাদ

    কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ বন্দুক হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত একতরফাভাবে ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। জবাবে ইসলামাবাদ হুঁশিয়ারি দিয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ যুদ্ধ ঘোষণার শামিল এবং তার জবাব দেওয়া হবে সকল ধরনের প্রচলিত ও অপ্রচলিত (অর্থাৎ পরমাণু) শক্তি দিয়ে।

    ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি গত বুধবার চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়। বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ। পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, পানি হচ্ছে দেশের জীবনরেখা, যা ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। তাই পানির প্রবাহ বন্ধ করা হলে তা যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর জবাবে পাকিস্তান সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতেও দ্বিধা করবে না।

    এনএসসি বৈঠকের পর জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিন্ধু পানি চুক্তি অনুসারে পাকিস্তানের পানিপ্রবাহ বন্ধ বা ভিন্ন দিকে সরানোর যে কোনও প্রচেষ্টা এবং নদীর নিচু তীরবর্তী অঞ্চলের অধিকার হরণকে যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং জাতীয় শক্তির সম্পূর্ণ পরিসরে পূর্ণ শক্তি দিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ গণমাধ্যমকে বলেন, আমি ভারত সরকারের আরোপিত অভিযোগগুলোকে প্রত্যাখ্যান করছি, দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। ভারতশাসিত কাশ্মীরে কর্মরত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই।

    এছাড়া পাকিস্তান সার্ক কর্মসূচির অধীনে ভারতীয়দের জন্য প্রদত্ত ভিসা স্থগিত করেছে এবং শিখ তীর্থযাত্রী ব্যতীত সব ভারতীয় নাগরিককে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের সাবেক সিন্ধু পানি কমিশনার জামাত আলী শাহ মনে করেন, ভারতের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কৌশল ও জনমত শান্ত করার একটি প্রচেষ্টা কারণ চুক্তি অনুযায়ী, এটি একতরফাভাবে বাতিল বা স্থগিত করা সম্ভব নয়। যেকোনও পরিবর্তনের জন্য দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতি প্রয়োজন।

    তবে ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন, তারা স্থগিতশব্দটি ব্যবহার করেছে বাতিল নয়—যা ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংকের সামনে একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ভারতের দাবি, পাকিস্তান যদি তাদের নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান করে, তাহলে চুক্তি আবার কার্যকর হতে পারে।

    পরিস্থিতি যা, তাতে সিন্ধু নদীর পানির জন্য পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর পুরোমাত্রায় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

     

  • সিন্ধু নদের এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তানে প্রবাহিত হবে না- সিআর পাটিল

    সিন্ধু নদের এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তানে প্রবাহিত হবে না- সিআর পাটিল

    পাকিস্তানে সিন্ধু নদের এক ফোঁটা পানিও যেন না যায় সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে এমন কথা বলেন দেশটির জলশক্তিমন্ত্রী সিআর পাটিল। খবর দ্য হিন্দুর।

    গত মঙ্গলবার ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগাঁওয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ২৬ জন নিহত হন। পরোক্ষভাবে পাকিস্তান এ হামলায় জড়িত এমন অভিযোগ তুলে বুধবার দেশটির সঙ্গে ১৯৬০ সালের সিন্ধু নদ পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণা দেয় ভারত।

    চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্তের পর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার জন্য শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন জলশক্তিমন্ত্রী পাটিল। বৈঠক শেষে সংবাদিকদের পাটিল বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে একটি রোপম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। বৈঠকে তিনটি অপশন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    সরকার স্বল্পকালীন, মধ্যকালীন এবং দীর্ঘকালীন ব্যবস্থার ওপর কাজ করছে যেন পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও না যায়। শিগগিরই নদীর প্রবাহ বন্ধ করতে ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন হবে এবং প্রবাহ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

    পাটিল আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেশ কিছু নির্দেশ জারি করেছেন এবং সেগুলো অনুসরণ করার জন্যই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য শাহ বেশ কয়েকটি পরামর্শও দিয়েছেন।

    পরবর্তীতে এক্স-এ একটি পোস্ট করে পাটিল লিখেন,  সিন্ধু পানিচুক্তির বিষয়ে মোদি সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আইনসঙ্গত এবং জাতীয় স্বার্থে নেওয়া হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করব যে, সিন্ধু নদের একফোঁটা পানিও পাকিস্তানে প্রবাহিত না হয়।