Category: জাতীয়

  • `আয়নাঘর’ সম্পর্কে জানতাম না’-হাসিনা

    `আয়নাঘর’ সম্পর্কে জানতাম না’-হাসিনা

    পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় ‘আয়নাঘর’ কুখ্যাতি পাওয়া বেশ কিছু গোপন কারাগারে অনেক দল-মতের বন্দিদের বিনা বিচারে আটকে রাখার ঘটনা ঘটলেও ক্ষমতাচ্যুত শাসক শেখ হাসিনার দাবি, তিনি এসব সম্পর্কে ‘জানতেন না’।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ১৪শ’ ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডসহ দমন-পীড়নের পেছনে খোদ হাসিনাই সমন্বয়কের ভূমিকায় ছিলেন বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উঠে এলেও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে তার দায় নেই’। ইমেইল মারফত বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা এই দাবি করেন।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি গোপন কারাগারের খোঁজ পাওয়া যায়, যেখানে বহু বছর ধরে কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই বন্দিদের আটকে রাখা হয়েছিল। অপহৃত বা এসব কারাগারে আটক থাকা হাসিনার আরও বহু সমালোচক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অবৈধভাবে হত্যা করারও অভিযোগ রয়েছে।

    হাসিনার পতনের পর গোপন কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে এসেছেন সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আহমাদ বিন কাসেম (আরমান), রাজনীতিক মাইকেল চাকমা প্রমুখ। তবে গুম দশা থেকে ফেরা হয়নি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম ‍সুমনের মতো নেতাদের।

    এসব ঘটনার দায় কার ওপর বর্তায় জিজ্ঞেস করা হলে হাসিনা বিবিসির কাছে দাবি করেন, তিনি এসব সম্পর্কে ‘জানতেন না’।

  • ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় বিজিবির সদস্যরা কাজ করবেন। এদিকে গত কয়েকদিনে রাজধানীতে প্রায় ১০টি বাসে অগ্নিসংযোগ ও একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় গ্রেফতারও হয়েছে।

    জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ১৩ নভেম্বর। দিনটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের গুজব ও অপপ্রচার—যার মধ্যে রয়েছে গণসমাবেশ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, লকডাউন ঘোষণার গুজব, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মতো প্রচারণা।

    কথিত দুর্বৃত্তরা টানা কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েছে।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দুই-তিন দিনের মধ্যে

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দুই-তিন দিনের মধ্যে

    আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইনগত সহায়তা প্রদান অধ্যাদেশ সংশোধন বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিক-দের এ কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।

    আসিফ নজরুল বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা দেবেন, এ ধরনের প্রত্যাশা আমরা করেছিলাম। কিন্তু প্রত্যাশা করেই আমরা বসে থাকিনি। নিজেদের মতো কাজ করেছি। সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, তা আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে পরিষ্কারভাবে জানতে পারবেন।”

    তিনি আরও বলেন, “উপদেষ্টা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সব দলের প্রত্যাশার প্রতি সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের এবং জনগণের স্বার্থে যা করা দরকার, সেটাই আমরা করতে যাচ্ছি।”

    আজকের সভায় জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পক্ষ থেকে আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ খসড়া উপস্থাপন করা হয়। এতে সংস্থার কার্যপরিধি সম্প্রসারণ, আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা, অধিদফতর রূপান্তর, আইনগত সহায়তা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, মহানগর কমিটি গঠন, বেসরকারি সংস্থার কর্মক্ষেত্র নির্ধারণ এবং মধ্যস্থতাকারীদের জন্য অ্যাক্রে-ডিটেশন সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, সাবেক জেলা জজ মোতাহার হোসেন, ব্লাস্ট-এর নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্পেশাল কনসালটেন্ট ব্যারিস্টার তানিম হোসেইন শাওনসহ অন্যান্যরা।

  • হঠাৎ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে আড়তদার-ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো

    হঠাৎ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে আড়তদার-ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো

    ফরিদপুরের হাট-বাজারগুলোতে হঠাৎ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২৫-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তবে প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম ওঠানামা করছে। এতে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

    বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে দেশি পেঁয়াজের কিছুটা সংকট তৈরি হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আবার আমদানি শুরু হলে পেঁয়াজের দাম নেমে যাবে।

    তবে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কৃষকের কাছে পেঁয়াজ নেই। বেশিরভাগ পেঁয়াজ এখন আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের কাছে। ফলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জেলার সালথা, বোয়ালমারী, সাতৈর, মধুখালী, কানাইপুর বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে মানভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৭০-৭৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকায়।

    আড়তদাররা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ থাকায় দেশি পেঁয়াজের ওপর চাপ বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

  • ঐকমত্য কমিশন কী হলো না হলো, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না

    ঐকমত্য কমিশন কী হলো না হলো, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ব‌লে‌ছেন, “৩১ দফার মধ্যে সংস্কারের সম্পূর্ণ একটা রূপরেখা আছে। তো তারা সংস্কার চাক, আর না চাক। বলুক, আর না বলুক। আমরা সবাই মিলে যুগপৎ আন্দোলনে যারা ছিলাম, আমরা কিন্তু আমাদের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করব। ওই কমিশন কী বলে, ঐকমত্য কমিশন কী হলো না হলো, এটাতে আমাদের কিছু আসে যায় না।”

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘বাংলাদেশের সংবিধান ও সংস্কার প্রস্তাব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা ব‌লেন তিনি। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে গণফোরাম। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি  কামাল হোসেন।

    তিনি অসুস্থ থাকায় তাঁর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।

    জামায়াতকে ইঙ্গিত করে খসরু ব‌লেন, “অন্য কারও (রাজনৈতিক দল) যদি কিছু থাকে, তারাও জনগণের কাছে নিয়ে যেতে পারে।…ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদে আসেন। সংসদে আপনি পরিবর্তন করেন, এটাই তো নিয়ম।

    কিন্তু আপনি জোর করে ঢাকা শহরে বসে, আপনার দাবি মানতে হবে, এটার জন্য আবার ঐকমত্য কমিশনকে ব্যবহার করবেন, অথবা সরকারের ব্লেসিং (আশীর্বাদ) নেওয়ার চেষ্টা করবেন। এটার জন্য তো বাংলাদেশের মানুষ এত ত্যাগ স্বীকার করেনি।”

    গণভোট বর্তমান সংবিধানের পরিপন্থী উল্লেখ করে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরামের এই নেতা বলেন, “এই সংবিধানে গণভোটের কোনো প্রভিশন (অনুমতি/বিধান) নেই, ক্লিয়ারলি (পরিষ্কার)।

    আপনার যদি গণভোট করতে হয়, তাহলে এই সংবিধান পরিবর্তন করে গণভোটের প্রভিশন আগে আনতে হবে।

    গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরীর সভাপ‌তি‌ত্বে, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, নারী পক্ষের সভাপতি শিরীন হক প্রমুখ।

  • চূড়ান্ত নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ ৩ দল

    চূড়ান্ত নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ ৩ দল

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন তিনটি নতুন রাজনৈতিক দলকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দিয়েছে। এর মধ্যে আছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, দলগুলোর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • গণভোটের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    গণভোটের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    গণভোটের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে শিগগিরই সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান উপদেষ্টা—এ কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    ড. আসিফ নজরুল বলেন, “গণভোটের তারিখ নির্ধারণের দায়িত্ব প্রধান উপদেষ্টার। আমরা কেবল সহায়তা করবো, সিদ্ধান্ত নেবেন তিনিই। দ্রুতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণভোটের সময় নিয়ে যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে, তা হতাশাজনক। ২৭০ দিন আলোচনার পরেও অনৈক্য থেকে যাওয়া সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

    এর আগে গত মঙ্গলবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়। তাতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়—যা জাতীয় নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।

    জামায়াতে ইসলামী বলেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট করে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে। অপরদিকে বিএনপির দাবি—নির্বাচনের দিনই গণভোট করতে হবে, এর বাইরে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।

    বিএনপি আরও অভিযোগ করেছে, জুলাই সনদে যে বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছিল, কমিশনের সুপারিশে তার বাইরে নতুন কিছু যুক্ত করা হয়েছে, যা ‘মূল চুক্তির পরিপন্থী’।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, “এই তীব্র রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যেও সমঝোতার পথে এগিয়ে যেতে হবে। সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—দলগুলোর মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরি করা।”

  • ইসির প্রতীক তালিকায় যুক্ত হল ‘শাপলা কলি’

    ইসির প্রতীক তালিকায় যুক্ত হল ‘শাপলা কলি’

    প্রতীকের তালিকা সংশোধন করে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে সই করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছিলেন, “ইসির বিধিমালায় না থাকায় শাপলা প্রতীক জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দেওয়া হবে না। কমিশন বরং নিজেরা বিবেচনা করে অন্য একটি প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।”

    গত জুনে নিবন্ধন আবেদনের সময় শাপলার পাশাপাশি কলম ও মোবাইল ফোন চেয়েছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। পরবর্তীতে দুই প্রতীক থেকে সরে এসে কেবল শাপলাতেই জোর দেয় দলটি।

    তবে রাজনৈতিক দলের জন্য তৈরি করা প্রতীক তালিকায় শাপলা না থাকায় এনসিপির আবেদন বারবারই নাকচ করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    অন্যদিকে, এনসিপির আগে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্যও চেয়েছিল শাপলা প্রতীক, কিন্তু সে আবেদনও খারিজ করে দিয়েছিল ইসি। গত ১৯ অক্টোবর প্রতীক পছন্দের শেষ দিন ছিল।

    তবে সে সময়ও শাপলা ছাড়া অন্য প্রতীক নেবে না বলে জানায় এনসিপি। অবশেষে আজ প্রতীকের তালিকা সংশোধন করে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করে ইসি।

  • যত ঝড়ই আসুক নির্বাচন করতেই হবে‍‍`: ড. ইউনূস

    যত ঝড়ই আসুক নির্বাচন করতেই হবে‍‍`: ড. ইউনূস

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর এবং বাহির থেকে অনেক বড় শক্তি চেষ্টা চালাবে বলে সতর্ক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে, তবে যত ঝড়ঝাপ্টাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে নির্বাচন সম্পন্ন করতেই হবে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

    বৈঠক শেষে বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের কাছে ড. ইউনূসের এই বার্তা পৌঁছে দেন।

    প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর ও বাহির থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে।

    ছোটখাটো না, বড় শক্তি নিয়ে বানচালে চেষ্টা করবে। হঠাৎ করে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। যত ঝড়ঝাপ্টা থাকুক, আসুক না কেন, আমাদের সেটা অতিক্রম করতে হবেই।’

    ড. ইউনূস আরও বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক অপপ্রচার চালানো হবে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচার আসবে।

    নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য দেশের ভেতর থেকে, বাহিরে থেকে খুবই পরিকল্পিতভাবে নানারকম অপপ্রচার চালানো হবে। এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে ছবি, ভিডিও তৈরি করে ছেড়ে দেওয়া হবে। এটাকে সামাল দিতেই হবে। একটা অপপ্রচারের রচনা হওয়া মাত্র সেটা ঠেকাতে হবে, যেন ছড়াতে না পারে।’

    প্রধান উপদেষ্টা মনে করেন, আগামী নির্বাচনকে সুন্দর ও উৎসবমুখর করতে হলে জনগণের কাছে সরাসরি পৌঁছাতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনী নীতিমালা, ভোট কেন্দ্রের নিয়মকানুন, কীভাবে ভোট প্রদান করতে হবে এবং কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে করণীয় কী—এইসব বিষয়ে জনগণকে ব্যাপকভাবে সচেতন করতে হবে।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিভিসি (টেলিভিশন কমার্শিয়াল), ডকুমেন্টারি বা অন্যান্য ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি চান, এই কন্টেন্টগুলো যেন দ্রুত ইউটিউবসহ সকল সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে মানুষ এগুলো দেখে নির্বাচন বিষয়ে নিজেরাই প্রস্তুত হতে পারে।

  • ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে

    ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে

    ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ। নির্বাচনের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

    আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক পদায়ন শুরু হবে। তবে এবারের নির্বাচনে গত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের আর রাখা হবে না বলে জানান তিনি।

    দেশব্যাপী নিরাপত্তা জোরদার ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক মহলে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে বলেও প্রেস সচিব উল্লেখ করেন।