Category: ঢাকা বিভাগ

  • নাগরপুরে কাজী আবু বকর সিদ্দিক কে ফাঁসানোর চেষ্টা!

    নাগরপুরে কাজী আবু বকর সিদ্দিক কে ফাঁসানোর চেষ্টা!

    নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্টার ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিবাদ আমলে বারবার কারা নির্যাতিত ‘”কাজী মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক খান”কে ফাঁসানোর জন্য বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    জানা গেছে, কাজী আবু বকর সিদ্দিক পাকুটিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজ এলাকায় এসে মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনায় সম্পৃক্ত হয়ে সামাজিক কাজ করে থাকেন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে মানব সেবায় অত্যন্ত তৎপর।

    বৃহৎ পরিসরে জনসভায় সম্পৃক্ত হওয়ার ইচ্ছায় দীর্ঘদিন যাবত রাজনীতি করেন বাংলা-দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুর্দিনে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন।

    বছরখানে আগে,  গ্রামবাসীর দাবির মুখে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটা সুবিধাবাদী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অসত্য তথ্য দিয়ে  অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা  ঘটনায় তাকে জড়িয়ে আবারো অসত্য সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে বলে  অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বুধবার লিখিত এক প্রতিবাদ লিপিতে কাজী আবু বকর সিদ্দিক খান জানান,  সম্প্রতি “দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ”  “পাকুটিয়ায় কনের পিত্রালয়ে গোপনে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন” এবং “খবর বাংলা” নামক  অনলাইন নিউজ পোর্টাল “নাগরপুরে ১৫ বছরের কিশোরীর গোপন বিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য!” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমাকে জড়িয়ে যেভাবে বিয়েটি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত বিয়ের সাথে প্রত্যক্ষ  বা পরোক্ষ কোনভাবেই জড়িত নই, এরুপ কোনো বিয়ে আমার কার্যালয়ে রেজিস্ট্রি হয়নি।

    প্রতিবেদনগুলোর একাংশে বলা হয়েছে যে, আমি বয়স যাচাই না করে দায়িত্ব পালন করেছি, যা আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতি আঘাত। আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই – কোনো প্রকার রেজিস্ট্রি করার পূর্বে আমি জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মসনদ, এবং অভিভাবকের সম্মতি যাচাই না করে কোনো বিয়ে নিবন্ধন করি না।

    এখানে সংবাদদাতাগণ কোন মহলের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার কোন বক্তব্য ছাড়াই একপেশে নিউজ করে আমার মানহানি করার অপচেষ্টা করেছে যা সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী ও প্রেসকাউন্সিলের বিচারযোগ্য।

    অথচ অনুসন্ধানে জানা গেছে, উক্ত বিয়েটি টাঙ্গাইল জজ কোর্টে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে,। যা সম্পূর্ণ আমার এখতিয়ার বহির্ভূত। এ ধরনের বিয়ে নোটারী মাধ্যমে সম্পন্ন হলে তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও নোটারী কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তায়, কোনোক্রমেই ইউনিয়নের কাজীর ওপর নয়।

    কেবলমাত্র রাজনৈতিকভাবে আমাকে ফাঁসানোর জন্যই  এমন সংবাদ করা হয়েছে বলে আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

     

  • বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ৪ ডিআইজি

    বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ৪ ডিআইজি

    পুলিশের চার উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    সোমবার (২৮ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপনে অবসরের আদেশ জারি করা হয়।

    বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—শিল্পাঞ্চল পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মনির হোসেন, রেলওয়ে পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মাহবুব আলম, ঢাকা রেঞ্জে সংযুক্ত ডিআইজি আতিক ইসলাম এবং পুলিশ টেলিকমে সংযুক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।

  • ওয়াকআউটের পর আবারো ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি

    ওয়াকআউটের পর আবারো ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি

    সোমবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কমিশনের প্রস্তাবিত সরকারি কর্ম-কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ না নিয়ে সংলাপ থেকে ওয়াকআউট করে বিএনপি। তবে কিছুক্ষণ পর আবার আলোচনায় ফিরে আসে বিএনপির প্রতিনিধিদল।

    আলোচনার শুরুতেই কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

    এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা আগেই বলেছি এই চার প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পদ্ধতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিএনপি আলোচনা করবে না।” এরপরই তারা বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন।

    বিএনপির বেরিয়ে যাওয়ার পর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন,     “একটি বড় দল অনুপস্থিত থাকলে এই বিষয়ে ঐকমত্য কীভাবে হবে?” জবাবে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “বিএনপি আগেই তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তবে কারও অনুপস্থিতিতে আলোচনা অর্থহীন হয়ে গেলে কমিশন তা বিবেচনায় নেবে।”

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ভাবে গঠনের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। এরপরও সাংবিধানিক ও আইন দ্বারা পরিচালিত পদগুলোতে নিয়োগ নিয়ে ভিন্ন ভাবনার প্রয়োজন নেই। এতে নির্বাহী  বিভাগের ক্ষমতা সীমিত হবে এবং তা রাষ্ট্র পরিচালনায় জটিলতা সৃষ্টি করবে।” পরে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিএনপির প্রতিনিধি দল আবার আলোচনায় যোগ দেয়।

  • ভোটের মাঠে থাকবে ৬০ হাজার সেনাসদস্য

    ভোটের মাঠে থাকবে ৬০ হাজার সেনাসদস্য

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৬০ হাজার সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমি তে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

    এদিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাদের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে ব্রিফ করেন প্রেস সচিব।

    ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, বৈঠকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রায় ৬০ হাজারের মতো ট্রুপস নির্বাচনী ডিউটিতে থাকবেন। আপনারা জানেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তারা মাঠে ডিউটিতে রয়েছেন। তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার আছে। আমরা আশা করছি, নির্বাচনের সময় তাদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য।

    প্রেস সচিব বলেন, ইলেকশনের আগে পুলিশের প্রস্তুতির কথাও বলা হয়েছে। পুলিশের আইজি মহোদয় বলেছেন, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেড় লাখ পুলিশকে ট্রেনিং দেওয়া হবে নির্বাচন উপলক্ষ্যে।

    শফিকুল আলম আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচুর মিস ইনফরমেশন অলরেডি সার্কুলেট হয়েছে। সামনে এটা আরও বাড়তে পারে। এটাকে সামনে রেখে ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার হবে যেখানে এই মিস-ইনফরমেশনগুলোকে আমরা ডিফাইন করতে পারব। সেটি ক্রিয়েট করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। এটা নিয়ে অনেক বিশদ আলোচনা হয়েছে।

  • নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত প্রয়োজন’

    নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত প্রয়োজন’

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, শহীদের দেওয়া প্রাণকে যদি আমরা মর্যাদা দিতে চাই, নিজেদের ভবিষ্যৎকে তৈরি করতে চাই, তবে আমাদের নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত তৈরি করতে হবে।

    তিনি বলেন, লুটপাট, দুর্নীতি আর দখলদারির অর্থনীতিকে বহাল রেখে এবং বিভাজনের সংস্কৃতি বজায় রেখে বাংলাদেশে আমরা কোনো নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরি করতে পারব না।

    রবিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে গণসংহতি আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জুলাই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    এর আগে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও মাজার জেয়ারত করেন গণসংহতি আন্দোলনেরা কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতারা।

    গণসংহতি আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলার সংগঠক তুষার আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন শহীদ মোহাম্মদ ইমনের ভাই মোহাম্মদ সুজন, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য আলিফ দেওয়ান, জাতীয় পরিষদের সদস্য আশরাফুল আলম সোহেল, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সদস্যসচিব ফারজানা জেসমিন, মধুপুর উপজেলার সংগঠক গোবিন্দ বর্মণ, নাগরপুর উপজেলার সংগঠক আলিম মোল্লা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলার দপ্তর সম্পাদক প্রেমা সরকার, টাঙ্গাইল পৌর কমিটির আহ্বায়ক আদিবা হুমায়রা, সদস্য শিশির সাহা প্রমুখ।

  • কেন্দ্রীয় ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটি স্থগিত

    কেন্দ্রীয় ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটি স্থগিত

    কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সারাদেশের সব কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি রশিদুল ইসলাম রিফাত (রিফাত রশিদ)। চাঁদাবাজির দায়ে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ইস্যুতে এই ঘোষণা দিলেন তিনি।

    রিফাত বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা আহ্বান করছি, আজকের সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোনো প্রকার অপকর্ম করার চেষ্টা করবে, আপনারা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমাদের হেল্প লাগলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।

    তিনি আরও বলেন, বৈষ্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া এই মুহূর্ত কোনো লিগ্যাল বডি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে ফাংশন করতেছে না। এর পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আমাদের এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

  • রাষ্ট্রীয় অবদান কোটায় প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন শেখ হাসিনার ১৫ ড্রাইভার

    রাষ্ট্রীয় অবদান কোটায় প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন শেখ হাসিনার ১৫ ড্রাইভার

    ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা শুধু নিজের পরিবারের সদস্যদের জন্যই রাজউক থেকে প্লট বরাদ্দ নেননি বরং তার দপ্তরের ১৫ জন ব্যক্তিগত গাড়িচালকের নামেও তিন ও পাঁচ কাঠা আকারে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এমন অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বলে জানায়।

    দুদকের একটি দল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অভিযান চালিয়ে বিশেষ বিবেচনায় দেওয়া কিছু প্লট বরাদ্দের নথিপত্র জব্দ করেছে।

    প্লট পাওয়া ১৫ ড্রাইভার হলেন—সাইফুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, রাজন মাতবর, মাহবুব হোসেন, শাহীন, মতিউর রহমান, নুর হোসেন ব্যাপারী, বোরহান উদ্দিন, বিললা হোসেন, মিজানুর রহমান, বাচ্চু হাওলাদার, নুরুল আলম এবং নুরুন্নবী।

    ওইসব নথিতে দেখা যায়, ‘অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি’র কোটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সচিব ও ভিআইপিদের মোট ১৫ জন চালককে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    দুদকের সূত্রে মতে, বরাদ্দ অনুযায়ী দুই জন চালককে তিন কাঠা করে এবং তিন জনকে পাঁচ কাঠা করে জমি দেওয়া হয়। ঝিলমিল প্রকল্পে এই বিশেষ বরাদ্দের তালিকায় আরও রয়েছেন ৪৫ জন ব্যবসায়ী, ২ জন বাংলাদেশি ব্রিটিশ নাগরিক, সাংবাদিক, বিচারপতি ও অন্যান্য পেশার লোকজনও রয়েছে।

     

  • রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাচ্ছেন মাইলস্টোন স্কুলের নিহত দুই শিক্ষক

    রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাচ্ছেন মাইলস্টোন স্কুলের নিহত দুই শিক্ষক

    যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার সময় শিক্ষার্থীদের রক্ষায় সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মাইলস্টোন স্কুলের নিহত দুই শিক্ষককে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং আহতদের চিকিৎসাসেবায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়া হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে প্রধান উপ-দেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের শুরুতে মাইল-স্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের আত্মার প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়েছে।

    এ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং আহতদের চিকিৎসাসেবায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

    এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ওই স্কুলের নিহত দুজন শিক্ষককে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    এ সম্মাননার বিস্তারিত অতিদ্রুত নির্ধারণ করা হবে।নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে আগামীকাল শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সমন্বয় করবে।

  • সাটুরিয়ায় ভিক্ষুকের শেষ ইচ্ছা পূরণ করলো গ্রামবাসী

    সাটুরিয়ায় ভিক্ষুকের শেষ ইচ্ছা পূরণ করলো গ্রামবাসী

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চামারখাই গ্রামের মৃত ভিক্ষুক আমিলা বেগমের শেষ ইচ্ছা পূরণ করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী ও আত্মীয়স্বজন। তার মৃত্যুর পর তার নামে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়, যা ছিল আমিলা বেগমের শেষ আকাঙ্ক্ষা।

    গতকাল সোমবার (২২ জুলাই) সাটুরিয়া উপজেলার আইরমারা গ্রামে আমিলা বেগমের নাতি মোঃ জসিম উদ্দিনের বাড়িতে জোহরের নামাজের পর এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করে আমিলা বেগমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    উল্লেখ্য, আমিলা বেগম তার জীবদ্দশায় গ্রামবাসীর কাছে অনুরোধ করে যান যেন তার মৃত্যুর পর তার নামে দোয়ার আয়োজন করা হয়। তার এই শেষ ইচ্ছাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গ্রামবাসী এ উদ্যোগ নেয়।

    এদিকে, আমিলা বেগমের রেখে যাওয়া ৮০ হাজার টাকার একটি অংশ আত্মসাৎ হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে প্রশাসনের সহযোগিতায় ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়। স্থানীয় চামারখাই কৃষি সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেনের মধ্যস্থতায় এই টাকা ফেরত দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।

    আমিলা বেগমের নাতি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন,”আমার দাদীর শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। আমরা সবাই তার আত্মার শান্তি কামনা করছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।

    এই ঘটনায় গ্রাম্য সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিকতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে

  • মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ আমান উল্লাহ

    মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ আমান উল্লাহ

    মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আমান উল্লাহ। পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও অপরাধ দমনে অসাধারণ ভূমিকার জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    গত ২০ জুলাই, রোববার, মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার মোছাঃ ইয়াসমিন খাতুন তার হাতে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

    ওসি এস এম আমান উল্লাহ তার দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অবদান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবায় অনন্য ভূমিকার জন্য এই স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তার এই সাফল্য জেলার পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি উদ্যমে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে উপস্থিত কর্মকর্তারা মন্তব্য করেন।

    এ সময় অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমতিয়াজ মাহবুব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোঃ সালাউদ্দিনসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    পুরস্কারপ্রাপ্ত ওসি আমান উল্লাহ তার এই সাফল্যের জন্য সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতেও দায়িত্ব পালনে আরও বেশি আত্মনিয়োগের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।