Category: ঢাকা বিভাগ

  • আমাকে রিমান্ডের মতো ডিসিশন দেবেন না-সুমাইয়া জাফরিন

    আমাকে রিমান্ডের মতো ডিসিশন দেবেন না-সুমাইয়া জাফরিন

    আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন আদালতে দাবি করেছেন, আগে থেকেই সেখানে সব আয়োজন করা ছিল। তিনি এবং তার স্বামী কিছু সময়ের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন মাত্র।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রিমান্ড শুনানি চলাকালে বিচারককে জাফরিন বলেন, আগে থেকেই ওটা অ্যারেঞ্জ করা ছিল। সেখানে ইনভাইটেশন পেয়ে আমি ও আমার হাজবেন্ড কিছু সময়ের জন্য গিয়েছিলাম।

    তিনি বলেন, জায়গাটা অন্য কেউ ভাড়া করেছিল। কিন্তু দোষটা আমার ওপর চাপানো হচ্ছে। দয়া করে আমাকে রিমান্ডের মতো ডিসিশন দেবেন না। কিছু জানার থাকলে এমনিতেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। আমি উত্তর দেব। আমি নিজে এটা করিনি। তাই অনুরোধ আমাকে রিমান্ড দেবেন না।

    পরে শুনানি শেষে ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জাফরিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ অন্যরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।

    বুধবার (৬ আগস্ট) মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে সুমাইয়া জাফরিনকে হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি জানায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশে একটি কনভেনশন হলে ‘গেরিলা প্রশিক্ষণের’ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।

    অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সময় মেজর সাদিকের সঙ্গে তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনও উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় সাদিককে হেফাজতে নেয় সেনাবাহিনী। পরে তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ।

     

  • জুলাই ঘোষণাপত্রের নীরব প্রতিবাদ জানাতে কক্সবাজার গিয়েছি: হাসনাত

    জুলাই ঘোষণাপত্রের নীরব প্রতিবাদ জানাতে কক্সবাজার গিয়েছি: হাসনাত

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় পাঁচ নেতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কক্সবাজার ভ্রমণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ওঠে। এ বিষয়ে দল থেকে তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এর জবাব দিয়েছেন।

    এবার দিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) হাসনাত আবদুল্লাহ।বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ওই শোকজের জবাব দিয়েছেন তিনি। শোকজের জবাবে তিনি লিখেছেন, “আপনার স্বাক্ষরিত ৬ আগস্ট কারণ দর্শানোর নোটিশটি আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছি এবং এনসিপির প্রতি আমার অঙ্গীকার ও দায়বোধ থেকেই আমি এই ব্যাখ্যা লিখছি।

    তিনি লিখেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ জীবন দিয়েছিল নতুন বাংলাদেশের জন্য। এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের আশায়, যেখানে কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না এবং প্রতিটি নাগরিক মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবেন। এই আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যেই এই সরকার গঠিত হয়েছিল।

    সরকারের উচিত ছিল এমন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা, যা সেই মানুষ গুলোর আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিনিধিত্ব করবে। ঘোষণাপত্রের খসড়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই ঘোষণাপত্র প্রণয়নের সময় সেই মানুষদের কথা সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করা হয়েছে, যারা অভ্যুত্থানের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন। শহীদ পরিবার, আহত এবং নেতৃত্বদানকারীদের অনেকেই মতামত প্রদানের সুযোগ পাননি, এমনকি অন্তর্ভুক্তির ন্যূনতম সম্মানটুকুও পাননি।

    হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “ঘোষণাপত্রের চূড়ান্ত খসড়ায় এমন কিছু উপাদান দেখি, যা অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেমন, ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে সংবিধান সংস্কারের জন্য জনগণ পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর দায়িত্ব অর্পণের অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে। এই দাবিটি অসত্য এবং সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনার পথে একটি বড় অন্তরায়।

    আমরা শুরু থেকেই দাবি করে আসছি, গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে, যা রাষ্ট্রের কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আনবে এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ঘটাবে।”

    তিনি দাবি করেন, ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় তিনি জানতে পারেন আন্দোলনের আহত এবং নেতৃত্বদানকারীদের অনেককেই ঐ দিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তিনি বলেন, “এটা শুধু রাজনৈতিক নয়, নৈতিক ব্যর্থতা বলেই মনে হয়েছে। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

    তিনি জানান, ৪ আগস্ট রাতে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এরপর মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবহিত করেন ভ্রমণের ব্যাপারে। তার ভাষায়, “তিনি আমাকে জানান যে, তিনি আহ্বায়ক মহোদয়কে বিষয়টি জানাবেন।

    প্রায় ত্রিশ মিনিট পর তিনি আমাকে নিশ্চিত করেন যে, আহ্বায়ক মহোদয় এতে সম্মতি প্রদান করেছেন।” হাসনাত জানান, এই ভ্রমণে তার সঙ্গে যোগ দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সস্ত্রীক সারজিস আলম ও তাসনিম জারা-খালেদ সাইফুল্লাহ দম্পতি।

    তিনি আরো লিখেছেন, “কিছু মিডিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থার যোগসাজশে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে অপরাধপ্রবণ এবং সন্দেহজনক হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এমনকি গুজব ছড়ানো হয়েছে যে, আমরা পিটার হাসের সঙ্গে গোপন বৈঠকে যাচ্ছি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করতে-যখন তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন না।”

    গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “এই প্রবণতা, যেখানে কাউকে টার্গেট করে রাষ্ট্রদ্রোহী বানিয়ে ফেলা যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে চলতে পারে না।সবচেয়ে আশঙ্কা-জনক ব্যাপার হলো, এই একই প্যাটার্নে হাসিনার আমলেও বিরোধীদলের নেতাদের নামে প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন চালানো হতো।”

  • এনসিপির ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    এনসিপির ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদকে আগে থেকে না জানিয়ে কক্স-বাজার ভ্রমণ করায় দলটির শীর্ষ ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিশের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার (৬ আগস্ট) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক নোটিশে পাঁচ নেতার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

    এনসিপির ওই পাঁচ নেতা হলেন- মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

    নোটিশে বলা হয়েছে, “গতকাল ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে আপনি এবং দলের আরও চারজন কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজার গিয়েছেন। এই সফর সংক্রান্ত কোনো তথ্য কিংবা ব্যাখ্যা ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ এর কাছে পূর্বে অবগত করা হয়নি।

    ”আরো বলা হয়েছে, “এ অবস্থায়, আপনার এই সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আপনাকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা যাচ্ছে।”

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিনে এনসিপির ওই পাঁচ নেতা হঠাৎ কক্সবাজারে যান। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ও আলোচনা-সমালোচনা হয়।

  • বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই-ফখরুল ইসলাম

    বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই-ফখরুল ইসলাম

    বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বিএনপির বিজয় র‍্যালির পূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে খুব শিগগিরই। নতুন জুলাই ঘোষণা পত্র হয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি ৩১ দফা। সেই ৩১ দফার বাস্তবায়িত হতে চলেছে সংস্কারের মধ্য দিয়ে।

    তিনি বলেন, আসুন আজকে আমরা সেই শপথ গ্রহণ করি যে আমরা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে একটা সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে স্বপ্ন ছিল সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

    তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের মধ্যে দিয়ে যে গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করেছিলাম। আজকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সেই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করব। আমরা একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করব। সাম্য, মানবিক মূল্যবোধ ও মর্যাদার একটি রাষ্ট্র আমরা তৈরি করব। বিশ্বের দরবারে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আসুন আজকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়ে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সহযোগিতায় আমরা বিজয় অর্জন করতে পেরেছি।

  • দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন-তারেক

    দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন-তারেক

    মতভেদ থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশ ও জনগণের স্বার্থে এক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (৬ আগস্ট) রাজাধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে বিএনপির বিজয় র‌্যালির আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বলতে চাই- বিভিন্ন ইস্যুতে মতভেদ থাকবে। এসব মতভেদ দূর করতে আমাদের আলোচনা চলবে। জাতীয় কোনো ইস্যুতে, গণতন্ত্রের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যাতে মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। কারণ আমি বিশ্বাস করি ধর্ম, দর্শন, মত যার যার, রাষ্ট্র আমাদের সবার।

    ”গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের আরো সতর্ক ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “নাগরিকদের কাছে আহ্বান রাখছি, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, ফ্যাসিবাদের সময় আমরা নিরাপদ ছিলাম না। আমাদের সন্তানরা নিরাপদ ছিল না। আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পুরো বাংলাদেশকে বর্বর বন্দিশালা বানানো হয়েছিল। গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন না থাকায় এমন হয়েছিল।

    ”গণতন্ত্র এবং দেশের জনগণের সামনে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সম্ভাবনা এবং সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “চব্বিশের আন্দোলনের কারণে আসা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করা গেলে; জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারলে, ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পাবে না। দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না। আর কোনো রক্তাক্ত চব্বিশ আমাদের দেখতে হবে না।”

     

  • জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, পাবে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি

    জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, পাবে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত করবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    শেখ হাসিনার পতনের প্রথম বর্ষপূর্তির দিনে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কার করা সংবিধানের তফসিলে এ জুলাই ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

    ”জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো”।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে।

    ঘোষণাপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসঙ্গত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধা-নিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধ সম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

    জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ (বিটিভি) বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশন করা হয়। এছাড়া শহীদদের স্মরণে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

     

  • সাটুরিয়ায় ‘গণ-অভ্যুত্থান দিবসে’ বিএনপির বিজয় মিছিল

    সাটুরিয়ায় ‘গণ-অভ্যুত্থান দিবসে’ বিএনপির বিজয় মিছিল

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আওয়ামী ‘ফ্যাসিবাদ’ পতনের বছরপুর্তী উপলক্ষ্যে বিশাল বিজয় মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠন। মিছিলটির নেতৃত্বে ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা-মন্ডলীর সদস্য আফরোজা খান রিতা।

    আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় উপজেলা হাই স্কুল মাঠ থেকে মিছিলটি শুরু  হয়। বাসস্ট্যান্ড হয়ে উত্তর কাওন্নারা টু সিনেমা হল রোড হয়ে আবার বাস স্ট্যান্ডে এসে মিছিলটি শেষ হয়।  বৃষ্টিতে ভিজেই মিছিলের নেতৃত্ব দেন আফরোজা খান রিতা।

    এ সময় রাস্তার দুপাশে থাকা বাড়ি ঘরের মা-বোনেরা মিছিলটির অবলোকন এবং আফরোজা খান রিতাকে ধণ্যবাদ জ্ঞাপন করেন। মিছিলে উপজেলা বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

    এ ব্যাপারে, জেলা তাতীঁদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, আজকের এই মিছিল সাটুরিয়ার ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে আমাদের প্রাণের নেত্রী মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আফরোজা খান রিতা আপার সক্রিয় অংশ গ্রহণে সাটুরিয়ার মানুষ উজ্বিবীত হয়েছে। যে কোন গনতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সাটুরিয়াবাসী আফরোজা খান রিতা আপার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি। গণ-অভ্যুত্থানের আজকের এই দিনটি সত্যিকারই আমাদের জন্য অনেক আনন্দের দিন।

    উল্লেখ্য, ইতিহাস বদলে দেওয়া গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের এদিনে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে ক্ষমতার মসনদ চেপে থাকা এক স্বৈরাচারের শাসন অবসান ঘটে। পরবর্তীতে সরকার ৫ আগস্টকে গণ-অভ্যুত্থান দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

  • আহ্বান

    আহ্বান

    ঈমানের তকদির ললাটে মাখি
    মৃত্যুর মিছিলে কে যাবি আয়,
    বাতিলের দাবি রুখিতে হবে-
    দরাজ গলায়, আল্লাহু আকবর।।

    মহানের মহত্ব করিব বয়ান-এইবার
    উচ্চ করে শির……………….
    কারবালার ময়দানে যুদ্ধের ডাক
    আয়; শহীদের তাড়া নিয়ে বীর।।

    সত্য, সুন্দর আর ন্যায়ের পথে
    দিতে হবে প্রাণবলি-
    ইয়াজিদের সান দেওয়া খড়গের নীচে
    জীবনের হবে কোলাকুলি।।

    মরুর পথে এই বার দিতে হবে
    রক্তের সামিয়ানা পাতি-
    জালিমের গলায় পড়াতে হবে
    সিমারের কলংক রাখি।।

    নাস্তিক, মুশরিক আর কাফিরের দল
    এইবার হবে তারা; হবে পদদল,
    নিশাচরা পাখী মোরা, গাইবো জিহাদের গান
    সত্য পথে যায় যাবে, এই দেহ-প্রাণ।।

  • ‘‘১/১১-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে-মাহফুজ আলম

    ‘‘১/১১-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে-মাহফুজ আলম

    তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন যে, দেশে আবারও ‘ওয়ান ইলেভেনের’ পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে তিনি তার ভেরি-ফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

    তবে, পোস্টটি দেওয়ার ২৩ মিনিট পর তিনি তা আপডেট করেন। আপডেটেড পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘‘১/১১-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে! তবে, জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।’

    ’মাহফুজ আলমের এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘ওয়ান ইলেভেন’ বা ১/১১ হিসেবে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির ঘটনাটি পরিচিত। ওই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন—এই ইস্যুতে শুরু হওয়া আন্দোলনের জেরে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

    সেদিন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ান এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ২২ জানুয়ারি যে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল, সেটি বাতিল করা হয়।

    এরপর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে, যার প্রধান হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ। সেসময় সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল মঈন উদ্দিন আহমেদ।

  • তারেক রহমান হ্যাজ এ ড্রিম- মির্জা ফখরুল

    তারেক রহমান হ্যাজ এ ড্রিম- মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমান অর্থনীতি ও রাজনীতি সম্পর্কে যে স্বপ্ন তুলে ধরছেন তা শুনে আমার মার্টিন লুথার কিংয়ের সেই ঐতিহাসিক কথা ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ মনে হয়।

    ফখরুল বলেন, তারেক রহমান হ্যাজ এ ড্রিম। সেই ড্রিম নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যাবো এবং জয় করবো। সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে যুবদল আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন: আমার না বলা কথা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, এটাকে কাকতালীয় বলবো নাকি ভবিষৎ বলব জানি না। যখনই দেশ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়, অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যায় তখনই বিএনপির ওপর দায়িত্ব এসে পড়ে সেটিকে পুনর্গঠন করার। প্রতিটি সময়ে তাই ঘটেছে। আজ আবার হয়তো বা বিএনপিকেই সেই দায়িত্ব নিতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

    দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজ দেশে অস্থিরতা তৈরি করার একটি ষড়যন্ত্র চলছে। যেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয়। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল যতদিন টিকে থাকবে ততদিন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার কোনো শক্তি বাংলাদেশে দাঁড়াতে পারবে না। এসময় তিনি তার বক্তব্যে বিএনপির শাসনামলের সাফল্যের বিভিন্ন গল্প তুলে ধরেন।