Category: ঢাকা বিভাগ

  • টাংগাইলে, তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর…নগর বাউল জেমসের কনর্সাট !

    টাংগাইলে, তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর…নগর বাউল জেমসের কনর্সাট !

    ‘কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর নিও না’, ‘দিওয়ানা দিওয়ানা তোমার প্রেমের দিওয়ানা’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া’, ‘দশ মাস দশ দিন ধরে গর্ভে ধারণ’, ‘আসবার কালে আসলাম একা’, ‘দুষ্ট ছেলের দল’, ‘বিজলী চলে যেওনা’, ‘মীরা বাঈ’, ‘পাগলা হাওয়ার তোড়ে’সহ জনপ্রিয় সব গান গেয়ে টাঙ্গাইল মাতালেন নগর বাউল জেমস।

    টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ উপলক্ষে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান গেয়ে দর্শক মাতান জেমস। লক্ষাধিক দর্শককে সুরের জাদুতে মুগ্ধ করেন এই বরেণ্য শিল্পী।

    আগেই ছড়িয়ে পড়ে জেমসের আগমনের খবর। ফলে গতকাল দুপুর থেকে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলাসহ আশেপাশের জেলা থেকে জেমস ভক্তরা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে থাকেন। জেমস ছাড়াও এ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যান্ড শিল্পীরা।এদিন বিকেলে শুরু হওয়া কনসার্টটি চলে রাত পর্যন্ত।

    আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিএনপি ও আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।

     

  • চার দিনের রিমাণ্ডে সংগীতশিল্পী মমতাজ

    চার দিনের রিমাণ্ডে সংগীতশিল্পী মমতাজ

     

    আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তারকরে ৪ দিনের রিমাণ্ডে মঞ্জুর করে আদালত।এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, রাজধানীর ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন মমতাজ বেগম।

    সেখান থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। যার মধ্যে হত্যা মামলাও রয়েছে বলে জানা গেছে।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার হত্যা মামলায় আজ মঙ্গলবার মমতাজকে আদালতে হাজির করা হয়।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নং গোলচত্বর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন মো. সাগর। ওইদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আসামিরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করেন। এসময় ভুক্তভোগী সাগরের বুকে গুলি লেগে পেছন দিকে বের হয়ে যায়। তার মা মোসা. বিউটি আক্তার তাকে খুঁজতে থাকেন।

    এক পর্যায়ে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টায় মিরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার লাশের সন্ধান পান তিনি। পরে সন্তানের লাশ গ্রহণ করে গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করেন।

    এ ঘটনায় গত ২৭ নভেম্বর নিহতের মা মোসা. বিউটি আক্তার বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। এতে শেখ হাসিনাসহ ২৪৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মামলায় ২৫০-৪০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।

     

  • বাংলাদেশকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি আইএমএফ

    বাংলাদেশকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি আইএমএফ

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলতি অর্থবছরে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজের আওতায় জুন মাসে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে যাচ্ছে আইএমএফ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে একাধিক বৈঠকের পর এ নিয়ে আইএমএফ-এর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

    মঙ্গলবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিনিময় হার ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক যে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে, তা নিয়ে শুরুতে আপত্তি থাকলেও শেষ পর্যন্ত আইএমএফ তা মেনে নিয়েছে। ফলে ঋণ প্যাকেজের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে জুনে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় হচ্ছে।

    এ বিষয়ে আগামী বুধবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সদর দপ্তরে একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই আইএমএফ-এর সঙ্গে ঋণ ছাড় সংক্রান্ত চূড়ান্ত সমঝোতার ঘোষণা আসবে বলে জানা গেছে।

    প্রবাসে অবস্থানরত গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দুবাই থেকে ভার্চুয়ালি ওই সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হবেন বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ঋণ ছাড় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের আস্থাও বাড়াবে।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য তিন বছরের ঋণ কর্মসূচি অনুমোদন করে। যার আওতায় এখন পর্যন্ত দুটি কিস্তি ছাড় হয়েছে। আসন্ন এই তৃতীয় কিস্তির মাধ্যমে মোট ছাড়কৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

  • সাটুরিয়ায় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতকে শোকজ

    সাটুরিয়ায় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতকে শোকজ

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শোকজ করেছে সাটুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপি।

    সোমবার (১২ মে) রাতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল হক শামীম স্বাক্ষরিত এক  বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    শোকজ পাওয়া নেতার নাম  হলেন- মোঃ জসিম উদ্দিন। তিনি সাটুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও মেম্বার। বিজ্ঞপ্তিতে তাকে  ৩ দিনের মধ্যে লিখিত ভাবে কারণ দর্শানোর জবাব চাওয়া হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

  • মানিকগঞ্জের সাবেক এমপি মমতাজ গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের সাবেক এমপি মমতাজ গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।সোমবার (১২ মে) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    ডিবির যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম বলেন, মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে।” তবে সুনির্দিষ্ট কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

    বিশিষ্ট লোকসংগীত শিল্পী মমতাজ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের সদস্য হন। পরে নির্বাচিত হন নৌকা প্রতীকে। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে হেরে যান তিনি।

    এরই মধ্যে মমতাজ বেগমের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

    গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে আত্মগোপনে ছিলেন মমতাজ বেগম। তবে ফেইসবুক পেজে অজ্ঞাত স্থান থেকে গান পোস্ট করে আলোচনায় আসেন তিনি।

  • পুলিশের হাতে আর মারণাস্ত্র থাকবে না- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    পুলিশের হাতে আর মারণাস্ত্র থাকবে না- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশের হাতে আর মারণাস্ত্র থাকবে না। তাদের কাছে থাকা মারণাস্ত্র জমা দিতে হবে।” সোমবার (১২ মে) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুলিশের হাতে যাতে আর কোনো মারণাস্ত্র না থাকে। এগুলো তাদের জমা দিতে হবে। কোনো মারণাস্ত্র পুলিশের হাতে থাকবে না। অস্ত্র থাকবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সদস্যদের হাতে। তাদের কাজ কিন্তু অন্য পুলিশের থেকে একটু ভিন্ন।”

    কবে থেকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আজকে কেবল মিটিংয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলো।সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তো একটু সময় লাগে।”

    জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পুলিশের কাছে রাইফেলও থাকবে না তা নয়। তাদের কাছে রাইফেল থাকবে।” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি অন্য বিষয়ের সঙ্গে পুলিশকে মারণাস্ত্র  না দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়টি দেখবে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

     

  • শিবগঞ্জে গোলাম আজমের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    শিবগঞ্জে গোলাম আজমের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পবিত্র        রমজান মাসে প্রকাশ্য দিবালোকে পরিবারের সামনে নির্মমভাবে খুন
    হন স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম আজম। ঘটনার প্রায় দুই মাস পার হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি কোনো আসামি।

    এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা। দীর্ঘদিন পরেও খুনিরা গ্রেফতার না হওয়ায় থানার ওসির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা। আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পরিবার ও এলাকাবাসী। মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয় রবিবার (১১ মে) শিবগঞ্জ পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আয়োজনে শিবগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ও সংস্কার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন মেহেদী, শিবগঞ্জ পৌর শাখার সভাপতি এসএম মহিউদ্দিন, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলাম উদ্ধসঢ়;-দৌলা। এছাড়া নিহতের বাবা আব্দুল খালেক, মা রহিসা বেগম, স্ত্রী হালেমা খাতুন, বোন খালেদা বেগম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও অংশ নেন।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, ১৮ রমজান (১৯ মার্চ/২৫) বিকেলে কুখ্যাত সন্ত্রাসী মো. আলমগীর ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালায় গোলাম আজমের ওপর। পরিবারের সামনেই তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, ২২ মার্চ রাতে তিনি মারা যান।

    পরদিন নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। কোন অজ্ঞাত কারনে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ গোলাম আজম এর খুনিদের গ্রেফতার করছে না।

    এই হত্যাকান্ড নিয়ে থানার ওসি গোলাম কিবরিয়ার ভূমিকা নিয়েও নানা সমালোচনা করেন গোলাম আজম এর পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী অনেকটা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। গোলাম আজম এর খুনিদের গ্রেফতার করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচী দেয়ারও হুশিয়ারী দেন মানববন্ধনে বক্তারা।

    এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া বলেন, গোলাম আজম হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে আমরা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শিগগিরই সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • আমার মা ‘বিশ্ব সেরা’

    আমার মা ‘বিশ্ব সেরা’

    আমার মা বাল্যশিক্ষা পর্যন্ত পড়া। বাবা পঞ্চম শ্রেণী পাশ ছিলেন। বাবা কৃষিকাজ ও ডিলারী করতেন। সে-কালে ডিলারদের অনেক মূল্য ছিল। সরকারের সমস্ত রিলিফ স্বল্প মূল্যে ডিলারদের মাধ্যমে জনগনের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়া হতো। সাধারনত সৎ ও ভাল মনের মানুষদেরকেই ডিলার হিসাবে নিয়োগ দেয়া হতো। আর ডিলারী ব্যবসাটা আমাদের পৈতৃক ব্যবসা। সেজু ভাই এখনো বাবার ডিলারী ব্যবসা ধরে রেখেছেন।

    আমাদের বাড়ী, ‘ডিলার বাড়ী’ হিসাবে পরিচিত। সাটুরিয়া উপজেলার না হলেও; অন্তত দিঘলীয়া ইউনিয়নের প্রত্যেক গ্রামের মানুষই আমার বাবাকে কম-বেশী চিনেন। আমার বাবার নাম হাবিবুর রহমান হলেও সকলে ‘হবি ডিলার’ হিসাবে বেশী চিনেন।

    আমাদের বাড়ীতে রিলিফের মাল ডেলিভারি দেওয়ার দিন, হাজারো মানুষের উল্ল্যাস, চেঁচামেচি আর হাঁক-ডাক লেগেই থাকতো। বাবার সকল কাজের প্রধান সাহায্যকারী, পরার্মশক কিম্বা বিষান্নতাভোগি ছিলেন আমার মা ‘জাবেদা বেগম’।

    সে কালে মেয়েরা স্বামীর নাম ধরে ডাকতো না-অমঙ্গলের আশঙ্কায়। তাছাড়া এটি ছিল স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অঘাত ভালবাসা এবং সীমাহীন শ্রদ্ধায় বিষয়। মা বাবাকে ‘এ্যাঁদু শুনছ নাকি’ বলে ডাকতো। চাল, চিনি, ডাল, লবন ও তেল বিতরণ করার জন্য আমাদের বাহির বাড়ীতে আলাদা একটি ঘর ছিল। যাকে আমরা ‘বাংলাঘর’ বলে জানতাম। সারা দিন ‘বাংলাঘরে’ বাবা চাল, চিনি. ডাল. লবন ও তেল বিলি করতেন আর নালিশ জমা হতো মায়ের রান্না ঘরে।

    নালিশের পাল্লা অধিক- ভরি হলে মা রান্না ঘর হতে বাহির হয়ে ‘বাংলাঘরের’ পাশে গিয়ে হালকা স্বরে কাশ দিতেন। হাজারো লোকে ভীড়ে থাকলেও বাবা মায়ের সেই কাশের স্বর বুঝতে পারতেন। তাৎক্ষণিক তিনি সকল কাজ রেখে – মায়ের সাথে কথা বলার জন্য বাহিরে ছুঁটে আসতেন এবং ক্যাচু-ম্যাচু হয়ে বলতেন কি হয়েছে তাড়াতাড়ি বল।

    মা, হুকুমের সুরে বলতেন, ছমিরন চাল, ডাল ও চিনি পায়নি কেন? ওর পরিবারে তিন জন লোক। হিসাব অনুয়ায়ী সে ছয় কেজী চাল, দুই কেজী ডাল ও এক কেজী চিনি পাওয়ার কথা। নয়া মিয়াকে দিয়ে চাল, ডাল, ও চিনি রান্না ঘরে পাঠিয়ে দিও। টাকার জন্য চিন্তা করো না। ওটা আমার কাছে জমা দিয়েছে। মায়ের কথা মত চাল, ডাল ও চিনি রান্না ঘরে পৌঁছিয়ে যেত। বাবার শতঃ ইতস্ততায় কোন ফয়দা হতো না।

    এ দিকে ছমিরন রান্না ঘরে, বসে উনুঁনে আগুন দিয়ে ফুপিঁয়ে ফুপিঁয়ে কাঁদতো- ভাউজ কি করি, কি করি বলে। মায়ের হাত হতে চাল, ডাল ও চিনি পেয়ে বাড়ী যাবার সময় সে মায়ের পা ছুঁতে চাইলে, মা তাকে বুঁকে জড়িয়ে নিতেন। ছমিরণ, বাউজ! বাউজ! বলে আবেগে মায়ের বুঁকে ঢলে পড়তো। তখনকার সমাজে অর্থহীন বিত্তহীন ছমিরণদের একমাত্র ভরসা ছিলেন আমার মা। এই সকল ঘটনা, এক-দুই দিনের নয়, নিত্যই আমাদের বাড়ীতে ঘটতে দেখেছি।

    অবসর সন্ধ্যায়, পাড়ার আফাজ পাগলা, রসুলদী কাকু, সুলতান মাষ্টার, জিন্দা পাগলা, মজিবর ডাক্তার, আকালী কাকু আমাদের বাড়ীতে আসতেন। বাড়ীর উঠানে জমিয়ে বৈঠকি গানের আসর বসতো। বাবার কন্ঠে –‘সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে.. গানশুনে মা খুব কান্না কাটি করতেন। আমি তখন ছোট। মায়ের কোলে বসে ফ্যাঁল-ফ্যাঁলিয়ে সকলের দিকে তাকিয়ে থাকতাম।

    বাবা প্রায়ত হয়েছেন আজ প্রায় ২৫ বছর। মায়ের বয়স এখন ৯৭ এর কাছাকাছি। ভাল ভাবে চোখে দেখেন না। আমাদের চাচিতারা বাজার সংলগ্ন চল্লিশ শতকের বাড়ীর ছোট একটি ঘরে মা থাকেন অনেকটা একাকী ও নিবৃত্তচারী হয়ে। আমরা তিন ভাই ঢাকা থাকি। সকলের-ই, সময়ের খুব অভাব। মায়ের খোজঁ-খবর তেমন রাখতে পারি না। কিন্তু মা নিত্যই আমাদের খোজঁ-খবর রাখেন। সাপ্তাহের প্রতি শুক্রবার তিনি নির্ঘুম রাত কাটান-আমাদের বাড়ী আসার পথ চেয়ে। শুবার ঘরের বারান্দায় এসে বসে থাকেন, আর মাঝে মাঝে হাকঁ তুলেন ‘বৌমা কে এলো গো..বলে।

    আমি মায়ের ছোট সন্তান। ছোট থেকেই মায়ের আদরের। এখন বড় হয়েছি, তাই আর মায়ের কাছে তেমন বসা হয়না। প্রতি দিনের মতো খাবার শেষে মায়ের আচঁলে হাত মুছাঁ হয়না, মায়ের কাছে বায়না ধরতে হয় না। মায়ের নতুন কাথাঁ সিলায়ের পাটিতে গড়াগড়ি দিতে হয় না। কিম্বা মায়ের আচঁলের খিটঁ খোলে টাকাও চুরি করতে হয় না। এখন, বৌয়ের মরমী আচলের সুঘ্রান- সুভাশে মায়ের ভালবাসাকে সমাধি দিয়েছি।

    আজ ‘বিশ্ব মা দিবস’। তাই কাগজে দুই-ছত্র লিখে মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ জানালাম। জানি, এটি নিন্দণীয়। তবু মনের আবেগ-ও প্রসন্নতাকে জন- সমাজে প্রচারে মন চায়।

    পৃথিবী বড়ই অদ্ভূত। জন্মদাত্রী এখানে অ-প্রয়োজনে অশ্রাহীনা হয়। ব্যক্তিক সুযোগ- সুবিধার কাছে এখানে, ভগবান অসহায়। ভালো লাগা আর ভালবাসা এখানে বিনিময়ে বিক্রি হয়। কিন্তু মাতৃত্ব- আর পিতার ভালবাসা কালের স্রোতের মতই বহমান থেকে যায়।

    মা ,আমি বড় অসহায়, অভাগা ছেলে। আজ ‘বিশ্ব মা দিবস। অবনত মস্তককে তোমাকে প্রনাম করছি। সময়ের ভেড়া জালে আমরা জাগতিক। কিন্তু তোমার ভালোবাসার শূণ্যেতা আমাদের সব সময় কাঁদায়। এই বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়ের প্রতি অগাত শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাই।

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি-মানিকগঞ্জ জেলা শাখা।

     

  • আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধে আমরা আনন্দিতঃ ফখরুল

    আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধে আমরা আনন্দিতঃ ফখরুল

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তে বিএনপি আনন্দিত বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রবিবার (১১ মে) এক বিবৃতিতে এ কথা জানান তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা আনন্দিত যে, বিলম্বে হলেও গত রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফ্যাসীবাদী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত করার এবং বিচারকার্য নির্বিঘ্ন করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগ ও তার সঙ্গে যুক্ত সব সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ রাৃখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করে ফ্যাসিবাদী দলের বিচার করার সিদ্ধান্তকে আমরা সঠিক বলে মনে করি।”

    তবে বিএনপির দাবি মেনে আরো আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে চাপের মুখে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিব্রতকর ও অনভিপ্রেত অবস্থায় সরকারকে পড়তে হতো না বলে উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব।

  • সাটুরিয়ায় শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

    সাটুরিয়ায় শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার পার-তিল্লি এলাকায় শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলামকে মারধর ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার দুপুরে পার-তিল্লি বাজারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

    ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম (২০) চর-তিল্লি এলাকার পরশ আলীর ছেলে। তিনি উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে অধ্যয়নরত।

    পরিবারের অভিযোগ, একটি চাঁদাবাজির ঘটনার মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়ায় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তিল্লি ইউনিয়নের জোওলার মোড় এলাকায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করে। বর্তমানে তিনি মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- পার-তিল্লি বাজার কমিটির সভাপতি মো. লাভলু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, তিল্লি ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ চুন্নু, সাটুরিয়া উপজেলা তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জুয়েল রানা জীবন, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সানোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, বিএনপির নাম ভাঙিয়ে তিল্লি ইউনিয়নের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর ও হুমকি দেওয়া হয়। থানায় অভিযোগ দিলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    তিল্লি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের দলের কিছু নেতাকর্মীর নামে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখবো। দোষি সাব্যস্ত হলে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নিব। আমাদের দলে চাদাঁবাজদের কোন জায়গা নাই।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।