Category: ঢাকা বিভাগ

  • আগামী রমজানের আগে নির্বাচন চায় জামায়াত

    আগামী রমজানের আগে নির্বাচন চায় জামায়াত

    আগামী রমজানের আগেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন দেখতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    এদিন দুপুরে গুলশানে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জামায়াত আমির। ঘণ্টাখানেক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া প্রতিশ্রুতির পর্যবেক্ষণ করছে তার দল। আগামী রমজানের আগে নির্বাচন দেখতে চান তারা।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একইসঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচারও দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।

    এদিকে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানতে একইদিন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। দলটির ৮ শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। বৈঠক শেষে যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    অন্যদিকে এ বৈঠকের ব্যাপারে একটি ব্রিফিং করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খোলামেলা পরিবেশে কথা হয়েছে। সংস্কারের ব্যাপারে বিএনপি অত্যন্ত আন্তরিক।

    বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যে যাই বলুক, জুনের পরে নির্বাচন যাবে না।

  • ‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ নয়’-মির্জা ফখরুল

    ‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ নয়’-মির্জা ফখরুল

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠক শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আশ্বাস না পাওয়ায় আলোচনা সন্তোষজনক নয়।

    এর আগে দুপুর ১২টায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল যমুনায় পৌঁছায়।

    প্রতিনিধিদলের ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ ও ইকবাল আহসান মাহমুদ টুকু।

  • বৈষম্যমুক্ত  সমাজ প্রতিষ্ঠায়  দেশপ্রেমিকদের অংশগ্রহণ জরুরী-অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন

    বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় দেশপ্রেমিকদের অংশগ্রহণ জরুরী-অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন

    স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সকল প্রকার বৈষম্যমুক্ত  ইনসাফ ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা কায়েম করতে চায়’বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ঢাকা উত্তর অঞ্চল সহকারী পরিচালক ও কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ দেলওয়ার হোসাইন। সোমবার পহেলা বৈশাখ দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি বাজারে সংগঠনের গণসংযোগ পক্ষ পালন এবং  বাংলা নববর্ষ  উপলক্ষে আয়োজিত সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় শেষে  স্থানীয় সাংবাদিকদের  সঙ্গে আলাপচারিতায় এ কথা বলেন।

    অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ দেলওয়ার হোসাইন আরো বলেন, ‘সকল ধর্মেই ন্যায় বিচার, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, সত্যের পক্ষে কাজ করার জন্য তাগিদ করে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও সত্যের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। এ কাজে অংশ নিতে জনগণকে আহ্বান করছি। এতে আমরা সাধারণ জনগণনের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। মানুষের মন গড়া আইন, অসৎ দুর্নীতিবাজদের শাসনই হচ্ছে মানুষের জন্য অশান্তির মূল কারণ। এর থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন অত্যন্ত প্রয়োজন।

    সেই লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, সুবিচার কায়েম হলে সুদ,  ঘুষ, কালো বাজারি, মজুদদারী, টেন্ডারবাজী দুর্নীতি থাকবে না। আমরা সবাইকে নিয়ে  এক সাথে বৈষম্য মুক্ত সমাজ গড়তে চাই সেই জন্য দেশপ্রেমিকদের অংশগ্রহণ জরুরী । সৎ দক্ষ মানবসম্পদের সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই।’

    জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হেসাইন  বালিয়াটি বাজার, ভাটারা ত্রীমোড়, গর্জনা, দিমুখা, ভাঙ্গাবাড়ী, খলিলাবাদ, হাজিপুর, শিমুলিয়া এলাকায়  আল্লাহর  আইন চাই সৎ লোকের শাসন চাই স্লোগানকে সামনে রেখে জামায়াতের সহযোগী সদস্য সংগ্রহ অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন।

    এ সময় সাটুরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মুঃ আবু সাঈদ বিএস সি,  কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা শওকত আলী, উপজেলার যুবনেতা সোহরাব হোসেন, বালিয়াটি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি  মাওলানা মো: রমজান আলী, সেক্রেটারি মোঃ  আশরাফ উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা মাসুম বিল্লাহ সহ জামায়াত, ছাত্র শিবির, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক  সাধারণ জনতা উপ-স্থিত ছিলেন।

  • সাটুরিয়ার হরগজে প্রবাসীর স্ত্রীর ফাসঁ নিয়ে আত্মহত্যা

    সাটুরিয়ার হরগজে প্রবাসীর স্ত্রীর ফাসঁ নিয়ে আত্মহত্যা

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ নদীর উত্তর পাড় এলাকায় প্রবাসী স্বামীর ওপর অভিমান করে মোসাম্মৎ ইতি আক্তার (২৫) নামে এক পোশাক শ্রমিক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রবিবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে হরগজ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইতি আক্তার প্রবাসী মো. লাবু মিয়ার স্ত্রী জানা গেছে। ইতি-লাবু দম্পতির ইফাত (৭) নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরের খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমাতে যায় ইতি। শ্বশুর মোহাম্মদ আলী নাতি ইফাতকে ডাকতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছে।

    মোহাম্মদ আলীর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে লাশ নামিয়ে ইতিকে মৃত দেখতে পান। থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

    উল্লেখ্য যে, ইতি আক্তার গোলড়া আকিজ টেক্সটাইলে চাকরি করতেন। দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রবাসী স্বামীর সাথে তার মনোমালিন্য চলছিল।

    সাটুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ শাহীনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

  • সাটুরিয়ার দরগ্রাম হতে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    সাটুরিয়ার দরগ্রাম হতে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অপারেশন ডেভিল হান্টে মো. বাদশা মিয়া (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলার দরগ্রাম গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মো. বাদশা মিয়া সাটুরিয়া থানার দরগ্রাম ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থাণীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানিকগঞ্জ সদরে ভাঙচুর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, যুবলীগ নেতা মো. বাদশা মিয়াকে মানিকগঞ্জ সদর থানার নাশকতা মামলায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোহয়েছে।

  • সাটুরিয়ায়, ১৪৩২ বর্ষবরণ উপলক্ষে লোকজ বৈশাখী মেলার আয়োজন

    সাটুরিয়ায়, ১৪৩২ বর্ষবরণ উপলক্ষে লোকজ বৈশাখী মেলার আয়োজন

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় নতুন বর্ষবরণ উপলক্ষে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আয়োজিত হচ্ছে গ্রামীণ বৈশাখী মেলা। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৬ ইউনিয়নে আয়োজন করা হচ্ছে এই মেলার। উপজেলা‌ প্রশাসন কর্তৃক বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান, দেশীয় ঐতিহ্য বাহী লোকজ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

    বরাইদ ইউনিয়নের ছনকা মোল্লা পাড়া মাঠে লোকজ মেলা ও ঘৌড় দৌড়ের আয়োজন করা হয়েছে। সাভার হামজা মাঠে, দিঘলীয়া ইউনিয়নে প্রফিল্ল ঋষিপাড়ায়, বালিয়াটি ইউনিয়নে ভাটারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, বাহ্রা ঋষিপাড়ায়, দরগ্রাম ইউনিয়নে সাফুল্লী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, তেবারিয়া গ্রামে তিল্লী ইউনিয়নে পশ্চিম চরতিল্লী, ধানকোড়া ইউনিয়নে খল্লী দাসপাড়া গ্রামীন লোকজ মেলার আয়োজন করে স্থানীয় গ্রামবাসী।

    এসব মেলায় দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসে। মেলাকে সামনে রেখে অনেক ব্যবসায়ী কয়েক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নেন। মেলায় মৃৎ শিল্পসহ অনেক লোকজ শিল্প পসরা বসে। যদিও এসব মেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো জৌলুস। শহুরে মেলা জাঁকজমক হলেও গ্রামীন এসব মেলায় লোকসমাগম কম হয়।

    মেলা স্থান এবং আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় বাঙ্গালীর প্রাণের স্পন্দন বৈশাখী উৎসব। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এক কাতারে এসে দাঁড়ায় এ উৎসবে। মেলায় নাগরদোলা, সাকার্স, যাত্রাপালা, পুতুল নাচ, লাঠি খেলা, ঘৌড় দৌড় থাকতো। নতুন প্রজন্ম ভুলতে বসেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এ মেলার আয়োজন। সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, বৈশাখী বর্ষবরণ উৎসব বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব। সকল ধর্ম, সকল জাতি এক কাতারে এসে উৎসব পালন করে।

    উপজেলা প্রশাসন থেকে বর্ষবরণের নানা আয়োজন নেয়া হয়েছে। সাটুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে বর্ষবরণ উপলক্ষে লোকজ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা নেই। তবুও আমরা সতর্ক রয়েছি।

  • মির্জাপুরের ৬০ লাখ টাকা নিয়ে সন্তানসহ প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী

    মির্জাপুরের ৬০ লাখ টাকা নিয়ে সন্তানসহ প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী

    টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের স্বামীর পাঠানো ৬০ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকারসহ সন্তান নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও হয়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। এ ঘটনায় স্ত্রী ও পুত্রকে পাওয়ার আশায় দেশে ফিরেছেন স্বামী টুটুল মিয়া। এ ঘটনায় মামলার ২৯ দিনেও স্ত্রী-সন্তানকে খুঁজে পাননি তিনি। টুটুল মিয়া জানান, তার গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার নরদানা গ্রামে।

    প্রায় ১০ বছর আগে একই উপজেলার মহদীনগর গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের মেয়ে সালমা আক্তারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের এক পুত্র সন্তান হয়।  পরিবারের খরচ যোগাতে স্ত্রী-পুত্রকে বাড়িতে রেখে তিনি সৌদি আরবে চলে যান। বিদেশ থেকে এ পর্যন্ত তার স্ত্রীর নামে ব্যাংকে ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লাখ টাকা পাঠান। এছাড়া বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাঠান।

    তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে তার স্ত্রী সালমা আক্তার নরদানা গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে বখাটে আব্দুল কাদের মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

    তিনি আরও জানান, বিদেশ থেকে পাঠানো তার সমস্ত টাকা ও স্বর্ণা-লংকার নিয়ে স্ত্রী সালমা আক্তার তার বাবার বাড়িতে পাকা ঘর ও জমি ক্রয় করেছে। এছাড়া সালমার ভাইয়ের জন্য প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করেছেন। তার পাঠানো টাকা দিয়ে প্রেমিক আব্দুল কাদের মিয়ার বাড়িতে পাকা ঘরসহ তাকে বরাটী বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে দেন সালমা।

    কৌশলে তার জমানো সব টাকা নেওয়া শেষ হলে ৫ বছরের ছেলেকে গত ১৮ মার্চ সালমা আক্তার প্রেমিক আব্দুল কাদেরকে নিয়ে পালিয়ে যান।

    জানা যায়, টুটুল মিয়া বিদেশ থাকায় তার বোন তাসলিমা আক্তার বাদী হয়ে সালমার বাবা ছানোয়ার হোসেন, মা লাখী বেগম ও ভাই ইমনের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন করেন। মামলার ২৯ দিন পার হলেও পুলিশ সালমা ও ছেলেকে উদ্ধার করতে পারেনি। এছাড়া প্রেমিক প্রতারক আব্দুল কাদেরও গ্রেফতার হয়নি।

    মামলার বাদী তাসলিমা আক্তার বলেন, আমার ভাই বিদেশ থাকায় আমি বাদী হয়ে মামলা করেছি। ভাইয়ের প্রায় ৬০ লাখ টাকা, বিপুর পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও ৫ বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে তার স্ত্রী সালমা আক্তার প্রেমিক আব্দুর কাদেরের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। স্ত্রী ও শিশু পুত্রের শোকে ভাই এখন দেশে এসেছেন। আমরা পুলিশের কাছে ন্যয় বিচার দাবি করছি।

    এ প্রসঙ্গে পালিয়ে যাওয়া সালমা আক্তার ও তার প্রেমিক আব্দুল কাদেরের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, থানায় অভিযোগ হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের উদ্ধারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।

  • সাটুরিয়ার  বরাঈদ-ছনকায় ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

    সাটুরিয়ার  বরাঈদ-ছনকায় ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

    নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান বর্বর নৃশংসতম হত্যা ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদ, ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের  প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং ইজরাইলি পন্য বয়কটের আহবান  জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার. ছনকা এলাকার বাসিন্দারা।

    শনিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় ছনকা বাজার এলাকায় আশেপাশের বিপুল সংখ্যক  জনতা  এ  বিক্ষোভ করেছেন।  এতে  বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিব, মোয়াজ্জিন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ছাত্র – শিক্ষক , রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থক , পেশাজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন বয়সী শ্রেণী ও পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ  কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

    লংমার্চ ফর গাজা সফল করতে বিক্ষোব মিছিলে ছনকা বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মুফতি আবুল হাসান ইমরানের সভাপতিত্বে  বক্তব্য রাখেন আবদুর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারূী শিক্ষক মাওলানা আমিনুর রহমান, বণিক সমিতির সহ সেক্রেটারী য্যবদল নেতা জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন  মাওলানা হাবিবুর  রহমান বাদশা, সাবেক ইউপি সদস্য  আহমদ আলী, ও রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

    বিভিন্ন  লিখা ব্যানারসহ ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ, ইসরাইল  নিতাপ যাক, ইহুদি পণ্য বয়কট ইত্যাদি শ্লোগানে শ্লোগানে সভা শেষে  একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল মসজিদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে বাজারের  গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    বিক্ষোভ সভায় বক্তাগণ, গাজায়  নারকীয় বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।বক্তাগণ  অবিলম্বে ইসরাইলি বর্বরতার অবসান নিশ্চিতের জন্য জাতিসংঘ এবং ওআইসি কে সক্রিয় ভূমিকা পালনেরআহ্বান  জানান। ঢাকায় আজকের মার্চ ফর গাজা কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন।

  • জাজিরায় নিষেধাজ্ঞার ৪ চার বছর পরে সক্রিয় বিবাদী

    জাজিরায় নিষেধাজ্ঞার ৪ চার বছর পরে সক্রিয় বিবাদী

     

    ॥ শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ জাজিরা উপজেলা সদরের আক্কেল মাহমুদ মুন্সী কান্দি গ্রামের অজুফা বিবি ও মাইনদ্দিন চৌকিদারদের মধ্যে দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। সেই মামলায় উভয় পক্ষকে নিজ নিজ অবস্থানে থাকার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৪ বছর পরে বিরোধীয় জমিতে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেছে বিবাদী পক্ষ।

    অভিযোগকারী বাদী অজুফা বেগম জানায়, পৈত্রিক সম্পত্তির দাবীতে সে আদালতে মামলা করেছে। জমির উপরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ শুরু করেছে বিবাদী পক্ষ। আদালতে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত নালিশী জমিতে কেউ যেন কাজ করতে না পারে এমন দাবী জানিয়েছেন বাদী অজুফা বেগম।

    বিবাদী মাইনদ্দিন চৌকিদারের ছেলে দেলোয়ার হোসেন জানায়, ৫ বছর পূর্বে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ ছিল।

    এখন জাজিরা থানার ওসি, স্থানীয় সালিশ ইউনুছ বেপারী, শামসু বেপারী, হালেম বেপারী, মিলন চৌকিদারসহ অনেকে আমাকে নির্মাণ কাজ শুরু করতে বলেছে। তাই পুণ:রায় নির্মাণ শুরু করেছি। আদালতের আদেশে যদি বাদী পক্ষ যদি জমি পায় দিয়ে দিব।

    হুকুম দাতা মিলন চৌকিদার জানায়, সে বিরোধীয় জমির নারী নক্ষত্র জানে। ১৯৬৫ সাল থেকে জমি বিবাদীদের দখলে তাই সে বিরোধীয় জমিতে বিবাদীকে ভবন নির্মাণের হুকুম দিয়েছেন।

    এই বিষয়ে জজিরা থানা অফিসার ইনচার্জ দুলাল আখন্দ বলেন, সে ভবন নির্মাণের কোন আদেশ প্রদান করেনি। পুলিশ উপ-পরিদর্শক কায়কোবাদ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। বিষয়টি সেই বলতে পারবে।

    পুলিশ উপ-পরিদর্শক কায়কোবাদ জানায়, সে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। চাকুরীতে সে নবিন তাই আদালতের বিষয়টি তার জানা ছিল না। সে কোট পুলিশ পরিদর্শকসহ অনেক সিনিয়র অফিসারদের সাথে আলোচনা করে কোন সিদ্ধান্ত পায়নি। তাই নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে পারেনি।

  • ড. ইউনূসকে ৫ বছর ক্ষমতায় চেয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি

    ড. ইউনূসকে ৫ বছর ক্ষমতায় চেয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি

    পাগলা মসজিদের দানবাক্সে শুধু টাকা-পয়সা নয়, দান করা হয়ে থাকে মানুষদের না বলা গল্প, ব্যক্তিগত প্রার্থনা, আর কিছু অসমাপ্ত স্বপ্নের চিরকুটও। এবার এমনই একটি চিরকুট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে একজন সাধারণ নাগরিক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কে আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় রাখার জন্য আকুতি জানিয়েছেন আল্লাহর দরবারে।

    সেখানে নাম পরিচয়হীন অজ্ঞাত এক ব্যক্তির দেওয়া চিরকুটে লেখা- ‘ড. ইউনূস স্যারকে আরও ৫ বছর চাই- সাধারণ জনগণ। আল্লাহ তুমি সহজ করে দাও।’ শনিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত পাগলা মসজিদের ১১টি দানবাক্স খোলা হয়।

    অন্যান্যবারের মতো এবারও কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে চলে এইকার্যক্রম। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, এপিপিএন—সব বাহিনীই ছিল সতর্ক অবস্থানে। গণনার জন্য যুক্ত হন প্রায় চার শতাধিক শিক্ষক, ছাত্র ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

    মসজিদ কমিটি জানায়, ৪ মাস ১২ দিন পর দানবাক্স খোলা হলো, আর এবার বের হয়েছে ২৮ বস্তা টাকা! সেই সঙ্গে উঠে এসেছে নানা ধরণের চিঠি ও আকুতি—যার মধ্যে ড. ইউনূসকে ঘিরে সাধারণের চাওয়া মিশে গেছে ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে।

    কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, মসজিদের দোতলায় বসে গণনার কাজ এখনো চলছে।