Category: ঢাকা বিভাগ

  • এবার ঢাকা সিটি কলেজে হামলা ও ভাঙচুর !

    এবার ঢাকা সিটি কলেজে হামলা ও ভাঙচুর !

    ঢাকা সিটি কলেজে হামলা ও ভাঙচুর শুরু করেছে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। ঠিক কী কারণে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের একদল শিক্ষার্থী সিটি কলেজে গিয়ে হামলা চালায়।বর্তমানে সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরেই অবস্থান করছে।

    এর আগে গতকাল ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনা ঢাকা কলেজের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে।

  • শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের ১০ সদস্যের এনআইডি লক

    শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের ১০ সদস্যের এনআইডি লক

    জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের ১০ সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) লক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আওতাধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ। একটি চিঠির মাধ্যমে তাদের এনআইডি লক করা হয় বলে আজ সোমবার নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

    নথিপত্র অনুযায়ী, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরের মৌখিক নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

    তবে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সরাসরি নির্দেশ ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও যাদের এনআইডি লক করা হয়েছে তারা হলেন, সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ, শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, শাহিন সিদ্দিক, বুশরা সিদ্দিক এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

  • মানিকগঞ্জে রোগীর শরীরে ভুল রক্ত পুশ, মুত্যৃর কারণে উল্লেখ শ্বাসকষ্ট !

    মানিকগঞ্জে রোগীর শরীরে ভুল রক্ত পুশ, মুত্যৃর কারণে উল্লেখ শ্বাসকষ্ট !

    মানিকগঞ্জে চিকিৎসাধীন এক রোগীর শরীরে ‘ও’ পজিটিভ রক্তের পরিবর্তে ‘বি’ পজিটিভ রক্ত পুশ করায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রোগীর নাম বিল্লাল হোসেন। তিনি জেলার সদর উপজেলার খাগড়াকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

    রোগীর স্বজনরা বলেন, গত বুধবার (১৯ এপ্রিল) সকাল পৌনে ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে বিল্লাল হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে আমাদের কাছে ভুল রক্ত দেওয়া হয়েছে। আমরা সেটি এনে নার্সের কাছে দেওয়ার পর নার্সরা বলেন ডাক্তারের অর্ডারপত্র লাগবে। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর ডাক্তার রক্ত দেখে অর্ডারপত্র দিয়েছেন। এরপর নার্সরা রোগীর শরীরে সেটি পুশ করেন। এরপর থেকেই রোগীর সারা শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। আমরা তখনও বুঝিনি যে রোগীকে ভুল রক্ত দেওয়া হয়েছে।

    পরে বাইরের একজন লোক দেখে আমাদের বলেন রোগীকে ভুল রক্ত দেওয়া হচ্ছে। এরপর আমরা হাসপাতালের নার্স ও ডাক্তারদের অনেক ডাকাডাকি করলেও তারা এসে রোগীর কোনো চিকিৎসা দেননি। তারা তড়িঘড়ি করে সেই রক্তের ব্যাগ ও রক্ত সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে চলে যান। পরে রাত ৮টার দিকে আরেকজন ডাক্তার এসে আমাদের রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেন।

    তারা আরও বলেন, আমরা বলেছি, রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার মত অবস্থা আমাদের নেই। এটা একটা সরকারি মেডিকেল, আমাদের রোগীর চিকিৎসা এখানেই করেন। তারপর তারা রোগীকে আর কোনো চিকিৎসা দেয়নি। এটি ভুল রক্ত নাকি সঠিক রক্ত সেটি বোঝার ক্ষমতা তো আমাদের নেই। তারা তিন জায়গায় চেক করে রক্ত দিয়েছে। এক জায়গায় ভুল হতে পারে, তিন জায়গায় তো ভুল হওয়ার কথা না। তাদের ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।

    মানিকগঞ্জ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইশতিয়াক আহমেদ জানান, বিকেল ৪টার দিকে ডিউটিতে ছিলেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ঐশী ও মেডিকেল অফিসার ডা. নূরজাহান। সেসময় রোগীর শরীরে ‘ও’ পজিটিভ রক্তের পরিবর্তে ‘বি’ পজিটিভ রক্ত পুশ করা হয়েছে। এরপর থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আমি রাত ৮টায় ডিউটি শুরু করেছি। আমি ডিউটি শুরু করার পর যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি। এরপরও রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, রোগীর শরীরে খুব বেশি রক্ত যায়নি। তবে কাগজ পত্র না দেখে রক্ত পুশ করা ঠিক হয়নি। এটি একটি মারাত্মক ভুল। রোগীর মৃত্যু সনদে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে ওই চিকিৎসক বলেন, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা উল্লেখ করা হয়েছে। ভুল রক্ত পুশ করার বিষয়টি উল্লেখ না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এটি করা হয়েছে।

  • বিচার ও সংস্কারের আগে কোনভাবেই নির্বাচন নয়- ডা. সফিকুর রহমান

    বিচার ও সংস্কারের আগে কোনভাবেই নির্বাচন নয়- ডা. সফিকুর রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. সফিকুর রহমান বলেছেন, “জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহতদের বিচার ও সংস্কারের আগে কোনভাবেই নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। আগে ফ্যাসিস্টের বিচার ও সংস্কার করতে হবে। তারপর নির্বাচন। শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে জলঢাকা স্টেডিয়াম মাঠে জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেন।

    তিনি আরো বলেন, “আওয়ামী লীগ দেশ প্রমিক ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যার মধ্য দিয়ে তাদের হত্যা মিশন শুরু করে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার বিচার, শাপলা চত্বরে আলেমদের হত্যা বিচারসহ সকল হত্যার বিচার করবে।”

    জামায়াত আমির বলেন, “অতিদ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের দেশের উন্নয়নে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। কারো চাপিয়ে দেওয়া সিন্ধান্ত আমরা মেনে নেব না।”

    জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের আমীর মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিমসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

     

  • সাটুরিয়ায় ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার!

    সাটুরিয়ায় ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার!

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় বিশেষ অভিযানে পরিচালনা করে আওয়ামী লীগের ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মোনায়েম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে সাটুরিয়া থানা পুলিশ।

    শনিবার (১৯ এপ্রিল) রাত ১০টায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোনায়েম হোসেন ধানকোড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার।

    পুলিশ জানান, ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বিজয় মিছিলের সময় দড়গ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    অন্যদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপির নেতা মো. শাহিন খান বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের ৩৮ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামি করে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, দরগ্রাম মামলার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।  এই সময় তিনি আরো উল্লেখ করেন, আইন শৃঙ্খলার উন্নতি ও যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

     

     

  • ছাত্রলীগ নেতার ফেসবুকে মন্তব্য ‘মিশন কমপ্লিট’

    ছাত্রলীগ নেতার ফেসবুকে মন্তব্য ‘মিশন কমপ্লিট’

    আনন্দ শোভাযাত্রার মোটিফ নির্মাণকারী শিল্পীর বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন ছয় জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আগুন দেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    আগুনের ঘটনায় গতকাল বুধবার (১৬ এপ্রিল) পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দহভাজন ছয়জনকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়। এদেরকে আজ বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলের দিকে আদালতে তোলা হবে। আজকেও ওই বাড়ি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তারা।

    মানিকগঞ্জে মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় আটককৃতরা হলো- আল আমিন তমাল (২২) অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, সদর উপজেলা ছাত্রলীগ, মাইনউদ্দিন আহাম্মদ পিয়াস (২২) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উপজেলা ছাত্রলীগ, বাবুল হোসেন (৫৪) ৩নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ, মীর মারুফ (২১), ছাত্রলীগ নেতা আমিনুর রহমান (২৪), ছাত্রলীগ নেতা খান মোহাম্মদ রাফি ওরফে সিজন (১৮)।

    আটকদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা খান মোহাম্মদ রাফি ওরফে সিজন (১৮) চিত্রশিল্পীর বাড়িতে আগুন দেওয়ার পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিশন কমপ্লিট লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন।

    জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাত তিনটার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষের বাজার এলাকায় ভাস্কর্য শিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের গ্রামের বাড়ির একটি ঘরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে আগুনের বিষয়ে মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

    এ ঘটনায় ছয় সদস্যবিশিষ্টি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন। এ কমিটি তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।

  • নির্বাচনের আগে তিনটি শর্ত পূরণ হতে হবে- ডা. শফিকুর রহমান

    নির্বাচনের আগে তিনটি শর্ত পূরণ হতে হবে- ডা. শফিকুর রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশ নতুনভাবে স্বাধীনতা পেয়েছে। এ অবস্থায় দেশে নির্বাচন হওয়ার আগে তিনটি শর্ত পূরণ হতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, অনেক কষ্টে যা এসেছে এতে তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর প্রধান হচ্ছে দৃশ্যমান গ্রহণযোগ্য মৌলিক সংস্কার।

    আমরা তা সংস্কার কমিশনের কাছে দিয়েছি। এসব পরিবর্তন ছাড়া কোনো নির্বাচন হলে তা গণতন্ত্রের কোনো ভিত্তি গঠন হবে না। এ নির্বাচনও তাহলে পূর্বের মতো খারাপ হবে।

    প্রথমত সংস্কারের প্রধান অংশীজন হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। এতে যদি তারা সহযোগিতা করে তাহলে দ্রুত নির্বাচনে পরিবেশ হবে। তারা যদি সহযোগিতা না করে যদি গতানুগতিক নির্বাচন হয় তাহলে আগের মতো নির্বাচন হবে। যার দায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিতে হবে।

    দ্বিতীয়ত গণহত্যাকারীদের দৃশ্যমান বিচার করতে হবে। যাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসে। শহীদের আত্মা যাতে প্রশান্তি পায়।

    তৃতীয়ত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্মানবোধ থাকতে হবে। যাতে এমন না হয়, আমি জিতে গেলেই নির্বাচন সুষ্ঠু, না জিতলে দুষ্ট- এমন মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

    এর জন্য সবার এনগেজমেন্ট প্রয়োজন। এটি সরকারের তরফ থেকেই হতে পারে, রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্যোগে হতে পারে, সিভিল সোসাইটির উদ্যোগেও হতে পারে।

    জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের আগে শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত পূরণ ছাড়া মার্চ ফেব্রুয়ারি কোনো কিছু ঠিক থাকবে কি না নির্বাচনের কমিটমেন্ট ঠিক থাকবে কি না তা আল্লাহই জানে।

     

  • প্রশাসন অনেক জায়গায় বিএনপির পক্ষে কাজ করছে- নাহিদ ইসলাম

    প্রশাসন অনেক জায়গায় বিএনপির পক্ষে কাজ করছে- নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, ‘প্রশাসন অনেক জায়গায় বিএনপির পক্ষে কাজ করছে। এ ধরনের প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন করা সম্ভব নয়।

    বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকায় সফররত মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান সময়ে যে মাঠ প্রশাসন রয়েছে, মনে হচ্ছে তারা নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মী-দের ওপর হামলা চলছে এবং সেসব জায়গায় প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে।

    তিনি আরা বলেন, আমরা দেখছি প্রশাসন বিএনপির পক্ষ অবলম্বন করছে অনেক জায়গায়। মাঠপর্যায়ে যেসব জায়গায় চাঁদাবাজি চলছে, সেই জায়গায়ও প্রশাসন আসলে নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা বলেছি, এ ধরনের প্রশাসন যদি থাকে তাহলে এর অধীনে নির্বাচন করাটা সম্ভব নয়। এই জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য নিরপেক্ষ প্রশাসন, আমলাতন্ত্র, পুলিশ নিশ্চিত করতে হবে।

    সংস্কার বিষয়ে দেওয়া প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, সংস্কার বিষয়ে আমরা যেই প্রস্তাবনাগুলো সংস্কার কমিশনে দিয়েছি, সেগুলোর কথা বলেছি। আমরা বলেছি আমাদের তিনটি দাবির কথা—সংস্কার, বিচার ও গণপরিষদ নির্বাচন।

    তিনি স্পষ্ট করেন, আমরা বলেছি যে আমরা এখানে ন্যূনতম সংস্কার নয়; বরং রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের জন্য আমরা কাজ করছি। এই পরিবর্তন গুলো ছাড়া নির্বাচন হলে, তা গ্রহণযোগ্য হবে না। সেই নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি অংশগ্রহণ করবে কি না, সেটাও বিবেচনাধীন থাকবে।

     

  • মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ৬ ডেভিল গ্রেপ্তার !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ৬ ডেভিল গ্রেপ্তার !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ডেভিল হান্ট অপারেশনে ছয় ডেভিলকে গ্রেপ্তার করেছে সাটুরিয়া থানা পুলিশ। বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন— তিল্লি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ধলা (৩৯), বালিয়াটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মনির হোসেন দুর্লভ (৪২), একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুহিরুল ইসলাম (৩৬), দিঘুলিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি বাদশা মিয়া (৪৫), দিঘুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন মিয়া (৪৪) এবং হরগজ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আব্দুস সালাম (৪৪)।

    সাটুরিয়া থানা পুলিশ জানায়, ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বিজয় মিছিলের সময় দড়গ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা মো. শাহিন খান বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের ৩৮ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব শাহিনুর রহমান জানান,  সারাদেশব্যাপী ডেভিল হান্ট অপারেশনে চালমান রয়েছে। তার অংশ হিসাবে সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে আসামীদের জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।

     

  • টাঙ্গাইলে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দপ্তরী আটক

    টাঙ্গাইলে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দপ্তরী আটক

    টাঙ্গাইলের বাসাইলে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কাজী সুমন (৪২) নামে স্কুলের দপ্তরিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে বাসাইল থানা পুলিশ।

    আটক কাজী সুমন উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সৈদামপুর গ্রামের কাজী নাসিরের ছেলে। তিনি সৈদামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসেবে কর্মরত।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পর দুজন শিক্ষার্থী দপ্তরি সুমনের কাছে প্রাইভেট পড়ে। পড়ানোর একপর্যায়ে এক শিক্ষার্থীকে চশমা নিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। ওই শিক্ষার্থী চশমা নিতে গেলে সেই সুযোগে অন্যজনের শ্লীলতাহানি করেন।

    প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি গেলে ভুক্তভোগীর গায়ে জখম দেখতে পান তার মা। পরে মাকে ঘটনা জানায় ওই শিক্ষার্থী। পরে শিক্ষার্থীর পরিবার বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানায়।

    পরিবারের লোকজন বলেন, এর আগেও এই দপ্তরি ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমনটো করেছে। ভয়ে আগে বাড়িতে বলেনি। বাড়ির পাশাপাশি হওয়াতে দপ্তরির কাছে প্রাইভেট পড়ানো হয়। শরীরে জখম দেখে জিজ্ঞেস করলে কান্নাকাটি করে সব কিছু বলে দেয়।

    এ বিষয়ে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, শিক্ষার্থীর পরিবার প্রথমে সেনাবাহিনীকে জানায়। সেনাবাহিনী আমাদেরকে জানায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দপ্তরি কাজী সুমনকে আটক করি। এ বিষয়ে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।