Blog

  • মানিকগঞ্জে একদিনে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার

    মানিকগঞ্জে একদিনে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার

    মানিকগঞ্জে একদিনে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ মার্চ) সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার পৃথক স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে দুজন তরুণী ও একজন অজ্ঞাতপরিচয়ের নারী।

    মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন জানান, সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের রানাদিয়া গ্রাম থেকে তনিমা আক্তার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    তিনি ওই এলাকার মো. রফিক মিয়ার মেয়ে।এছাড়া পশ্চিম শানবান্দা এলাকা সংলগ্ন কালীগঙ্গা নদী থেকে একটি অজ্ঞাতপরিচয় নারীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তার পরিচয় জানা যায়নি।

    অপরদিকে সাটুরিয়া উপজেলার বরুন্ডী-কান্দাপাড়া এলাকা থেকে আফসানা আক্তার (১৬) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই এলাকার আহাদ আলীর মেয়ে।

    উদ্ধার হওয়া তিনটি মরদেহ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে কালীগঙ্গা নদীতে ভাসমান নারীর মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, রাজনীতিতে না-হাসনাত আব্দুল্লাহ

    আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, রাজনীতিতে না-হাসনাত আব্দুল্লাহ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, আপনারা ক্যান্টনমেন্টে থাকুন। আপনাদের আমরা সম্মান জানাই। গত ১৬ বছর জাতীয় রাজনীতিতে যেভাবে নোংরা হস্তক্ষেপ করেছেন, ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর করতে দেওয়া হবে না।

    শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে এনসিপি-ঢাকা মহানগর আয়োজিত সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

    সমাবেশে সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত ১৬ বছরে এতগুলো ডামি নির্বাচন হলো, আপনাদের ইনক্লুসিভিটি কোথায় ছিল? এত বছর কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো একটি জেনারেলকে দেখিনি পদত্যাগ করতে।

    এত গুম-খুন, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চলেছে, আপনারা প্রতিবাদ করেননি। এখন আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রত্যাশায় আছি। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি সুষ্ঠু পরিবেশে ফিরে যেতে চাই। আপনারা এতে হস্তক্ষেপ করবেন না।

    তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আপনারা জনগণকে আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড় করাবেন না। আমাদের অবস্থান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়। সেনাবাহিনীকে যারা অপব্যবহার করতে চায়, আমাদের অবস্থান তাদের বিরুদ্ধে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, সেনাবাহিনী আমাদের আস্থার প্রতিদান দেবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগ আর কখনো পুনর্বাসিত হবে না।

  • আমরা সংলাপের মাধ্যমে একটি জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব- আলী রীয়াজ

    আমরা সংলাপের মাধ্যমে একটি জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব- আলী রীয়াজ

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আলী রীয়াজ বলেছেন,রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ ও মতপার্থক্য থাকলেও অনেকে একই মতামত পোষণ করেন। সবার মতামত শোনা হবে। আমি আশা করি আমরা সংলাপের মাধ্যমে একটি জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব।

    আজ শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের শুরুতে সবাইকে ঐকমত্য কমিশন ও প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, সংলাপ শুধু তাদের দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    এ সময় খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, সংস্কার নিয়ে দ্বিমত থাকা বিষয়গুলোতে এই বৈঠকের মাধ্যমে ঐকমত্য আসবে। সব রাজনৈতিক দলকে সম্পৃক্ত করে সংলাপের মাধ্যমে দ্রুত জাতীয় ঐকমত্য গঠন করা সম্ভব মন্তব্য করে আলী রীয়াজ বলেন, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আপনারা (খেলাফত মজলিস) অংশগ্রহণ করছেন। আমরা অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের কাজ শুরু করেছি এবং বেশি সময় দিতে পারিনি।

    তবে আপনারা যে আন্তরিক মতামত দিয়েছেন তার ভিত্তিতে আমরা আমাদের আলোচনা চালিয়ে যাব। এর আগে, ২০ মার্চ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে প্রথম সংলাপ করে কমিশন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই সংলাপ শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

    এতে, সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশন ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া মতামত গ্রহণ করে কমিশন।

    এরপরে, কমিশন স্প্রেডশিট আকারে ৩৮টি রাজনৈতিক দলের কাছে সুপারিশের একটি কপি পাঠায়। ১৩ মার্চের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সুপারিশের ওপর সুনির্দিষ্ট মতামত জানতে চায় কমিশন।

  • ঈদ মৌসুমেও সাটুরিয়ার তাতঁপল্লীতে চলছে হাহাধ্বনি !

    ঈদ মৌসুমেও সাটুরিয়ার তাতঁপল্লীতে চলছে হাহাধ্বনি !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় তৈরি লুঙ্গি ও শাড়ির চাহিদা সারাদেশে। কিন্তু দফায় দফায় সুতাসহ অন্যান্য উপকরণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে ভারতীয় শাড়ির সহজলভ্যতার কারণে এক সময়ের প্রাণচাঞ্চল্যময় সাটুরিয়ার তাঁতপল্লিতে এবার ঈদের আগেও নেই ব্যস্ততা। কারিগররা ঈদ মৌসুমেও অলস সময় পার করছেন।

    উপজেলার সাভার, চাচিতারা, জালশুকা ও নতুন ভোয়া এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা শতবর্ষ পুরোনো ঐতিহ্যবাহী এ তাঁতপল্লী ঈদ এলেই তাঁতের খটখট শব্দ, আর ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠত। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। এতে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

    কিছুদিন আগেও দক্ষ কারিগরের নিখুঁত হাতে বুননের জন্য এখানকার তাঁতের তৈরি লুঙ্গি ও শাড়ির ব্যাপক কদর ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির পর দফায় দফায় সুতার দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট ও দেশীয় বাজারে ভারতীয় শাড়ির সহজলভ্যতায় তাঁতপল্লির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। লোকসান গুনে গুনে দিশেহারা হয়ে এরইমধ্যে অনেকে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন অনেক কারিগর।

    সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ সাভার তাঁতপল্লিতে কাজ হাবিল মিয়া। তিনি বলেন, কিছু কিছু কাজ পাই। চাচিতারা থেকে ২ কিলোমিটার পথ হেটেঁ আগ-সাভারে কাজে আসি বেশি সমযই কাজ পাই না। হাটে কেনা-বেচার পরিস্থিতি খুব খারাপ। তাই মালিক নিয়মিত বিল দিতে পারে না। তাই ভাবছি অন্য পেশা বেছে নিবো। ঈদের পর চাকরি খোঁজার জন্য ঢাকায় যাবো।

    চাচিতারা গ্রামের তাতঁ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনার পর থেকেই আমাদের তাঁত ব্যবসা নেই বললেই চলে। সারা বছরে দুই মাস ভালো গেলেও, এখন পুরোদমে মন্দা চলছে। এই ব্যবসায় আর টিকতে পাছি না। সামনে ঈদ। হাতে কোন টকা পয়সা নাই। কি খাবো? বাচ্চাদের কি কিনে দিবো? নানান টেনশনে আছি। তাই স্থির করছি, ব্যবসা ছেড়ে প্রবাসে গিয়ে দিন মজুরের কাজ করবো।

  • দিঘলীয়া ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    দিঘলীয়া ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে এক ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দিঘলীয়া ইউনিয়নের চাচিতারা বাজার মাঠ প্রাঙ্গনে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব আব্দুল কদ্দুস খান (মাখন মিয়া)।

    দিঘলীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রিন্সিপাল মশিউর রহমান হেলালীর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসাবে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব আবুল বাশার (চেয়ারম্যান)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব আব্দুর রহমান ।

    প্রধান অতিথি বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব আব্দুল কদ্দুস খান (মাখন মিয়া) বলেন, আমাদের দেশ বর্তমানে একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আমরা দীর্ঘ আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছি। এই মুক্তির সাধ আজ সার্বজনীন। জনসাধারনকে মনে রাখতে হবে স্বর্ণীভর বাংলাদেশ গড়তে বিএনপির বিকল্প নাই। এসময় তিনি উপস্থিত জনতাকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্ববান জানান।

    উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জনাব আবুল বাশার বলেন, বিএনপি দেশ ও জনগনের দল। আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে সকল নেতাকর্মীকে  দেশ ও জনগনের সেবায়  আত্ম-নিয়োগ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, বিএনপিতে দুস্কৃতিকারী, দুর্নীতিবাজ ও চাদাঁবাজদের কোন জায়গা হবে না।

    উপজেলা যুবদলের আহ্ববায়ক জনাব আমীর হামজা বলেন, বিএনপি একটি প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল। আগামীতে দেশ গড়তে বিএনপির বিকল্প নাই।

    এ সময় তিনি দেশ ও জনগনের স্বার্থেই আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষে ভোট দেয়ার আহ্ববান জানান। তিনি বলেন, সকল জনগনকে সাথে নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের হাত ধরে আমরা আগামীতে একটি স্বর্ণীভর ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

    এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রাজা মিয়া (প্রদর্শক পাকুটিয়া বিসিআরজি কলেজ), উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব শাহীন আজাদ বিপ্লব, আব্দুর রহমান, খোরশেদ আলম নোমানসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীবৃন্দ।

     

  • হত্যা-লুটপাটে জড়িত নয়, এমন আওয়ামী লীগে বাধা নেই

    হত্যা-লুটপাটে জড়িত নয়, এমন আওয়ামী লীগে বাধা নেই

     

    হত্যা-লুটপাটে জড়িত নয়, এমন কারও নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    শুক্রবার (২১ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে ফায়দাবাদ মধ্যপাড়া হাজী শুকুর আলী মাদরাসা সংলগ্ন মাঠে দুস্থদের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছে, কিন্তু বিচার নিয়ে কথা হচ্ছে না। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারের পর আওয়ামী লীগকে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর জনগণ ক্ষমা করলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

    জুলাই আন্দোলনে যারা গণহত্যায় জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের যারা অপরাধী তাদের বিচার নিশ্চিত হওয়ার পর জনগণ রাজনীতি করার সুযোগ দিলে আমাদের কিছু বলার নেই।

    এসময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একটি গোষ্ঠী ৫ আগস্টের পর সংস্কারের কথা বলছেন। কিন্তু গত ছয় মাসে দৃশ্যমান কোনো সংস্কারের কিছু দেখা যায়নি। দেশের কোথাও স্থিতিশীলতা নেই। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা থেকে মুক্তি পেলেও স্বৈরাচারমুক্ত হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এর জন্য দরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার গঠন করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।

     

     

  • আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না-শফিকুর রহমান

    আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না-শফিকুর রহমান

    বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। শুক্রবার (২১ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

    আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না উল্লেখ করে জামায়াত আমির লেখেন, বাংলাদেশ ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক অতিক্রম করছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর ২৪-এর ৩৬ জুলাই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ মহান আল্লাহর একান্ত মেহেরবানিতে উপহার হিসেবে পেয়েছি। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পতিত ফ্যাসিবাদীরা দেশের ভেতরে ও বাইরে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    তিনি লেখেন, বাংলাদেশের নির্যাতিত ১৮ কোটি মানুষের দাবি, গণহত্যাকারীদের বিচার, ২৪-এর শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহত ও পঙ্গু অসংখ্য ছাত্র, তরুণ, যুবক ও মুক্তিকামী মানুষের সুচিকিৎসা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৫ বছরের জঞ্জালগুলোর মৌলিক সংস্কার সাধন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া।

    তিনি আরও লেখেন, জনগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গণহত্যার বিচারটাই দেখতে চায়। এর বাইরে অন্য কিছু ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাই।

  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক তা চাই না- জিএম কাদের

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক তা চাই না- জিএম কাদের

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবির বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক তা চাই না। শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে রংপুর নগরীর সেনপাড়ায় নিজ বাসভবন দ্য স্কাই ভিউতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি দল, যারা দলের ভেতরে বাস করছে তারা খারাপ হতে পারে। আওয়ামী লীগ একটি গাড়ি তার ড্রাইভার খারাপ হতে পারে কিন্তু গাড়িটা তো খারাপ না। তাই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক এটা চাই না।

    জিএম কাদের বলেন, হাসিনা ফ্যাসিবাদী আমরা দেখেছি। সে জোর করে অর্ধেক লোককে বাদ দিয়ে ইলেকশন করবে। জোর করে আমাদের নিয়ে আসবে, আবার কাউকে জোর করে বাদ দেবে।

    ইনারা জোর করে আমাদের বাদ দিয়ে ইলেকশন করবে। একটি বিশাল অঙ্কের জনসংখ্যাকে বাইরে রেখে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। এতে দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না এবং সামনের দিকে দেশ আরও সংঘাতময় দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় চলে যাবে।

    সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়েছে অভিযোগ করে জিএম কাদের বলেন, আপনারা পারছেন না, অন্য কাউকে দায়িত্ব দিন। এগুলো থেকে উদ্ধার না হলে দেশের মানুষ চরম বিপদগ্রস্ত হতে পারে। এটা বললাম কেন, এটা বলাতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- এটা মনে করেছে তারা। এজন্য আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি এর আগে দুটি লুব্রিকেটিভ মন্ত্রণালয় বাণিজ্য ও বিমানের দায়িত্ব পালন করেছি। ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় শেখ হাসিনা আমার পেছনে সব এজেন্সি দিয়ে দুর্নীতি বের করতে চেষ্টা করে। কিন্তু তারা দুর্নীতি বের করতে পারেনি। কিন্তু এখন দুর্নীতি বের করছে আমি নাকি নমিনেশন, পদ-পদবি দিয়ে দুই হাজার-পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছি- এ হলো আমার দুর্নীতি।

    আমার মুখটা বন্ধ করার জন্য মানে শেখ হাসিনা যেটি করেছে ফ্যাসিবাদ, সেই নব্য ফ্যাসিবাদ এখন শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনা যেটা করে আমাদের ঠেকানোর চেষ্টা করেছে- ধমক দিয়ে, ব্ল্যাকমেইল করে।

    এখন ওনারা আমাদের ব্ল্যাকমেইল করতে চাচ্ছে। এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডি-য়াম সদস্য এস এম ইয়াসির, মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন, সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভোররাত থেকেই জমি দখলে ব্যস্ত তারা মিয়া

    ভোররাত থেকেই জমি দখলে ব্যস্ত তারা মিয়া

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ নড়িয়া উপজেলার মানাখান গ্রামের আব্দুল হাকিম দেওয়ান জমির বিরোধ নিস্পত্তির জন্য তারা মিয়াদের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে মামলা করে। বিরোধ নিস্পত্তি না হতেই আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ভোররাত থেকেই নালিশী জমিতে মাটি কাটতে শুরু করে তারা মিয়া।

    ফসলি জমির শ্রেণি ও আকৃতি নষ্ট করে পুকুর করায় সেখানে উপস্থিত হয় পুলিশ ও গণমাধ্যম কর্মীরা। এক পর্যায়ে পুকুর খননে ব্যর্থ হয়ে শ্রমিকদের বিদায় করতে বাধ্য হয় তারা মিয়া খন্দকার।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নড়িয়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে চলমান দেওয়ানী ৩৬০/২০২৩ নম্বর মামলার বিবাদী তারা মিয়া খন্দকার ৩৫ জন শ্রমিক ভাড়া করে ২১ মার্চ ভোররাত থেকে নালিশী জমির মাটি কাটতে শুরু করে। বাদী পক্ষের লোকজন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শণ করা হয়। এক পর্যায়ে বাদী পক্ষ থানা ও গণমাধ্যম কর্মীদের দ্বারস্ত হয়।

    মামলার ১ নম্বর বাদী হাকিম দেওয়ানের মৃত্যু পরবর্তী তার পুত্রবধু খাদিজা বেগম মামলা পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি জানান, তারা মিয়া খন্দকাররা ৭ ভাই ইতালি থাকে। তার বাবা ফটিক খন্দকার ছিলেন একজন প্রভাবশালী। সেই প্রভাবে রাতের অন্ধকারে ৪০-৫০ জন শ্রমিক নিয়ে নালিশী জমিতে মাটি কাটা শুরু করে।

    ভোরে তারা মিয়া লোকজন নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে বলেছে জমির কাছে কেউ গেলে খুন করবে। চার দিকে নারী ও পুরুষরা লাঠি, দা, ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাহারায় ছিল। যাতে জমিতে আমরা যেতে না পারি।

    জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। আদালত যাদের পক্ষে রায় দিবেন তারাই জমি ভোগ দখল করবে। এখন যদি জমিতে পুকুর করে রাখে আর আদালতের রায় আমরা পেলে সেই জমি দিয়ে কি করব।

    বিবাদী তারা মিয়া খন্দকার জানায়, ১৯৭৫ সাল থেকে ক্রয় সূত্রে সে জমির মালিক। তার কাছে জমির দলিল রয়েছে। তবুও তাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতে ৬টি মামলা করেছে বাদী পক্ষ।

    এই কারণে তার ইতালি যাওয়ায় বিলম্ব হয়েছে। তাছাড়া মাটি কাটতে আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সে লেকজন নিয়ে মাটি কাটছেন। তবে বাদী পক্ষকে কোন ভয়ভীতি প্রদর্শণ করা হয়নি বলে তিনি দাবী করেন।

     

  • নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই- আসিফ মাহমুদ

    নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই- আসিফ মাহমুদ

    নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শুক্রবার (২১ মার্চ) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, “নির্বাচন পিছিয়ে যাবে, অনিশ্চয়তা তৈরি হবে এসব শঙ্কার কথা বলে কেউ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রশ্নে জনতার ঐক্যে ফাটল ধরাতে আসবেন না। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্টভাবে বারবার বলছেন, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইলেকশন হবে। আমি নিশ্চয়তা দিতে চাই সরকার এই কথা রাখবে। সুতরাং নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।”

    ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ আরো লেখেন, গণহত্যাকারী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ শুধু জাতীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিকভাবে ইউএন রিপোর্টের মাধ্যমে স্বীকৃত। জনতার ঐক্য জিন্দাবাদ।