Category: জাতীয়

  • নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে- প্রধান উপদেষ্টা

    নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে- প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন সিনেটর গ্যারি পিটার্স। আজ মঙ্গলবার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

    মার্কিন সিনেটর পিটার্স অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, মূল কমিশনগুলোর প্রতিবেদন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কারে সম্মত হলে সরকার ডিসেম্বরে নির্বাচন করবে। তবে দলগুলো যদি সরকারের কাছ থেকে সংস্কারের আরও বড় প্যাকেজ চায় তবে কয়েক মাস পরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    তিনি বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। উৎসবমুখর পরিবেশে এটি অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন বড় রকমের উৎসব হবে, যেমনটা আমরা অতীতে দেখেছি।

    ড. ইউনূস বলেন, বড় বড় কমিশনগুলোর প্রস্তাবিত সংস্কারের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হলে তারা জুলাই সনদে সই করবে। তিনি বলেন, জুলাই সনদ দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে।

    পিটার্স সরকারের সংস্কার এজেন্ডার প্রশংসা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একটি মসৃণ গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রত্যাশা করছে। বৈঠকে দুই নেতা সামাজিক ব্যবসা, দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হাতিয়ার হিসেবে ক্ষুদ্রঋণ নিয়েও আলোচনা করেন।

     

  • তুলসী গ্যাবার্ডের এ মন্তব্য বিভ্রান্তিকর: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    তুলসী গ্যাবার্ডের এ মন্তব্য বিভ্রান্তিকর: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং ইসলামী খিলাফত বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে যে মন্তব্য করেছেন, তা গুরুতর বলে অভিযোগ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    তিনি বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যে প্রতিক্রিয়া (তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্যের বিষয়ে) জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ওটাই। ওনার (তুলসী গ্যাবার্ড) বক্তব্য গুরুতর। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানতে চাইলে মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সাংবাকিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।

    সোমবার (১৭ মার্চ) নয়াদিল্লিতে এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলসী গ্যাবার্ড বলেছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ক্যাথলিক ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান দুর্ভাগ্যজনক নিপীড়ন, হত্যা ও অন্যান্য নির্যাতন যুক্তরাষ্ট্র সরকার, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের উদ্বেগের একটি প্রধান ক্ষেত্র।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভা ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে আলোচনা মাত্র শুরু হচ্ছে, কিন্তু এটি উদ্বেগের মূল জায়গার একটি হয়ে আছে। সোমবার রাতেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    এক বিবৃতিতে সরকার বলেছে, আমরা গভীর উদ্বেগ ও হতাশার সঙ্গে তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য লক্ষ করেছি, যেখানে তিনি বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন ও হত্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বলেছেন, ইসলামপন্থি সন্ত্রাসীদের হুমকি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বৈশ্বিক তৎপরতা একই আদর্শ ও লক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত হয়। সেই আদর্শ ও লক্ষ্য হলো ইসলামী খিলাফতের মাধ্যমে শাসন করা।

    তুলসী গ্যাবার্ডের এ মন্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও সুনামের জন্য ক্ষতিকর, উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলাম চর্চার জন্য সুপরিচিত এবং চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।

  • বিএনপি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি- ফরহাদ মজহার

    বিএনপি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি- ফরহাদ মজহার

    বিশিষ্ট দার্শনিক ও রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারকে নির্বাচিত সরকার হিসেবে গণ্য করা উচিত। তার মতে, শুধু ভোটের মাধ্যমেই সরকার নির্বাচিত হয় এই ধারণা ভুল। গণঅভ্যুত্থানই প্রকৃত গণতন্ত্রের প্রতিফলন, এবং জনগণের অভিপ্রায়েই এই সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ শনিবার যশোর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর আয়োজিত আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে ফরহাদ মজহার এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, চব্বিশ সালে ছাত্র-জনতা-সৈনিকদের গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল, কিন্তু ফ্যাসিবাদী সংবিধান বহাল থাকায় প্রতিবিপ্লবও সংঘটিত হয়েছে। সংবিধান না থাকলেও ফরমান দিয়ে দেশ চালানো সম্ভব। তবে অভ্যুত্থানকারীরা একের পর এক ভুল করে চলেছে, যার মধ্যে অন্যতম ছিল চুপ্পুর কাছে শপথ নেওয়া। এখন তারা মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা করছে, যা আরও একটি ভুল।

    মধ্যপন্থাকে সুবিধাবাদ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের দল হতে হবে সব ধরনের ফ্যাসিবাদবিরোধী। কেবল বাঙালি জাতিবাদের বিরোধিতা করলেই চলবে না, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদসহ সব রূপের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

    ভারত ক্রমাগত উসকানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করে ফরহাদ মজহার বলেন, ভবিষ্যতে আরও কঠিন পরিস্থিতি আসছে। নিজেদের মধ্যে সংঘাত ও ক্ষমতার লড়াই বন্ধ না করলে পরাজিত ফ্যাসিবাদীরা দিল্লির সহায়তায় ফিরে আসতে পারে। ইতিমধ্যে আছিয়া ধর্ষণ ও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তারা ইউনূস সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

    তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের বিশাল অংশগ্রহণের প্রশংসা করে বলেন, তারা আজ কোথায়? কেন আমরা তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছি? কেন তারা রাজনীতির সামনের কাতারে আসতে পারছে না? মুহাম্মদ (স.)-এর সময় নারীরা মসজিদে যেত, যুদ্ধ করত।

    তাহলে আজ কেন তাদের ঘরে বন্দি রাখতে চাই? বিদ্যমান সংবিধানকে বাংলাদেশের নয় আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সত্তরের নির্বাচন হয়েছিল পাকিস্তানের নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য। স্বাধীনতার পর যে সংবিধান রচিত হয়েছে, তার জন্য জনগণের ম্যান্ডেট ছিল না। এটি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের বিপরীত।

    বিএনপির দ্রুত নির্বাচন দাবির সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, দলটির অনেক নেতা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। তারা নিশ্চিতভাবে বঙ্গোপসাগরে ডুববে । তবে খালেদা জিয়ার আপসহীন মনোভাবের প্রশংসা করে বলেন, তার অবস্থান অভ্যুত্থানকারীদের শক্তি জুগিয়েছে, তাই বিজয়ের পরপরই তাকে মুক্ত করা হয়েছে।

    সভায় আরও বক্তব্য দেন লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট বেনজীন খান, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ, মোহাম্মদ রোমেল প্রমুখ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খান সভাটি পরিচালনা করেন।

    এর আগে, শুক্রবার বিকেলে ফরহাদ মজহার প্রাচসংঘ-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ফকিরদের আস্তানায় হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ভারত এ সুযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করবে যে বাংলাদেশে ধর্মীয় ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই, যা দেশকে নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

     

  • আগামী নির্বাচন পৃথিবীতে নজির সৃষ্টি করবে

    আগামী নির্বাচন পৃথিবীতে নজির সৃষ্টি করবে

    বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন পৃথিবীতে নজির সৃষ্টি করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

    রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি নেতাদের তিনি বলেন, আপনারা কতটা রিফর্ম (সংস্কার) করবেন সেটা আপনাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

    শনিবার (১৫ মার্চ) রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক করেন জাতিসংঘের মহাসচিব। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    তিনি জানান, বৈঠকে জাতিসংঘের মহাসচিব আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার আসবে। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন পৃথিবীতে নজির সৃষ্টি করবে।

    বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতিসংঘের তরফ থেকে আমাদের বলেছে, আপনারা রিফর্ম (সংস্কার) কী নেবেন সেটা আপনাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

    বৈঠকে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স প্রমুখ।

  • আছিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী কষ্ট পেয়েছে- ডা. শফিকুর রহমান

    আছিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী কষ্ট পেয়েছে- ডা. শফিকুর রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আছিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী কষ্ট পেয়েছে। এই ধরনের ধর্ষণকারীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমাদেরকে এক ও অভিন্ন হতে হবে। এ বিষয়ে মিডিয়ার একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ চত্ত্বরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিলে  তিনি এ কথা বলেন।  ইফতার ও দোয়া মাহফিলে ডিআরইউ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন।

    তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের আত্মসমালোচনা প্রয়োজন, পাশাপাশি গণমাধ্যমে যারা আছেন, তাদের বুকটান করে দাঁড়ানো দরকার। আমরা ভুলের ঊর্ধ্বে নই। আমাদেরও ভুল হয়। আমি চাই, মিডিয়া আমাদের মন্দ দিকের পাশাপাশি ভালো দিকটাও তুলে ধরবে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, কোন কোন ব্যবসায়ীর সাথে কোন কোন রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক আছে তা সাংবাদিকরা লেখেন না। সাংবাদিকদের দায়-দায়িত্ব অনেক বেশি। সাংবাদিকদের কলমের জোর অনেক। আপনাদের বলা লেখায় জাতির অনেক লাভ হবে। আবার ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে।

    তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের প্লট দেওয়ার অপরাধে আমি একা আসামি হয়েছি, সাংবাদিকরা কেউ আসামি না। এই দুঃখ কোনো দিন ভুলতে পারব না। ইফতারে দাওয়াত দেওয়ায় ডিআরইউকে ধন্যবাদ। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ায় রাজনীতিবিদ ও ডিআরইউ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন, ডিআরইউ সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, নজরুল ইসলাম মিঠু, সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন লিটন, সাজ্জাদ আলম খান তপু, রাজু আহমেদ, কবির আহমেদ খান, মসিউর রহমান খান, মহি উদ্দিন, ডিআরইউ কল্যাণ সম্পাদক ও ইফতার কমিটির সদস্য সচিব রফিক মৃধা।

    এছাড়া জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের মুখপাত্র মাহী বি চৌধুরী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) চেয়ারম্যান কে এম আবু তাহের, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ডিআরইউ যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, অর্থ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই তুহিন, দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, নারী বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা রোজী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দীন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ), কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জুনায়েদ হোসাইন (জুনায়েদ শিশির), আকতারুজ্জমান, আমিনুল হক ভূঁইয়া, মো. ফারুক আলম, সুমন চৌধুরী ও মো. সলিম উল্ল্যা (এস. ইউ সেলিম) সহ ডিআরইউ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

     

  • ‘সংস্কার সংক্ষিপ্ত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরে, বৃহত্তর হলে জুনে’

    ‘সংস্কার সংক্ষিপ্ত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরে, বৃহত্তর হলে জুনে’

    রাজনৈতিক দলগুলো যদি সংক্ষিপ্ত সংস্কার প্যাকেজে সম্মত হয় তবে নির্বাচন ডিসেম্বরে আর যদি তা না হয়ে তারা বৃহত্তর সংস্কার প্যাকেজ গ্রহণ করে সেক্ষেত্রে আগামী বছরের জুনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    আজ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে ঢাকায় সফররত জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সফরের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনার আসার সময়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার এ সফর শুধু রোহিঙ্গাদের জন্যই নয়, বাংলাদেশের জন্যও যথাসময়ে হয়েছে।

    সংস্কার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করে ড. ইউনূস গুতেরেসকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়ে এরই মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দল তাদের প্রতিক্রিয়া জমা দিয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি সংস্কারের লক্ষ্য গঠিত ছয়টি কমিশনের সুপারিশ মেনে নেয়, তাহলে তারা জুলাই চার্টার বা জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবে। যা দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের রূপরেখা হবে। সাক্ষাৎকালে ড. ইউনূস গুতেরেসকে স্বচ্ছ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান, সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রবাব ফাতেমা এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস উপস্থিত ছিলেন।

     

  • গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাতিসংঘ

    গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাতিসংঘ

    বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে জাতিসংঘ পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার এক এক্স বার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

    জাতিসংঘ মহাসচিব এক্স বার্তায় বলেন, আমি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশের জনগণকে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংস্কার ও রূপান্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটি টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবে।

    এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব একই উড়োজাহাজে কক্সবাজার ভ্রমণ করেন।

    কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও খুরুশকূল জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরিদর্শন শেষে উখিয়ায় ড. ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারে যোগ দেবেন।

    কক্সবাজারে জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা লার্নিং সেন্টার, রোহিঙ্গাদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন ও ইফতার শেষে প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব একসাথে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন।

    এদিকে, সফরের দ্বিতীয় দিন সকালেই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টালে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

  • চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ২৬ মার্চ চীন সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম। আজ বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    রফিকুল আলম বলেন, আগামী ২৬ মার্চ বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার চীনের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। আগামী ২৭ মার্চ তিনি বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে উদ্বোধনী প্লেনারি সেশনে বক্তব্য দেবেন। তিনি আরও বলেন, ওইদিন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের স্টেট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রিমিয়ার দিং ঝুঝিয়াংয়ের বৈঠক হতে পারে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আগামী ২৮ মার্চ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর আগামী ২৯ মার্চ চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দেবেন। পরে তিনি বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করার কথা রয়েছে।

  • বহুল আলোচিত মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে

    বহুল আলোচিত মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে

    মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হওয়া সেই শিশুটি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়বলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে।

    ঢাকা সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হামিদ জানিয়েছেন, আজ সকালে দুই দফায় শিশুটির কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃৎস্পন্দন ফিরে আসে। বেলা ১২টায় আবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এই দফায় সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃৎস্পন্দন আর ফিরে আসেনি। বেলা ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, “অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটি আজ ১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে দুপুর ০১:০০টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এর সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রয়োগ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিশুটির আজ সকালে তিন বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে, দুইবার স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃদস্পন্দন ফিরে আসেনি।

    উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হয়।” আরো বলা হয়, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিশুটির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে।”

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মাগুরা শহরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশুটি। পরের দিন তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এরপর শুক্রবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    সংকটাপন্ন শিশুটিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিআইসিইউ) থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন রোববার শিশুটিকে সিএমএইচে পেডিয়াট্রিক আইসিইউতে নেওয়া হয়।

  • এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ জন

    এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ জন

    জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    এছাড়া সাংস্কৃতিতে ভাস্কর নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ এবং মুক্তিযুদ্ধ ও সাংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্য ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

    এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, আঠারো ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। গত বছর (২০২৪) ১০ জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।