Category: জাতীয়

  • আওয়ামী লীগ আমলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল: রাষ্ট্রপতি

    আওয়ামী লীগ আমলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল: রাষ্ট্রপতি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্নীতি দমনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন অবস্থায় রেখে যায়। ওই বছরের অক্টোবরে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্নীতি দমনে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    তিনি বলেন, দুর্নীতি দমনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ইতিবাচক ‘ট্র্যাক রেকর্ড’ রয়েছে। ২০০৪ সালে সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন আইন প্রণয়ন করে, যার মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করা হয়।

    রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলেই বাংলাদেশ ধীরে ধীরে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসে। ২০০৬ সালের অক্টোবরের আগেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটি ‘এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

    ভাষণে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করা এবং একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।

    এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত পুনর্গঠনের জন্য ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

  • বিরোধী দলের ওয়াকআউট প্রতিক্রিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিরোধী দলের ওয়াকআউট প্রতিক্রিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালে বিরোধী দলের প্রতিবাদ ও ওয়াকআউটের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সংসদ অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বিরোধী দলের এই অবস্থানের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিরোধী দলের নেতারা ৫ ও ৬ আগস্ট আলোচনা করেছিলেন এবং যার উপস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছিলেন, আজ সেই রাষ্ট্রপতিকেই কেন অস্বীকার করা হচ্ছে—এই প্রশ্নের উত্তর তাদেরই দিতে হবে।

    তিনি বলেন, “যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তারা ৫ আগস্ট বিকেলে এবং ৬ আগস্ট আলোচনা করেছেন, যাদের উপস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নিয়েছে—সেই রাষ্ট্রপতিকে আজ কেন অস্বীকার করা হচ্ছে? তাদের দলের দু-একজন তো এই সংসদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন। এই স্ববিরোধিতা কেন, সেটি তাদেরই ব্যাখ্যা করা উচিত।”

    তবে সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউটকে একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এমন ঘটনা নতুন নয়।

    এর আগে বিকেলের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দেওয়ার আহ্বান জানালে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় সদস্যরা প্রতিবাদ শুরু করেন। এ সময় তাদের হাতে ‘জুলাই নিয়ে গাদ্দারি চলবে না’ ও ‘গণতন্ত্র চাই, ফ্যাসিজম নয়’—এমন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। পরে হট্টগোলের একপর্যায়ে তারা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।

    ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রপতি নীরব ছিলেন এবং তিনি ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী’ ছিলেন। এ কারণে সংসদে তার ভাষণ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই বলে দাবি করেন তারা।

    অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সংসদ শেষ পর্যন্ত অর্থবহ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, “জাতীয় সব সমস্যা ও ইস্যুর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে এই সংসদ। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগিয়ে যাব।”

    তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী যে জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়েছে, সেটি ধরে রেখে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

     

  • দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো-প্রধানমন্ত্রী

    দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো-প্রধানমন্ত্রী

    স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাগত বক্তব্য দেন।

    বক্তব্যে তিনি গণঅভ্যুত্থানের জড়িতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারেক রহমান বলেন, দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো, আলহামদুলিল্লাহ।

    এসময় তিনি পাঁচ বারের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদে সভাপতিত্ব করার প্রস্তাব রাখেন।

    এসময় সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ প্রস্তাবে সমর্থন জানান। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিরোধীদলীয় উপনেতা সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরও এ প্রস্তাবে সমর্থন জানান।

    তবে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি সংসদে বলেন, একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে সংসদে সভাপতি করার আগে সরকারি দল বিরোধী দলের সঙ্গে আলাপ করতে পারতো।

  • আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন 

    আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন 

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন  বসতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বেলা ১১টায় অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ জয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসানো বাধ্যতামূলক।

    প্রথা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

    বিগত সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশন শুরু করার প্রসঙ্গে সংসদ বিষয়ক গবেষক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, “বর্তমানে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তিকে দিয়ে অধিবেশন শুরু করাতে হবে।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সাধারণত ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। তবে এবার ডেপুটি স্পিকারের পদটি বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি।

    জামায়াত এই পদটি নেবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সরকারি দলীয় হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, জামায়াত এখনও ডেপুটি স্পিকার পদে কারও নাম প্রস্তাব করেনি।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ পেয়েছেন। কিছু সিনিয়র নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি; তাদেরকে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার করা হতে পারে।

    সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। শোক প্রস্তাব গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। অধিবেশন চলাকালে সংসদ সদস্যরা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন।

    এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদের প্রথম বৈঠকে উত্থাপন করতে হয়। উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অনুমোদন না দিলে অধ্যাদেশের কার্যকারিতা থাকবে না।

  • ১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন

    ১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন

    দেশজুড়ে নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা-তে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

    মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করার পাশাপাশি দেশের আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করবেন। পানিসম্পদ, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

    মীর শাহে আলম বলেন, “এটি শুধুমাত্র একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পরিমাণ কমিয়ে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ স্থানীয় শ্রমিক দের দিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।”

     

  • ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে

    ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    ”তিনি আরো বলেন, “দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এবং তাদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না করে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীপ্রধান পরিবার গুলোকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতেই সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছে। এ সময় পাশে ছিলেন তার সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমান।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    তারেক রহমান বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশে ১৪টি জায়গায় বা ১৪টি উপজেলায় এই কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে এই মুহূর্তে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে।

    আমাদের এই কড়াইল এলাকা, ভাসানটেক এলাকা এবং সাততলা-এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে এই কার্ডের সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।”

     

  • ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ছুটির দিনেও অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাপ্তাহিক ছুটির (শনিবার) দিনেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন তিনি।

    আজ শনিবার দুপুর ১২টায় কার্যালয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

    এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলি, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন।

    কার্যালয়ে আসার পরপরই বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BJRI) মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. নার্গীস আক্তারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের সম্ভাবনা ও বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সোনালী আঁশের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

    দুপুর আড়াইটায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    দিনের দাপ্তরিক কাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে দেশের বিশিষ্ট ওলামা-মাশায়েখ ও এতিম শিশুদের সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ ইফতার মাহফিলে যোগ দেন তিনি।

     

  • জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা

    জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা

    জ্বালানি তেলের অবৈধ পাচার রোধে দিনাজপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    এ লক্ষ্যে সীমান্তজুড়ে টহল জোরদার করার পাশাপাশি নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান।

    তিনি জানান, বিজিবি সদর দপ্তর থেকে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকে দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

    সেক্টর কমান্ডার বলেন, কোনোভাবেই যেন সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে, সে বিষয়ে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অতীতে বিভিন্ন সময় অসাধু চক্র সীমান্তপথে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচারের চেষ্টা করেছে। এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

    এদিকে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। এ সুযোগে অধিক মুনাফার আশায় এক শ্রেণির পাচারকারী সীমান্ত দিয়ে গোপনে জ্বালানি তেল পাচারের চেষ্টা করতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতেই সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

     

  • ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেই রুট পারমিট বাতিল !

    ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেই রুট পারমিট বাতিল !

    পবিত্র ঈদুল ফিতরে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভা কক্ষে ঈদযাত্রা উপলক্ষে সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রী চলাচল নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, “ঈদ উপলক্ষে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার নির্ধারিত ভাড়াই কার্যকর থাকবে। কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    মন্ত্রী যাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, “কোথাও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

  • ‘তালিকা করে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ‘তালিকা করে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তালিকা করে চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার (৪ মার্চ) ডিএমপি সদর দপ্তরে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশকে দুইটা বিষয়ে অনুশাসন দিয়েছি। আমরা খুব শিগগির বিশেষ করে ঢাকা থেকে শুরু করবো। চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

    দ্বিতীয়ত যারা সন্ত্রাসী, দাগি আসামি এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে, তাদের একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।