Category: জাতীয়

  • ডিসিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তোলপাড় !

    ডিসিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তোলপাড় !

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি)  রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গোপন তথ্য ফাঁস হয়েছে। ওই নথিতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের নাম, বিসিএস ব্যাচ এবং তাঁদের কথিত রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে—যা মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

    ফাঁস হওয়া নথিতে প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ‘বিএনপি’, ‘জামায়াত’ ও ‘এনসিপি (NCP)’—এই তিন রাজনৈতিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। নথির সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, ৬৪ জেলার মধ্যে ৫২ জেলাতেই জামায়াত ও এনসিপি মতাদর্শের কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপরীতে বিএনপিপন্থী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে মাত্র ১২ জন কর্মকর্তার নাম।

    দলীয় পরিচয়ভিত্তিক পরিসংখ্যানে জামায়াত ৩২ জন, এনসিপি (NCP) ২০ জন, বিএনপি ১২ জন।

    এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের তালিকার ৬ নম্বরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার নাম রয়েছে। তাঁকে একজন বিএনপির সমর্থক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের এমন দলীয়করণ প্রসঙ্গে সাবেক এক মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ডিসিরা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, কোনো রাজনৈতিক দলের ক্যাডার নন। তাঁদের নামের পাশে দলীয় পরিচয় লেখা মানে প্রশাসনিক কাঠামোর ভাঙন।নির্বাচনের আগে এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।”

    জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নথি সত্য হলে তা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের জন্য একটি স্পষ্ট অশনিসংকেত।

    এক নজরে রাজনৈতিক পরিচয়ে ডিসিগণ-

    ঢাকা বিভাগ

    ১. ঢাকা — মো. রেজাউল করিম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত

    ২. গাজীপুর — মোহাম্মদ আলম হোসেন (২৭) — জামায়াত

    ৩. নারায়ণগঞ্জ — মো. রায়হান কবির (২৯) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪. মুন্সীগঞ্জ — সৈয়দা নুরমহল আশরাফী (২৭) — জামায়াত

    ৫. নরসিংদী — মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (২৭) — জামায়াত

    ৬. মানিকগঞ্জ — নাজমুন আরা সুলতানা (২৮) — বিএনপি

    ৭. টাঙ্গাইল — শরীফা হক (২৫) — বিএনপি

    ৮. কিশোরগঞ্জ — মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৯. ফরিদপুর — কামরুল হাসান মোল্যা (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ১০. রাজবাড়ী — সুলতানা আক্তার (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ১১. গোপালগঞ্জ — আরিফ-উজ-জামান (২৭) — জামায়াত

    ১২. মাদারীপুর — জাহাঙ্গীর আলম (২৮) — জামায়াত

    ১৩. শরীয়তপুর — তাহসিনা বেগম (২৫) — জামায়াত

    চট্টগ্রাম বিভাগ

    ১৪. চট্টগ্রাম — জাহিদুল ইসলাম মিঞা (২৫) — বিএনপি

    ১৫. কক্সবাজার — মো. আ. মান্নান (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ১৬. কুমিল্লা — রেজা হাসান (২৯) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ১৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া — শারমিন আক্তার জাহান (২৫) — বিএনপি

    ১৮. চাঁদপুর — নাজমুল ইসলাম সরকার (২৯) — বিএনপি

    ১৯. নোয়াখালী — মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (২৭) — বিএনপি

    ২০. লক্ষ্মীপুর — এস. এম. মেহেদী হাসান (২৭) — জামায়াত

    ২১. ফেনী — মনিরা হক (২৭) — জামায়াত

    ২২. খাগড়াছড়ি — আনোয়ার সাদাত (২৯) — জামায়াত

    ২৩. রাঙামাটি — নাজমা আশরাফী (২৯) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ২৪. বান্দরবান — শামীম আরা রিনি (২৭) — বিএনপি

    রাজশাহী বিভাগ

    ২৫. রাজশাহী — আফিয়া আখতার (২৫) — বিএনপি

    ২৬. বগুড়া — তৌফিকুর রহমান (২৭) — বিএনপি

    ২৭. পাবনা — ড. শাহেদ মোস্তফা (২৫) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ২৮. সিরাজগঞ্জ — আমিনুল ইসলাম (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ২৯. নওগাঁ — সাইফুল ইসলাম (২৯) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৩০. নাটোর — আসমা শাহীন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৩১. চাঁপাইনবাবগঞ্জ — শাহাদাত হোসেন মাসুদ (২৮) — জামায়াত

    ৩২. জয়পুরহাট — আল-মামুন মিয়া (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    খুলনা বিভাগ

    ৩৩. খুলনা — আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার (২৯) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৩৪. যশোর — মোহাম্মদ আশেক হাসান (২৭) — জামায়াত

    ৩৫. সাতক্ষীরা — আফরোজা আখতার (২৮) — জামায়াত

    ৩৬. বাগেরহাট — গোলাম মো. বাতেন (২৮) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৩৭. কুষ্টিয়া — মো. ইকবাল হোসেন (২৯) — জামায়াত

    ৩৮. ঝিনাইদহ — আব্দুল্লাহ আল মাসউদ (২৭) — বিএনপি

    ৩৯. চুয়াডাঙ্গা — মোহাম্মদ কামাল হোসেন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৪০. মেহেরপুর — ড. সৈয়দ এনামুল কবির (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪১. নড়াইল — ড. মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম (২৭) — জামায়াত

    ৪২. মাগুরা — আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (২৮) — জামায়াত

    রংপুর বিভাগ

    ৪৩. রংপুর — মোহাম্মদ এনামুল আহসান (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪৪. দিনাজপুর — রফিকুল ইসলাম (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪৫. কুড়িগ্রাম — অন্নপূর্ণা দেবনাথ (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৬. গাইবান্ধা — মাসুদুর রহমান মোল্লা (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৭. নীলফামারী — মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৮. লালমনিরহাট — এইচ. এম. রকিব হায়দার (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৯. ঠাকুরগাঁও — ইশরাত ফারজানা (২৫) — বিএনপি

    ৫০. পঞ্চগড় — কাজী মো. সায়েমুজ্জামান (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    বরিশাল বিভাগ

    ৫১. বরিশাল — খায়রুল আলম সুমন (২৯) — বিএনপি

    ৫২. পটুয়াখালী — ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী (২৫) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৩. ভোলা — ডা. শামীম রহমান (২৯) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৪. পিরোজপুর — আবু সাঈদ (২৮) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৫. ঝালকাঠি — মো. মমিন উদ্দিন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৫৬. বরগুনা — তাছলিমা আক্তার (২৭) — জামায়াত

    ময়মনসিংহ বিভাগ

    ৫৭. ময়মনসিংহ — মো. সাইফুর রহমান (২৮) — জামায়াত

    ৫৮. জামালপুর — মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৭) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৫৯. নেত্রকোনা — মো. সাইফুর রহমান (২৮) — জামায়াত

    ৬০. শেরপুর — তরফদার মাহমুদুর রহমান (২৭) — জামায়াত

    সিলেট বিভাগ

    ৬১. সিলেট — মো. সারওয়ার আলম (২৭) — জামায়াত

    ৬২. সুনামগঞ্জ — ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (২৫) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৬৩. হবিগঞ্জ — আবু হাসনাত মো. আরেফীন (২৫) — জামায়াত

    ৬৪. মৌলভীবাজার — তৌহিদুজ্জামান পাভেল (২৮) — জামায়াত

     

  • জামায়াতকে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে-মির্জা ফকরুল

    জামায়াতকে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে-মির্জা ফকরুল

    ঠাকুরগাঁও- ১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা বলছে যে, “দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে, নাউজুবিল্লাহ।

    একটা নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে কি কেউ বেহেশতে যেতে পারে? দাড়িপাল্লায় এ জামায়াতকে ভোট দিলে আমাদের ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে।

    আজ সোমবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও- ১ আসনের জামালপুর ইউনিয়নের ভগদগাজি বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এসব অপপ্রচারকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাবুনগরী সাহেব জামায়াতে ইসলামিকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ বলেছেন এবং চরমোনাইয়ের পীর জামায়াতে ইসলামিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

    তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে এই দেশ ধ্বংসস্তুপে পরিনিত হয়েছে। একটা জায়গার উন্নয়ন নির্ভর করে সে জায়গার মানুষের আয়ের উপর। তাই ইনকাম সোর্স বাড়াতে হবে। আমরা সেরকম পরিকল্পনাই করেছি।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করার আহ্বান জানান তিনি।

    নির্বাচনী এ পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলিসহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের আহতের ঘটনার জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের নিন্দা

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের আহতের ঘটনার জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের নিন্দা

    জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহতের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচারের দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে তারা এই নিন্দা জানান। হাদির বিচার না হওয়ার পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। এই সময় তিনি আহতদের দ্রুত তাদের চিকিৎসা দেয়ার দাবি জানান।

    নাসীরুদ্দীন বলেন, পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে, যা নিন্দনীয়। সরকার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। সরকারের মধ্যে ভেতরের কেউ থাকতে পারে। সাংবাদিকসহ ৩০ থেকে ৪০ জন আহত।

    আহতদের দেখতে এসে জামায়াত নেতারা বলেছেন, ন্যায্য দাবি আদায় করতে গেলে সরকারি পেটুয়া বাহিনী ন্যাক্কারজনক ভাবে হামলা করেছে। সরকারের উচিত ছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে বক্তব্য শোনা এবং কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া।

    সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, তাদের ন্যায্য দাবি ছিল, সুশৃঙ্খল আন্দোলন ছিল। কিন্তু সরকারের পেটোয়া বাহিনী নির্মম হামলা চালিয়েছে, তদন্ত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

    এদিকে সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকার পক্ষ হতে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইনকিলাব মঞ্চের দাবি অনুযায়ী আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শরীফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।

    উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ওসমান হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচিকে ঘিরে আগে থেকেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা সহ কয়েকজন যমুনার সামনে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।

    এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ আহত হন অর্ধশত নেতাকর্মী।

  • পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের অন্তত ২৩ জন আহত

    পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের অন্তত ২৩ জন আহত

    জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও হত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করার সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করেছে পুলিশ। এতে সংগঠনটির অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যেতে চাইলে  ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে।

    ঢামেকের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ইমরান হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত ২০-২৫ জন এসেছে। তাদের সবাই আহত।

    তবে, গুলিবিদ্ধ বা রাবার বুলেটে বিদ্ধ কেউ এসেছে কি না, সেটা এখনই বলতে পারব না। ভর্তি ছাড়াই অনেককে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশনের চেয়ারপারসন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম–সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির (গুম–সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন) প্রধান ছিলেন।

    বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ দিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। কমিশনারদের মধ্যে দুজন সাবেক গুম–সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য।

    তারা হলেন-মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।বাকি দুজন কমিশনার হলেন ঢাকা বিশ্ব-বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম ও মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান।

  • র‍্যাবের নতুন নাম ‌এসআইএফ

    র‍্যাবের নতুন নাম ‌এসআইএফ

    র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বা র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। নতুন নাম রাখা হয়েছে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    র‌্যাবের পোশাকও পরিবর্তন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাহিনীটির কাঠামো ও কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পোশাকও বানানো হচ্ছে।

    র‍্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে র‍্যাব এবং বাহিনীটির সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদও ছিলেন। তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

    এছাড়া ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর যে তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশও রয়েছে।

    নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) দীর্ঘদিন ধরেই র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছে।

     

  • জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি তখন: তারেক রহমান

    জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি তখন: তারেক রহমান

    আজ ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রশ্ন তুলেছেন, চারদলীয় জোট সরকার যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা তখন কেন পদত্যাগ করেননি।

    তিনি বলেন, “আপনারা নিশ্চয়ই পত্রপত্রিকায় দেখেছেন, এই মুহূর্তে একটি রাজনৈতিক দল যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, সেই স্বৈরাচারের মুখের ভাষা বিএনপিরই বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

    তারেক রহমান বলেন, “আমার প্রশ্ন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাদেরও দুইজন সদস্য বিএনপির সরকারে ছিলেন। বিএনপি যদি এতই খারাপ হয়, তাহলে ওই দুই ব্যক্তি কেন পদত্যাগ করে চলে আসেননি?”

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “সব ধরনের আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানই বলে যে খালেদা জিয়ার সময় দেশ দুর্নীতিতে নিম্নগতিতে ছিল। ২০০১ সালে যখন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন, ধীরে ধীরে বাংলাদেশ দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের হতে শুরু করে।”

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে দুপুরে সড়ক পথে ময়মনসিংহ পৌঁছান তারেক রহমান। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

    উল্লেখ্য, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন জামায়াতে ইসলামের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিল সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের।

  • মুনাফেকি ও ধোঁকাবাজদের থেকে সর্তক থাকতে হবে-তারেক রহমান

    মুনাফেকি ও ধোঁকাবাজদের থেকে সর্তক থাকতে হবে-তারেক রহমান

    ধর্মীয় বিভাজন, মুনাফেকি ও ধোঁকাবাজির রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী শক্তির হাতেই জনগণ নিরাপদ থাকবে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) গভীর রাতে নরসিংদীতে অনুষ্ঠিত এক জনসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচনী জনসভায় সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ঘটে যাওয়া কয়েক দফা ভূমিকম্পের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, “এদের এই মিথ্যাচার, এই মুনাফেকি ও শিরকির কারণে আল্লাহ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—এসব বন্ধ করার জন্য। আমরা যদি এ কথা বলি, তারা কোথায় যাবে? তাই আসুন, এই শিরকি, মুনাফেক ও ধোঁকাবাজদের হাত থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে।”

    তিনি বলেন, দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, কেউ বিদেশে অবস্থান করতে পারেন বা প্রয়োজনে অন্য দেশে চলে যেতে পারেন; কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সবসময় বলেছেন, এই দেশের মাটিই তাঁর একমাত্র ঠিকানা।

    তারেক রহমান আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা, নারী, শ্রমিক ও পেশাজীবীরা একসঙ্গে দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে। ১৯৭১ সালে অর্জিত স্বাধীনতার সঙ্গে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে তারা জীবন বাজি রেখেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, ভালোকে ভালো এবং মন্দকে মন্দ বলতে হবে। মন্দের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই গণতন্ত্রের মূল শক্তি। গত ১৫ বছরে তথাকথিত নির্বাচনের নামে জনসভা ও ভোটাধিকার বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে গুম, খুন, মামলা ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে, পাশাপাশি বেড়েছে বেকারত্ব।

    বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশ এগিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

    বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

    নরসিংদীতে তার আগমন উপলক্ষে বিকেল থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা জনসভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসমাবেশে উপস্থিতির সংখ্যা বাড়ে।

    এই সময় নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও নরসিংদী-১ আসনের প্রার্থী খায়রুল কবির খোকনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ আসনের প্রার্থী মনজুর এলাহীর সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন আসনের মনোনীত প্রার্থীরা।

  • গণভোট আগামী ৫০ বছরের জন্য জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে

    গণভোট আগামী ৫০ বছরের জন্য জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে

    আগামী নির্বাচনে প্রথম ব্যালটে দেওয়া ভোট পাঁচ বছরের প্রতিনিধি নির্ধারণ করবে, আর গোলাপি ব্যালটে দেওয়া ভোট ৫০ বছরের জন্য জাতির ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

    আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে (বিজয় মেলার মাঠে) গণভোটের প্রচারণা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এই সময় তিনি আরো বলেন,  আমরা এমন কোন বিরোধী দল চাই না, যাদের জেলে থাকতে হয় বা ১০১টি মামলা নিয়ে ঘরছাড়া থাকতে হয়। পরাজিত প্রার্থীরাও নিজ নিজ দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন—এমন একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আমরা চাই, যা বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে রয়েছে।

    তিনি বলেন, আগামীতে এক ব্যক্তি বা একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য, কার্যকর বিরোধী দল এবং উচ্চকক্ষের মাধ্যমে দায়িত্বশীল সরকার গঠনের প্রত্যাশা করছি।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টা আরো বলেন, এলপিজি ব্যবসার ৯৮ শতাংশই বর্তমানে বেসরকারি খাতে পরিচালিত হচ্ছে, সরকারের হাতে রয়েছে মাত্র ২ শতাংশ।

    এলপিজি সমস্যা সমাধানে ‘এলপিজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের’ সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে পূর্বে ব্যবহৃত জাহাজে এলপিজি আনা সম্ভব না হওয়ায় জাহাজ সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এটি অচিরেই নিয়ন্ত্রনে আসবে বলে আশা করছি।

    গণভোট ও নির্বাচন প্রসঙ্গে এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচার করছি এবং এর যৌক্তিকতা তুলে ধরছি। আমরা কাউকে হ্যাঁ বা না ভোট দিতে বাধ্য করছি না। অন্তর্বর্তী সরকারের ভিত্তি তিনটি—বিচার, নির্বাচন ও সংস্কার। বর্তমান পরিবর্তন না এলে আগামী নির্বাচন ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হতো এবং সেটিও কেমন হতো তা জনগণ জানে।

    তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু। জনগণ নির্ভয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার নিশ্চিতকরণকে সার্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

    এই সময় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা এবং পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, (বিপিএম)সহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

     

     

  • জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিনে সমাধিতে বিএনপির শ্রদ্ধা

    জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিনে সমাধিতে বিএনপির শ্রদ্ধা

    জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার জিয়া উদ্যানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    কর্মসূচিতে বিএনপির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া করা হয়। এতে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা-১২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।