Category: ঢাকা বিভাগ

  • আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে

    আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘‘আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই নির্বাচন কমিশনকে এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে।

    ’মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জেলা এনসিপির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, ‘‘কয়েকটা সিটের জন্য এনসিপি কারো সঙ্গে ঐক্য করবে, সেই নীতিতে বিশ্বাস করে না। এক বা একাধিক রাজনৈতিক দল তাদের জায়গা থেকে জনগণ বা দেশের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যদি পরিবর্তনের জন্য প্রতিজ্ঞা করে, সেই অনুযায়ী কাজ করে; বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা ভাবনার মধ্যে ঐক্য দেখা যায়, তখন আমরা চিন্তা করতে পারি।’’

    তিনি আরো বলেন, ‘‘এনসিপির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল ঐক্য করলেও এনসিপি শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে।’’ এনসিপির এই গুরুত্বপূর্ণ নেতা আরো বলেন, ‘‘এনসিপি সংসদের উচ্চকক্ষে পিআরের পক্ষে, নিম্নকক্ষে বিপক্ষে।’’

    এ সময় এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশে-কীন আলম, ময়মনসিংহ জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব আলম, সদস্য ইকরাম এলাহী খান সাজ, মোজাম্মেল হক, মাহমুদুল হাসান সোহেল, মোকারম আদনান, ফুয়াদ খান, জিকে ওমর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘মার্চ টু সচিবালয়’ হাইকোর্টের সামনে শিক্ষকদের পুলিশি ব্যারিকেড

    ‘মার্চ টু সচিবালয়’ হাইকোর্টের সামনে শিক্ষকদের পুলিশি ব্যারিকেড

    ২০ শতাংশ বাড়িভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা রাজধানীতে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি শুরু করেছেন।মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

    তবে সচিবালয় অভিমুখে যাত্রা শুরুর আগেই হাইকোর্ট মাজারগেট এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। শিক্ষা ভবন মোড়ের আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    এ সময় দোয়েল চত্বর থেকে মৎস্য ভবন ও বিপরীতমুখী সড়কও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের জলকামানও।

    আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, সরকারের প্রস্তাবিত বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির হার ‘অপর্যাপ্ত ও অবাস্তব’। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাতা, ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদানসহ সার্বজনীন বদলি নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানান।

    শিক্ষক নেতারা বলেন, “আমাদের কর্মবিরতি চলবে। ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষক শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেবেন না।”

    এর আগে গত ১২ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে সংগঠনের নেতাদের আহ্বানে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন এবং লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে সারাদেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

  • বিএনপি ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি

    বিএনপি ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি ভোটে দল থেকে কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে নারীরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।”

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) খুলনা প্রেস ক্লাবে ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ আয়োজিত খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।বেগম সেলিমা রহমান বলেন, “দেশে নারী শিক্ষা ও পেশাজীবী অঙ্গনে নারীদের যে অবস্থান, তা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাত ধরেই এগিয়েছে।

    এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারী জাগরণ ঘটবে। ”সভায় নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, “আগামী নির্বাচনে বিএনপি অবশ্যই যোগ্য নারীদের দলীয় মনোনয়ন দেবে এবং তারা জনগণের ভোটে বিজয়ী হবেন।”

    তিনি বলেন, “বিএনপি নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য বদ্ধপরিকর এবং এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।”অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “বিএনপি নারীর অধিকার রক্ষায় সবসময় সোচ্চার। আমরা বিশ্বাস করি, নারীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।”

    খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “বিএনপি নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে চায়। আমরা নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের জন্য বিএনপি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।”

    খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার বিএনপির নারী নেত্রীরা সমন্বয় সভায় অংশ গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ড, শফিকুল আলম মনা, এম এ সালাম, রহমত উল্লাহ পলাশ, মনিরুজ্জামান মন্টু, শফিকুল আলম তুহিন। সভা সঞ্চালনা করেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী।

  • মানিকগঞ্জ সাটুরিয়ায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে মতবিনিময় সভা

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়ায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে মতবিনিময় সভা

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষে প্রকল্প নির্বাচনে স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলার হরগজ, দরগ্রাম, দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে মত-বিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসেন।

    সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো: ইমরুল হাসান, সাটুরিয়া উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খলিলুর রহমান মোল্লাহ,সাটুরিয়ার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক, ইউসুফ হোসেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও স্হানীয় জনপ্রতিনিধি এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো সহ প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন বা মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, স এবং তাদের সমস্যা ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।

    গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসনের ব্যতিক্রম উদ্যোগের সকলে প্রশংসা করেন।

  • সাটুরিয়ায়, যুবদলের আহ্ববায়কে শোকজ নোটিশ

    সাটুরিয়ায়, যুবদলের আহ্ববায়কে শোকজ নোটিশ

    ঢাকার সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দায়ের হওয়া একটি হত্যা চেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীকে (আল মাহমুদ সবুজ, যুবলীগ কর্মী) যুবদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ায় মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্ববায়ক জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা কে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা যুবদল।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জেলা যুবদলের আহবায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু ও সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শোকজ দেয়া হয়।

    শোকজের চিঠিতে আমীর হামজাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আপনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাটুরিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়কের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে আপনার বিরুদ্ধে নিজ সাংগঠনিক পদের অপব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার মতন গুরুত্বর্পূণ অভিযোগ এসেছে। যা দলের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করছে এবং দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড বলে জেলা যুবদল মনে করে।

    এমতাবস্থায়, কেন আপনার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা আগামী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে দলের প্রধান কার্যালয়ে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সামনে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর জন্য নিদের্শ দেওয়া হলো।

    এ বিষয়ে যুবদল নেতা আমীর হামজা বলেন, দল আমাকে তিন কার্যদিবস সময় দিয়েছিল। আমি ইতিমধ্যেই এর যথাযথ উত্তর দিতে চেষ্টা করেছি। আমি মনে করি, এটি আমার বিরুদ্ধে কৌশলগত ষড়যন্ত্রের অংশ বিশেষ। আমি সব সময়ই দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধশীল। এই বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর হত্যার চেষ্টার আসামিকে প্রত্যয়ন দেয়া নিয়ে জুমবাংলায় “হত্যার চেষ্টার আসামি ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতারা এখন ছাত্রদল-যুবদলে” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

  • এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ১০ নেতা

    এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ১০ নেতা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন ১০ কেন্দ্রীয় নেতা। তাদের দলের অন্য সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১ অক্টোবর) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী,

    ১.রংপুর বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আতিক মুজাহিদ,

    ২.রাজশাহীতে ইমরান ইমন।

    ৩.সিলেটে এহতেশাম হক।

    ৪.ময়মনসিংহে আশেকিন আলম।

    ৫.ঢাকায় সাইফুল্লাহ হায়দার।

    ৬.ফরিদপুরে নিজাম উদ্দীন।

    ৭,চট্টগ্রামে এস এম সুজা উদ্দিন।

    ৮.কুমিল্লায় মো. আতাউল্লাহ।

    ৯.খুলনায় ফরিদুল হক ও

    ১০. বরিশালে অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।.

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে এই ১০ নেতাকে দেশের সব মহানগর ও জেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হলো।

  • সাটুরিয়ায় কিশোর গ্যাং তান্ডবে আহত ২

    সাটুরিয়ায় কিশোর গ্যাং তান্ডবে আহত ২

  • সাটুরিয়ায় দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি সুমাইয়া আক্তারের !

    সাটুরিয়ায় দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি সুমাইয়া আক্তারের !

    সাটুরিয়ায় দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি সুমাইয়া আক্তারের (১৬)। মেয়েকে হন্ন্য হয়ে খুঁজছেন আহত পিতা-মাতা।

    জানান যায়, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নে খাশের চর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের বড় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৬) হরগজ বাজার হতে হারিয়ে যায় গত ১৪ (আগষ্ট)।

    ঘটনার বিবরন, ১৪ (আগষ্ট) একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার জন্য অন-লাইনে আবেদন করতে হরগজ বাজারে আসেন সুমাইয়া আক্তার। তারপর থেকে সে আর বাড়ী ফিরে যায়নি। এ বিষয়ে সুমাইয়ার বাবা সিরাজুল ইসলাম সাটুরিয়া থানায় বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তারের মা নিলুফা ইয়াসমিন জানান, দেড় মাসেও আমার মেয়ের সন্ধান এনে দিতে পারেনি কেউ । আমার মেয়ের সন্ধান এনে দিন, সে জীবিত আছে না মৃত। যে কোন মূল্যে আমি আমার মেয়ের সন্ধান চাই।

    এ সময় তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মেয়েকে ভিক্ষা চাই। বিশেষ করে সাটুরিয়া থানা পুলিশসহ সর্বস্তরের প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

                                     নিখোঁজ সুমাইয়া আক্তার

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শাহিনুল ইসলাম জানান, অভিযোগটির ব্যাপারে আমরা অবহিত আছি। এই বিষয়ে উপ-পরিদর্শক রায়হান কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।

    এ ব্যাপারে, তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক রায়হান জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে আমরা তৎপর রয়েছি। তদন্ত কাজ চলমান আছে। আশা করি খুব দ্রুতই আমরা আপনাদের একটি ভাল খবর দিতে পারব।

  • ‘পিপাসু’

    ‘পিপাসু’

    বেশ্যার প্রেমে পড়ার ইচ্ছা
    -অনেক দিন থেকেই
    যারা `নটির’ তকমা নিয়ে
    জীবনের হাটে জীবিকা চালায়।।

    ‘দেহ’ পয়সার দরে বিক্রি করে
    তপ্তদেহের জ্বালা মিটায়
    ‘নগ্ন বুকের হিংস্র থাবায়’
    -হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণে।।

    লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে
    নিতম্ব দুলিয়ে ‘পসরা’ জমায়
    অনাদরের ‘পতিতার বাজারে’
    -আনন্দের আদিম হাটে।।

    ভালবাসা, আশা ও অভিলাশ কে
    নিত্যই, কংসের বাহুতে সপে দেয়
    দু‘মোঠু অন্নের আশায়-
    নষ্ট মানুষের নষ্ট ভালবাসায়।।

    অন্ধবিশ্বাসে, অর্থের মাপকাটিতে
    জীবনের হিসাব কষে,
    ‘মীরাবাঈদের প্রতিছবি নিয়ে
    একদিন আমরাও স্বর্গ দেখবো বলে !

  • `শারদীয় দূর্গোৎসব’

    `শারদীয় দূর্গোৎসব’

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আনন্দ আয়োজন শারদীয় দূর্গোৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশাল জনগোষ্ঠীর অনেক আনন্দ, উল্লাস এবং বিনোদনের আনুষ্ঠানিকতা লক্ষ করা যায় এমন উৎসবে। শুভ মহালয়া থেকে চণ্ডীপাঠ, মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণ জানায় ভক্তকুল।

    অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার করার লক্ষ্যে মর্ত্যে আসে দেবী দুর্গা। তাদের পূজা মণ্ডপে মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী এবং মহানবমীতে সকল হিন্দু সম্প্রদায় অর্থাৎ হাজার হাজার নারী-পুরুষ ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠান পালন করে।

    বলা দরকার, হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী দুর্গা পূজার দিন ক্ষণ গণনা শুরু হয় মহালয়ার দিনে অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবে আনন্দকে কেন্দ্র করে। তাই এ দূর্গোৎসব হিন্দুদের অবশ্যই বিশুদ্ধ পঞ্জিকার আলোকেই নির্ধারণ করা হয়। শারদীয় দুর্গোৎ​সবের শুভ দশমীটাই তাদের কাছে শেষ দিন।

    আর এই শুভ বিজয়ার দশমীতে পূজা সমাপন করে এবং দেবী দুর্গাকে বিসর্জনে ব্যাস্ত সকল হিন্দু সম্প্রদায়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে তারা এদেশ ও সারা বিশ্বে ৩০ সেপ্টেম্বর সনাতন ধর্মীয় জনগোষ্ঠী সকল মানবের চাহিদাকে পুরনের লক্ষে সর্ব বৃহৎ দেবী দুর্গাকে মণ্ডপে দাঁড় করানোর বাসনায় জাগ্রত হন।

    পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তারা মহানবমী উপলক্ষে অনেক পূজা মণ্ডপে আরতি প্রতিযোগিতা এবং প্রসাদ বিতরণ করে। দশমীতে সব মণ্ডপে থাকে বিষাদের সুর। কারণ, তাদের শুভ বিজয়া দশমীর এই দিনে দূর্গাকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে স্বামী গৃহে ফিরে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা।

    সুতরাং এই দিনে বাহির হয় ভক্তদের শোভাযাত্রা, দেবী দুর্গাকে বিদায়ের মাধ্যম হিসেবে জলে নৌকা নয়তো স্হলে রংবে রংয়ের ট্রাকে সাজ সজ্জা ঘটিয়ে আনন্দ উল্লাস করে হিন্দু সম্প্রদায়। বিদায় বেলায় শত সহস্র ভক্তদের আনন্দ-উল্লাসে আর বিজয়ার অশ্রুতে আকাশ বাতাস কম্পিত হয়ে উঠে।

    দেবী দুর্গাকে স্বর্গালোকে এমন বিদায় দেয়ার আয়োজন সত্যিই সনাতন বিশ্বাসী ধর্মাবলম্বীদের গভীর আত্তায় শঙ্খ ধ্বনি এবং ঢাকের তালে তালে কম্পিত হয়। তাদের এমন দেবী দূর্গাকে বিদায়ের সুরের সাথে সঙ্গী সাথী করে গবীব দুখীকে।

    তবে এবারে দূর্গা দেবীর বিদায় নেওয়াটা অবশ্যই ঘোটক বা ঘোড়া কেন্দ্রিক অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে দেবী দুর্গা গমন করবে স্বর্গালোকে। সেহেতু এমন বিদায়ের ফল শ্রুতিতে অনেক রোগ-ব্যাধি বাড়বে বৈকি এবং অনেক ফসল নাকি নষ্টও হবে। সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীদের এমন ধারনা এবং তাদের বিশুদ্ধ পঞ্জিকায় তার যথাযত সত্যতার প্রমাণ মিলে।

    তবে দেবী দূর্গা এসেছিল নৌকায় চড়ে, ধর্মের আদর্শ বার্তা নিয়ে বছর ঘোরে বারংবার দেবী দূর্গা আসে মর্ত্যলোকে অর্থাৎ পৃথিবীতে। এজগতের মঙ্গল কামনায়, তাই বিশ্বাসী হিন্দু সম্প্রদায় বলেন, এমন আগমনের ফলেই অতি বৃষ্টি ও শস্য বৃদ্ধি হবে।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার হাজার নারী-পুরুষ ধর্মীয় এমন অনন্দে ঘরে ঘরে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্যে আপ্যা-য়নে তৈরী করে জল-তিল-অন্ন। এমন উৎসর্গ তাদের অনেক আনন্দ দান করে। তারা মনে করে, পিতৃ পক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসে। মৃত আত্মীয়-পরিজন এবং তাদের পূর্ব পুরুষদের আত্মার প্রতি মঙ্গল কামনা করার একটি শুভ দিন।

    সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীরা এই দেবীপক্ষকে সবচেয়ে শুভ দিন মনে করেই নতুন নতুন পোষাক ও সামর্থ্য অনুযায়ী ভাল ভাল খাবার তৈবী করে। এ সময় তারা সব ধরনের শুভ কাজ সম্পন্ন করে থাকে। পুরাণের কথায় বলা যায়, অসুর শক্তির নিকট পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হয়েছিল। চারদিকে অশুভের প্রতাপ। তাই এ অশুভ শক্তিকে ধ্বংস বা বিনাশ করতেই একত্র হন দেবতারা। অসুর শক্তির বিনাশে অনুভূত হয়েই এক মহা শক্তির আবির্ভাব।

    সুতরাং সেই দেবতাদের তেজরশ্মি থেকেই আবির্ভূত এক বৃহৎ শক্তি তিনিই হলেন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা। পুরাণ মতে বলা যায়, রাজা সুরথ প্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেছিল। বসন্তে তিনি এ পূজার আয়োজন করায় দেবীর এ পূজাকে বাসন্তী পূজাও বলা হয়। কিন্তু রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে শ্রীরামচন্দ্র দুর্গা পূজার আয়োজন করেছিল।

    শরৎ কালের এ পূজাকে হিন্দুদের মতে বলা চলে, অকালবোধন। তাদের ধর্ম মতে, এ দিনেই দেব-দেবীকুল দুর্গা পূজার জন্য নিজেদের জাগ্রত করে। মহালয়ার দিনে সূর্য উদয়ের আগেই শঙ্খধ্বনি এবং চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে মন্দিরে মন্দিরে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, নির্বিশেষে সকল হিন্দু সম্প্রদায় দেবী দূর্গাকে আবাহন জানায় এবং উল্লসীত সুরেলা কন্ঠে জয়ধ্বনি তোলে “দূর্গা মাইকি জয়”।

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,  প্রধান সমুন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি, সাটুরিয়া উপজেলা শাখা ।