Category: ঢাকা বিভাগ

  • সাটুরিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপিত !

    সাটুরিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপিত !

    জরাজীর্ণ আর গ্লানিকে পেছন ফেলে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ে তুলার প্রত্যয় নিয়ে মানিকগঞ্জের- সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘বাংলা নববর্ষ’-১৪৩৩ সাল (পহেলা বৈশাখ) উদযাপিত হয়েছে। আজ ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার ভোর থেকেই উপজেলা চত্বরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালিত হয়।

    নববর্ষ’ উপলক্ষ্যে ঘোড়ার গাড়ীতে করে সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা সাজে মানুষ জড়ো হতে থাকে। এই সময় নারীদের পরনে লাল-সাদা শাড়ি, মাথায় ফুলের টায়রা আর পুরুষদের পরনে ছিল বাহারি পাঞ্জাবি। শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের গালে-হাতে আঁকা আলপনা নিয়ে তারা উৎসবে মেতে উঠে।

    উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণিল শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রঙিন প্ল্যাকার্ড এবং লোকজ ঐতিহ্যের প্রতিকৃতি নিয়ে অংশ নেন।

    শোভাযাত্রা শেষে, শুভেচ্ছা বক্তব্যে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, বাঙ্গলী সংস্কৃতিই আমাদের আদ্য পরিচয়। যুগ যুগ ধরে বাঙ্গলী জাতি অ-সাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করে আসছে। আজকের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তারই প্রমাণ।

    তিনি আরো বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই আজ এক কাতারে দাঁড়িয়েছি। আজ আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় ‘আমরা বাঙ্গালী’। আমরা, সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় আগামীতে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

    বিশেষ অনুভূতি ব্যক্ত করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) মৌমিতা গুহ (ইভা)। তিনি বলেন, বৈশাখ বাঙ্গালী জাতির সার্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসব। সংস্কৃতি হলো কোন স্থানের মানুষের ভাষা আচার-ব্যবহার জীবিকা, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য, সামাজিক সম্পর্কীত শিক্ষা-দীক্ষা, ও ধর্মীয় রীতি-নীতির মাধ্যমে যে, অভিব্যক্তির প্রকাশ। পহেলা বৈশাখ একটি সর্বজনীন সংস্কৃতিক উৎসব।

    তিনি আরো বলেন, বৈশাখের সাথে ধর্মের সংশ্রাব অর্থহীন। যুগ যুগ ধরে বাঙ্গালী জাতি এই অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। এটি বাঙ্গলী জাতি সত্ত্বার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংবাদকর্মী এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বৈশাখ ও কল্পনা !

    বৈশাখ ও কল্পনা !

    কোন এক বৈশাখে,
    জীবনের প্রথম ভাগে-
    মনোঞ্চলতায় বিভোর হয়ে আদ্রীতার হাতে
    একগুচ্ছ কাচেঁর চূড়ি পড়াতে চেয়ে ছিলাম !

    আবেগে আপ্লুত হয়ে!
    অসীম বৈরীতাকে দূরে ঠেলে
    সাদা-কালোর ভালবাসায়,
    মনের গহীনে, রিনিঝিনি শব্দ শুনে ছিলাম,
    আদ্রীতার কংকন-হাতের ঝংকারে।।

    নেশার ঘোরে অতি-চুপিসারে,
    একগুচ্ছ ‘ভালবাসা’ রেখে ছিলাম
    আদ্রীতার মন-ড্রয়ারে।।

    সহসা, জীবনের রং
    আরো গভীর হয়ে উঠেছিল-
    অনন্দিন-অভিপ্রায়ে,
    অনাগত-বৈশাখের আগমনে!

    কিন্তু সেই গল্প, কেবল ছিল ‘কল্পনা’ !
    বাস্তবতা- জ্বলন্ত ‘টয়নগরী’
    যেখানে কেবল অস্তিত্ব ছিল-
    অপরাধের দূষিত কুন্ডলীর ।।

    ‘তারপর থেকে, হাজার বছর জ্বলছি
    কিন্তু নিঃশেষ হয়ে যায়নি’-

    এখনো, স্বপ্ন দেখি- অসার অব্যয়ে,
    ‘এক দিন আবারও বৈশাখ আসবে,
    কাচেঁর চূড়ির রিনিঝিনি শব্দে বেজেঁ উঠবে
    আমার চির-চেনা আদ্রীতার নগ্ন হাত খানি।।

     

     

     

     

  • বাঙ্গালীর সর্বজনীন সংস্কৃতির দিন ‘পহেলা বৈশাখ’

    বাঙ্গালীর সর্বজনীন সংস্কৃতির দিন ‘পহেলা বৈশাখ’

    পহেলা বৈশাখ দিনটি যতটা ধর্মীয় অনুভূতিসিক্ত, তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব বাঙ্গালীর সর্বজনীন সংস্কৃতির দিন হিসাবে। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই বাঙালিরা এই দিনটি বিচ্ছিন্নভাবে পালন করে আসছে বলে বিভিন্ন গবেষকরা মত প্রকাশ করেছেন। সভ্যতার আর্বতন-বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঋতুরাজ্যের জ্ঞান মানুষের মধ্যে বেগবান রয়েছে। এরপর এসেছে জ্যোতিষশাস্ত্র।

    সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা -উড়িষ্যায় ইলাহি সন, মৌসুমি বা ফসলি সন ও বিলায়েতি সনের চালু ছিল। ঘরে ঘরে ফসল তোলার সাথে খাজনা আদায়ের ব্যাপক প্রচলন ছিল। এজন্য সম্রাট আতবর জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ আমির ফতেউল্লাহ সিরাজিকে দিয়ে হিজরি সনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করে ‘তারিখ ই-ইলাহি উদ্বাবণ ও এর প্রচলন করেন। সেই তখন থেকেই কৃষিপ্রধান সমাজে এই দিনটি সমাদৃত হয়ে আসছে।

    পহেলা বৈশাখ যেমন বাঙালির হৃদয়ে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে তেমনি ‘ভূমিহীন’অর্থাৎ বর্গাচাষীদের জন্যও যন্ত্রণাদায়ক দিন হিসেবে আবির্ভূত হয়। শুরতেই এই দিনে সম্পাদন করা হতো জমিদারের রাজস্বের দিন হিসাব। প্রজারা বকেয়া খাজনা পরিশোধ করে মিষ্টিমুখ করত। ব্যবসায়ীরা তাদের হিসাব চুকিয়ে নিত। বৈশাখের যে লৌকিকতা তা শুরু হয় পরিবার থেকে। আত্নীয়,বন্ধু,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিবেশি সুহৃদজনকে শুভেচ্ছা ও কুশল জানানো ছোট -বড়দের মধ্যে নববর্ষে আয়োজিত বৈশাখী মেলায় বহু মানুষের সমাগম হয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মহামিলনের স্হান এই মেলা। শিশু কিশোররা চরকি,নাগরদোলা,বাঁশি,তালপাতার রকমারি আয়োজনে মেতে উঠে।কিশোরীরা ব্যস্ত চুরি, ফিতে,চুলের ক্লিপ,আলতা ,কাজল ইত্যাদি কেনার জন্য।

    কিন্ত পুরোনো বৈশাখ নিয়ে নানা তথ্য বিবৃত রয়েছে।পুরাণের মতে বিশাখা চন্দ্রের সপ্তবিংশ পত্নীর অন্যতম এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতে কেবল নক্ষত্র।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যের অবস্হানের সঙ্গে বিভিন্ন নক্ষএের অবস্হানের সম্পর্ক দেখে মাস ভাগ এবং মাসগুলোর নামকরণ করেছিলেন।বিশাখ উন্ষতার সূচক।সঙ্গত কারণে বৈশাখের সঙ্গে যে উষ্ণতা বা খরতাপ-এর যা মিল রয়েছে তা বলা বাহুল্য। বৈশাখের স্বরুপ বিশ্লেষণে এই দিনটির গুরুত্বও কম নয়।

    পহেলা বৈশাখের সঙ্গে বাঙালির আদি সংস্কৃতি যেমন, যাএা ও পালা,কবিগান,গাজির গান,আলকাপ,পুতুল নাচ, বাউল- মুর্শিদি -ভাটিয়ালি গান, লাইলি-মজনু, রাধা-কৃন্ষ, ইউসুফ-জুলেখা ইত্যাদি পালা প্রদর্শনের আয়োজন করা হয় প্রত্যন্ত গ্রামে। মাস হিসেবে বৈশাখের স্বতন্ত্র পরিচয় আছে, যা প্রকৃতিতে ও মানবজীবনে প্রত্যক্ষ করা যায়। খররৌদ্র, দাবদাহ, ধু-ধু মাঠ, জলাভাব, কালবৈশাখীর ঝড়, ঝরাপাতা গাছে নতুন পাতার আবির্ভাব, আমের কলি ইত্যাদি প্রকৃতি পরিবেশের যোগ রয়েছে।

    বাঙালি জাতি বারবার বিদেশি শক্তির শাষণ-শোষণে, নিপীড়িত -নিঃগৃহীত হয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগোওরের সময়ে ধর্মভিত্তিক পাকিস্তানভূমির প্রগতিশীল ছাএ চেতনায় পহেলা বৈশাখ রাজনৈতিক মাএায় বিকশিত হয়।পাকিস্তানি শাসনাধীনে বাঙালি সংস্কৃতিকে অপচেষ্টার বিরুদ্ধে গড়ে উঠা প্রতিবাদী চেতনার প্রকাশ। এর মধ্যে নববর্ষ বা বাংলা বর্ষবরণ উত্সব হয়ে উঠেছিল বাঙালি চেতনার ধারক ও বাহক। ৫২- এর ভাষা আন্দোলনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলার বাঙালিরা সংস্কৃতি সচেতন হতে শুরু করে এবং ৭১- এর স্বাধীনতা প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে অস্তিত্বের পুনরুদ্ধার করে।

    সর্বশেষে বলা যায়,পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে আহ্বান করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই পালিত হয়ে আসছে বর্ষবরণ উৎসব। নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশায় নতুনকে বরণ করার রীতি বাঙালি জাতীয়তাবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,40212.0.html

  • মানিকগঞ্জের জিয়নপুর বাজার থেকে জ্বালানি তেল জব্দ !

    মানিকগঞ্জের জিয়নপুর বাজার থেকে জ্বালানি তেল জব্দ !

    মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অকটেন ও ডিজেল অবৈধভাবে মজুত এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করায় একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

    শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে মো. আব্দুল মান্নানের বাড়ি থেকে প্রায় ৯০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়। অপরাধ স্বীকার করায় তাঁকে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    এ ছাড়া ৪০ লিটার ডিজেল অবৈধভাবে মজুতের দায়ে ফিরোজ নামের এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ‘রাজ ট্রেডার্স’-এ অতিরিক্ত দামে পেট্রল বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও‌ সতর্ক করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসানুল আলম। তিনি জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থীর সংখ্যা ছয় শতাধিক

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থীর সংখ্যা ছয় শতাধিক

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীর সংখ্যা ছয় শতাধিক ছাড়িয়েছে।  গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    তিনি বলেন, মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। প্রথম দিনেই পাঁচ শতাধিক ফরম বিক্রি হয়েছে এবং শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তা ছয় শতাধিক ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৮ থেকে ৭৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে বলেও জানান তিনি।

    রিজভী বলেন, আগ্রহী প্রার্থীরা ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা এবং জমা দেওয়ার সময় ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে।

    তিনি আরও জানান, প্রার্থীদের আবেদন দলের উচ্চপর্যায়ের মনোনয়ন বোর্ডে যাচাই-বাছাই করা হবে। আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের অবদান রয়েছে, সংসদে কথা বলার দক্ষতা এবং সমাজে গ্রহণযোগ্যতা আছে—এমন প্রার্থীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

  • সাটুরিয়া থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোশারফ হোসেন

    সাটুরিয়া থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোশারফ হোসেন

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানায় নবাগত (নতুন) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন। তিনি আজ ১০ এপ্রিল শুক্রবার কর্মস্থলে যোগদান করেন।

    জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন ইতোপূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) এর (ওসি) হিসেবে দীর্ঘ দিন কর্মরত ছিলেন। অত্যন্ত দক্ষদার, দায়িত্বশীল ও চৌকস এই পুলিশ কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় থেকেই  সুনাম ও নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব ও কর্তব‍্য পালন করে আসছেন।

    সাটুরিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদানের ফলে তিনি সদ‍্য বিদায়ই অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোঃ নজরুল ইসলামের স্থলা ভিষিক্ত হলেন। তার শুভ আগমনকে অভিন্দন জানিয়েছেন প্রেসক্লাব-সাটুরিয়াসহ সমগ্র উপজেলাবাসী ।

  • সরকারের দায়িত্বের ৪২ দিন ‘গুম’ কিংবা ‘ক্রসফায়ার’ শূণ্য-আইনমন্ত্রী

    সরকারের দায়িত্বের ৪২ দিন ‘গুম’ কিংবা ‘ক্রসফায়ার’ শূণ্য-আইনমন্ত্রী

    বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৪২ দিনে দেশে কেউ গুম কিংবা ক্রসফায়ারের শিকার হয়নি বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

    তিনি বলেন, সরকারের বয়স ৪২ দিন, চাইলে প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে পারতো। কিন্তু গত ৪২ দিনে দেশে একটি মানুষও ক্রসফায়ারের শিকার হয়নি, একটি মানুষও গুমের শিকার হয়নি। চাইল্ডহুড সোজ দ্য ম্যান, মর্নিং সোজ দ্য ডে। আমরা মানবাধিকারের পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছি।

    বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মানবাধিকার বিল ২০২৬ উত্থাপনের সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

  • মানিকগঞ্জে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত ৩

    মানিকগঞ্জে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত ৩

    মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে উপজেলার টেপড়া চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মিলন মিয়া (২২) শিবালয় উপজেলার ফলসাটিয়া গ্রামের রাহাত আলীর ছেলে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এপাচি (মানিকগঞ্জ ল-১১-৮৭৩৪) ও হিরো স্প্লেন্ডার (ঢাকা মেট্রো হ-৪১-৯৭৫৪) মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও তিনজন উজ্জল হোসেন (৩০), আকিদুল (২২) ও মোহাম্মদ আলী (২৫)গুরুতর আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

    পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় দুটি মোটরসাইকেলই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে বরংগাইল হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    বরঙ্গাইল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুন আর রশিদ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল দুটি তাদের হেফাজতে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • বেলা ২.২০ মিনিটে সাটুরিয়া কৃষি কর্মকর্তার চেয়ার শূন্য !

    বেলা ২.২০ মিনিটে সাটুরিয়া কৃষি কর্মকর্তার চেয়ার শূন্য !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন একাধিক সেবাপ্রার্থী। আজ রোজ বৃহস্পতিবার বেলা ২ঃ২০ মিনিটে বিষয়টি প্রত্যক্ষ ভাবে অবলোকন করেন ‘প্রেসক্লাব সাটুরিয়ার সাংবাদিবৃন্দ।

    জানা যায় কথিত অভিযোগের ভিত্তিতে আজ প্রেস-ক্লাব সাটুরিয়ার একটি সদস্যদল কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুম এর কার্যালয়ে গেলে তার বসার চেয়ার শূন‍্য দেখতে পান।

    এ বিষয়ে অফিস স্টাফদের জিজ্ঞেসা করলে তারা বলেন যে, তিনি লান্সে গেছেন। তার একটু পরেই কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ জানান, তিনি লান্সে গিয়েছেন। আজ ডিডি আসার কথা রয়েছে। ডিডি আসার আগেই তিনি চলে আসবেন। পরক্ষণেই তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আপনারা কারা! পরিচয় নিশ্চিত করা সত্যেও তিনি সাংবাদিকদের না চেনার বান করে বলেন, আগে তো কখনো আপনাদের দেখি নাই!

                                                    কৃষি কর্মকর্তার চেয়ার শূন্য

    তাৎক্ষনিক পরিচয় গোপন করে জনৈক সাংবাদিক ওই কর্মকর্তাকে তার মুঠো ফোনে দিলে তিনি বলেন, আমি অফিস শেষ করে বাসায় এসেছি। এখন বিশেষ কাজে গ্রামের বাড়ী ধামরাই যাচ্ছি। তাঁর এ বক্তব্যে অপেক্ষমাণ সেবাপ্রার্থী ও আগত অনেকের মধ্যে হতাশা ব্যক্ত করেন।

    উল্লেখ্য, সরকারি দপ্তরে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে কর্মকর্তার অনুপস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে অফিস সময় থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে না পাওয়া সরকারী নিয়মের ‘বরখেলাপ’।

    বিশ্বস্তসূত্রে আরো জানা গেছে যে, সাটুরিয়া প্রশাসনের সিংহ ভাগ কর্মকর্তাই সরকারী নিয়ম মাফিক অফিস করছে না। এ ব্যপারে, সুশীল সমাজের অনেক ব‍্যক্তিবর্গ জানান, এটা এখানে নিত্তনৈমিক্তিক ব‍্যাপার। এগুলো দেখার মত কেউ নেই।

     

  • সাটুরিয়ায় উপজেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন

    সাটুরিয়ায় উপজেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদকারী ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে উপজেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

    ৬ই এপ্রিল, মঙ্গলবার  দুপুরে দরগ্রামস্থ সাটুরিয়া  উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা আমীর মুঃ আবু সাঈদ বিএসসির সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ইন্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইসহাক আলী।

    এতে বলা হয়, সম্প্রতি কান্দাপাড়া এলাকায় ‘ইমন’ নামে এক যুবক নবী (সঃ) কে নিয়ে অশালীন কটুক্তি করে। এতে স্থানীয় মুসুল্লিরা হৃদয়ে মারাত্মক আঘাত অনুভব করেন। মসজিদ ভিত্তিক সমাজে সালিস বসলে ‘ইমন’ তওবা করেন। এই সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ তার আরও কঠোর শাস্তির দাবিতে জড়ো হলে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গেলে জনতার সাথে  পুলিশের ভুল বুঝাবুঝি হয়। জনতার ভীড়কে পাশকাটিয়ে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী গণমাধ্যমের কর্মীদের গাড়ি ভাংচুর করে। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি এ ঘটনায় সাটুরিয়া থানায় দুটো মামলা হয়েছে।

    তিনি বলেন,  উপরোক্ত ঘটনায় জড়িত নয় এমন নির্দোষ মানুষকে আসামি করা হয়েছে, অনেকে গ্রেফতার হয়েছে, জামিন পাচ্ছে না, অথচ কটুক্তি করা আসামি ইমন এখনো জামিন রয়েছে।

    ইসহাক আলী বলেন, আমি নির্বাচনমুখী লোক, তাই আমার প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র করে আমাকে আসামি করিয়েছে। আমি কোন রকম অপরাধ ও বেআইনী কর্মকাণ্ডে জড়িত নই।

    আবু সাঈদ বিএসসি তার বক্তব্যে বলেন, ওই ঘটনার প্রচুর সংখ্যক ভিডিও সোসাল মিডিয়ায় রয়েছে। কাজেই সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হউক। উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাবে কাউকে যেন হয়রানি না করা হয় সেদিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে খেয়াল রাখতে হবে।

    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হোসেন, উপাধ্যক্ষ মাওলানা আলতাফ হোসেন, যুব নেতা মোঃ সোহরাব হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ নেতা মাসুম বিল্লাহ মাসুদ প্রমূখ।