Category: ঢাকা বিভাগ

  • ন্যায় ও সমতার সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে-উপ-সচিব, মো. রফিকুল ইসলাম।

    ন্যায় ও সমতার সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে-উপ-সচিব, মো. রফিকুল ইসলাম।

    বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রামে ন্যায় ও সমতার সমাজ গড়ে তুলার আহ্ববান জানিয়েছেন ডাক ও টৈলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জনাব মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি আজ সোমবার সাটুরিয়া উপজেলার চাচিতারা বাজার জামে মসজিদে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করার সময় এই আহ্ববান জানান।

    নিজ গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে ঈদ শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভাল কাজ করতে হবে। দুর্নীতি ও মন্দ কাজকে না বলতে হবে। সমাজ থেকে ছোট-বড় ভেদাভেদ দুর করতে হবে। দলমতের উর্ধ্বে উঠে সঠিক, সুন্দর ও কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবেই সমাজে উন্নয়ন ও ঈদ-উল-ফিতরের মহত্ব বিকাশিত হবে।

    মনে রাখতে হবে, ন্যায় ও সমতার সমাজ কায়েম করতে না পারলে দেশ, জাতি ও সমাজের উন্নয়ন হবে না। এই সময় তিনি, সকল প্রকার সংকীর্ণতাকে দুরে ঠেলে মসজিদ কমিটির সকল সদস্যদের হাতে হাত রেখে উদারচিত্তে কাজ করার আহ্ববান জানান। একই সাথে মসজিদ উন্নয়নে (জনাব রফিকুল ইসালামের) প্রদানকৃত এক লক্ষটাকা গ্রহণ ও মসজিদের বার্ষিক আয়-ব্যয় হিসাব তদারকীসহ, মসজিদ উন্নয়নে, মূল্যবান দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

    নামাজের মাঠে অন্যাণ্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জনাব, খোরশেদ আলম নোমান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দিন মাষ্টার প্রমুখ।

    নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন অত্র মসজিদের ইমাম মওলানা মোজাম্মেল হক সাহেব।

  • ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দিঘলীয়ায় ভিজিএফের চাল বিতরণ

    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দিঘলীয়ায় ভিজিএফের চাল বিতরণ

    অতিদরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ্য ব্যাক্তিদের মাঝে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে সোমবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে এই চাল বিতরণ করা হয়।

    চাল বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ জনাব খোরশেদ আলম নোমান। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় আমরা আপনাদের কাছে আসতে পারি নাই। আওয়ামী দুঃশাসনের কারণে দীর্ঘ পনের বছর  মামলা-হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আজ সময় এসেছে, আপনাদের খেদমত করার। বাংলাদেশ  জাতীয়তাবাদী পার্টি (বিএনপি) সব সময় আপনাদের পাশে আছে। তাই দেশ ও জনগনের মঙ্গলে আগামী সংসদ নির্বাচনে আপনারা সকলে ধানের শীর্ষে ভোট দিবেন এই আশাবাদ ব্যক্তকরছি।

    অনুষ্ঠানে, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফ আলী, ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মোকছেদ আলম ও যুবদল নেতা অমিত হাসান । এ সময়  উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত চাল বিতরণী অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৭২২ জন মানুষের এই চাল বিতরণ করা হয়।

  • সেনাবাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে যাবে না-হাসনাত আব্দুল্লাহ

    সেনাবাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে যাবে না-হাসনাত আব্দুল্লাহ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে গত ৫ আগস্ট সেনাবাহিনী আমাদের ছাত্র-জনতার পাশে ছিল। আমরা বলব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কখনো জনগণের বিরুদ্ধে যাবে না। ৫ আগস্টের পর আমাদের শত্রু তারাই যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চিন্তা করে।

    সোমবার (২৪ মার্চ) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির কসবা উপজেলা শাখা আয়োজিত জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করব।

    সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে জুডিশিয়াল ও বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের বিপক্ষে যাতে জনগণ না যায় আমরা সেভাবে ওইসব প্রতিষ্ঠান সাজাব। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের নিপীড়ন ও নির্যাতন ভুলে যাবেন না। আওয়ামী লীগের যে সময়টা সেটা আওয়ামী জাহিলিয়াতের সময়। দশটি ফিরাউনকে একত্রিত করা হলেও শেখ হাসিনার মত জুলুমকারী হতে পারবে না।

    বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ দেশের যে সকল ইনস্টিটিউশনগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছে, জনগণকে সাথে সংস্কার করে সেগুলোকে জনমানুষের ইনস্টিটিউশন হিসেবে গড়ে তুলব।

    জাতীয় নাগরিক পাটির কসবা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মনিরুল হক মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- জাতীয় নাগরিক পাটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ ও সংগঠক ডা. আশরাফুল আলম সুমন। ইফতার মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মো. আব্দুল হান্নান।

     

  • আগামীতে মার্কা দেখে কেউ ভোট দেবে না- সারজিস আলম

    আগামীতে মার্কা দেখে কেউ ভোট দেবে না- সারজিস আলম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর বাংলাদেশে কোনো দলের নাম কিংবা মার্কা দেখে কেউ ভোট দেবে না। কোন লোকটা কেমন, সে কেমন কাজ করছে; তার কথার সঙ্গে কাজের মিল আছে কিনা—এসব দেখে মানুষ আগামীতে ভোট দেবে। সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার বিজয় চত্বরে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, সাধারণ মানুষকে নেতারা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করেছে। তারা শুধু ভোটের আগের দিন ভোট চায়। আর ভোটের পরে একটা ভিজিএফ কার্ড, একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আগে হাত পেতে বসে থাকে। এই নতুন বাংলাদেশে এগুলো হতে দেওয়া যাবে না। যারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ না করে সাধারণ মানুষকে লুটপাট করবে, তাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে আর মেনে নেওয়া যাবে না।

    তিনি বলেন, আমরা আপনাদের ভাইয়ের মতো, অনেকের সন্তানের মতো; অনেকের নাতির মতো। আমরা কোনো ভুল করলে শুধরে দেবেন। আমরা আপনাদের সেই কথা শুনতে প্রস্তুত। কিন্তু, আপনারা এইটুকু নিশ্চিত করবেন; এখন থেকে কোনো দলের কোনো মার্কার অন্ধ ভক্ত হবেন না।

    যদি অন্ধ ভক্ত হন, তাহলে আপনার মূল্য কেউ দেবে না। তখন মনে করবে, কিছু দিলেও আছে না দিলেও আছে। সারজিস জেলার পঞ্চগড়ের বোদা, সদর, তেতুঁলিয়া উপজেলায় পৃথক পথসভা করবেন। পথসভায় স্থানীয় নাগরিক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

     

  • আলোচিত লেডি বাইকার এশা গ্রেফতার

    আলোচিত লেডি বাইকার এশা গ্রেফতার

    খুলনায় এক তরুণীকে নির্যাতনের অভিযোগে লেডি বাইকার এশাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

    খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এশা এক তরুণীকে বিভিন্ন সময়ে মাদকসেবন করাতেন।

    শনিবার দিবাগত রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই মেয়ের পরিবার তাকে অ্যাম্বুল্যান্সযোগে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় এশাসহ কয়েকজন অ্যাম্বুল্যান্স থামিয়ে মেয়েটিকে টানাটানি করেন।

    এক পর্যায়ে ওই তরুণী আঘাত পান।’ তিনি আরো বলেন, ‘শিববাড়ী মোড় এলাকায় ছাত্র-জনতা এবং নৌবাহিনীর দায়িত্বরত একটি টিম তাদের উদ্ধার করে এবং এশাকে আটক করে।

    মাঝরাতে সাহরির সময়ে এশাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রবিবার দুপুরে এশাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

  • সাটুরিয়ায় “ছনকা উচ্চ বিদ্যালয়’ স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

    সাটুরিয়ায় “ছনকা উচ্চ বিদ্যালয়’ স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ’ছনকা উচ্চ বিদ্যালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে। আজ রবিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা চত্বরে ইউএনও ও শিক্ষা অফিসের সামনে তারা এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এ সময় তারা স্লোগান দিতে থাকে- ‘চরের স্কুল চরেই থাকবে, অণ্য কোথায় মানি না, মানব না; স্কুল স্থানান্তরের ষড়যন্ত্র রুখে দাও! রুখে দাও।  বিক্ষোভকারীদের স্লোগানে উপজেলা চত্বর কম্পিত হয়ে উঠে।

    উল্লেখ্য, বরাঈদ ইউনিয়নের. আশে-পাশে কোনো বিদ্যালয় না থাকায় ২০১৫ ইং সালে সর্বস্তরের জনসাধারণের সুবিধার্থে ‘ছনকা উচ্চ বিদ্যালয়টি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে করে ওই এলাকার হৃত-দরিদ্র শিক্ষার্থীরা লেখা-পড়া করার সুযোগ পায়। কিন্তু বরাইদ ইউনিয়নটি ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত ভাঙ্গন কবলিত এলাকা। প্রতি বছরই এই এলাকাটি নদী ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে।  ২০২২ ইং সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হবার পর ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষায় বিদ্যালয়টি অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে। বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম পার্শ্বে  উপজেলার শেষ প্রান্তে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    এ ব্যাপারে, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ জানান, বিদ্যালয় স্থানান্তরের বিষয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে মানিকগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা হয়। মামলার পরে থেকেই, বিদ্যালয়টি অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিশ মাখন মিয়ার অভিযোগ, ধলেশ্বরী পশ্চিম পার্শ্বে ঐতিহ্যবাহী ফয়জুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি পুরাতন স্কুল আছে। ঐ স্কুলটিকে ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে একটি মহল নতুন করে ছনকা বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের পাঁয়তারা করছে। তাছাড়া নদীর পূর্ব পাড়ের ১০/১১ টি গ্রামের (চরের) বাসিন্দাদের ছেলে মেয়েদের লেখা-পড়ায় বিঘ্ন ঘটিয়ে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

    উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. আসাউদ জামান জানান, কয়েক বছর আগে বিদ্যালয়ের পক্ষে, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতির শঙ্কা নিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। ওই সময় বিভিন্ন ইনভেষ্টিগেশন টিম এই শঙ্কার সত্যতা পান। এর পরেই বিদ্যালয়টি অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য মন্ত্রণালয় ও ডিজি অফিস থেকে চিঠি আসে।

    তবে, সম্প্রতি জানা গেছে, ছনকা গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাইছে, বিদ্যালয়টি বর্তমানস্থানে থাকুক। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেন।

  • গাজীপুরে একই পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার !

    গাজীপুরে একই পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার !

    গাজীপুরের কাশিমপুরের গোবিন্দবাড়ি এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের চার বছর বয়সী সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৩ মার্চ) সকালে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়। কাশিমপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইল সখিপুর উপজেলার শুলাপ্রতিমা গ্রামের মো. আবুর ছেলে মো. নাজমুল ইসলাম (২৯), তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছরের সন্তান নাদিয়া আক্তার। মারা যাওয়া নাজমুল নেশা করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশ ও এলকাবাসী জানান, গবিন্দবাড়ি এলাকায় শ্বশুড় বাড়িতেই স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে থাকতেন নাজমুল। অনেকদিন ধরেই নানা বিষয় স্ত্রীর সঙ্গে তার পারিবারিক কলহ চলছিল।

    এসব নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। গতকাল শনিবার রাত অনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। আজ ঘুম থেকে না উঠায় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পরিবারের লোকজন তাদের ডাকাডাকি করতে থাকেন।

    কোনো সারা না পেয়ে স্বজনরা পেছন দিকের জানালা দিয়ে ঘরের ভেতর উঁকি দিয়ে নাজমুলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। স্বজনরা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে খাদিজা ও নাদিয়ার মরদেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ১০টার দিকে ঘটানাস্থলে গিয়ে তিনটি মরদেহ ‍উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কাশিমপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তশেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয় হবে।

     

  • মানিকগঞ্জে একদিনে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার

    মানিকগঞ্জে একদিনে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার

    মানিকগঞ্জে একদিনে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ মার্চ) সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার পৃথক স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে দুজন তরুণী ও একজন অজ্ঞাতপরিচয়ের নারী।

    মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন জানান, সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের রানাদিয়া গ্রাম থেকে তনিমা আক্তার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    তিনি ওই এলাকার মো. রফিক মিয়ার মেয়ে।এছাড়া পশ্চিম শানবান্দা এলাকা সংলগ্ন কালীগঙ্গা নদী থেকে একটি অজ্ঞাতপরিচয় নারীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তার পরিচয় জানা যায়নি।

    অপরদিকে সাটুরিয়া উপজেলার বরুন্ডী-কান্দাপাড়া এলাকা থেকে আফসানা আক্তার (১৬) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই এলাকার আহাদ আলীর মেয়ে।

    উদ্ধার হওয়া তিনটি মরদেহ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে কালীগঙ্গা নদীতে ভাসমান নারীর মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, রাজনীতিতে না-হাসনাত আব্দুল্লাহ

    আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, রাজনীতিতে না-হাসনাত আব্দুল্লাহ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনাদের কাজ ক্যান্টনমেন্টে, আপনারা ক্যান্টনমেন্টে থাকুন। আপনাদের আমরা সম্মান জানাই। গত ১৬ বছর জাতীয় রাজনীতিতে যেভাবে নোংরা হস্তক্ষেপ করেছেন, ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর করতে দেওয়া হবে না।

    শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে এনসিপি-ঢাকা মহানগর আয়োজিত সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

    সমাবেশে সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত ১৬ বছরে এতগুলো ডামি নির্বাচন হলো, আপনাদের ইনক্লুসিভিটি কোথায় ছিল? এত বছর কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো একটি জেনারেলকে দেখিনি পদত্যাগ করতে।

    এত গুম-খুন, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চলেছে, আপনারা প্রতিবাদ করেননি। এখন আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রত্যাশায় আছি। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি সুষ্ঠু পরিবেশে ফিরে যেতে চাই। আপনারা এতে হস্তক্ষেপ করবেন না।

    তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আপনারা জনগণকে আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড় করাবেন না। আমাদের অবস্থান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়। সেনাবাহিনীকে যারা অপব্যবহার করতে চায়, আমাদের অবস্থান তাদের বিরুদ্ধে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, সেনাবাহিনী আমাদের আস্থার প্রতিদান দেবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগ আর কখনো পুনর্বাসিত হবে না।

  • ঈদ মৌসুমেও সাটুরিয়ার তাতঁপল্লীতে চলছে হাহাধ্বনি !

    ঈদ মৌসুমেও সাটুরিয়ার তাতঁপল্লীতে চলছে হাহাধ্বনি !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় তৈরি লুঙ্গি ও শাড়ির চাহিদা সারাদেশে। কিন্তু দফায় দফায় সুতাসহ অন্যান্য উপকরণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে ভারতীয় শাড়ির সহজলভ্যতার কারণে এক সময়ের প্রাণচাঞ্চল্যময় সাটুরিয়ার তাঁতপল্লিতে এবার ঈদের আগেও নেই ব্যস্ততা। কারিগররা ঈদ মৌসুমেও অলস সময় পার করছেন।

    উপজেলার সাভার, চাচিতারা, জালশুকা ও নতুন ভোয়া এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা শতবর্ষ পুরোনো ঐতিহ্যবাহী এ তাঁতপল্লী ঈদ এলেই তাঁতের খটখট শব্দ, আর ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠত। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। এতে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

    কিছুদিন আগেও দক্ষ কারিগরের নিখুঁত হাতে বুননের জন্য এখানকার তাঁতের তৈরি লুঙ্গি ও শাড়ির ব্যাপক কদর ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির পর দফায় দফায় সুতার দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট ও দেশীয় বাজারে ভারতীয় শাড়ির সহজলভ্যতায় তাঁতপল্লির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। লোকসান গুনে গুনে দিশেহারা হয়ে এরইমধ্যে অনেকে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন অনেক কারিগর।

    সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ সাভার তাঁতপল্লিতে কাজ হাবিল মিয়া। তিনি বলেন, কিছু কিছু কাজ পাই। চাচিতারা থেকে ২ কিলোমিটার পথ হেটেঁ আগ-সাভারে কাজে আসি বেশি সমযই কাজ পাই না। হাটে কেনা-বেচার পরিস্থিতি খুব খারাপ। তাই মালিক নিয়মিত বিল দিতে পারে না। তাই ভাবছি অন্য পেশা বেছে নিবো। ঈদের পর চাকরি খোঁজার জন্য ঢাকায় যাবো।

    চাচিতারা গ্রামের তাতঁ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনার পর থেকেই আমাদের তাঁত ব্যবসা নেই বললেই চলে। সারা বছরে দুই মাস ভালো গেলেও, এখন পুরোদমে মন্দা চলছে। এই ব্যবসায় আর টিকতে পাছি না। সামনে ঈদ। হাতে কোন টকা পয়সা নাই। কি খাবো? বাচ্চাদের কি কিনে দিবো? নানান টেনশনে আছি। তাই স্থির করছি, ব্যবসা ছেড়ে প্রবাসে গিয়ে দিন মজুরের কাজ করবো।