Category: ঢাকা বিভাগ

  • সাটুরিয়ায় মোটরসাইকেল চাপায় গৃহবধূ নিহত

    সাটুরিয়ায় মোটরসাইকেল চাপায় গৃহবধূ নিহত

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মোটরসাইকেল চাপায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়া সড়কের তিল্লি ইউনিয়নের পশ্চিম চর তিল্লি বোবার মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধুর নাম সুফিয়া বেগম (৩৮)। তিনি উপজেলার পশ্চিম চরতিল্লি গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী।

    জানা যায়, শুক্রবার রাতে উপজেলার মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়া সড়কের বোবার মোড় এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন সুফিয়া। এই সময় একই এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে বিজয় মিয়া (১৭) সুফিয়া বেগমকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মানিকগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সাটুরিয়ায় ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে যাকাতের কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ

    সাটুরিয়ায় ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে যাকাতের কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ

    প্রতি বছরের মতো এবারও ২০ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে যাকাতের কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ করলেন মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়ার কৃতি-সন্তান ও বিশিষ্ট দানবীর জনাব ড. রফিকুল ইসলাম।

    অত্র এলাকার প্রত্যেকটি গ্রামে ঘুর ঘুরে তিনি গরীব দুঃখী মানুষের মধ্যে এসব কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ করেন। ঈদের আগে নতুন শাড়ি, লুঙ্গী পেয়ে আবেগে আপ্লুত সাধারণ মানুষ। এ আয়োজনে যোগ দেয়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও  ড. রফিকুল ইসলামের প্রসংসা করেন।

    উল্লেখ্য, সাটুরিয়া উপজেলার নওগাঁ গ্রামের সুর্য সন্তান ড. রফিকুল ইসলামের জন্য বিশেষ দিনগুলোতে এভাবেই অপেক্ষায় থাকে সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জের হাজার হাজার অসহায় মানুষ। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাকাতের কাপড়-লুঙ্গি নিতে ছিল বাধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস। প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের আগে গরিব দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ড. রফিকুল ইসলাম সুদূর আমেরিকা থেকে ছুটে আসেন নিজ এলাকায়।

    জানা যায়, শুধু ঈদ-উল-ফিতরের দিনেই নয়, সারা বছর, সব সময়ই তিনি সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জের অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি যুব সমাজের উন্নয়নে মাদক ছাড়- খেলাধর, অসহায় দরিদ্র গৃহহীনের মাঝে ঘর বিতরন, ধর্মপ্রাণ দরিদ্র মুসলমাদের হজ্জ পালনে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান এবং রাবেয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে  হৃত-দরিদ্রদের নানান প্রকার অসুবিধায় সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকেন।

    এ ব্যাপারে ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সাটুরিয়াবাসী নানান দিক থেকে বৈষ্যমের শিকার। মানিকগঞ্জ-৩ আসনে সাটুরিয়া উপজেলাবাসী সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া সত্বেও পাকিস্তানী শাসনের ন্যায় নানান দিক (অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক) থেকে এখানকার মানুষদের বঞ্চিত।

    তিনি আক্ষেপ করে বলেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেরও বড় কোন রাজনৈতিক দল সাটুরিয়া উপজেলা থেকে কোন প্রার্থীকে এমপি মনোনয়ন দেন নাই। বিগত সময়ে যারাই এমপি নিবার্চিত হয়েছেন তারাই আখের ঘুছাতে ব্যস্ত থেকেছেন। সাটুরিয়া উন্নয়ন তথা সাটুরিয়ার মানুষের জন্য কিছুই করেন নাই।

    তিনি বলেন, আমি আমার উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে ভালবাসি। যদিও আমি (আমেরিকা) প্রবাসী তথাপি  সাটুরিয়া উপজেলার উন্নয়নে যে কোন ত্যাগ শিকারে প্রস্তুত। আমি ব্যক্তিগত জীবনে নিঃসন্তান। সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জের প্রতিটি মানুষই আমার সন্তান সমতুল্য। আমার জীবনের উপার্জিত সমস্ত সম্পদ দিয়েই আমি সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জবাসীকে সেবা করতে চাই।

    তিনি দুঃখের সাথে বলেন, বিগত সময়ে কিছু ফ্যাসিষ্ট রাজনীতিক, আমাকে বিভিন্ন ভাবে নাজেহালের চেষ্টা করেছে কিন্তু সমাজ সেবা থেকে বিরত রাখতে পারেন নাই।  মানুষের কল্যাণে আমি আমার লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অবিচল থাকব-ইনশাল্লাহ। এই সময় তিনি উপস্থিত সকলের দীর্ঘায়ু কামনা করে আগামী পথ চলায় পাশে থাকতে আহব্বান জানান।

    যাকাত প্রদান অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসবমূখর পরিবেশ তৈরি হয়। অসচ্ছ্বল হাজারও নারী পুরুষ যাকাতের কাপড়-লুঙ্গি হাতে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে।

    বয়োবৃদ্ধরাও লাঠিতে ভর করে এই আনন্দ ভাগাভাগির জন্য সামিল হন। তারা প্রাণ ভরে দোয়া করেন ড. মো. রফিকুল ইসলামের জন্য। এ সময় তীব্র গরমে অপেক্ষার পর প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয় ড. রফিকুল ইসলামের নাম।

     

  • টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর ইফতার মাহফিল স্থগিত

    টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর ইফতার মাহফিল স্থগিত

    টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর ইফতার মাহফিল স্থগিত করে দিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। বুধবার (১২ মার্চ) গজারিয়া ইউনিয়নের কেজিকে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার মাহফিল করার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে সেটি স্থগিত করা হয় বলে জানান উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস সবুর খান।

    উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন বলেন, রোববার উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের গড়বাড়ী বাজারে ও সোমবার কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ইফতার মাহফিলের তারিখ দেওয়া ছিল। কিন্তু বিএনপি ও ছাত্রদলের কর্মী সমর্থকদের বাধায় ওই দুটি স্থানে আমাদের ইফতার মাহফিল করতে পারি নাই।

    তিনি আরও বলেন, পরে রোববার গড়বাড়ী এলাকা থেকে তিন কিলোমিটার দক্ষিণে তৈলধারা বাজারে ও সোমবার কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয় থেকে তিন কিলোমিটার উত্তরে ঘোনারচালা বাজারে গিয়ে ইফতারি করতে হয়েছে। দুটি মাহফিলেই কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

    সবশেষ বুধবার গজারিয়া ইউনিয়নের কেজিকে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার মাহফিল করার কথা ছিল। এখানেও বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়ার কারণে আমরা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছি। আমরা এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছি।

    এদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাজাহান সাজু কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুটি ইউনিয়নে তাদের ইফতার মাহফিলে আমরা কোনো বাধা দেইনি। তবে ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতা নামের একটি সংগঠন তাদের বাধা দিয়েছে বলে শুনেছি।

    ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার পক্ষে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ একাব্বর হোসেন বলেন, কাদের সিদ্দিকী ছিলেন ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু ২০২৪ সালে তিনি একজন রাজাকার ও ফ্যাসিস্টদের দোসর। তিনি যেখানেই যাবেন সেখানেই প্রতিহত করা হবে।

     

     

     

  • মানিকগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জ আইনজীবী ভবনে সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে এ ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জনাব জাহিদ তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হিসাবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তর অঞ্চল) সাইফুল্লাহ হায়দার।

    তিনি বলেন, “২৪’র প্রেরণা ও সমগ্র দেশ বিনির্মাণে জাতীয় নাগরিক পার্টির বিকল্প নেই। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমার ভাইয়েরা রাজপথে রক্ত দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি  তার বাস্তবায়ন দেখতে চায়।

    এই সময় তিনি  সকলকে হাতে হাত রেখে  সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বলেন।  তিনি বলেন, সদ্ব-ইচ্ছা,  সম্মিলিত প্রচেষ্টায়  আমরা একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চাই।”

    অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা রমজান মাহমুদ।

    এতে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মাসুম খান, কাজী পিন্টু, গালিবুর রহমান, ইদ্রিস আলী, শহীদ সা’দের পিতা শফিকুল ইসলাম, শহীদ সায়াদের পিতা বাহাদুর খান, প্রেসক্লাব-সাটুরিয়ার প্রচার সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা শিশির আহম্মেদ, আব্দুর রহিম (হিটলার) ও  সিটি কলেজের প্রিন্সিপাল মো. ইসহাকসহ বিশিষ্ট আইনজীবী, শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিরা।

  • সাটুরিয়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘ এ ‘ প্লাস ক্যাম্পেইন (০১ দিন ব্যাপী ) পালন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৃত্যুর ঝুঁকি, ভিটামিন এ অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে এই’ ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে  আয়োজিত ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন,  শিশুর রোগ প্রতিরোধে সারাদেশের মত সাটুরিয়া উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘ এ ‘ প্লাস ক্যাম্পেইনে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

    তিনি আরো বলেন, নির্দিষ্ট বয়সে শিশুরা যেন ভিটামিন এ ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত না হয়  সেদিকে সমাজের সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।  এ সময় তিনি জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সাটুরিয়া আয়োজিত অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মামুন উর রশিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো: মনিরুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: সিরাজ উদ্দিন, প্রেসক্লাব সাটুরিয়ার সাধারণ সম্পাদক আসাদ জামান, দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি মো: ইঞ্জিনিয়ার লুৎফর রহমান সহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

     

  • সেনাপ্রধানের বক্তব্য আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক- তাসনুভা মাহা

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক- তাসনুভা মাহা

    বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের শিকার মেজর তানভীর হায়দার নূরের স্ত্রী তাসনুভা মাহা বলেছেন, রাওয়াতে (রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন) সেনাপ্রধান যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক। পিলখানার সৈনিকরা কখনোই এই ঘটনা ঘটাতে পারে না। আমি নিজে সবচেয়ে বড় প্রমাণ। মঙ্গলবার জাতীয় শহিদ সেনা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন,আমার রুমে গিয়েছিল হিন্দিভাষীরা। আমার স্বামীর সঙ্গে আমি পিলখানায় সাড়ে তিন বছর ছিলাম। কিন্তু আমি এই সাড়ে তিন বছরে কখনো বিডিআর-এর কোনো সদস্যকে হিন্দিতে কথা বলতে শুনি নাই। শুধুমাত্র ২৫ ফেব্রুয়ারিতে শুনেছিলাম তিনজনের মুখে। আমার হাসব্যান্ড দরবার হল থেকে ফোনে বলেছিল এনএসজি এবং ইন্ডিয়ান। তাহলে এখানে কি প্রমাণ হচ্ছে না কারা ঘটিয়েছিল এই ঘটনা।

    তাসনুভা আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আমার কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। তারপরও আমি যা বলছি সেগুলো মিডিয়াতে কাট করা হয়েছিল। আর স্বামীর ডেডবডি এখনো পাওয়া যায়নি। এটা আমি প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছি।

    গতকাল আমি দুটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য কবরস্থানে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমার সেই বক্তব্য এখনো প্রচার করতে দেওয়া হয়নি আইএসপিআর থেকে। আপনারা কি বুঝতে পারছেন কোথায় বাঁধাটা।

    তিনি আরও বলেন, আমার ছেলেকে আইএসএসবিথেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কারণ মেজর তানভিরের সন্তান সশস্ত্রবাহিনীতে চাকরি করতে পারবে না। সেনাবাহিনীতে আরও একটা মেজর তানভীর গড়ে উঠুক সেটা বর্তমান সেনাপ্রধান চান না। আমাদের জীবনটা সম্পূর্ণভাবে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।

    আমার বাসার নিচে সবসময় লোকজন থাকে। আপনারা কি বুঝতে পারছেন আমরা কোথায় আছি। আজকে রাওয়ার বক্তব্যই এটা প্রমাণ করে দেয়। বাট, ইফ, ফুলস্টপ এটা কি সেনাপ্রধানের কথা হতে পারে?

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার মেজর তানভীরের স্ত্রী আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর থেকে যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ছিল; ওই সময়টায় দেখা গেছে যে, আওয়ামী লীগের লোকজন সেনাবাহিনীতে বসে আছে। শেখ হাসিনাকে তো আমরা বিদায় করেছি।

    কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা সুবিচারটা পাচ্ছি না। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কী সঠিকভাবে হচ্ছে? আমার তো মনে হয় না। আমি যে হিন্দি ভাষার কথাটা বলছি এটা খুব হালকাভাবে নেওয়া হচ্ছে।

    সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদেরকে সহায়তা করেন যাতে আমরা সঠিকভাবে আগাতে পারি। আর আমার স্বামীর ডেডবডিটা এখনো পাওয়া যায়নি। আর্মি থেকেও কিন্তু আমাকে কেউ কোনো সহায়তা করছে না।

    সূত্র : যুগান্তর অনলাইন।

     

  • সিংগাইর পৌর-এলাকা থেকে বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

    সিংগাইর পৌর-এলাকা থেকে বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

     

    মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার আজিমপুর এলাকার একটি ভূট্টা ক্ষেত থেকে আবুল হোসেন (৪০) নামে এক বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আবুল হোসেন ওই এলাকার মৃত হাসেম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিংগাইর থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) রেজাউল করিম বলেন, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ওপর ভিত্তি করে পৌরসভার আজিমপুর এলাকার ভূট্টা ক্ষেত থেকে আবুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগে পরিকল্পিতভাবে আবুল হোসেনকে হত্যার পর মরদেহটি ভূট্টা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

    এস.আই রেজাউল করিম আরো জানান,  এরইমধ্যে লাশে পঁচন ধরে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে ।

     

     

  • সাটুরিয়ায় সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আয়নাল হকের দাফন সম্পন্ন

    সাটুরিয়ায় সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আয়নাল হকের দাফন সম্পন্ন

    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার আয়নাল হক (২৮) নামে এক প্রবাসী। নিহতের পাঁচ মাস পর তার কফিনবন্দি মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। তিনি উপজেলার পাতিলাপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে।

    সোমবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় জানাজা শেষে আয়নাল হককে পাতিলাপাড়া এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জানা গেছে,উপজেলার পাতিলাপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে আয়নাল হক গত বছরের ৮ অক্টোবর সৌদি আরবের আভা শহরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।

    নিহত আয়নাল হকের মরাদেহ রবিবার রাত সাড়ে ১১টায় কফিনবন্দি মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করে বাড়ি নিয়ে আসেন।

    আয়নাল হক তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। অভাব ঘোচাতে কাঠ-মিস্ত্রির কাজ ছেড়ে দুই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

    আয়নাল হকের স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান আছে । বড় মেয়ের বয়স ১২, ছোট মেয়ের ৫ বছর। তার অকালমৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • মান্নান-রব-মরণ রহস্যে ঘেরা একই ব্যক্তি!

    মান্নান-রব-মরণ রহস্যে ঘেরা একই ব্যক্তি!

    শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার (রামভদ্রপুর) পাচালিয়া গ্রামের মৃত আ: আজিজ সিকদারের পুত্র আ: মান্নান সিকদারের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৫ মে। পিতার মৃত্যু পরবর্তী তার অপর ওয়ারিশদের ঠকিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের লক্ষে তিনি কখনো আ: রব সিকদার বা মরণ সিকদার নাম ব্যবহার করে আসছেন। এমনি ভাবে প্রায় ৭ একর জমির একতরফা ভোগ দখলে রেখে মালিকানাবনেছেন। এমন অভিযোগ করেছেন আজিজ সিকদারের অপর পুত্র নুর মোহাম্মদ সিকদার।

    লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আ: আজিজ সিকদার ব্রিটিশ শাসনা মলে আর্মি সদস্য ছিলেন। তিনি অবসর গ্রহণের পরে ১৯৫১ সনে একটি সরকারি জমির মালিকানা দখল করেন। সেই জমি নিয়ে ফরিদপুর আদালতে ১৩/১৯৫১ নং দেওয়ানী মোকদ্দমা হয়। সেই মামলার বিবাদী হয় আ: আজিজ সিকদার।

    তিনি মৃত্যু বরণ করার পরে তার বড় ছেলে আব্দুর রর সিকদারের নামে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব চলে যায়। কিছুদিন পরে রর সিকদার মৃত্যু বরণ করায় মান্নান সিকদার রব সিকদারের ভুমিকায় অভিনয় শুরু করে। সেই আব্দুল মান্নন সিকদার কখনো রব সিকদার আবার কখনো মরণ সিকদারের ভুমিকায় চরিত্র বদলায়।

    অভিযোগকারী নুর মোহাম্মদ সিকদার জানায়, মান্নান সিকদার নিজেকে রব সিকদার দাবী করে প্রায় ৭ একর জমি দখলে রেখেছে। দীর্ঘদিনে তিনি ধন-সম্পত্তি ও প্রভাব প্রতিপত্তির অধিকারী হয়েছেন। এখন তার প্রভাবে আমি জমির কাছেও ভিরতে পারি না। মান্নানের ছেলে নুরে আলম জাতীয় পরিচয় পত্রে ব্যবহার করে পিতার নাম আব্দুল মান্নান সিকদার।

    অপর ছেলে মোবারক ব্যবহার করে আব্দুর রব সিকদার। কখনো আবার রব ও মান্নান হয়ে যায় মরণ সিকদার। আমার মেয়েরা প্রকৌশলী লাইনে পড়াশুনা করেও মান্নান সিকদারের কারণে বিয়ে দিতে পারছি না। আমাকে জমির কাছেও যেতে দেয় না। আমার মেয়েদের বিয়ের প্রস্তাব আসলে তাদের সম্পর্কে মান্নান খারাপ বলে বিয়ে ভেঙ্গে দেয়।

    কার্তিকপুর বাজারের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বেপারীসহ অন্যান্যরা জানায়, মান্নান সিকদারও কার্তিকপুর বাজারে ব্যবসা করে। আমরা তাকে মনা সিকদার নামে চিনি। সে রব সিকদার কিনা আমাদের জানা নাই।

    এই বিষয়ে অভিযুক্ত মান্নান-রব ওরফে মরণ সিকদার জানায়, রব সিকদার নামে তার কোন ভাই ছিল না। সে নিজেই মান্নান সিকদার। তার এক ছেলে নুরে আলম স্কুলে ভর্তি হতে গেলে শিক্ষক পিতার নাম মান্নান সিকদার লিখে নেয়।

    অপর ছেলে মোবারক সিকদারের জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম আব্দুর রব রয়েছে। তবে মরণ সিকদার হয় কিভাবে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, একটি জমির ক্রয় মালিকানা রেজিস্ট্রির সময় আমি সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি। তখন কেউ আমার নাম মরণ সিকদার লিখে দেয়।

    সেই থেকে আমিই মান্নান সিকদার, রব সিকদার ও মরণ সিকদার। এছাড়া আমার ভিন্ন কোন উদ্দেশ্য নাই। যে জমির মালিকানা হওয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে সেই জমি আমি নিজের পরিশ্রমে অর্জণ করেছি।

  • সাটুরিয়ায় ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

    সাটুরিয়ায় ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ডেভিল হান্ট অপারেশনের ৩০তম দিনে মোঃ লিটন (৪২) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সাটুরিয়া থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মার্চ) রাতে হরগজ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোঃ লিটন সাটুরিয়া থানার হরগজ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক, হরগজ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন বেপারীর ছেলে।

    পুলিশ জানান, ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বিজয় মিছিলের সময় দড়গ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    অপর দিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি’র নেতা মো: শাহিন খান বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের ৩৮জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামী করে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন। উক্ত মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, সারা দেশব্যাপী ডেভিল হান্ট অপারেশনের ত্রিশতম দিনে সাটুরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, ডেভিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা মোঃ লিটনের দরগ্রাম মামলার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।