Category: রাজশাহী বিভাগ

  • ফিলিস্তিনে ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ

    ফিলিস্তিনে ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ফিলিস্তিনে ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিবাদে সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। সকালে সাধারণ ছাত্রজনতার ব্যানারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শান্তিরমোড় এলাকা থেকে ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’ শ্লোগানে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্বরোড মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

    সমাবেশে বক্তারা গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যা অব্যাহত থাকলেও জাতি সংঘের নিরব ভুমিকার কঠোর সমালোচনা করেন এবং মুসলিম দেশগুলোকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহবান জানান। সমাবেশে বক্তারা ইসরাইলি পন্য বয়কটেরও ঘোষণা দেন।

    এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলাসহ অন্যান্য উপজেলাতে ও বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া, সারাদেশের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও শিবগঞ্জে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদে মার্চ ফর প্যালেস্টাইনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সর্বস্তরে জনতা।

    সোমবার সকালে এ উপলক্ষে একটি বিক্ষোভ মিছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক থেকে বের হয়ে বিশ্বরোড মোড়ে জমাযেত হয়। এরপর সেখান থেকে শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে বিশ্ব রোড মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

    একই সময় আরো একটি বিক্ষোভ মিছিল শান্তি মোড় থেকে শুরু হয়ে বিশ্ব রোড মোড়ে মিলিত হয়। অন্যদিকে, একই সময় শিবগঞ্জ পৌর এলাকার সরকারি মডেল হাই স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মডেল স্কুল মোড়ে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

    এ সময় ইজরায়েল এবং তাদের দোসরদের সকল পণ্য বয়কটের আহ্বান জানান বক্তারা। ইসরাইল বাহিনীর বর্বর হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা এবং বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন ছাত্র সমন্বয়কের আহ্বায়ক আব্দুর রাহিম, আজিমুল ইসলাম মাহিন শেখ নাসিম, সাইমুম সাদাব, শোহান সহজ অন্যন্যরা।

    একই ঘটনায় বিকেলে শিবগঞ্জ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও শিবগঞ্জ শাখা। শেষে শিবগঞ্জের বাজারগুলোতে ইসরায়েলের বিভিন্ন পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়ে দোকানের সামনে পোস্টার লাগানো হয়।

  • নির্বাচন ও সংস্কারের রোড ম্যাপের দাবীতে বিএনপির ঈদ পূনর্মিলনী ও সমাবেশ

    নির্বাচন ও সংস্কারের রোড ম্যাপের দাবীতে বিএনপির ঈদ পূনর্মিলনী ও সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নির্বাচন ও সংস্কারের রোড ম্যাপের দাবীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী ও বিশাল সমাবেশ হয়েছে। শনিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্কে এই সমাবেশ হয়।

    সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি মোঃ হারুনুর রশীদ।

    প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক এমপি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া। সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম।

    বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক তসিকুল ইসলাম তসি, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মতি, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ময়েজ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারেক, কৃষকদলের নেতা আ.ক.ম শাহিদুল আলম বিশ্বাস পলাশ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মীম ফজলে আজিমসহ অন্যরা।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা চাঁপাইনবাব গঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি মোঃ হারুনুর রশীদ এবং প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক এমপি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া বিগত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনা করেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালিন সরকারকে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার জোর দাবী জানান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহবায়ক তবিউল ইসলাম তারিফ, বিএনপি নেতা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, মইদুল ইসলাম, আহসান হাবিব, এনামুল হক, সাইদুর রহমান, রানীহাটি ইউপি চেয়ারম্যান রহমত আলী, বালিয়াডাঙ্গা ইউপি আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কোমলসহ বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরও ৪ ডাকাত গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরও ৪ ডাকাত গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর
    উপজেলার পারবতীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর ও নজরপুর গ্রামের
    মাঝামাঝি স্থানে পাঁকা রাস্তার উপর ডাকাতির ঘটনায় মূল পরিকল্পনা-কারীসহ আরো ৪ (চার) জন ডাকাত গ্রেফতার হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন ডাকাত বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক
    জবানবন্দী দিয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, ডাকাতির ঘটনার মূল পরিকল্পনারকারী ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়ার বাবুপুর গ্রামের মৃত তহুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ মানিক আলী (৩২), ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য শিবগঞ্জ উপজেলার টোকনা গ্রামের মৃত সিকিম আলীর ছেলে মোঃ আলামিন (১৯), নাচোল উপজেলার খলসী সিন্দুর মুচি খাড়ী গ্রামের মোঃ একরামুল হক এর ছেলে মোঃ আব্দুল মাতেন @ মতিন (২৮) এবং একই উপজেলার বড়ীয়া মোজা গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ নাইম ইসলাম (২৭)।

    জেলা পুলিশের এক প্রেসনোটে শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। জেলা পুলিশের প্রেসনোটে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পারবতীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর ও নজরপুর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে পাঁকা রাস্তার উপর ডাকাতির ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় মামলা দায়ের হলে মামলার অজ্ঞাতনামা আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের সহায়তায় ঘটনার পর হতেই জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির সাথে সরাসরি অংশগ্রহণকারী ৭ জনকে ইতিপূর্বে গ্রেফতার করা হয়।

    পরবর্তীতে এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ এপ্রিল জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম ডাকাতির ঘটনার মূল পরিকল্পনারকারী ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়ার বাবুপুর গ্রামের মোঃ মানিক আলী, ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য শিবগঞ্জ উপজেলার টোকনা গ্রামের মোঃ আলামিন, নাচোল উপজেলার খলসী সিন্দুর মুচি খাড়ী গ্রামের মোঃ আব্দুল মাতেন @ মতিন এবং একই উপজেলার বড়ীয়া মোজা গ্রামের মোঃ নাইম ইসলাম কে গ্রেফতার করা হয়।

    পরবর্তীতে উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নাচোলের মোঃ আব্দুল মাতেন @ মতিন এবং মোঃ নাইম ইসলাম কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং ডাকাতির ঘটনার মূল পরিকল্পনারকারী ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার গোমস্তাপুর মোঃ মানিক আলী, অন্যতম সদস্য শিবগঞ্জ উপজেলার গ্রামের মোঃ আলামিন কে রিমান্ডে এনে বিধি মোতাবেক নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবান বন্দী প্রদান করে। উল্লেখ্য, উপরোক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে চাঁপানবাব-গঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ নাচোল থানার নূরপুর গ্রামের মৃত এসরাইল এর ছেলে অটোভ্যান চালক মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৯) সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘাটিকায় গোমস্তাপুর থানাধীন জগতগ্রাম বিয়ের বাড়ীতে রিজার্ভ ভাড়া যায়। বিয়ে বাড়ী থেকে নাচোল থানাধীন আঝইর গ্রামে ফেরার পথে সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে গোমস্তাপুর থানাধীন পারবর্তীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর ও নজরপুর গ্রামের মাঝামাঝি একটি আম বাগানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর পৌঁছালে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত মুখে মাস্ক ও কালো কাপড় বাঁধা ০৮/১০ জন অজ্ঞাতনামা লোক পথরোধ করে তার ভ্যানে থাকা ৭ জন যাত্রীকে এলোপাথারি মারধর করে হাসুয়া, লাঠি, শিশু গাছের ডাল ঠেকিয়ে আরো মারপিট করে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক অটো চার্জার ভ্যান (পাঠলি গাড়ী), যার মূল্য অনুমান ২ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা ডাকাতি করে নেয় এবং ভ্যানে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে ঘটনাস্থল হতে অনুমান ৫০০ গজ দক্ষিণ পশ্চিমে আম বাগানের ভিতরে নিয়ে ভ্যানচালকের কাছে থাকা ৫’শ টাকা ও ০১টি স্মার্ট ফোন এবং ভ্যান যাত্রী মোঃ মাজেদ আলীর নগদ ৩৬০০/-টাকা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোন, মোসাঃ মর্জিনা বেগম এর কানে থাকা একজোড়া স্বর্ণের দুল ও ০১টি লাকফুল, যার ওজন ৪ আনা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, মোসাঃ সামিরা খাতুন এর কানে থাকা একজোড়া স্বর্ণের দুল ও একটি নাকফুল, যার ওজন ৪ আনা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোন, মোসাঃ রেখা বেগম এর কানে থাকা একজোড়া স্বর্ণের দুল ও একটি নাকফুল, যার ওজন ৪ আনা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোনসহ সর্বমোট ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮’শ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়।

    আহতরা গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এঘটনায় নাচোল থানার নূরপুর গ্রামের মৃত এসরাইল এর ছেলে অটোভ্যান চালক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

    এঘনায় পুলিশ মাঠে নামে ডাকাতদের গ্রেফতার ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিজিএফ’র চাউলসহ ইউপি সদস্যের ভাতিজা আটক !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিজিএফ’র চাউলসহ ইউপি সদস্যের ভাতিজা আটক !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নে ৩৭টি ভিজিএফ কার্ডের চাউলসহ ইউপি সদস্য জোবদুল করিমের ভাতিজা ও ভ্যান চালক কে আটক করে স্থানীয় জনতা।

    রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের বারীকবাজারে আটক করে, আটককৃতরা হলো, দাইপুখুরিয়া ইউ পির ৪নং ওয়ার্ড সদস্য জোবদুল করিমের ভাতিজা ও উত্তর মকিমপুর গ্রামের মেসের আলীর ছেলে লিটন আলী ও ভ্যান চালক একই গ্রামের মৃত রেস মোহাম্মদের ছেলে ভিখু আলী।

    স্থানীয়রা জানান, গরীব ও অসহায়দের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে সরকারিভাবে ১০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে দাইপুখুরিয়া ইউপি সদস্য জোবদুল করিম (পারুল) সরকারি চাল অবৈধভাবে নিয়ে যাচ্ছে, এসময় স্থানীয় জনতা ইউপি সদস্য জোবদুল করিম (পারুল) এর ভাতিজা ও ভ্যান চালককে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিমায় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়।

    ভ্যান চালক ভিখু আলী বলেন, এই ভানের আগে এক ভ্যান চাউল পারুল মেম্বারের বাসায় রেখে এসেছি, ২য় বার জনগণ আমাকে আটক করেছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জোবদুল করিম পারুলকে মোবাইলফোনে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    দাইপুখুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর রেজা বলেন, আমার ইউনিয়নের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করে প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আযাহার আলী জানান, বিষয়টা অবগত হয়েছি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • স্বৈরাচারদের সুপারিশে অবৈধ অধ্যক্ষ নিয়োগ, আপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

    স্বৈরাচারদের সুপারিশে অবৈধ অধ্যক্ষ নিয়োগ, আপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ আওয়ামীলীগের দোসর, স্বৈরাচার- দুর্নীতিবাজ ও অবৈধভাবে নিয়োগ হওয়া অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় নামোশংকরবাটী হেফজুল উলুম এফ কে কামিল মাদ্রাসায় আওয়ামীলী সরকারের এম.পি ও মন্ত্রীর সুপারিশে অবৈধভাবে মোঃ আব্দুল খালেক কে অত্র মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে দেয়া নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সোমবার বেলা ১০টায় মাদ্রাসা গেটের সামনে ছাত্র, ছাত্রী-শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও সুধীবৃন্দের আয়োজনে এই মানববন্ধন হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য মোঃ রেজাউল করিম, এলাকাবাসী মোঃ তোহরুল ইসলাম।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক মোঃ ওবায়দুল হক, এলাকাবাসী মোঃ মন্ধসঢ়;জুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, মোঃ রুবেল, মোঃ ওবায়দুল হকসহ শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসী। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ দুর্নীতিবাজ স্বৈরাচারের দোসর অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া আব্দুল খালেক এর অপসারন করতে হবে।

    স্বৈরাচারের দোষর এই অধ্যক্ষ আব্দুল খালেককে অপসারণ ও তার দূর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারীতার বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত বহাল তবিয়তে রয়েছেন। বক্তারা বলেন, আব্দুল খালেককে অবৈধবাবে নিয়োগ দেয়ার বিষয় নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নিলে যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে।

    কোন অজ্ঞাত কারণে আওয়ামীলীগের দোষর খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মুজদদার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি আব্দুল ওদুদের সুপারিশে এই অধ্যক্ষকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়া হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তাকে চাকুরী থেকে অপসারণ এবং তাঁর দূনীতির সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানান বক্তারা।

    উল্লেখ্য, এর আগে (৮ জানুয়ারী/২৫) স্থানীয়, জাতীয় ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ‘জেলা প্রশাসক ও দূর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ’ “চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি কামিল মাদ্রাসায় আ’লীগের মন্ত্রী-এম.পির সুপারিশে স্বৈরাচারের দোষরকে অধ্যক্ষ নিয়োগ-ক্ষুদ্ধ শিক্ষানুরাগীরা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি কামিল মাদ্রাসায় আ’লীগের মন্ত্রী- এম.পির চাপ ও সুপারিশে স্বৈরাচারের দোষরকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন বঞ্চিত প্রার্থী। রাজনৈতিক ক্ষমতা খাটিয়ে অযোগ্য ও পরিকল্পিত প্রার্থীকে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেয়ায় ক্ষুদ্ধ এলাকার শিক্ষানুরাগী ও পরিচালনা পর্ষদের একাধিক সদস্য।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শংকরবাটী হেফজুল উলুম এফ.কে কামিল মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ বাতিল করে মাদ্রাসার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদকে) রাজশাহী বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছেন নিয়োগ বঞ্চিত মোঃ তাজিমুল ইসলাম।

    স্বৈরাচার আ’লীগের আমলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর-৩ আসনের এম.পি আব্দুল ওদুদ এবং খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের লিখিত সুপারিশে ০৪/৮/২০২৩ ইং তারিখে যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে তৎকালীন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খাঁন সভাপতির পদাধিকার ক্ষমতা বলে কৌশলে আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য হওয়ায় পৌর এলাকার রেহাইচর গ্রামের মোঃ আব্দুল হকের ছেলে মোঃ আব্দুল খালেক শংকরবাটী হেফজুল উলুম এফ.কে কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রদান করেন।

    এনিয়ে ক্ষমতাসীনদের ভয়ে তাৎক্ষনিক কোন প্রতিকারের আবেদন করতে না পারলেও প্রায় ১ বছর পর নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়া রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ী গ্রামের মোঃ ইয়াকুব আলী দেওয়ানের ছেলে মোঃ তাজিমুল ইসলাম অবৈধ ও প্রভাবিত নিয়োগ প্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিল করে অধ্যক্ষ পদে প্রকৃত ফলাফলের ভিত্তিতে অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য জেলা প্রশাসক ও সভাপতি শংকরবাটী হেফজুল উলুম এফ.কে কামিল মাদরাসা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

    অভিযোগ সূত্রে আরো জানা গেছে, অত্র মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগে অনিয়ম ও দূর্নীতির দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক বারাবরও একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শংকরবাটী হেফজুল উলুম এফ.কে কামিল মাদ্রাসায় গত বছরের ০৪/০৮/২০২৩ ইং তারিখে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়া রাজশাহী জেলার গোদা গাড়ী উপজেলার পাকড়ী গ্রামের মোঃ ইয়াকুব আলী দেওয়ানের ছেলে মোঃ তাজিমুল ইসলাম।

    কিন্ত ফলাফল স্থগিত রেখে পরবর্তীতে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনের এম.পি মোঃ আব্দুল ওদুদ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এর ০৭/০৯/২০২৩ ইং তারিখের প্রত্যয়ন পত্র যা স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের খাদ্যমন্ত্রী স্বাধন চন্দ্র মজুমদার এর প্রতিস্বাক্ষরে প্রভাবিত হয়ে মোঃ আব্দুল খালেক, পিতা- মোঃ আব্দুল হক মোল্লা, মাতা: মোসা: সাহেলা বেগম, গ্রাম: রেহাইচর আদর্শ পাড়া, ডাক টিকরামপুর, থানা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ কে ফলাফলে প্রথম দেখানো হয়।

    মাদ্রাসায় গত বছরের ০৪/০৮/২০২৩ ইং তারিখে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা ও সনদ নম্বরে অনেক বেশি নম্বর প্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও মৌখিক পরীক্ষায় মোঃ তাজিমুল ইসলাম কে অকৃতকার্য দেখানো হয়। তাকে মৌখিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ৮ এর মধ্যে ৭.২০ প্রদান করেন। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং পরিকল্পিত।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনের এম.পি ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল ওদুদ এবং খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের যোগসাজসে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও পুলিশের প্রেসব্রিফিং

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও পুলিশের প্রেসব্রিফিং

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পারবতীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর ও নজরপুর গ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ৬ ডাকাত গ্রেফতার ও ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধার নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এই প্রেস বিফিং করেন পুলিশ সুপার।

    গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হচ্ছে, শিবগঞ্জ উপজেলার রানীবাড়ী চাঁদপুর গ্রামের মোঃ
    এনামুল হক এর ছেলে মোঃ দেলোয়ার হেসেন (২৪), একই গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ ওয়াসিম (২৮), একই এলাকার মোঃ তহুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ তৌহিদ আলী সুজন (২৬), একই উপজেলার পলাশবাড়ী গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দীনের ছেলে মোঃ লালচান (৩২), মোবারকপুর ইউপি’র গঙ্গারামপুরের মৃত সাইফুদ্দিন আহম্মেদ এর ছেলে মোঃ দিনুল ইসলাম (৪৩) এবং একই ইউনিয়নের দানিয়ালপুর গ্রামের মৃত সাজেমানের ছেলে মোঃ আনারুল (৫২)।

    ঘটনার বিবরণে পুলিশ সুপার জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন পারবতীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর ও নজরপুর গ্রামের মান্দামিক জনৈক আওয়ালের আম বাগানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ৬ জন গ্রেফতার এবং ছিনতাইকৃত ১ টি অটো রিক্সা ও ১টি স্মার্ট মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

    তিনি জানান, গত ১১ মার্চ নাচোল থানার নূরপুর গ্রামের মৃত ইসরাইলের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৯) অটো ভ্যান নিয়ে যাচ্ছিল। ১১ মার্চ সন্ধ্যা রাত অনুমান ৭টার দিকে গোমস্তাপুর থানার জগতগ্রাম বিয়ের বাড়ীতে রিজার্ভ ভাড়া যায়।

    বিয়ে বাড়ী থেকে নাচোল থানার আঝইর গ্রামে ফেরার পথে সন্ধ্যা রাত অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে গোমস্তাপুর থানার পারবর্তীপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর ও নজরপুর গ্রামের মাঝামাঝি পাঁকা রাস্তার উপর পৌঁছালে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত মুখে মাস্ক ও কালো কাপড় বাঁধা ৩/৪ জন অজ্ঞাতনামা লোক পথরোধ করে তার ভ্যানে থাকা ৭ জন যাত্রীকে এলোপাথারি মারধর করে হাসুয়া, লাঠি, শিশু গাছের ডাল ঠেকিয়ে আরো মারপিট করে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক অটো চার্জার ভ্যান (যার মূল্য অনুমান ২ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয়।

    এসময় ভ্যানে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে ঘটনাস্থল হতে অনুমান ৫০০ গজ দক্ষিণ পশ্চিমে আম বাগানের ভিতরে নিয়ে রফিকুলের কাছে থাকা ৫’শ টাকা ও ০১টি স্মার্ট ফোন এবং ভ্যান যাত্রী মোঃ মাজেদ আলী কাছ থেকে নগদ ৩ হাজার ৬’শ টাকা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোন, মোসাঃ মর্জিনা বেগম (৪৫) এর কানে থাকা একজোড়া স্বর্ণের দুল ও ০১টি লাকফুল, যার ওজন ৪ আনা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোন, নগদ ১০০/- টাকা, মোসাঃ সামিরা খাতুন (২৪) এর কানে থাকা একজোড়া স্বর্ণের দুল ও একটি নাকফুল, যার ওজন ৪ আনা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোন, মোসাঃ রেখা বেগম (৪৫) এর কানে থাকা একজোড়া স্বর্ণের দুল ও একটি নাকফুল, যার ওজন ৪ আনা, ০১টি বাটন মোবাইল ফোনসহ সর্বমোট ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকার মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। আহতরা গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

    এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানায় একটি দস্যুতার মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী রফিকুল ইসলাম। প্রেক্ষিতে ডাকাতির ঘটনায় আসামীদের গ্রেফতারে চাঁপাইনবাব গঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা ও গোমস্তাপুর থানা যৌথভাবে তৎপরতা শুরু করে।

    যৌথ টিমের অফিসার ও ফোর্স সম্মিলিত একটি চৌকস টিম বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের সহায়তায় ঘটনার পর হতেই জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে দস্যুতার সাথে সরাসরি অংশগ্রহণকারী শিবগঞ্জের মোঃ দেলোয়ার হেসেন, মোঃ ওয়াসিম, মোঃ লালচান, মোঃ তৌহিদ আলী সুজন, মোঃ দিনুল ইসলাম, মোঃ আনারুল কে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাদের দেয়া তথ্যমতে ছিনতাইকৃত অটো রিক্সাটি ও স্মার্ট মোবাইল ফোনটি উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার ও অন্যান্য ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

    এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন আকন্দ, গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইস উদ্দিনসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নাবিক আব্দুর রহমান হত্যার বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    নাবিক আব্দুর রহমান হত্যার বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান জাহাজে নাবিক মোঃ আব্দুর রহমান এর মৃত্যু রহস্য উদঘাটন, সংশ্লিষ্ট এজেন্সি হক সন্স ম্যানিং এজেন্সি কর্তৃপক্ষ এবং নিহতের ঘটনা নিয়ে টালবাহানাকারী দপ্তরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত নাবিক আব্দুর রহমানের পরিবার।

    শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সকলের উপর অভিযোগের নানান দিক তুলে ধরেন নিহত আব্দুর রহমানের বড় ভাই ও মামলার বাদী মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হালিমুর রহমান।

    সংবাদ সম্মেলনে জাহাজে নিহত নাবিক মোঃ আব্দুর রহমানের মা মোসাঃ আম্বিয়া খাতুন, স্ত্রী মাহমুদা নুরে নাহরিন, ছোট ভাই আব্দুর রাশেদ, শশুর মরিব হোসেন কাজল শাশুড়ী জান্নাতুল মাওয়া উপস্থিত ছিলেন। এসময় আব্দুর রহমানের এলাকার অনেক মানুষও উপস্থিত হন। নিহত নাবিক আব্দুর রহমান চাঁপাইনবাব গঞ্জ পৌর এলাকার হরিপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদের ছোট ছেলে।

    লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহমানের বড় ভাই ও মামলার বাদী মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হালিমুর রহমান বলেন, সিঙ্গাপুরের জাহাজে বাংলাদেশি নাবিক আব্দুর
    রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঢাকার বিমানবন্দর থানায় অপমৃত্যু মামলা হলেও দুই বছরেও তদন্ত শেষ হয়নি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হেডকোয়ার্টার ও একাধিক থানায় ঘুরেও হত্যা মামলা করতে পারেনি নিহতের পরিবার। প্রায় দুই বছর পর হাইকোর্টে রিট করি।

    পরে ২০২৪ সালের জুন মাসে হাইকোর্ট বিমানবন্দর থানাকে অভিযোগটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করে হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। এ মামলায় জাহাজে কর্মরত ছয়জনকে আসামি করা হয়। এয়ারপোর্ট থানা থেকে মামলাটি তদন্তভার যায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটে।

    তবে আলোচিত এ মামলা নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা টালবাহানা করেছেন বলে অভিযোগ করেন হালিমুর রশীদ। হালিমুর রশীদ আরও বলেন, তার ভাই মো. আব্দুর রহমান ২০২১ সালের ৭ই অক্টোবর সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী এমটি কনসার্টো জাহাজে নাবিক হিসাবে যোগ দেন। হক অ্যান্ড সন্স নামে একটি কোম্পানির মাধ্যমে ওই ট্যাঙ্কার জাহাজে নিয়োগ পান তিনি।

    জাহাজটিতে থাকা ২৫ জনের মধ্যে একজন কোরিয়ান নাগরিক ছিলেন। বাকি ২৪ জন ছিলেন বাংলাদেশি। যোগদানের কিছুদিন পরই পরিবারের সদস্যদের আব্দুর রহমান জানান, জাহাজে কয়েকজন সহকর্মীর সাথে তার মনোমালিন্য হয়। ঘটনা টি এক পর্যায়ে ঝগড়া ও হুমকির পর্যায়ে চলে যায়। পরিবারের পরামর্শে তখন জাহাজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন আব্দুর রহমান।

    পরবর্তীতে আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর লাশ দেয়া এবং লাশের সুরতহাল করা নিয়ে নানা কৌশল করা হয়। এক পর্যায়ে আব্দুল রহমান জাহাজের গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার কথা বলা হয়। নানা নাটকিয়তার পর ময়নাতদন্তে আব্দুর রহমানের শরীরের অনেক স্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া যাওয়ার কথা বলা হয়।

    অন্যদিকে, ময়নাতদন্ত রিপোর্টে কোন বিশক্রীয়ায় আব্দুর রহমানের মৃত্যু হয়নি বলেও জানানো হয়। এছাড়া আব্দুর রহমান মৃত্যুর পর সংশ্লিষ্ট এজেন্সি হক সন্স ম্যানিং এজেন্সি অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা না করতে এবং সমাধানের জন্য উঠেপড়ে লাগে। একপর্যায়ে নিহত আব্দুর রহমানে স্ত্রীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে।

    কিন্তু তাতেও কোন লাভ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি হক সন্স ম্যানিং এজেন্সি কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোকেও ম্যানেজ করে মামলা নস্ট করার কৌশল করে চলেছে।  তিনি বলেন, আগের ফ্যাসিবাদের দোসররা যেভাবে মামলাটি দিনের পর দিন ধামাচাপা দিতে বদ্ধপরিকর ছিল, এখনো একই ঘটনা দেখতে পাচ্ছি।

    এখনো নিয়মিত একদল আসামিদের পক্ষে গ্রেফতার না করার জন্য চেষ্টা করে আসতে ছেন এবং আসামিরা আগে কোন কিছু তোয়াক্কা না করলেও এখন মামলা থেকে অব্যাহতি নেয়ার জন্য বিভিন্ন উপায়ে অসৎ উদ্দেশ্যে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। হালিমুর রশীদ আরও বলেন, নাবিকদের জাহাজে অনেক মৃত্যু ঘটলেও, আসল কারন সবার কাছে অজানায় থেকে যায়।

    বাংলাদেশের এই প্রথম মামলাটি সঠিক তদন্তের ও আসামিসহ ব্যাপারটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য যারা জড়িত সকলকে গ্রেফতারের জন্য আমি ও আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সিনিয়র সচিব জন নিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশের মহা পরিদর্শক সহ সকলকে এবং মহামান্য আদালতের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

    হালিমুর রশীদ, তার ভাই এর হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মিডিয়াকর্মীদের আন্তরিক সহয়োগিতা কামনা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে কারাগারে মৃত ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে কারাগারে মৃত ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ অসুস্থতাজনিত কারণে বাংলাদেশের কারাগারে মৃত এক ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ভারত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া। ভারতীয় ঐ নাগরিকের নাম বিজলি কুমার রায়। সে ভারতের বিহার রাজ্যের মুজাফ্ফাবাদ ফরপুরের বাসিন্দা।

    গত ১৫ জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎ-সাধীন অবস্থায় বিজলি কুমার রায় মারা যায়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাস-পাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, ১৩ জানুয়ারি রাজশাহী কারাগারের মাধ্যমে হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি হয়েছিলেন বিজলি কুমার রায়। ১৫ জানুয়ারি দুপুরে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, সে হৃদ্ধসঢ়;‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য তাঁর মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শুক্রবার (১৪ মার্চ) মরদেহ ভারতে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ভারতীয় ঐ নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে। বিজলির ছোট ভাই মরদেহ গ্রহণ করেন।

    এ সময় দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাজশাহী কারাগারের জেলার মো. আমান উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ২০২১ সালের ২৬ জুন শরীয়তপুরে জাজিরায় আটক হয়েছিলেন বিজলি কুমার রায়। পরে মামলা দায়েরের পর তাকে শরীয়তপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

    ২০২২ সালে ওই মামলায় রায় হওয়ার পর শরীয়তপুর থেকে তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থবোধ করলে রাজশাহী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে পাঠানো হয় চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিজলি কুমার।

    আমান উল্লাহ বলেন, ১৫ জানুয়ারি মৃত্যুর দিনই সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে তথ্য পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের কাগমারি এলাকায় এক প্রতিবন্ধী শিশুকে মুখে গামছা পেচিয়ে একটি আম বাগানে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে শাহবাজ পুর ইউনিয়নের কাগমারি এলাকার একটি জামে মসজিদে তারাবি নামাজ পড়তে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্তরা হচ্ছে, একই গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (১৯), মোঃ শহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান (১৩) এবং মোঃ বিশু মিয়ার ছেলে মোঃ বাবু মিয়া (১১)।

    ভুক্তোভোগী শিশুটির মা, মামা ও স্থানীয় সুত্র জানায়, বৃহষ্পতিবার রাত ৮ টার দিকে বাক প্রতিবন্ধী শিশুটি কাগমারী জামে মসজিদে তারাবি নামাজ পড়তে আসলে অভিযুক্তরা সুযোগ বুঝে পার্শ্বের একটি আম বাগানে নিয়ে গিয়ে মুখে গামছা পেঁচিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। নামাজ শেষের পরও মেয়েকে না পেয়ে ঘটনার ২ ঘন্টা পর ঐ বাগান থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে।

    শিশুটির পিতা বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে জানালে স্থানীয়রা ঐ ৩ জন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ কে খবর দেয়। এদিকে, শিশুটির স্বজনরা শিশুটিকে চাঁপাইনবাব গঞ্জ জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

    বর্তমানে শিশুটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে বলেন, একজন বাক প্রতিবন্ধী শিশু কে আম বাগানে নিয়ে যেয়ে ধর্ষণ করেছে পাষন্ডরা। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা তিন ধর্ষককে আটকে রাখেছিলো। দুপুরে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দা করা হয়। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানায় এলাকাবাসী।

    এদিকে, অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন স্থানীয়দের মারধরের পর তাদের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি ও তার সহযোগী আব্দুর রহমান ২ জন মিলে ধ্বর্ষন করেছে এবং বাবু তাদের সহায়তা করেছে।

    এব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, এই ধরনের একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাকাসীর হাতে আটক ৩ অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

    শিশুটির পরীক্ষা নিরিক্ষার পর জানা যাবে প্রকৃত ঘটনা। অভিযুক্তদের আটক করে থানার আনা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এঘটনা জানার পর দ্রুতই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে যান পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা।

    এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আইনগত ব্যাবস্থা চলমান রয়েছে। ভিক্টিমের চিকিৎসা চলছে এবং সুস্থ আছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ -আহত ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ -আহত ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাদ্দাম হোসেন (৩৬) নামে এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছে। এ সময় আরো দু’জন আহত হয়েছে। আহত ও নিহতরা সবাই চালক ও এর সহকারী।

    সোমবার ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের দারিয়াপুর নতুন ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম রাজশাহীর পবার ডাংগীরপাড়া রামচন্দ্রপুর এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে।

    আর আহতরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম এবং একই এলাকার সুমন আলি। আহতদের মধ্যে আমিরুল ইসলাম ট্রাকের চালক।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান জানান, ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে দারিয়াপুর নতুন ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে হয়। এতে ট্রাক চালক সাদ্দাম ঘটনাস্থলে মারা যায়।

    পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতাল মর্গে এবং আহত দের সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।