Category: রাজশাহী বিভাগ

  • শিবগঞ্জে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন ॥ ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ

    শিবগঞ্জে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন ॥ ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

    এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ভুক্তভোগী মো. আব্দুল করিম জানান, তিনি ও তার সহযোগী মো. তাজামুল হক ও মো. নূরুল ইসলাম মিলে স্থানীয় মো. এসলাম আলীর কাছ থেকে চাপড় মৌজায় ১ একর ১২ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছেন।

    গত ২৭ মে রাত ৯টার দিকে প্রতিদিনের মতো পুকুর তদারকি শেষে তারা বাড়ি ফিরে যান। পরদিন ২৮ মে ভোরে এসে দেখেন, পুকুরের সব মাছ মরে পানিতে ভেসে আছে।

    এসময় স্থানীয় লোকজন এসে মৃত মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে যান বলে জানান তিনি। আব্দুল করিমের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে কোনো অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিংসার বশবর্তী হয়ে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে।

    এতে তাদের চাষকৃত মাছ সম্পূর্ণরূপে নিধন হয়ে যায়। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান হেরোইন ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার -১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান হেরোইন ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার -১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ মাদক পাচারের গোপন সংবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি ৩’শ গ্রাম হেরোইন ও নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকাসহ সাখাওয়াত হোসেন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার সকালে মাদক ব্যবসায়ীর সাখাওয়াত হোসেন খান এর নিজ বাসায় এই অভিযান চালানো হয় বলে নিশ্চিত করেছে মাদকদ্রব্যনিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে এক প্রেসব্রিফিং এ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে একটি ডিএনসির একটি দল বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল ৭ টার দিকে জেলার সদর মডেল থানার চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ওরফে সাখ্ধসঢ়;খান এর নিজ বসতবাড়ী তল্লাশি করে হেরোইন-০৩ কেজি ৩০০গ্রাম, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, সিলার মেশিন-০১ টি এবং হেরোইন পরিমাপক যন্ত্র-০১টি উদ্ধার করা হয়।

    অভিযানে পরিদর্শক মোঃ ইলিয়াস হোসেন তালুকদার এর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্য এবং ডিএনসি-র সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।গ্রেফতার কৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পলাতক আসামী চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়ার শফিকুল আলমের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ ওরফে আব্দুল (৩৫), একই এলাকার মো: আমির হোসেনের ছেলে মো: জুয়েল রানা (৩৪) দ্বয়ের পারস্পরিক সহযোগিতায় তারা মাদক ব্যবসা করে আসছে।

    এ বিষয়ে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে মদ-ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে মদ-ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার-৩

    মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে  চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র পৃথক পৃথক অভিযানে বিদেশী মদ-ফেন সিডিলসহ ৩জন গ্রেফতার হয়েছে।

    বুধবার গভীর রাতে চালানো এই পৃথক অভিযানে ১০ বোতল বিদেশী মদ এবং ৫১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরউপজেলার নারায়নপুর চিমটাপাড়ার মৃত শামসুল হক এর ছেলে মোঃ জুয়েল রানা (৩২), দেবীপুরের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ বশির আহমেদ (২৩) এবং জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পিয়ালীমারীর মৃত মাহিদুর এর ছেলে মোঃ সুমন (২৮)।

    জেলা পুলিশের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম-সেবা মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন আকন্দ’র তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল ২৮ মে রাত পৌনে ১০টার দিকে সদর মডেল থানার সুন্দরপুর ইউনিয়নের সুন্দরপুর রিয়াজ মোড়ল এর বাঁশঝাড়ের মধ্যে অভিযান চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী মোঃ জুয়েল রানা মোঃ বশির আহমেদ কে ১০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ গ্রেফতার করা হয়।

    এছাড়া অপর এক অভিযানে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ফয়সাল হাসান এর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল ২৮ মে রাত পৌনে ১২ টার দিকে নাচোল থানার নিজামপুর ইউনিয়নের বৈদ্ধপুর এলাকার পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুমন কে ৫১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারসহ গ্রেফতার করা হয়। এঘটায় পৃথক পৃথক থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • চীন যাচ্ছে সোয়া লাখ মেট্রিক টন আম

    চীন যাচ্ছে সোয়া লাখ মেট্রিক টন আম

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম রপ্তানিকারক এবং আম ব্যবসায়ীদের সাথে রপ্তানিযোগ্য আমের বাগান পরিদর্শন, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে মতবিনিময় সভা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শহরের পুরাতন বাজারস্থ চেম্বার ভবনে এ মতবিনিময় সভা হয়।

    মতবিনিময় সভার আগে সকালে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় রপ্তানি যোগ্য বিভিন্ন আমের বাগান পরিদর্শন করেন রপ্তানি উন্নয়নব্যুরো’র ভাইস- চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    পরে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন বরোর ভাইস-চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    চলতি মৌসুমে চীনে ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আম রপ্তানির লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এ লক্ষ্যে মাঠ-পর্যায়ের প্রস্তুতি ও চ্যালেঞ্জ পর্যবেক্ষণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সফর করেন ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক মোহাম্মদ শাহজালাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ইখতেখারুল ইসলাম, চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ আখতারুল ইসলাম রিমন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুনজের আলম মানিক, আম চাষী সাংবাদিক মোঃ আহসান হাবিব, আমচাষী আঃ অহাব, মোঃ আতিকুর রহমান, মোঃ ইউসুফ আলীসহ অন্যরা।

    সভায় আনোয়ার হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে। মান ও প্যাকেজিংয়ে উন্নতি এনে আমরা বৈদেশিক বাজারে অবস্থান শক্ত করতে চাই। এ বছর চীনে ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আম রপ্তানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    তিনি জানান, আম রপ্তানির টেকসই উন্নয়নে ‘ম্যাংগো বোর্ড’ গঠন, জাতীয় পর্যায়ে আম নীতিমালা প্রণয়ন, হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান, আধুনিক প্রসেসিং সুবিধা, কৃষকদের জন্য স্বল্পমূল্যের সোলার প্যানেল, রাজশাহী বিমানবন্দর থেকে কার্গো সুবিধা চালু এবং কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    রপ্তানির প্রসারে আগামী মাসে বিদেশি কূটনীতিক ওআমদানিকারকদের চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনে ‘আম উৎসব’ আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে এখানকার সুমিষ্ট আমের বিশ্বব্যাপী প্রচার ও বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ থেকে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ যাবৎ যুক্তরাজ্য, হংকং, কানাডা, বাহরাইন, সুইজারল্যান্ড, ইতালি ও সুইডেন এ আম রপ্তানি হয়েছে। এসব আমদানি গন্ত্যব্যের মধ্যে যুক্তরাজ্যে সর্বাধিক আম রপ্তানি হয়েছে।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প এর মাধ্যমে সংগৃহীত স্থানীয় আম উৎপাদক ও রপ্তানিকারকবৃন্দের তালিকা নির্ধারিত ফরমে চীনা দূতাবাসে ইতোমধ্যেই প্রেরণ করা হয়। সে দেশের কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলে রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে।

    রপ্তানি প্রসারমূলক এসব কার্যক্রমে কৃষিমন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সহযোগি সংস্থার সাথে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো কাজ করবে বলে আম উৎপাদক ও রপ্তানিকারকবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    এসময় বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্টস এ্যাসোসিয়েশন বিএমপিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মোঃ শুকুরুদ্দীন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সাবেক সহ সভাপতি মোঃ মনোয়ারুল ইসলাম ডালিম, চেম্বারের পরিচালক শহিদুল ইসলাম ও অন্যান্য পরিচালকগণ সহ জেলার বিভিন্ন স্থানের আম উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্বশুর-শাশুড়ির নির্যাতনে মারাত্মক আহত পুত্রবধূ ! 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্বশুর-শাশুড়ির নির্যাতনে মারাত্মক আহত পুত্রবধূ ! 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের চাকলা গ্রামে শ্বশুর-শাশুড়ির নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন জিয়াসমিন (৩২) নামের এক গৃহবধূ।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। আহত জিয়াসমিন ওই গ্রামের আতিকুল ইসলামের স্ত্রী।  তাঁর পিতার বাড়ি একই উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে। তিনি মৃত জামাল উদ্দিন জুমুর মেয়ে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুর আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মিয়া (৭০) ও শাশুড়ি আলহাজ্ব আয়েশা বেগম মিলে পুত্রবধূ জিয়াসমিনকে বেধড়ক মারধর করেন।

    একপর্যায়ে জ্ঞান হারান জিয়াসমিন। ধারণা করা হয়, তাঁরা তাঁকে মৃত ভেবে রেখে পালিয়ে যান। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। জিয়াসমিনের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে নির্যাতন করে আসছিলেন শ্বশুর-শাশুড়ি।

    একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিস হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুইজন হজ¦ করে এসে যদি মানুষ না হন, তাহলে সেটা সমাজের জন্য লজ্জার। একজন গৃহবধূকে এভাবে নির্যাতন করার অধিকার তাঁদের নেই। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

    ঘটনার পর অভিযুক্ত সাইদুর রহমান ও আয়েশা বেগম পলাতক রয়েছেন। তাঁদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় চাকলা গ্রামে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাটি পারিবারিক কলহ থেকে ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। একটি পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অন্য পক্ষও অভিযোগ দিতে পারে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমাবেশ তারুণ্যের সমাবেশ প্রস্তুতি

    বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমাবেশ তারুণ্যের সমাবেশ প্রস্তুতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ে বগুড়ায় তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সমাবেশ উপলক্ষে প্রস্তুতি সমাবেশ হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

    ‘অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চাই’ শ্লোগানে শনিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরপার্কে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি মোঃ হারুনুর রশীদ।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদল জেলা শাখা আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ তবিউল ইসলাম তারিফ।

    সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম মতি, এ্যাড. ময়েজ উদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যরা।

    বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন কাজের কঠোর সমালোচনা করেন এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার আহবান জানান। সাবেক এমপি আরও বলেন, অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দিতে হবে।

    সমাবেশে বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ জেলা জামায়াতের বিভিন্ন অপপ্রচারের সমালোচনাও করেন। এসময় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনন্দ মিছিল

    আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনন্দ মিছিল

    ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত অবশেষে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তরবর্তী সরকার। এই খবর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছড়িয়ে পড়লে উল্লাসে ফেটে পড়ে জামায়াতে ইসলামী, ছাত্র শিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো।

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর জরুরি বৈঠক শেষে আওয়ামীলীগ কে নিষিদ্ধের পর তাৎক্ষণিকভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনন্দ মিছিল করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জামাত ইসলামী বাংলাদেশ।

    বিজয় উল্লাসে শ্লোগান শুরু হয় ‘এই মুহূর্তে খবর এলো, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলো’, এই মুহূর্তে খবর এলো, সন্ত্রাসীলীগ নিষিদ্ধ হলো; হৈ হৈ রৈ রৈ, সন্ত্রাস লীগ গেলি কই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বড় ইন্দারা মোড়ে আনন্দ মিছিলের জন্য জমায়েত হয় বাংলা-দেশ জামায়াতে ইসলামী ও তার অঙ্গসংঠনের নেতৃবৃন্দ। রাত পোনে বারাটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আয়োজনে বড় ইন্দারা মোড় থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়।

    বিভিন্ন স্লোগানে শহরের শান্তি মোড়ে মিছিল সমাপ্ত হয় এবং সেখানে পথসভা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুজার গিফারী, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বকরসহ অন্যরা।

    এতে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার আমীর হাফেজ আব্দুল আলিম, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী ও ছাত্র শিবিরের শহর সভাপতি আব্দুল আজিজসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী। শনিবার (১০ মে) রাতে অন্তরবর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    জামায়াতে ইসলামী, ইসলামি ছাত্রশিবির, খেলাফত মজলিশ, দ্য রেড জুলাইসহ বিভিন্ন সংগঠন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ মিছিলে অংশ নেন। জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বকর, সদর উপজেলার আমীর হাফেজ আঃ আলিম, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী ও ছাত্র শিবিরের শহর সভাপতি আব্দুল আজিজসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা রাতে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশজামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করেছে।

    অন্তবর্তীকালীন সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, কোনো ফ্যাসিস্ট ও তার দোসরদের পক্ষ অবলম্বনকারী কোনো উপদেষ্টা যদি থেকে থাকে, তাহলে তাদের সেখান থেকে বিদায় দিতে হবে। তা না হলে জুলাই বিপ্লব ক্ষত-বিক্ষত হবে এবং প্রশ্নবিদ্ধ হবে। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

    তিনি বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার চাইলে অনেক আগেই আওয়ামী-লীগকে নিষিদ্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু কোন অজানা কারণে সরকার তা করে নাই। সেটি আমাদের কাছে পরিষ্কার। সরকারের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ফ্যাসিস্টদের দোসর। নুরুল ইসলাম বুলবুল আরো বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামীলীগ একটি জুলুমবাজ দলে পরিণীত হয়েছিল এবং জুলুমকারী হিসেবে জনগণের

    সামনে আবির্ভূত হয়েছিল।এই আওয়ামীলীগ জনগণের অধিকারকে নষ্ট করেছে, রাষ্ট্র শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জামায়াতের আমির থেকে শুরু করে ১১ জন নেতাকে বিচারিক হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে দুনিয়া থেকে শেষ করে দিয়েছে।

    নেতাকর্মীদের কারাগারে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছিল আওয়ামী লীগ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করে জনগণের উপর নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার  চালিয়েছিল।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা দক্ষিণের আমির আরো বলেন, একটি রাজনৈতিক দল জুলাই আন্দোলনে তাদের কোনো ভূমিকা নেই ঘোষণা দিয়েছিল। তারপরে আবার তাদের নেতাই মাস্টার মাইন্ড সেই ঘোষণাও দিয়েছে।

    আর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তারাই এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। অন্য কেউ নেতৃত্ব দেন নাই। জুলাই আন্দোলনে যারা সিপাহসালার এবং বৈষম্যবিরোধী  যারা জাতীয় নেতা, তাদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য (বিএনপি) পদক্ষেপ নিয়েছে।

    জুলাই আন্দোলনের সাধারণ আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে তারা (বিএনপি) প্রতারণার পথ বেছে নিয়েছে। এছাড়া সেই রাজনৈতিক দল প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের বিষয়ে একমত পোষণ করেনি। তারা আওয়ামী লীগের বিচারের বাইরে একমত পোষণ করেনি। আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য তারা ঐকমত্য পোষণ করেনি।

    ছাত্ররা দাবি জানিয়েছিল, আগস্ট বিপ্লবের সনদে স্বাক্ষর করতে হবে, সেই স্বাক্ষরও তারা করতে রাজি হয়নি। এই দেশের ছাত্র-জনতা সংস্কার চাই, তারপরে নির্বাচন চাই, কিন্তু ওই দল সংস্কার চাই না, তারা যেনতেনভাবে আবার ক্ষমতায় যেতে চায়।

    উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বাংলাদেশ  আওয়ামীলীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের
    নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামীলীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র পরবর্তী কর্মদিবসে জারি করা হবে বলেও জানানো হয়।

    পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চুড়ান্ত করে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে গত তিন দিন ধরে টানা
    কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ ছাত্র-জনতা। এমন পরিস্থিতিতে অন্তরবর্তী সরকার আওয়ামীলীগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাল।

    অন্যদিকে, একই সময় রাতে    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় একটি আনন্দ মিছিল বের করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থকরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামীলীগের দোসর হাম্মাদ-ঝালু-মামুনসহ  গ্রেফতার-১৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামীলীগের দোসর হাম্মাদ-ঝালু-মামুনসহ গ্রেফতার-১৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আ’লীগ নেতার লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হাম্মাদ, নাচোলের সাবেক মেয়র ঝাটুসহ ১৩ জন গ্রেফতার হয়েছে।

    বিশেষ অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৩ জন গ্রেফতারের মধ্যে সদর থানা পুলিশ ৪ জন, শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ২ জন, নাচোল থানা পুলিশ ৫ জন, গোমস্তাপুর থানা পুলিশ ১জন এবং ভোলাহাট থানা পুলিশ ১ জন।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার রামকৃষ্টপুর (শান্তির মোড়) এলাকার মৃত আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ হাম্মাদ (৭০)।

    গ্রেফতারকৃত হাম্মাদ আলী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের ডান হাত বলে পরিচিত এবং তার সাথে ওই আওয়ামীলীগ নেতার ঠিকাদারী ব্যবসা রয়েছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তাঁতীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চাঁপাইনবাব গঞ্জ পৌরসভার মাঝপাড়ার মোঃ এরফান আলী খানের ছেলে মোঃ জাহিদুল খান জনি (৩৪)। চাঁপাইনবাব গঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রিড়া সম্পাদক মহারাজপুর ডোলপাড়ার ফেরেশতল্লাহ এর ছেলে মোঃ কাশেদ আলী মাস্টার (৪০)।

    আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সহ সভাপতি মাঝপাড়ার মোঃ এরফান আলী খানের ছেলে মোঃ ইমরান খাঁন (২৮)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নং-১৯ তারিখ ২২-০৮-২০২৪ ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩৮০/৫০৬(২)/১১৪ দঃবিঃ তৎসহ বিষ্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩/৪/৬ ধারায় হওয়া মামলায় এদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে এক প্রেসনোটে নিশ্চিত করে জেলা পুলিশ।

    অন্যদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের ওমরপুর গ্রাম থেকে সাবেক ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নুরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আল মামুনকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৮ মে) রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক আল মামুন শিবগঞ্জ উপজেলার উমরপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

    এছাড়াও কানসাটের তালেব উদ্দিনের ছেলে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কানসাট ইউনিয়ন শাখার সাধারন সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমদ টিটু মাস্টারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া জানান, উপজেলার মর্দানা গ্রামে দায়েরকৃত একটি বিস্ফোরক আইনের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন আল মামুন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোমস্তাপুরের ছাত্রলীগের নেতা চোডালার নাজমুল হক কে গ্রেফতার করে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোমস্তাপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইস উদ্দিন।

    এদিকে নাচোলে গ্রেফতার হয়, নাচোল পৌরসভার সাবেক মেয়র, ও নাচোল পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আঃ রশিদ খান ঝাঁলু, নাচোল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হাসান তারিফ, নাচোল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, মোঃ আরিফ, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শফিকুল ইসলাম ও আওয়ামীলীগ কর্মী মোঃ রনি।

    ভোলাহাট উপজেলার গোহালবাড়ী ইউনিয়নের গোহালবাগী গ্রামের সাবের আলীর ছেলে ছাত্রলীগ নেতা তুষার আলীকে গ্রেফতার করে ভোলাহাট থানা পুলিশ। জেলা পুলিশের এক প্রেসনোট ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাব গঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হাম্মাদ আলীসহ ১৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত হাম্মাদ আলী জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের ডান হাত বলে পরিচিত এবং তার সাথে ওই আওয়ামীলীগ নেতার ঠিকাদারী ব্যবসা রয়েছে।

    পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, হাম্মাদ আলীর বিরুদ্ধে ৫আগষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্ত্বরে সরকারি মালখানা লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে এবং ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সদর মডেল থানার ওসি মোঃ মতিউর রহমান হাম্মাদ আলীকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

    এদিকে, হাম্মাদ আলী গ্রেফতার হওয়ায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ঠিকাদার বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে একজন জেলা আওয়ামীলীগের নেতার পৃষ্ঠপোষকতায় জেলার ঠিকাদারদের সাথে অনেক খারাপ আচরন করেছেন হাম্মাদ আলী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কাজে ক্ষমতা খাটিয়ে অন্য ঠিকাদারদের হয়রানী ও ক্ষতি করিয়েছেন। আওয়ামীলীগের এই নেতার অত্যাচারে বেশ কিছু ঠিকাদার আর্থিক ও মানষিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ।

    জেলা আওয়ামীলীগের ক্ষমতা খাটিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, এলজিইডি, পিডব্লিউডিবি, জেলখানা খাবার সাপ্লায়, জেলা পরিষদ, স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরে নিজেদের কাজ হাসিল করেছেন এবং অন্য ঠিকাদারদের হয়রানী করেছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন স্থানীয় ঠিকাদার।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদের ১৩ জন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা জানান, আওয়ামীলীগের দোষর হাম্মাদ ঠিকাদার কে গ্রেফতার করা হয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে।

    এছাড়াও নাচোল পৌরসভার সাবেক মেয়র নাচোল পৌরআওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আঃ রশিদ খান ঝাঁলু, নাচোল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হাসান তারিফ, শিবগঞ্জের আওয়ামী লীগের নেতা মামুনসহ জেলায় মোট ১৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা, ভাংচুর, বিষ্ফোরকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এমন অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্চ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মঈন উল বারি (৪৮) নামে এক                     আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান আবাসিক এলাকার ৪নং গেটের সামনের একটি বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশের ধারণা আইনজীবী মঈন উল বারি ৪ দিন আগে মারা গেছেন। মৃত মঈন উল বারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান এলাকার মৃত ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে। এলাকাবাসী ও পুলিশের সূত্র জানায়, বালু বাগান ৪নং গেটের সামনের বাড়িটি থেকে দুর্গন্ধ পান এলাকাবাসী।

    পরে বুধবার (৭ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশকে খবর দেয়। পরে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং রাজশাহীর সিআইডির একটি টিমকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রাজশাহী থেকে একটি সিআইডির টিম বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে খাটের ওপর মঈন উল বারির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এবং উদ্ধার করে। মঈন উল বারি ট্যাক্সের আইনজীবী ছিলেন এবং ঢাকায় প্যাকটিস করতেন।

    স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হবার পর সাড়ে ৪ বছর আগে ঢাকা থেকে বাড়ি চলে আসেন। একমাত্র মেয়ে ঢাকায় পড়াশুনা করে। বাড়িতে একাই থাকতেন তিনি। মঈন উল বারির বোন শামিমা নাজনিন বলেন, আমার ছোট ভাই ট্যাক্সের আইনজীবী ছিলেন এবং ঢাকায় প্যাকটিস করতেন।

    সাড়ে ৪ বছর আগে ঢাকা থেকে বাড়ি চলে আসেন। এরপর ৪ বছর আগে আমার বাবা মারা যান এবং ৭ মাস আগে আমার মা মারা যান। এছাড়া আমার ভাই ও ভাবি অনেক আগে ডিভোর্স হয়ে যায় এবং একমাত্র মেয়ে ঢাকায় পড়াশুনা করে। তাই আমার ভাই বাড়িতে একাই থাকতেন এবং একাকীত্ব জীবনযাপন করতেন।

    গত কয়েকদিন থেকে আমার ভাইকে ফোন করছি, কিন্ত সে ফোন ধরছে না। পরে এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। চাঁপাই-নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মতিউর রহমান বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমরা খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাড়িটি সিলগালা করে দেয়।

    বৃহস্পতিবার সকালে সিআইডির টিমসহ সদর মডেল থানা পুলিশ মঈন উল বারির মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি প্রায় ৪ দিন আগে মারা গেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল শনিবার শহরের শহীদ সাটু অডিটোরিয়ামে জেলা পুলিশ আয়োজিত ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে সুধী সমাবেশে’ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম বক্তব্য দেয়ার সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক লতিফুর রহমান বক্তব্য প্রদানে বাধা এবং অসৌজন্যমূলক আচরন করেন।

    শেষ পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে পারেন নি। সমাবেশে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি, ছাত্র-জনতা উপস্থিত থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

    সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি এমন বিরুপ আচরন ও কটাক্ষের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং স্বরাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দিন। প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন স্থানের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদে সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল/২৫ তারিখ শনিবার বিকেল ৪ টার সময় শহরের শহীদ সাটু অডিটোরিয়ামে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধী সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম, সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক), জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-কে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান।

    এই ঘটনার প্রতিবাদে এই প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন। ‘আমরা ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ও সকল মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। পাশাপাশি জুলাই অভুত্থানে শহীদদের মাগফেরাত কামনা করছি’।

    সম্মেলনে আরও বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে সুধী সমাবেশের আয়োজন করে জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান।

    এই সুধী সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্র-জনতা ও অন্যান্য দলের নেতা সহ সুধীবৃন্দ। তাছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাংগঠনিক কমান্ডের প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা তরিকুল আলম।

    বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম, টেলিভিশন, ফেসবুক হতে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক) মোঃ তরিকুল আলম বক্তব্য দিতে গিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টকে না মেলানোর আহ্বান জানান।

    এসময় সামনের সারিতে বসা জামায়াত নেতা লতিফুর রহমান উত্তেজিত হয়ে আঙুল উচিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা তরিকুল আলমের দিকে তেড়ে আসেন।

    চিৎকার করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে জোরপূর্বক বক্তব্য বন্ধ করতে বাধ্য করেন। তরিকুল আলম তার বক্তব্য শেষ করার জন্য অনুরোধ জানালেও শেষ পর্যন্ত কোন বক্তব্য রাখতে পারেন নাই এবং জেলা পুলিশ তখন নীরব ভূমিকা পালন করেন।

    বিষয়টি আমাদের জন্য লজ্জাজনক এবং হতাশাব্যঞ্জক। এই ঘটনার পরপরই ডিআইজি সাহেবকে বিষয়টি জানিয়ে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আপনাদের জানাতে চাই-মুক্তিযুদ্ধ ও অভুত্থান এক নয়।

    এই প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধী সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এরূপ বিরূপ আচরণ ও কটাক্ষের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এরূপ বিরূপ আচরণ ও কটাক্ষ করা না হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

    এছাড়া, অমুক্তিযোদ্ধা খাইরুল ইসলাম কর্তৃক ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য প্রকাশ ও ২৮/৪/২০২৫ তারিখ নয়াদিগন্ত পত্রিকায় এবং দিগন্ত টেলিভিশনে মিথ্যা ও অপ্রাসংগিক সাক্ষাতকার প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

    এছাড়াও খাইরুল ইসলাম ২৮/০৪/২০২৫ ইং তারিখ নয়াদিগন্ত পত্রিকা ও দিগন্ত টেলিভিশনে ১৯জন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অত্যন্ত অশালীন, আপত্তিকর, মিথ্যা ও বানোয়াট ভাষা ব্যবহার করে প্রতিবেদন প্রকাশ ও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এই সংবাদ সম্মেলন থেকে তারও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।