Category: রাজশাহী বিভাগ

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার-৮

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার-৮

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার ভোরে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর কেডিসি মাদক প্রবন এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বিভিন্ন মাদকসহ ৮ জন গ্রেফতার হয়েছে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেন রুবেল এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, কাস্টমস এর সমম্বয়ে টাস্কফোর্স টীম বুধবার (২০ আগষ্ট) ভোর রাত ৫টার দিকে এই অভিযান চালায়।

    বিষয়টি বুধবার সকালে এক প্রেসনোটে নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান। গ্রেফতারকৃত দের মধ্যে ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়েরের পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং ৩জনকে ভ্রাম্যমান আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর নুনগোলা কেডিসি পাড়ার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী মোসা: আছমা বেগম (৫৫), মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো: তানু (৪৫), মো: ইকরামুলের স্ত্রী মোসা: চিরল, মোঃ তাজু’র স্ত্রী বিজলী (৫০) এবং মৃত ইসলাম এর স্ত্রী , বুধি(৫০)।

    বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছে, একই এলাকার মো: খোশ মোহাম্মদ এর ছেলে মো: আরিফ (২৯), একই এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলে মো: মরু (৪০) এবং একই উপজেলার বাঙ্গাবাড়ীর মৃত মুজিবুর এর ছেলে মো: কাদির (৪৫)।

    অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যগুলো হচ্ছে, ইয়াবা-৮৪০ পিস, হেরোইন-১৪০ গ্রাম, হেরোইন পুরিয়া-৪৬৯ টি, গাঁজা-১.৩০০ কেজি, চোলাইমদ-১৯ লিটার, মাদক বিক্রিত নগদ ৫৬ হাজার  ১৭৫/- টাকা, হেরোইন পরিমাপক মেশিন-০৩টি, মোবাইল সেট-০১ টি।

    ডিএনসি’র প্রেসনোটে আরও জানানো হয়, মাদকসহ আটককৃতদের মধ্যে ৫ জনের বিরুদ্ধে ৩ টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে এবং বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপর ৩ জনের মধ্যে ২ জনকে ১মাস করে এবং ০১ জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

    এধরনের মাদকবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত ॥ ১২ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত ॥ ১২ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনুরা রেলওয়ে স্টেশনে তেলবাহী ট্রেনের পাঁচটি ওয়াগন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রহনপুর ও রহনপুর-রাজশাহী রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। উদ্ধার অভিযান শেষে সোমবার সকাল ৫টা ৩৫ মিনিট থেকে এই রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

    আমনুরা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার হাসিবুল হাসান জানান, রোববার সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে খুলনা থেকে ফার্নেস অয়েল নিয়ে আমনুরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আসছিল একটি তেলবাহী ট্রেন। ট্রেনটি স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সময় এর পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

    এই দুর্ঘটনার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই রুটে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই রহনপুর-ঈশ্বরদীগামী একটি কমিউটার ট্রেন ও রহনপুর থেকে রাজশাহী গামী পূনর্ভবা কমিউটার ২টি ট্রেন আমনুরা স্টেশনে আটকা পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

    ঈশ্বরদী থেকে একটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সোমবার সকালে লাইনচ্যুত ওয়াগন গুলো সরিয়ে লাইন মেরামত করা সম্ভব হয়। স্টেশন মাস্টার হাসিবুল হাসান আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল রাতভর কাজ করে লাইন স্বাভাবিক করেছে।

    এখন এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আরো জানান, যাত্রীবাহী ট্রেনের লাইন স্বাভাবিক থাকলেও মালবাহী ট্রেনের লাইন স্বাভাবিক করতে এখনো কাজ চলমান আছে। সেটিও সম্পন্ন হবে।

    এই দুর্ঘটনা কারণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে। তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে রহনপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এতে যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তবে বর্তমানে রেল চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ পৃথক স্থানে পদ্মা ও মহানন্দার বন্যার পানিতে ডুবে জেলায় ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এর মধ্যে চাঁপাই নবাবগঞ্জ পৌরসভার চরমোহনপুর গ্রামের ২ চাচাতো ভাই একসাথে গোসল করতে গিয়ে মহানন্দা নদীতে ডুবে যায়। অন্যদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলার তেররশিয়া এলাকায় নদীতে ডুবে ৪৪ মাসের এক শিশু ডুবে মারা যায়।

    ডুবে মারা যাওয়া শিশুরা হচ্ছে, চরমোহনপুর চকপাড়ার খোকনের ছেলে আরিয়ান (৪) ও তার চাচাতো ভাই কাউসার আলী লিটনের ছেলে মোজাহিদুর রহমান (৭) এবং জেলার শিবগঞ্জের চরপাঁকা দশরশিয়া গ্রামে শরিফুল ইসলামের ছেলে সাঈদ (১৩ মাস)। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পদ্মা ও মহানন্দার বন্যার পানিতে আপন দুই চাচাতো ভাইসহ তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    রবিবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের চরপাঁকা দশরশিয়া গ্রামে এবং বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের চরমোহনপুর চকপাড়া এঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র জানায়, রবিবার দুপুরে পরিবারের অজান্তে বাড়ির পাশে মহানন্দা নদীর বন্যার জমে থাকা পানিতে মাছ ধরতে যায় আরিয়ান ও মোজাহিদুর।

    এসময় সেখানে গর্তের মধ্যে পড়ে গিয়ে সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশষ্ট জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে, সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনিরা খাতুন বলেন-শিশু ২টি ডুবে আগেই মারা যায়, পরিবারের লোকজন শিশু ২টিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরীক্ষা করে ২ শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

    এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, বন্যার পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশু ডুবে মারা গেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশুদের মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে।

    এছাড়াও সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ১৩ মাস বয়সী সাঈদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মালেক জানান, সকালে সাঈদ পরিবারের অগোচরে বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে পড়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন ওই স্থান থেকে সাঈদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

    শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, বন্যার পানিতে ডুবে সাঈদ নামে ১৩ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে এ বিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৩ বাংলাদেশিকে আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৩ বাংলাদেশিকে আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট চামুচা সীমান্তে আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ-ইনের ঘটনায় ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে মহানন্দা (৫৯ বিজিবি) ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে ভোলাহাট ইউনিয়নের চামুচা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এসের নিকট দিয়ে ভারতের ১১৯ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কাঞ্চান্টার ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। বিজিবির চাঁনশিকারী বিওপি’র টহলদল খবর পেয়ে আন্তর্জাতিক সীমারেখা থেকে প্রায় ৮০০ গজ ভেতরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

    আটককৃতদের বাড়ি যশোর, টাংগাইল, কুমিল্লা, খুলনা, রংপুর, লালমনিরহাট, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পঞ্চগড়, ময়মনসিংহ ও ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন গ্রামে। তারা হলেন, মো. বিল্লাল হোসেন (৩২), বিষ্ণু বর্মণ (৩৪), মো. রবিউল ইসলাম (৩০), পিন্টু শেখ (৩০), মো. আনোয়ার হোসেন (৩৬), টিটু প্রামাণিক (৩০), মো. মেহেদী হাসান মুন্না (২৯), মো. সেলিম (২৯), মো. রুলাস (৩২), মেহের আলী (৩২), মো. রহমত (৪০), তহিল উদ্দিন সিকদার (৪০) ও মো. মোশারফ আলী (২১)।

    মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এক প্রেসনোটে জানান, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, তারা ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জীবিকার সন্ধানে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেয়। সাজা ভোগ শেষে বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করা হলে সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এস দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়।

    ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ভোলাহাট সীমান্তে আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ- ইনের ঘটনায় ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের খাবার দেওয়া হয়েছে এবং তাদের পরিচয় সনাক্ত করা হচ্ছে। পরিচয় সনাক্ত হলে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে।

    তিনি আরো বলেন, আটক হওয়া ১৩ জনের মধ্যে যদি কারো পরিচয় সনাক্ত না হয়, তাহলে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জানা গেছে, একই উপজেলা দিয়ে তিন মাস আগে বিএসএফ আরও ৭ বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করেছিল।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার পানি বৃদ্ধি ॥ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত ॥ পানিবন্দি ৭ হাজার পরিবার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার পানি বৃদ্ধি ॥ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত ॥ পানিবন্দি ৭ হাজার পরিবার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ উজানের ঢল আর অতিবৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৫টি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ৭ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিতে ডুবে গেছে রোপা, আমন, ভুট্টাসহ, শাক-সবজি আবাদ করা ৪০৩ হেক্টর জমি।

    এছাড়া ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ করায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। জানা গেছে, উজানের ঢল আর অতিবৃষ্টিতে ৪-৫দিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর ও আলাতুলী ইউনিয়ন এবং শিবগঞ্জ উপ-জেলার পাঁকা, উজিরপুর ও দূর্লভপুর ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

    জনপ্রতিনিধিরা জানান, সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫’শ পরিবার এবং আলাতুলী ইউনিয়নে ৬’শ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪৫০ পরিবার, পাঁকা ইউনিয়নে ২ হাজার পরিবার ও দূর্লভপুর ইউনিয়নের ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছেন।

    পাঁকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক জানান, পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতীরবর্তী নিন্মাঞ্চল ডুবে গেছে এবং সেই অঞ্চলে বসবাসকরা মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সংকট দেখা দিয়েছে খাদ্য ও পানির এবং গোখাদ্যেরও।

    এছাড়া প্রায় ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় সেখানে পাঠদান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গত ৪-৫ দিন ধরে এই অবস্থা বিরাজ করছে। অন্যদিকে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে পদ্মায় ভাঙ্গণ দেখা দেওয়ায় নদী তীরবর্তী মানুষ আতঙ্কে দিন পার করছেন।

    শিবগঞ্জ উপজেলার দুলর্ভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজম আলী বলেন, ইউনিয়নের দোভাগী, ফিল্ডেরহাট, বাদশাপাড়া, নামোজগন্নাথপুর এলাকার নিন্মাঞ্চলের জমিগুলো পানিতে ডুবে গেছে। এতে প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

    অন্যদিকে, সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বলেন, পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তার ইউনিয়নে প্রায় ৫’শ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। এতে করে এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে।

    এছাড়া নিন্মাঞ্চলের আবাদি জমিগুলো ডুবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া জানান, নদীর পানিতে ধান, ভুট্টা ও শাক-সবজিসহ ৩৬০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  • `ফ্যাসিবাদের পতনের দিবসে’ শিবগঞ্জে বিএনপির বিজয় র‌্যালি

    `ফ্যাসিবাদের পতনের দিবসে’ শিবগঞ্জে বিএনপির বিজয় র‌্যালি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ‘৫ আগস্ট’ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি শিবগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে এ র‌্যালির আয়োজন করা হয়। বিজয় র‌্যালিটি শিবগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

    র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হায়াত উদ্দৌলা। বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. মবিনুর রহমান মিঞা, সদস্য শরিফুল ইসলাম শারিফ, সদস্য আবদুল মাকেক, যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন অপু, একে আসগার, এরশাদ আলী বিশ্বাস।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জিন্নুর রহমান, সদস্য সচিব মতিউর রহমান লিটিল বিশ্বাস, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান কবির টুটুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সামসুল রহমান, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন রিপনসহ বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্ট আমাদের জন্য গৌরবের দিন। এই দিনে ছাত্র-জনতার বিজয়ের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের দাবিকে শক্তিশালী করা হয়েছিল।

    আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের এ দিনটি আমাদের আন্দোলনের প্রেরণা হয়ে থাকবে। র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বিএনপির চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে দুই বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে দুই বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী পদ্মা নদী থেকে শফিকুল ইসলাম ও সেলিম রেজা নামে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শনিবার দুপুর ও বিকালে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর এলাকা থেকে বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তারা কীভাবে মারা গেছেন তা নিশ্চিত করে বলতে পারেন নি বিজিবি ও পুলিশ কর্মকর্তারা।

    স্থানীয়দের দাবি, ভারতীয় সীমান্ত-রক্ষী বাহিনীর নির্যাতনে মারা গেছেন তিনি। দুই বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু ও শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া।

    নিহত শফিকুল ইসলাম ও সেলিম রেজার বাড়ি শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর-হঠাৎপাড়া
    গ্রামে। বিজিবি অধিনায়ক ও ওসি জানান, দুপুরের সীমান্ত সংলগ্ন পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় শফিকুলের মরদেহ দেখতে পায় বিজিবি সদস্যরা।

    পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে বিকালে একই এলাকা থেকে সেলিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তারা কীভাবে মারা গেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেন নি ওসি ও বিজিবি অধিনায়ক।

    স্থানীয়রা জানান, শফিকুল ইসলাম ও সোহেল রানা পদ্মা নদীতে মাছ ধরার পাশাপাশি সীমান্তে চোরাচালানের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি ও সেলিম রেজা নামে আরেক বাংলাদেশি নদীপথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যান। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তারা।

    নিহত শফিকুলের বোনের স্বামী ও স্থানীয় মনাকষা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহা. সমির উদ্দীন বলেন, নির্যাতনেই মৃত্যু হয়েছে শফিকুল ইসলামের। তার পুরো শরীরের অনেকগুলো ফোসকা রয়েছে। এগুলো অ্যাসিডে দগ্ধ হয়ে পড়া ফোসকার মতো। এছাড়াও তার অনেকগুলো দাঁত ভাঙা ছিলো।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে শ্রদ্ধা ও মানবতার মিলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে শ্রদ্ধা ও মানবতার মিলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ‘জুলাই জাগরণ অনুষ্ঠান ২০২৫’ উপলক্ষে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে এক ব্যতিক্রম ও মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) আয়োজিত কর্মসূচিতে ছিল স্বেচ্ছায় রক্তদান, ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং এবং রক্তদাতাদের ডাটাবেইজ তৈরি।

    পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল-শ্রদ্ধা জানানো হয় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান জুলাই শহিদ-দের প্রতি। আয়োজনে নেতৃত্ব দেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ মাসুদ পারভেজ।

    তিনি বলেন, “জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ শুধু স্মরণ করলেই চলবে না, তাদের আদর্শ অনুসরণ করে জনসেবামূলক কার্যক্রমে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এই কর্মসূচি তারই অংশ।” কর্মসূচিতে নানা শ্রেণিপেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। স্বেচ্ছায় রক্তদাতা একটি ডিজিটাল ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে যে কোনো সংকটে দ্রুত রক্ত জোগাড় করা সম্ভব হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “জুলাই আমাদের জন্য কেবল শোকের নয়, চেতনার মাস। এই মাসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা জীবন দিয়েছেন, সেই আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণা। চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে আমরাও যেন সেই আদর্শ ধারণ করতে পারি।” দোয়া মাহফিলে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয়।

    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ একে এম শাহাব উদ্দিন, ২৫০ শষ্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় ডাঃ মোঃ মাসুদ পারভেজ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদ, অর্থোপেডিক্স বিভাগের ডাঃ মোঃ ইসমাইল হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের ডাক্তার নার্স ও স্টাফরা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের এই আয়োজন কেবল এক দিনের অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি বার্তা, যেখানে শ্রদ্ধা, মানবতা ও সেবাবোধ একত্রে জাগরণ সৃষ্টি করে। আগামী দিনে এ ধরনের কর্মসূচি আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা সকলের।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই পূণর্জাগরণ’ কর্মসূচী পালন 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই পূণর্জাগরণ’ কর্মসূচী পালন 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহণ ও আলোচনা সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে আলোচনা সভা হয়। সারাদেশের সকল জেলায় এক যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

    বৈষম্যমুক্ত দেশ গঠনে শপথ নেন অংশ গ্রহণকারীরা। দেশ গড়তে এই শপথ করা হয়, ‘দেশের সকলকে এক সাথে নিয়ে দারিদ্র্যমুক্ত, সহিংসতা মুক্ত, মানবিক ও সাম্যের দেশ গড়ব। কারণ সরকার মানে আমি, আর রাষ্ট্র মানে আমরা। দেশের সকল নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষার চাদরে ঢেকে দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

    সেবার অভিগম্যতা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অঙ্গীকার করছি নারী ও শিশু নির্যাতন দুর করে শহরে, গ্রামে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। ঘরে, রাস্তায়, কর্মস্থলে, বিদ্যাপিঠে, সাইবার স্পেইসে গড়ে তুলব নারী ও শিশুর নিরাপদ বিচরণ। পিছিয়ে পড়া তরুণ সমাজকে চালিকা শক্তি করে সম্প্রীতির নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করব।’

    অন্যদিকে, জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমাজ সেবা কার্যালয় ও
    মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত মঞ্চে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক উম্মে কুলসুম।

    আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আফাজ উদ্দিন, সিভিল সার্জন এ কে এম শাহাব উদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসাঃ সাহিদা আখতার, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলোন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আহবায়ক মোঃ আব্দুর রাহিম।

    সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, দেশ গঠনে সবাইমিলে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে, জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। জুলাই আন্দোলনে আমাদের তরুণ ছাত্র সমাজ আমাদের পথ দেখিয়েছে, তাদের সাথে ছিল আমাদের মেয়েরাও। সেই কন্যাযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার দিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান মালা।

    আমরা দেখেছি, ১৬ জুলাই যেদিন আবু সাঈদ শহিদ হলেন, সেদিন আন্দোলনে একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে যখন ছাত্রীদের ওপর পেটুয়াবাহিনী ও টোকাইরা এবং নামধারী ছাত্র সংগঠন (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ) যখন ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়, তখন জুলাই আন্দোলন আরো বেগবান হয়।

    জুলাই আন্দোলনে জুলাই কন্যাদের অনেক ভূমিকা রয়েছে। সেই কন্যাদের আমরা শ্রদ্ধা জানাই। সেই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

  •  People for People Uk এর শিক্ষা সহায়িকা সামগ্রী বিতরণ

     People for People Uk এর শিক্ষা সহায়িকা সামগ্রী বিতরণ

    People for People বাঙালি কমিউনিটি কর্তৃক শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আজ বুধবার (২৩/০৭/২৫) ১১ ঘটিকার সময় উদ্দীপন একাডেমির হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

    উদ্দীপন একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তাহের-এর সভাপতিত্বে ও People for People এর সেচ্ছাসেবক ডা. আক্তার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর প্রবেশন অফিসার তমির হোসেন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদ্দীপন একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক সাহেদারা বেগম।

    উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, People for People এর সেচ্ছাসেবক কবি ও সাংবাদিক ডা. হাফিজুল ইসলাম লস্কর।

    উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, People for People এর সেচ্ছাসেবক ডা. মিনহা ছাদিক মান্না, মারজানা বেগম, উদ্দীপন একাডেমির শিক্ষক- আনোয়ার হোসেন লিটন, মহসিন আহমদ, আঞ্জুমান আরা, জমিরুল হক, সৈয়দ নাছিম আহমদ, রাসেল আহমদ, ফাহিমুর রহমান ফাহাদ, আলীম উদ্দীন, কাউছার আলম।

    উক্ত অনুষ্ঠানে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ থেকে তেলাওয়াত করেন, উদ্দীপন একাডেমির ৬’ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছাব্বির আহমদ।