Blog

  • সাটুরিয়ায় ঋণের টাকা থেকে বাঁচতে অপহরণ নাটক !

    সাটুরিয়ায় ঋণের টাকা থেকে বাঁচতে অপহরণ নাটক !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ঋণের টাকা থেকে বাঁচতে অপহরণ নাটক সাজিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এক ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে টাঙ্গাইলের রাজমনি হোটেল থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। ভবিষ্যতে এমন করবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    পুলিশ জানায়, ঋণের টাকা শোধ করতে না পেরে নিজেকে অপহরণের নাটক সাজিয়েছেন সাটুরিয়ার শিমুলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী (৩০)। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তদন্ত কর্মকর্তা মানবেন্দ্র বালোর (ওসি তদন্ত) নেতৃত্বে একটি টিম টাঙ্গাইলের রাজমনি হোটেল থেকে তাকে আটক করে সাটুরিয়া থানায় নিয়ে যান। রাতে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি শিমুলিয়া গ্রামের নজর আলীর পুত্র ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বিকেলে পাওনাদারের দেড় লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরে আর ফিরে আসেননি।এ সময় তাহার ব্যবহৃত ফোন বন্ধ পায় পরিবারের লোকজন। পরদিন বিকেলে ইদ্রিস আলীকে কল করেন তার ভগ্নিপতি আমিনুর। অপরপ্রান্ত থেকে কে বা কাহারা ফোন রিসিভ করে অপহরণের কথা জানান এবং ব্যাংকের মাধ্যমে আট লাখ পঁচিশ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমিনুর এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা মানবেন্দ্র বালো (ওসি তদন্ত) বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর বাদীর দেওয়া তথ্যে ধারণা করি এটি অপহরণের মামলা নয়। এভাবে তদন্ত করে বিভিন্ন লোকেশনে অভিযান পরিচালনা করে অবশেষে টাঙ্গাইল শহরের রাজমনি হোটেল থেকে ইদ্রিস আলীকে উদ্ধার করি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানতে পারি এলাকায় মানুষের কাছে ঋণে জর্জরিত তিনি।সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, ‘বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ব্যবসায়ী অপহরণের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার চাপে ছিলাম। সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আমার কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনা দিয়ে ইদ্রিস আলীকে উদ্ধার করতে সমর্থ হই।

    ঋণের জালে জর্জরিত হয়ে এ রকম একটা ঘটনা ঘটায় সে। এটা যে অপরাধ, বুঝতে পারেনি। মানবিক দিক বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

     

     

  • ভ্যালেনন্টাইন্স ডে’ র মহত্ব !

    ভ্যালেনন্টাইন্স ডে’ র মহত্ব !

    এখন ভালবাসা চলে মেসেঞ্জার কিংবা হোয়্যাটসঅ্যাপে। নির্জনে ঘরের পিছন, পড়ার টেবিল ঘেষা জানালারদ্বার কিম্বা স্কুল ফেরার পথে ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দিন শেষ।

    এখন ভালবাসার প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতি সহজ ও সস্তায় ‘আই লাভ ইউ’ বলায়। পরিবর্তনের এই ধারায় অন্তত আমাদের দেশে ভালবাসা এখন সস্তা, ও  নিদিষ্ট দিনে ‘ভালবাসা দিবস’ উদযাপন গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।

    অসভ্য যুগ থেকে মানুষ সভ্য যুগে প্রবেশ করেছে ভালবাসাকে আশ্রয় করে।বহুকাল থেকেই ভালোবাসাকে আশ্রয় করে মানুষের সঙ্গে মানুষের মেলবন্ধন গড়ে উঠেছে। ভালোবাসার শক্তিতে মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। আবার এই ভালোবাসার অভাবেই মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই মানব জীবনে ভালবাসার গুরুত্ব এককথায় অপরীসিম।

    এ গুরুত্বকে পরিস্ফুটন করতে প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে মানুষ ভালো-বাসার জন্য একটি নিদিষ্ট দিবস উদাপন করে আসছে যার নাম ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’। আজ ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে,। আমার শুভার্থী সকলকে ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ এর শুভেচ্ছা ও অভিবাদন।

    আজকের দিনটি আবালবৃদ্ধবনিতা সবার হলেও, প্রধানত তারুণ্যের জয়জয়কারই সর্বত্র। এই দিনটি নিয়ে আমার লেখার দেরী হলেও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো নানা ধরনের ট্রলে এবং স্ট্যাটাসে ভরে গেছে।

    অনেকের আবার বক্তব্য, এই ভালোবাসা দিবসে তাদের কোনো সঙ্গী না থাকায় তারা অনেক কষ্ট পাচ্ছেন। ভাবতেই পারছেন না কিভাবে তারা এই দিবসটি পালন করবেন।

    ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ ঐতিহাসীক বর্ননায় মতান্তর রয়েছে। ঠিক কবে, কখন, কোথা থেকে এ ভালোবাসা দিবস উদযাপনের সূচনা তা নিয়ে মতবাদের অন্তঃ নেই।

    কেউ কেউ মনে করেন, ভালোবাসা দিবস পালিত হয় প্রাচীন রোমের প্রেমের দেবী জুনোকে স্মরণ করে। আবার কারো কারো মতে ভালোবাসা দিবস উদযাপিত হয় সেন্ট ভ্যালেন্টাইন এর করুণ হৃদয়- বিদারক প্রেমের কাহিনীকে স্মরণীয় করে রাখতে।

    জানা যায়, ভ্যালেন্টাইন ছিলেন রোমের এক সাহসী ও হৃদয়বান বীর।  তার জীবদ্দশায় রোমের রাজা ক্লোডিয়াস ছিলেন এক নিষ্ঠুর শাসক। হঠাৎ তার ভ্রম হয়েছিল যে, বিবাহিত সৈন্যদের চেয়ে অবিবাহিত সৈন্যরা বেশি কর্মঠ ও শক্তিশালী। এমন মনোভাব থেকে তিনি তরুণ বীরদের বিবাহ নিষিদ্ধ করে দেন।

    তাঁর এই নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে ভ্যালেনন্টাইন্স তরুণদের গোপনে বিয়ে দেয়া শুরু করলে রাজা ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ভ্যালে-ন্টাইনের এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল আজকের এই তারিখে অর্থাৎ ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে।

    ঘটনা প্রসঙ্গে লোকশ্রুতিতে রয়েছে যে, কারাগারে থাকা অবস্থায় ভ্যালেন্টাইন এক কারারক্ষী নারীর প্রেমে পরেন। মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে সে তাঁর প্রেমিকাকে একটি মিষ্টি চিঠি লিখেছিলেন যার শেষে লিখেন – ‘ইতি তোমার ভ্যালেন্টাইন’। সেই থেকেই পালিত হচ্ছে ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে”  বা ভালবাসা দিবস।

    গবেষণা বলে প্রেমে পড়লে মানুষের আত্মঃবিশ্বাস  বহুগুণে বেড়ে যায়। এর জন্য হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াও সচল হয় যা জীবনে সফলতার ছোঁয়া বয়ে আনে। তাই জীবনের সাফল্যের জন্য একবার হলেও প্রত্যেকটি মানুষ কে প্রেমে পরা প্রয়োজন।

    একথা সত্য যে, কর্মময় জীবনে আমরা সকলেই ব্যাতি-ব্যস্ত, সময় পার করি। আর ভালবাসার মানুষটি হলো সকল ক্লান্তি দূরীকরণের অসাধারন মেডিসিন। যার সংস্পর্শে  ও অতুলনীয় সৌন্দর্যে দিনশেষে মুগ্ধ হয় প্রিয়জনরা।

    অনিন্দন যে, একজন মানুষ প্রেমিক/প্রেমিকা হলে অনায়েশেই সে নিয়মানুবর্তিতায় অভ্যস্ত হয়। ফলশ্রুতিতে তার জীবণে ধীর- স্থীরতা আসে এবং জীবনে সফলতা অনিবার্য হয়ে উঠে।

  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যা দরকার !

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যা দরকার !

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কোলাজেন খুবই উপকারী। কোলাজেন এমন এক ধরনের প্রোটিন, যা ত্বকের একটি প্রধান বিল্ডিং ব্লক এবং ত্বকের গঠন, শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যারা ত্বকের কোলাজেন বাড়াতে চান প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাদের কিছু ফল যোগ করা উচিত। যেমন-

    কমলা: কমলালেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এই ফল শরীরকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। দূষিত পদার্থ এবং সূর্যের সংস্পর্শে ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কমলা মুখের উজ্জ্বলতা বেজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন একটি বা দুটি কমলা খেলে কালো দাগ ও ব্রণের দাগ হালকা হয়ে যায়।

    বেরি: সব ধরনের বেরি, যেমন স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরি এবং ক্র্যানবেরি কোলাজেন সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল। সব বেরিতেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি থাকায় এই জাতীয় ফল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও বেরিতে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা ত্বককে ইউভি ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে।

    গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল: আনারস, কিউই, প্যাশন ফল, আম এবং পেয়ারার মতো ফল কোলাজেন বাড়ায়। এসব ফল শুধু খেতেই সুস্বাদুই নয়, শরীরকে ভিতর থেকে পুষ্টি জোগায়। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। এর পাশাপাশি পেঁপেতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম রয়েছে, যা ত্বকের এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য বলে পরিচিত।

    আঙ্গুর ফল : আঙ্গুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সি-ডেন্ট থাকায় এই ফল ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে। আঙ্গুর খেলে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড পুনরায় পূরণ করতে সাহায্য করে, যা আপনাকে আরও কোলাজেন বুস্ট দিতে পারে।

    অ্যাভোকাডো: এই ফলটি অনেক স্বাস্থ্য উপকারী এবং সুস্বাদুও। অ্যাভোকাডো খেলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে। সেই সঙ্গে ত্বক নরম ও কোমল হয়। এতে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন সি এর মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এই ফল কোলাজেন বাড়াতে সাহায্য করে।

     

  • বৈশ্বিক বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি ১৮% বৃদ্ধি

    বৈশ্বিক বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি ১৮% বৃদ্ধি

    জানুয়ারিতে বৈশ্বিক বৈদ্যুতিক ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান রো মোশন এ তথ্য জানিয়েছে।

    ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবৃদ্ধি চীনের তুলনায় বেশি ছিল, যা গত বছরের ফেব্রুয়ারির পর প্রথমবারের মতো দেখা গেল। খবর রয়টার্স। ইউরোপীয় বাজার শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে, কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে নতুন কার্বন নিঃসরণ নীতিমালা কার্যকর হয়েছে।

    অন্যদিকে, চীনের নববর্ষ উদযাপনের কারণে সে দেশে মাসিক ভিত্তিতে বিক্রি ৪৩% হ্রাস পেয়েছে। রো মোশনের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে বিশ্বব্যাপী বৈদ্যুতিক ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির বিক্রি ১.৩ মিলিয়ন ইউনিটে পৌঁছেছে, যা ১৭.৭% প্রবৃদ্ধি। চীনে বিক্রি হয়েছে ০.৭ মিলিয়ন গাড়ি, যা ১১.৮% বৃদ্ধি।

    ইউরোপে বিক্রি ২১% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.২৫ মিলিয়নে। ফ্রান্সে প্লাগ-ইন হাইব্রিডের নতুন ওজন কর আরোপের ফলে বিক্রি ৫২% কমে গেছে, তবে জার্মানিতে ৪০% প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বিক্রি ২২.১% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.১৩ মিলিয়নে।

    চীন সরকার গাড়ি বদল সংক্রান্ত ভর্তুকি ২০২৫ পর্যন্ত বাড়িয়েছে, আর ইউরোপ নতুন কার্বন নিঃসরণ নীতি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। তবে মাসিক ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী বিক্রি ৩৫% কমেছে, যার প্রধান কারণ চীনে বড় ধরনের বিক্রির পতন।

  • স্টারলিংক সেবা আনতে ইলন মাস্কের সঙ্গে ড. ইউনূসের আলোচনা

    স্টারলিংক সেবা আনতে ইলন মাস্কের সঙ্গে ড. ইউনূসের আলোচনা

    স্টারলিংক সেবা বাংলাদেশে আনতে স্পেসএক্স, টেসলা প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সের (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্কের সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি, ইলন মাস্ককে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইলন মাস্কের সঙ্গে ভিডিওকলে ভবিষ্যতের সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালু করার বিষয়ে আরও অগ্রগতি অর্জনের জন্য একটি বিস্তৃত আলোচনার প্রাক্কালে তিনি এই আমন্ত্রণ জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য জানায়।

    বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধি-কার বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, স্পেস এক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার ও গ্লোবাল এনগেজমেন্ট অ্যাডভাইজার রিচার্ড গ্রিফিথস।

    আলাপকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ইলন মাস্ক স্টারলিংকের স্যাটেলাইট যোগাযোগের রূপান্তরমূলক প্রভাব, বিশেষ করে বাংলাদেশের উদ্যোগী যুবক, গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ নারী এবং প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    উচ্চগতির ও স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ কীভাবে বাংলাদেশের ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে পারে, সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষমতায়ন এবং দেশের লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে জাতীয় সীমানার বাইরে প্রবেশাধিকার দেওয়ার উপায় নিয়ে এ সময় আলোচনা করা হয়।

    টেসলা মোটরসের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক বলেন, তিনি অনেক বছর ধরে গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ পল্লী ফোনের উভয়ের কাজের সঙ্গে পরিচিত। স্টারলিংকের মতো প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে কাজে লাগানো বাংলাদেশে উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে বলে ।

    ড. ইউনূস স্টারলিংক সেবার সম্ভাব্য চালুর জন্য ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং জাতীয় উন্নয়নে এই উদ্যোগের তাৎপর্য তুলে ধরেন, যার প্রতি মাস্ক ইতিবাচক সাড়া দেন। মাস্ক বলেন, ‘আমি এটির জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’

    এই সম্পৃক্ততা বাংলাদেশে উন্নত স্যাটেলাইট সংযোগ আনা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং দেশজুড়ে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    উভয় পক্ষ এই উদ্যোগে দ্রুত অগ্রগতি আনতে সম্মত হয়েছে এবং হাই রিপ্রেজেন্টটটিভ খলিলুর রহমান, মিসেস ড্রায়ার এবং মি. গ্রিফিথসকে আরও কাজের সমন্বয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     

  • প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ চলছে না- কাদের সিদ্দিকী

    প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ চলছে না- কাদের সিদ্দিকী

    টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. আকলিমা বেগমের আমন্ত্রণে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ চলছে না।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যা চায় এটা হওয়া উচিত। সাধারণ মানুষ স্বস্তি চায়, শান্তি চায়, ভালোবাসা চায়। ভালোভাবে থাকতে চায়। এখন সবাই কষ্টে আছে।

    বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাদের সিদ্দিকী তার দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্ম-কর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র রাহাত হাসান টিপু, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান খান, জেলা যুব আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ইবনে হাসান টিটু, বাসাইল পৌর যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সমির নাগ, জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সদস্য রকিবুল ইসলাম মিয়া প্রমুখ।

     

  • ফিট থাকতে ওয়াইন পান করেন কারিনা কাপুর!

    ফিট থাকতে ওয়াইন পান করেন কারিনা কাপুর!

    বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। দুই সন্তানের মা হয়েও তিনিরয়েছেন ফিট। কৃত্রিম কোনো ট্রিটমেন্ট নেননি। চল্লিশোর্ধ্ব এই নায়িকার ফিট থাকতে ঘরোয়া শরীরচর্চায় নিজের বয়স ধরে রেখেছেন। গত বছর বলিউড নির্মাতা করণ জোহরের একটি শো-এ বোটক্স প্রসঙ্গে আলোচনা করেন কারিনা।

    সেই শোতে নায়িকা জানান, নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এমন কোনো কিছুরই দরকার নেই তার। আর্টিফিশিয়াল ট্রিটমেন্টে স্বামী সাইফ আলি খানেরও আপত্তি রয়েছে বলে জানান তিনি।

    কারিনার ভাষায়, ‘সাইফ এখনও এ বয়সে আমাকে এভাবেই দেখতে পছন্দ করে। আমিও আমার বয়স নিয়ে গর্বিত। ৪৪ বছর বয়সেও আমি তার কাছে আকর্ষণীয়।

    আসলে বয়স লুকানোর বিষয় না, বরং উদ্যাপনের বিষয়। তবে ফিট রাখতে ডায়েটের ওপর বেশ সতর্ক তিনি। তার কথায়, বোটক্স না করালেও শরীরচর্চা করি। সঠিক উপায়ে, সঠিক সময়ে খাবারটা খাই। ভালো পানীয় হিসেবে ওয়াইন ছাড়া মদ্যপান করেন না তিনি।

    প্রসঙ্গত, ‘দ্যা বাকিংহাম মার্ডারস’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর।

    থ্রিলারধর্মী অ্যাকশন নির্ভর সিনেমাটি ততটা সাড়া না ফেললেও কারও কারও কাছে তালিকার শুরুতেই ছিল।

  • আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাই- অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

    আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাই- অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জনগণ চায় স্থানীয় সরকার সচল হোক। আমরাও চাই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হোক। তিনি বলেন, সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করলে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।

    বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জামায়াতের ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল। বৈঠকে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

    সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ২৩ দফা দাবি জানিয়েছি। বিশেষ করে সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করলে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সেই সময় দিতে জামায়াত প্রস্তুত।

  • জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হলে দেশে মহাসংকট নেমে আসবে

    জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হলে দেশে মহাসংকট নেমে আসবে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ছাত্র-জনতা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন ও রক্ত দিয়ে জাতিকে নতুন বাংলাদেশ এনে দিয়েছে। এখন আমাদের দায়িত্ব তাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠন করা।

    দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত নেতৃত্ব জাতিকে উপহার দিতে ব্যর্থ হলে জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হবে। এই বিপ্লব ব্যর্থ না করে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত নেতৃত্ব জাতিকে উপহার দিতে হবে। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু বক্তৃতা দিয়ে নয় জাতির সামনে শপথ করুন, একটি বৈষম্য মুক্ত, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখবেন।

    আর এটা যেই রাজনৈতিক দল পারবে না, তাদেরকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বয়কট করতে হবে। তিনি আরো বলেন, দেশ ও জাতি গঠনে যুবকেরা উদ্যমী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সমাজের পরিবর্তনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারে। নিজের জীবন ও রক্ত বিলিয়ে দিতে পারে।

    এই যুব সমাজই পারে একটি আলোকিত সমাজ গঠন করতে। তবে এজন্য তাকে নৈতিকতা ও আদর্শ এবং মানবিক গুণাবলী অধিকারী হতে হবে। একজন মানুষের দায়িত্ব হচ্ছে, সত্য এবং সুন্দরের প্রতিনিধিত্ব করা। এই সুন্দর ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

    যুবকদেরকে যদি নৈতিক শক্তিতে তৈরি করা না যায়, তবে এই যুব শক্তি সমাজের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। যুবকরা সমাজ আলোকিত করতে পারে আবার অন্ধকারও করতে পারে। আমাদের যুব শক্তিকে আলোকিত করতে হবে।

    সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসু-দেবপুর ইউনিয়নের এক যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আজকের সমাজ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। কারণ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট অপশক্তি যুব সমাজের হাতে গাঁজা তুলে দিয়েছিল। হেরোইন, মদ, নারী আর বেহায়াপনায় যুবকদের রাষ্ট্রীয় মদদে লিপ্ত করা হয়েছে।

    প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রে আজ আমাদের দেশের কোটি কোটি যুবক বেকার। এই যুবকদের যদি মানব সম্পদে পরিণত করা হতো তাহলে বাংলাদেশ হতো বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী জাতি। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে যুব সমাজকে মানব সম্পদে পরিণত করা হবে, করতে হবেই। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

    বাসুদেবপুর ইউনিয়ন আমীর অধ্যাপক আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে হাতনাবাদ মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত যুব সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন আদর্শ শিক্ষক পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ড. ওবাইদুল্লাহ্।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আমীর হাফেজ আব্দুল আলিম, সেক্রেটারী আব্দুর রহমান, পৌর আমীর গোলাম রাব্বানী সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

     

  • জুলাই-আগস্টে পুলিশ বৃষ্টির মত গুলি করেছে- ইউনিসেফ

    জুলাই-আগস্টে পুলিশ বৃষ্টির মত গুলি করেছে- ইউনিসেফ

    বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনা সম্পর্কে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের প্রতিবেদনটি হৃদয়বিদারক। প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১৪০০ জন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে শতাধিক শিশু ছিল। আমরা তাদের প্রত্যেকের জন্য শোক প্রকাশ করছি।

    জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ বিবৃতি দেন রানা ফ্লাওয়ার্স।

    বিবৃতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনিসেফের প্রতিনিধি বলেন, প্রতিবেদনে লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা, শারীরিক আক্রমণ ও ধর্ষণের হুমকিসহ, নথি-ভুক্ত করা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল নারীদের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। সে সময় শিশুরা রেহাই পায়নি। তাদের হত্যা করা হয়, পঙ্গু করা হয়, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হয়, অমানবিক অবস্থায় আটক করা হয় এবং নির্যাতন করা হয়।

    একটি ভয়াবহ ঘটনায় ধানমন্ডিতে ১২ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারী ২০০টি ধাতব গুলির কারণে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে মারা যায়। আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জে। ছয় বছর বয়সী এক কিশোরী, যে তার ছাদ থেকে সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। ৫ আগস্ট, বিক্ষোভের সবচেয়ে মারাত্মক দিনগুলির মধ্যে একটি।

    আজমপুরে একটি ১২ বছর বয়সী বালক অন্তত এক ডজন মৃতদেহের সাক্ষী। সে ‘বৃষ্টির মতো’ পুলিশের গুলি চালানোর বর্ণনা দিয়েছে। এই ঘটনাগুলো অবশ্যই আমাদের সকলকে আতঙ্কিত করে তুলবে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিশুদের সঙ্গে ‘আর কখনো হবে না’ তা নিশ্চিত করার জন্য দেশটির কাছে আবেদন করছে।

    ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানায়, সহিংসতা, অপব্যবহার, এবং শিশুদের বে-আইনি আটকের সমস্ত ঘটনা স্বাধীন তদন্ত করতে হবে। বিচার খাতের সংস্কার করতে হবে, যা শিশু সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের আইনি কাঠামোকে সারিবদ্ধ করে। ভবিষ্যৎ আইনের লঙ্ঘন প্রতিরোধ করার জন্য শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা, যার মধ্যে স্বাধীন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
    বাংলাদেশ এখন বড় আশা, পরিবর্তন ও রূপান্তরের মুহূর্তে রয়েছে।

    সংস্কার কমিশনগুলো বর্তমানে পুলিশ বিভাগ, আদালত ও বিচার ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ পুনর্নির্মাণ এবং পুনর্নির্মাণের উপায়গুলো খুঁজছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, আরও ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ তৈরি করার সুযোগ রয়েছে।

    আসুন আমরা এই মুহূর্তটিকে অর্থপূর্ণ সংস্কারের জন্য কাজে লাগাই এবং নিশ্চিত করি যে বাংলাদেশের কোনো শিশু, পরিবার এবং সম্প্রদায়কে আর এ ধরনের ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে যেতে হবে না।