Blog

  • “এসপ্রেসো”

    “এসপ্রেসো”

    তোমার শহর ছেড়ে দিয়েছি
    ভুলে গিয়েছি, বাতাসের গন্ধ
    -মিতালী মৃদতায়,
    পাশে থাকার আনন্দ।।

    ছিল, অমৃত সাধ
    কাঁটাতে দিবস-রাত-
    অতি চুপিসারে-
    তোমার নগ্ন বুকেঁ।।

    হারিয়ে ফেলেছি পথ
    যা ছিল চির-চেনা,
    স্বরণে কৃতার্থতা,
    শোধিতে দায় -দেনা।

    অকারণ, বাড়ছে বাতুলতা!
    আজ, দেউরী ধারায়,
    চুপি-চুপি কানাঘোষা
    -পাড়ায় পাড়ায়।

    এ নাকি প্রেম রোগ ?
    নাই যার সুখ-দুখ!
    অকারণে বিলাপ হাসিঁ
    চিরন্তন ছেড়ে, কল্পনা ভালবাসি !

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্স এর অভিযানে গাঁজাসহ আটক-৪ 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্স এর অভিযানে গাঁজাসহ আটক-৪ 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের গঠিত টাস্কফোর্সের নিয়মিত অভিযানে ৪ মাদক কারবারী আটক হয়েছে। অভিযানে গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

    ১৩ জানুয়ারী বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পি.টি.আই বস্তি এলাকায় চালানো অভিযানে আটক হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চাঁদলাই জোড়বাগান মহল্লার মৃত সেন্টুর স্ত্রী মোসা: কিসমত আরা (৪৭), পি.টি.আই এলাকার মোঃ হৃদয় এর স্ত্রী মোসা: নিসা বেগম (৩০), নয়ন শুকা কামারপাড়ার মোঃ মজিবর রহমানের মেয়ে মোঃ জহুরুল ইসলাম (৩৫) এবং রেহাইচর আদর্শপাড়ার মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ রহমত আলী (৪০)।

    এসময় ৪ জনের কাছ থেকে ৭০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারকৃত আসামি-দের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ পৃথক ভাবে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।

    বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তায়েফ উল্লাহ হুজাইফ শুনানি শেষে, প্রথম আসামিকে ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড, দ্বিতীয় আসামিকে ৫ (পাঁচ) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, তৃতীয় ও চতুর্থ আসামিকে ৩ (তিন) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এক প্রেসনোটে বিষয়টি নিশ্চিত করে এক প্রেসনোটে বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক নির্মূলে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • গোমস্তাপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৭ জনকে পুশ-ইন

    গোমস্তাপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৭ জনকে পুশ-ইন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএস এফ)। মঙ্গলবার রাতে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার চাড়ালডাংগা সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।

    পরে বুধবার ভোরে তাদের আটক করে নওগাঁস্থ ১৬ বিজিবি। বিজিবির ১৬ ব্যাটালি-য়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ওই ১৭ জন বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।

    এরপর সীমান্ত থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার ভেতরে শিবনগর বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ৪ জন
    শিশু রয়েছে। তারা সবাই খুলনা ও যশোর জেলার বাসিন্দা।

    বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, আটক ব্যক্তিরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর দেশটির পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। পরে আগ্রা কারাগারে প্রায় তিন বছর সাজা ভোগ করেন তারা।

    সাজার মেয়াদ শেষে ভারতীয় পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের টিলাশন ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করে।

  • ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ !

    ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ !

    স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ- ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্রের সদস্য শাহানুর রহমান। এতে টাকা হারিয়ে মহা বিপাকে পড়েছে ভুক্তভোগি ইশরাত জাহানের পরিবার। এঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি অভিযোগ দাখীল করেছেন ভুক্তভোগী ইশরাত জাহান।

    অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের আইনুদ্দিনের ছেলে শাহানুর রহমান (৩৮) বিভিন্ন এলাকার লোকজনের নিকট হইতে টাকা পয়সা নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রালয়ের অধীনে চাকুরি দিয়ে দেয় মর্মে প্রচার করিতে থাকে।

    প্রতারক শাহানুরের সহিত অভিযোগকারী ঝিনাইদহ শহরের উপশহরপাড়ার মৃত এরশাদ আলীর কন্যা ইশরাত জাহানের ভাই এবং তার স্বামী কোটচাঁদপুরের লক্ষীপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে আবু লাছের কথা হয়।

    প্রতারক শাহানুর ইশরাতের স্বামী আবু লাছকে তথ্য অধিদপ্তরে ক্লারিক্যাল পদে চাকুরি দিয়ে দিবে বিনিময়ে ১০০০০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা দিতে হবে মর্মে ০৭/০৯/২৩ তারিখে ভুক্তভুগী ইশরাতের পিতার বর্তমান বাসার ঠিকানা ঝিনাইদহ শহরের উপশহর পাড়ার বাড়িতে আসিয়া সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০০ টাকার একটি লিখিত নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে ৬০০০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা ইশরাত ও তার স্বামীর নিকট হতে গ্রহণ করে। এসময় উপস্থিত সাক্ষীগণও উক্ত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন।

    পরে প্রতারক শাহিনুর ইশরাতের স্বামী আবুলাছকে কোন চাকুরির ব্যবস্থা করিতে না পারায় ইশরাত শাহনুরের নিকট তাদের প্রদানকৃত টাকা ফেরত চাইলে শাহানুর বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা করিতে থাকে।

    এক পর্যায়ে ইশরাত তার স্বামী শ্বশুরের জায়গা জমি বিক্রয় করিয়া আবুলাছকে গত ইং ২৩/০১/২৫ তারিখে কুয়েতে পাঠিয়ে দেই।

    কিন্তু প্রতারক শাহানুর অদ্যবধি ইশরাতদের প্রদানকৃত টাকা ফেরত দেয় নাই। মহা বিপাকে পড়ে পরবর্তিতে ইশরাত জাহান গত ইং ০৯/০১/২৬ তারিখে স্বাক্ষীদের নিয়ে প্রতারক শাহানুরের এনায়েতপুর গ্রামের বাড়িতে যাইয়া চাকুরীর জন্য প্রদানকৃত টাকা ফেরত দিতে বলিলে শাহানুর ফেরত দিতে অস্বিকার করে খুন জখমের হুমকি দিয়া তাড়িয়ে দেয়।

    এঘটনায় স্বাক্ষীগণসহ এলাকার অনেক লোকজন ঘটনার বিষয় অবগত আছে বলে জানায় ইশরাত। ইশরাত জাহান আইন বিচার কর্তৃপক্ষ ও সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে জানায়, এসব প্রতারক চক্রের সমস্ত সদস্যদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দিতে হবে। যাতে করে আর কখোনো কেউ এই প্রতারক চক্রের কাছে প্রতারিত হতে না পারে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাকরী চক্রের সাথে ঝিনাইদহ এনায়েত পুরের শাহানুর, চুয়াডাঙ্গা জীবননগর এলাকার ইনজামামুল হক, বোয়ালখালীর ফরিদপুর এলাকার সবুজ কুমার বালাসহ একাধীক প্রতারক জড়িত মর্মে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

    এদিকে সরকার পরিবর্তনের আভাষ পেয়ে চাকরী চক্রের সদস্য প্রতারক শাহানুর এলাকা ত্যাগ করে নিজেকে বাঁচাতে কুমিল্লা দেবিদ্বার এলাকায় একটি প্রাইভেট কলেজে শিক্ষকতা পেশায় ঢুকে পড়ে।

    অপরদিকে চুয়াডাঙ্গা জীবননগর এলাকার ইনজামামুল হক ঢাকায় সরকারী শিল্প মন্ত্রনালয়ের অধিনে এমআইএস বিভাগে ডাটা এনালিষ্ট হিসাবে কর্মরত রয়েছে।

    এঘটনায় শাহানুর রহমান ও ইনজামামুল হকের মুঠোফোনে একাধীক বার কল করার পরেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    এবিষয়ে অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর থানার এসএই শিশির বলেন তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • মানিকগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা!

    মানিকগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা!

    মানিকগঞ্জে এক নারী হত্যাকান্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মোশাররফ হোসেন (৪৫)। তিনি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পৌলী গ্রামের বাসিন্দা।

    পুলিশ জানায়, মোশাররফ দুটি বিয়ে করেছিলেন এবং দুই স্ত্রীই তাঁকে তালাক দিয়ে চলে যান। অর্থনৈতিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।

    ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পৌলী গ্রামে নিজ বাড়িতে খুন হন নুরজাহান বেগম (৫৫)। তিনি স্থানীয়ভাবে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন। টিনশেড ঘরের গোসলখানার ভেন্টিলেটরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র তাকে হত্যা করে।

    ঘটনার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে শিবালয় উপজেলার দক্ষিণ শালজানা এলাকা থেকে মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর মোশাররফ স্বীকার করেছেন যে, নুরজাহান বেগমের সঙ্গে তাঁর অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া এবং জনসম্মুখে অপমানজনক মন্তব্য করায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। এ থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করেন।

    স্বীকারোক্তিতে আসামি জানান, ঘটনার রাতে সুযোগ বুঝে তিনি নুরজাহানের ঘরে ঢুকে প্রথমে কাঠের পিঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে ওড়না ও কাঁথা দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শেষে বৈদ্যুতিক তার গলায় পেঁচিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ মুন্সী জানান, মঙ্গলবার বিকেলে আসামি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, নুরজাহানের বাড়িতে তিনি ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। বকেয়া বাড়ি ভাড়া এবং দোকানে চা-পানের বাকি টাকার জন্য নুরজাহান তাঁকে নিয়মিত চাপ দিতেন।

    পাশাপাশি দাম্পত্যবিরোধে স্ত্রী চলে যাওয়ায় নুরজাহান জনসম্মুখে তাঁকে নিয়ে অপ-মানজনক মন্তব্য করতেন। এসব কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

    এসআই মাসুদ মুন্সী আরো জানান, আদালতের নির্দেশে আজ মঙ্গলবার বিকেলে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে: নাহিদ ইসলাম

    ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে: নাহিদ ইসলাম

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে সব রাজনৈতিক দলের অবস্থান নেওয়া দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণভোটের প্রচারণার লক্ষ্যে ক্যারাভ্যান উদ্বোধনের সময় তিনি এমন কথা বলেন।

    নাহিদ বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে।

    জনগণকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

    অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সারাদেশে গণভোটের পক্ষে আজ থেকে আমাদের প্রচারণা শুরু হচ্ছে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

  • ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিহত-২০০০

    ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিহত-২০০০

    ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিবিসি পার্সিয়ানের সাংবাদিক জিয়ার গোলসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্র।

    জিয়ার গোল জানান, তাঁর কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে ‘আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলা যায়’—মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, ইরান সরকার অতীতে শক্তি প্রয়োগ করলেও এবারকার পরিস্থিতি “একেবারেই নজিরবিহীন”।

    রয়টার্সও একজন ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দেশজুড়ে চলমান সংঘাতে মৃতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজারের মতো হতে পারে। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ বেসামরিক নাগরিক উভয়ই রয়েছে। ওই কর্মকর্তা বিক্ষোভকারীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে এসব মৃত্যুর জন্য তাদেরকেই দায়ী করেছেন।

    এর আগে, এক ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিসের মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স বলেন, বিভিন্ন রিপোর্টে শত শত মানুষের নিহত হওয়া এবং হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর আটক থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

    মানবাধিকার বিষয়ক একটি স্বাধীন সংস্থা গতকাল জানায়, তাদের ধারণা অনুযায়ী কমপক্ষে ৬৫০ জন নিহত হয়ে থাকতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখনও অস্থির থাকায় প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • মানিকগঞ্জ জেলাসদর হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ !

    মানিকগঞ্জ জেলাসদর হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ !

    মানিকগঞ্জ জেলাসদর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারী হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে (২০) পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই আনসার সদস্যকে আটক করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

    রোববার (১১ জানুয়ারি) দিনগত রাত ২টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ থেকে নিজস্ব চার্জিং ভ্যানে করে স্ত্রীকে নিয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা এলাকায় নানাবাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। পথিমধ্যে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাদেরকে বহন করা ভ্যানটির চার্জ শেষ হয়ে যায়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় তারা সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।

    এ সময় হাসপাতালের গেটে নাইট ডিউটিতে থাকা আনসার সদস্য শাহাদাৎ হোসেন ও আবু সাঈদ তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালের ভেতরে নিয়ে যান। তারা হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় স্বামীকে রেখে ওই নারীকে দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

    পর ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে স্থানীয়দের সহায়তায় তারা মানিকগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিউটিরত আনসার সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    ঘটনার পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

    জেলা কমান্ড্যান্ট কার্যালয়ের এক সহকারী কমান্ডার জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

    এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দুই আনসার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় সিরাজুল ইসলাম (৪০) নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ জানুয়ারী) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. হায়দার আলী খোন্দকার আসামির উপস্থিতিতে এই দন্ডাদেশ ঘোষণা করেন। দন্ডিত ব্যক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চান্দলাই জোড়বাগান মহল্লার মৃত চাঁন মোহাম্মদের ছেলে।

    একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২ জনকে খালাস দেন আদালত। মামলার বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মো. আব্দুল ওদুদ জানান, ২০২০ সালের ৭ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা খাঁকচাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৫।

    অভিযানকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন পালিয়ে গেলেও ১ কেজি ৫৬০ গ্রাম হেরোইনসহ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরের দিন ৮ আগস্ট র‌্যাবের এসআই মো. হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে সিরাজুল ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এস.আই মো. জিন্নাতুল ইসলাম একই বছরের ২৬ আগস্ট সিরাজুল ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিরাজুল ইসলামকে যাবজ্জীন কারাদ- প্রদান করেন।

    একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গাইপাড়া এলাকার মৃত আবু বাক্কারের ছেলে শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদুল ডিলার ও ইসলামপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীনারায়নপুরের মৃত এন্তাজ আলীর ছেলে সাদেকুল ইসলামকে খালাস দেন আদালত।

  • মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা

    মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা

    মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতার মনোনয়নপত্র আপিলে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্ত দেয়।

    এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে মানিকগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা আতাউর রহমান আতার মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

    বাতিলের কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়- স্বতন্ত্র প্রার্থী আতার ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা যাচাইয়ে ১০ জন ভোটারের একজনের দেওয়া তথ্যের অমিল রয়েছে।