Category: জাতীয়

  • ফ্রান্স ও স্পেন সফরে যাচ্ছেন না প্রধান উপদেষ্টা

    ফ্রান্স ও স্পেন সফরে যাচ্ছেন না প্রধান উপদেষ্টা

    জাতিসংঘের তৃতীয় ওশেন কনফারেন্সে যোগ দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ফ্রান্স সরকার। অন্যদিকে, জাতিসংঘের ফিন্যান্সিং ফর ডেভলপমেন্ট (এফএফডি৪) কনফারেন্সে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে স্পেন সরকার। তবে বহুপক্ষীয় এ দুটি ফোরামে যোগ দিচ্ছেন না ড. ইউনূস।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ৯ থেকে ১৩ জুন ফ্রান্সের নিস শহরে তৃতীয় ওশেন কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ওশেন কনফারেন্সে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা কনফারেন্সে যোগ দেবেন না। তবে বাংলাদেশ থেকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কনফারেন্সে যাবে।

    এ ছাড়া, আগামী ৩০ জুন থেকে ৩ জুলাই স্পেনে জাতিসংঘের ফিন্যান্সিং ফর ডেভলপমেন্ট (এফএফডি৪) কনফারেন্স হবে। ওই কনফারেন্সে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে স্পেন সরকার। আমন্ত্রণ পেলেও প্রধান উপদেষ্টা কনফারেন্সে যোগ দিচ্ছেন না। বাংলাদেশ কনফারেন্সে প্রতিনিধি পাঠাবে।

    আশা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে একটি প্রতিনিধি দল কনফারেন্সে যাবে। ফ্রান্সে প্রধান উপদেষ্টার ওশেন কনফারেন্সে না যাওয়া প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি বহুপক্ষীয় ফোরামে যোগ দিতে বিদেশ সফর করেছেন। সেই সফরগুলোতে বাংলাদেশের চাওয়া-পাওয়ার বিষয় বিবেচনায় থাকে।

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট আমন্ত্রণ জানানোর পর বাংলাদেশ কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক চেয়েছে। কিন্তু ফ্রান্সের দিক থেকে সম্মতি পাওয়া যায়নি। শুধু একটা কনফারেন্সে যাওয়া তো ঠিক হবে না।

  • বাংলাদেশকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি আইএমএফ

    বাংলাদেশকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি আইএমএফ

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলতি অর্থবছরে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজের আওতায় জুন মাসে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে যাচ্ছে আইএমএফ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে একাধিক বৈঠকের পর এ নিয়ে আইএমএফ-এর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

    মঙ্গলবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিনিময় হার ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক যে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে, তা নিয়ে শুরুতে আপত্তি থাকলেও শেষ পর্যন্ত আইএমএফ তা মেনে নিয়েছে। ফলে ঋণ প্যাকেজের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে জুনে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় হচ্ছে।

    এ বিষয়ে আগামী বুধবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সদর দপ্তরে একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই আইএমএফ-এর সঙ্গে ঋণ ছাড় সংক্রান্ত চূড়ান্ত সমঝোতার ঘোষণা আসবে বলে জানা গেছে।

    প্রবাসে অবস্থানরত গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দুবাই থেকে ভার্চুয়ালি ওই সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হবেন বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ঋণ ছাড় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের আস্থাও বাড়াবে।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য তিন বছরের ঋণ কর্মসূচি অনুমোদন করে। যার আওতায় এখন পর্যন্ত দুটি কিস্তি ছাড় হয়েছে। আসন্ন এই তৃতীয় কিস্তির মাধ্যমে মোট ছাড়কৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

  • আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জে. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ সোমবার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন এরই মধ্যে হয়ে গেছে। অধ্যাদেশ অনুসারে বিষয়টি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের। এর আগে শনিবার (১০ মে) অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    তিনি জানান, উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।

    তিনি আরও জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

  • আন্দোলনে আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে এনসিপির ব্যাখ্যা প্রদান

    আন্দোলনে আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে এনসিপির ব্যাখ্যা প্রদান

    সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১২ মে) সকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এনসিপি জানায়, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে জনমনে যেসব প্রশ্ন উঠেছে তার দায় দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই বহন করতে হবে। এনসিপিকে এর সাথে জড়ানো সম্পূর্ণ অহেতুক এবং অনাকাঙ্খিত।

    বিবৃতিবে বলা হয়, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি- আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের বিধান যুক্ত করা, এবং জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র জারি করার দাবিতে ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মত, পক্ষ এবং সাধারণ ছাত্র-জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করলেও একটি পক্ষ সচেতনভাবে দলীয় স্লোগান এবং বাংলাদেশের জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রাম বিরোধী স্লোগান দিয়েছে। যা জুলাই পরবর্তী সময়ে সাম্প্রতিক আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য নবায়নের সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে।

    দলটির দাবি, এনসিপির কোনো সদস্য সাম্প্রতিক আন্দোলনে দলীয় স্লোগান কিংবা এই জনপদের মানুষের সংগ্রাম ও ইতিহাসবিরোধী কোনো স্লোগান দেয়নি। ফলে যেসব আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পক্ষটিকেই বহন করতে হবে।

    এনসিপিকে এর সাথে জড়ানো সম্পূর্ণ অহেতুক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। এনসিপি সদস্যদের বক্তৃতা ও স্লোগানে এই জনপদের মানুষের ঐতিহাসিক সংগ্রামের অধ্যায়সমূহ তথা ১৯৪৭, ১৯৭১, এবং ২০২৪ এর প্রতিফলন ছিল উল্লেখ করে বলা হয়। আমরা আরো লক্ষ্য করেছি, আন্দোলনকারীরা জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার সময় একটি পক্ষ আপত্তি জানালেও তারা দৃঢ়তার সাথে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে।”

    “এনসিপি মনে করে, বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহাসিক সংগ্রামের অধ্যায়সমূহ তথা, ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ এর যথাযথ স্বীকৃতি এবং মর্যাদা বাংলাদেশে রাজনীতি করার পূর্বশর্ত। যারা ১৯৭১ সালে এই জনপদের মানুষের জনযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছিল এবং যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে, আমরা চাই তারা নিজেদের সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান জাতির সামনে ব্যাখ্যা করে জাতীয় সমঝোতা ও ঐক্যকে সুদৃঢ় করবে এবং চব্বিশের অভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নে সহযোগী হবে।”

    এনসিপি মনে করে, কোনো রাজনৈতিক দল বা পক্ষের পূর্বেকার রাজনৈতিক অবস্থান বা আদর্শের কারণে ইতিপূর্বের বিভাজন ও অনৈক্যের রাজনীতির সূত্রপাত ঘটলে, সংশ্লিষ্ট দল বা পক্ষের দায় রয়েছে বাংলাদেশের মানুষের সামনে নিজেদের সুস্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করে জাতীয় ঐক্যের পথে হাঁটার।

    বাংলাদেশের জনগণের মধ্যকার বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমেই কেবল মুজিববাদকে সামগ্রিকভাবে পরাস্ত করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি।” বাংলাদেশের জনগণের সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সকল পক্ষকে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানায় এনসিপি।

    অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মভিত্তিক কয়েকটি দলের দাবির মুখে শনিবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে অন্তর্বর্তী সরকার।

    টানা ৩ দিনের আন্দোলনের পর ১১ মে রাতে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভা শেষে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের দাবিতের আন্দোলন চলাকালে কিছু আপত্তিক স্লোগান দেওয়া হয় যা নিয়ে পরবর্তীতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষতি এনসিপি আজ এ বিবৃতি দিলো।

     

     

  • আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ: অন্তর্বর্তী সরকার

    আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ: অন্তর্বর্তী সরকার

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।শনিবার (১০ মে) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত ব্রিফিং করেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    বৈঠকে ৩টি সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা জানান তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র পরবর্তী কর্মদিবসে জারি করা হবে, যোগ করেন তিনি।

    আইন উপদেষ্টা ব্রিফিংয়ে আরো জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।

    ঘোষণায় তিনি বলেন, “উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতা–কর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।”

    আজকের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে বলে জানান আইন উপদেষ্টা।

  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলছে এনসিপির ‘ব্লকেড’ কমসূচী !

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলছে এনসিপির ‘ব্লকেড’ কমসূচী !

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় ‘ব্লক’ ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    আজ শুক্রবার বিকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের পার্শ্ববর্তী সড়কে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে এনসিপি আয়োজিত গণসমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

    এর আগে দুপুর পৌনে ৩টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ ছাত্র-জনতাকে প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে অংশ নিতে দেখা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (৮ মে) দিবাগত রাত থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন।

     

  • নাসিক সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী গ্রেপ্তার

    নাসিক সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী গ্রেপ্তার

    নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আজ শুক্রবার সকাল পৌনে ছয়টার দিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাতভর অভিযানের পর দেওভোগের বাসা থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী৷

    তিনি জানান, আইভী জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় একাধিক থানায় দায়ের করা অন্তত পাঁচটি মামলার আসামি।  এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, যোগ করেন তিনি। নাসিকের টানা তিনবারের নির্বাচিত মেয়র আইভী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ছিলেন৷

    এদিকে, রাতে আইভীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযানের খবরে সড়কে নেমে আসেন স্থানীয় কয়েক হাজার এলাকাবাসী৷ তারা রাতভর তার বাড়িতে অভিযানের প্রতিবাদ জানান।

     

  • পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে নিহত ১০

    পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে নিহত ১০

    পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩২ জন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দিল্লির বিমান হামলার জবাবে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান যখন ভারী গোলাবর্ষণ শুরু করে তখন এই ঘটনা ঘটে।

    এদিকে ভারতের বিমান হামলায় পাকিস্তানে নিহত বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিশ করেছে।

    তবে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতের হামলায় পাকিস্তানে অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেনান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারত ছয়টি স্থানের ২৪টি স্থাপনায় বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

    পহেলগামের ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এ সময় ভারতের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।

     

  • বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধানের সপরিবারে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধানের সপরিবারে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় বিমান বাহিনী সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, স্ত্রী তাহমিদা বেগম, ছেলে শেখ লাবিব হান্নান এবং মেয়ে সানজিদা আক্তারসহ ১২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৫ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের পৃথক পাঁচটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

    দুদকের অনুসন্ধান টিমের তদন্ত কর্মকর্তারা এই নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য দিয়েছেন।

    নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা অন্যরা হলেন, এস আলম গ্রুপের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ও আলোচিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলমের (এস আলম) দৌহিত্র আরিফ আহমেদ,সনি, জাফর আহমদ ও তার ছেলে রিয়াদ আহসান।

    পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মঞ্জুর আহসান ও স্ত্রী নার্গিস খানম। জিলস ওয়ারস লিমিটেডের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন তারেক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম মো. আল আমিন। ওরিয়ন গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট মেহেদী হাসান।

  • আওয়ামী লীগের সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে: নাহিদ

    আওয়ামী লীগের সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে: নাহিদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের নয় মাস পরও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ দাবিতে রাজপথে নেমে আসতে হচ্ছে, যা দুঃখজনক। এটা আমাদের সামষ্টিক ব্যর্থতা। আওয়ামী লীগকে বিচার ও সংস্কারের জন্যই মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। আওয়ামী লীগের বিচার চলাকালেই তাদের সব রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে।রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শুক্রবার (২ মে) বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানসহ গত ১৬ বছরের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে। আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছরে সবগুলো আন্দোলনে গণহত্যা চালিয়েছে। আলেমরা মাঠে নেমেছে তাদেরকে হত্যা করেছে, কোটাবিরোধী আন্দোলন, ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন, এমনকি নিরাপদ সড়কের আন্দোলনেও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেতে ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলনে নেমেছিল। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে দেশের প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় মঞ্চ তৈরি হবে। এ দাবিতে এনসিপির সদস্যরা দেশের প্রতিটি গ্রামে যাবে।

    এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, “আওয়ামী লীগ কোনো রাজনীতির দল নয়, এটি সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের গ্রেপ্তার করে যারা জামিনে মুক্তি দিচ্ছে, মামলা বাণিজ্য করছে, তাদেরকেও আমরা সতর্ক করে দিতে চাই।নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে এই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। অথচ এই নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

    আপনাদেরকে সতর্ক করে বলতে চাই, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে, নৌকা মার্কাকে ব্যান করতে হবে। আর আওয়ামী লীগের বিচার চলাকালে তাদের সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে।”

    সমাবেশে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারে কাছে দুটি বিষয় চেয়েছি। বিচার আর সংস্কার। এ দুটো ছাড়া নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। শহীদ পরিবারগুলো বলছে, বিচার আর সংস্কার ছাড়া মাঠ ছাড়া যাবে না। আমরাও জুলাইয়ের মতো মাঠে থাকবে।”

    সমাবেশে আব্দুল হান্নান মাসুদ বলেন, “৮ মাস পরও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের জন্য রাজপথে দাঁড়াতে হলো। শেখ মুজিব গণহত্যা চালিয়েছে। দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৯৬ সালে হাসিনা পট্টি বেধে ভোট চেয়েছে। পাস করে আলেম ওলামাদের ওপর নির্যাতন শুরু করে। রাজনৈতিক কারণে আলেম ওলামাদের হত্যা করেছে। ঘর থেকে তুলে নেওয়া হতো আওয়ামী লীগ আমলে, পরে লাশ পাওয়া যেতো।

    আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে কিনা, এ সিদ্ধান্ত প্রধান উপদেষ্টার নিতে পারবে না, সিদ্ধান্ত নেবে শহীদ পরিবার। আহতদের পরিবার। রাজনৈতিক দলগুলোকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।”

    জুলাই শহীদ মুগ্ধের ভাই সিগ্ধ বলেন, “আপনারা কি আওয়ামী লীগকে ফেরত চান? গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রায় দিয়েছে আওয়ামী লীগের ফিরে না আসার। যারা শহীদ হয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছে তারা সিদ্ধান্ত নেবে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের বিষয়।”

    এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা বলেন, “আমরা আজ সবাই একত্রিত হয়েছি আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে। যে দল বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার মানুষকে গুম করেছে, খুন করেছে-কোনো কন্যা জানে না, তার পিতা এখনো বেঁচে আছেন না মারা গেছেন। রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গেছে, এখনো জানে না পিতা কোথায়। জুলাই-আগস্টে কয়েকদিনের ব্যবধানে হাজার হাজার মানুষকে নির্মমভাবে আহত করেছে, পঙ্গু করেছে, অন্ধ করেছে। সারা জীবনের জন্য তারা কর্মক্ষমতা হারিয়েছে—সেই দল নাকি নির্বাচন করবে!”

    যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের দুর্ভিসন্ধি বাস্তবায়ন হবে না। যতদিন ছাত্র-জনতা থাকবে, এনসিপি থাকবে ততদিন আওয়ামী লীগ ফিরে আসতে পারবে না। এদেশে ভারতপন্থি রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। আগামী নির্বাচনে নৌকার ব্যালট থাকতে পারবে না।”

    সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম বলেন, “গণ-হত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আমরা টালবাহানা দেখতে পাচ্ছি, এটা লজ্জাজনক। আমাদের হাইকোর্ট দেখাবেন না। হাইকোর্ট দেখে জুলাই বিপ্লব হয়নি।”

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন বলেন, “খুনি হাসিনাকে আমরা বিদায় করেছি। এই বিজয় আমাদের ধরে রাখতে হবে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগ আর কখনো রাজনীতি করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।”

    যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দীন মাহাদী বলেন, “খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশে এনে ফাঁসিতে ঝোলাতে হবে। এছাড়া মৌলিক সংস্কার ছাড়া আবারও একটি নির্বাচনের দিকে যাওয়া হলে শহীদদের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে।”

    এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব হুমায়রা নূর বলেন, “আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের মানুষকে শোষণ করেছে। দেশের মানুষকে তারা ভোট দিতে দেয়নি। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তার জন্য অবশ্যই দুর্নীতিপরায়ন, খুনি-গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। দিল্লির ‘প্রেসক্রিপশনে’ বাংলাদেশ আর চলবে না।”

    এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে ন্যূনতম টালবাহানা করবেন না। মৌলিক সংস্কারের আগে কোনো নির্বাচন নয়।”

    এনসিপির সংগঠক রফিকুল ইসলাম বলেন, “গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হতে হবে। এটাই হবে এই সরকারের অন্যতম সংস্কার।”

    এনসিপির সংগঠক মোস্তাক আহমেদ শিশির বলেন, “এই দেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে, সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ৫ আগস্টই দিয়ে দিয়েছে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হলে জুলাই যোদ্ধারা তা প্রতিহত করবে। সংস্কারের আগে কোনো নির্বাচন হবে না।”

    পৌনে পাঁচটার দিকে সমাবেশে যোগ দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঞ্চে তখন ছিলেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।