Category: ঢাকা বিভাগ

  • সাটুরিয়ায় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল 

    সাটুরিয়ায় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল 

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    সাটুরিয়া মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাসউদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর শিক্ষা ও জীবন সংগ্রাম নিয়ে আলোচনা করেন।

    পরে শিশুদের মধ্যে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জীবন নিয়ে লেখা বই বিতরণ করা হয়। এ সময় উপজেলা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক প্রতিনিধি এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লী সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।  অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

  • মানিকগঞ্জে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ “পিস্তল ফারুক” গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ “পিস্তল ফারুক” গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের বন্যা প্রসাদ গ্রামে সেনা ক্যাম্পের দুর্ধর্ষ সাঁড়াশি অভিযানে বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) রাতে ফারুক আহমেদ ওরফে ‘পিস্তল ফারুক’কে আটক করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় সাইজ উদ্দিনের ছেলে।

    অভিযানে ফারুকের নিজ বাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ১৪ পিস ইয়াবা, তিনটি মোবাইল ফোন,দুটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পরে সেনা সদস্যরা তাকে ঘিওর থানায় সোপর্দ করেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অল্প সময়ের মধ্যেই ফারুক বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন। ২০২৩-২৪ সালের মধ্যে তিনি শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। দেশের বাইরে তার অবাধ যাতায়াত ছিল।

    এ ছাড়া মদ্যপ অবস্থায় মানুষকে অকারণে হয়রানি ও দুর্ব্যবহার করাই ছিল তার নিত্য-দিনের আচরণ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আধিপত্য বিস্তার ও প্রভাব খাটাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাই প্রোফাইল ব্যক্তিদের সঙ্গে ওঠাবসা করতেন তিনি।

    মোঃ কোহিনুর মিয়া,ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুঠোফোন সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ (সেন্টু) কে বলেন, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা সেনা সদস্যদের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছেন

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চাঁন্দলাই জোড়বাগান বস্তি এলাকায় মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় যুবসমাজ এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা আলহাজ্ব সায়েদুজ্জামান, স্থানীয় যুবক মেহেদি হাসান, সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার বাহার আলী, সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার জিয়াউর রহমানসহ অন্যরা। এছাড়া এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা শওকত আলী, ইউসুফ আলী লাভলু এবং স্থানীয় বাসিন্দা সাগর।

    মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের নিকট একটি স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়। বক্তারা বলেন, “মাদকের করালগ্রাসে ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। এখনই রুখে না দাঁড়ালে অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে আগামী দিনের কর্ণধাররা।”

    তারা আরও জানান, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী শিশু, কিশোর ও তরুণ, যারা ধীরে ধীরে মাদকের ভয়াল ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছে। চাঁন্দলাই জোড়বাগান এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার, মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবিও জানান বক্তারা।

    মানববন্ধনে বক্তারা মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে, এলাকাবাসী সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন।

    বক্তারা আরও বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়, পরিবার ও সমাজকেও সচেতন হতে হবে। কারণ মাদকের বিস্তার রোধে পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় শক্তি।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং প্রশাসনসহ সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই কেবল মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব। মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।

  • জিএম কাদের এবং তার স্ত্রীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা !

    জিএম কাদের এবং তার স্ত্রীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা !

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। বৃহস্প‌তিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দু‌র্নী‌তি দমন ক‌মিশ‌নের আবেদ‌নের প্রেক্ষি‌তে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন।

    এ বিষ‌য়ে প্রয়োজনীয় ব‌্যবস্থা নি‌তে বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন-প্রশাসন), স্পেশাল ব্রাঞ্চ ঢাকাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। দুদ‌কের ডেপু‌টি ডাই‌রেক্টর আকতারুল ইসলাম এ বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

    সা‌বেক বি‌রোধী দলীয় নেতা জিএম কা‌দের ও তার স্ত্রী শেরীফার বিরু‌দ্ধে ক্ষমতার অপ-ব‌্যবহার ক‌রে দ‌লের ম‌নোনয়ন বা‌ণিজ‌্যসহ ঘুষ-দুর্নী‌তির মাধ‌মে জ্ঞাত আয় ব‌হির্ভূত বিপুল সম্প‌দ অর্জ‌নের অভিযোগ র‌য়ে‌ছে।

    তারা দুর্নী‌তির এই টাকা বি‌দে‌শে পাচার ক‌রে‌ছেন ব‌লেও অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগ আম‌লে নি‌য়ে দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশন তা‌দের বিরু‌দ্ধে অনুসন্ধান কর‌ছে।

     

  • মানিকগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    মানিকগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন। আজ ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে সিংগাইর পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রশিকা সড়কের মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার নিলুয়া গ্রামের পরশ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান (২৩) এবং হরিরামপুর থানার কৌরি ঝিটকা গ্রামের মৃত শেরজন মোল্লার ছেলে মনির হোসেন (৬০)।

    আহতরা হলেন, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মহসিন (৩২) এবং পাবনার সাথিয়া থানার পাটগাড়ি গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে শাহজাহান আলী (৬০)।

    পথচারীরা জানান, মানিকগঞ্জগামী একটি মালবাহী ট্রাকের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান এবং অপর দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন।

    স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    সিংগাইর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুল ইসলাম দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রাক ও সিএনজি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • অপারেশনের দেড় বছর পর রোগীর পেট থেকে বের হলো মপ

    অপারেশনের দেড় বছর পর রোগীর পেট থেকে বের হলো মপ

    বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে জরায়ুর টিউমার অপারেশনের দেড় বছর পর মানিকগঞ্জের এক রোগীর পেট থেকে সার্জারির সময় ফেলে রাখা মপ (অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত শোষণক্ষম কাপড়) বের করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।

    ভুক্তভোগী রোগীর নাম রুবি বেগম (৫০)। তিনি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সুতালড়ি ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।

    পরিবার জানায়, অপারেশনের কিছুদিন পর থেকেই রুবি বেগম অসুস্থ হতে থাকেন। চিকিৎসকরা তার ‘টিবি রোগ’ হয়েছে বলে জানান। দীর্ঘ নয় মাস ধরে তিনি সেই রোগের চিকিৎসা নেন। কিন্তু অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। বরং তার পেটের ডান পাশের নিচের দিক থেকে একটি নালা দিয়ে ধীরে ধীরে পুঁজ বের হতে থাকে।

    এ অবস্থায় তার দেবর শহিদুল ইসলাম তাকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের শরণাপন্ন হন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি গত মঙ্গলবার রাতে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার মেডিল্যাব জেনারেল হাসপাতালে রুবির পুনরায় অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।

    অপারেশনের সময় ডা. আরিফুর রহমান রোগীর শরীরের ভেতরে ফেলে রাখা একটি মপ খুঁজে পান। পরে তা বের করে আনা হয়।

    ডা. আরিফুর রহমান বলেন, “রোগী যখন আমার কাছে আসে তখন তার পেট থেকে পুঁজ বের হচ্ছিল। পরীক্ষার পর অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেই। অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায়, দেড় বছর আগে অপারেশনের সময়কার একটি মপ শরীরের ভেতরে থেকে গেছে। এই কারণেই রোগী এতদিন ধরে ভুগছিলেন।”

    রুবির ছেলে ঈসমাইল বলেন, “দেড় বছর আগে অপারেশন করানোর পরও মায়ের ব্যথা কমেনি। এবার মানিকগঞ্জে ডাক্তার আরিফ স্যার অপারেশন করে মায়ের পেট থেকে ত্যানা (মপ) বের করেছেন। আমি ওই চিকিৎসকের বিচার চাই।”

    স্থানীয়রা জানান, চিকিৎসক আরিফুর রহমানের উদ্যোগ ও দক্ষতাতেই দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটেছে। তবে বগুড়ার সেই চিকিৎসকের অবহেলা ও দায়িত্বজ্ঞান-হীনতার কারণে রোগী ও পরিবারের জীবনে যে ভোগান্তি নেমে এসেছে তার কঠোর জবাবদিহিতা হওয়া প্রয়োজন।

  • ধর্ষণের হুমকি দাতা আলী হুসেন ঢাবি থেকে বহিষ্কার

    ধর্ষণের হুমকি দাতা আলী হুসেন ঢাবি থেকে বহিষ্কার

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে রিট করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারী শিক্ষার্থীকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী আলী হুসেনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

    প্রক্টরিয়াল সত্যানুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বহিষ্কারা-দেশ জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডারে প্রদত্ত প্রক্টরের এখতিয়ারভুক্ত সর্বোচ্চ শাস্তিই হলো এই বহিষ্কার।

    আলী হুসেনের শ্রেণি রোল ৫৪ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২০২০২১২৭৬৮। তিনি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী।

    এছাড়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিষয়ক কমিটিতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রক্টরিয়াল সত্যানুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বহিষ্কারাদেশ জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডারে প্রদত্ত প্রক্টরের এখতিয়ারভুক্ত সর্বোচ্চ শাস্তিই হলো এই বহিষ্কার।

    আলী হুসেনের শ্রেণি রোল ৫৪ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২০২০২১২৭৬৮। তিনি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী।

    এছাড়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিষয়ক কমিটিতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সেনাবাহিনী সরকারের সব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    সেনাবাহিনী সরকারের সব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনা-বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের অবদান অব্যাহত রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সেনাবাহিনীর এই ভূমিকা আরও সুসংগঠিত করা জরুরি। এর মধ্যে স্পষ্ট কমান্ড কাঠামো ও সকল বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    তিনি বলেন, “আমি জাতির প্রতি অঙ্গীকার করেছি—এমন একটি নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য যা ভোটার উপস্থিতি, নতুন ও নারী ভোটারের অংশগ্রহণ, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে বৈশ্বিক আস্থা এবং গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের উৎসবমুখর পরিবেশের দিক থেকে আলাদা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”

    সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টাকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি গুজবের প্রতি মনোযোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “পুরো সেনাবাহিনী সরকারের সব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

  • মানিকগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    মানিকগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে শহরের বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে র‍্যালিটি বের হয়ে শহীদ রফিক সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা।

    এতে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা জজ কোর্টের পিপি আ.ফ.ম. নুরতাজ আলম বাহার, সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, গোলাম আবেদীন কায়সার, রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ জাদু, জেলা কৃষক দলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাঈদ, বাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম খান পায়েল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বাদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

    বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে বিএনপি আজও রাজপথে সংগ্রাম করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ জনসমাবেশ প্রমাণ করে মানিকগঞ্জে বিএনপির প্রতি মানুষের আস্থা অটুট রয়েছে। নেতারা আরও বলেন, বিপুল জনসমাগম দলীয় ঐক্যের শক্তিশালী বার্তা বহন করছে।

  • গণপরিষদ নির্বাচন ও জাতীয় পার্টি সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে-এনসিপি

    গণপরিষদ নির্বাচন ও জাতীয় পার্টি সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে-এনসিপি

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বৈঠকে করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। এসময় প্রধান উপদেষ্টাকে তারা পাঁচটি দাবির বিষয়ে জানিয়েছেন।

    রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে বৈঠকের পর দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, আমরা মোট পাঁচটি বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করেছি। গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পার হলেও আমরা দেখতে পাচ্ছি গণ-অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন, চিকিৎসা এবং নিরাপত্তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।

    আমরা কিছুদিন আগেও দেখেছিলাম শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাদের দাবি নিয়ে মাঠে নামলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সেসময় বেশকিছু শহীদ পরিবারের সদস্য আহত হন। আমরা শহীদ পরিবার এবং আহতদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছি।

    দ্বিতীয়ত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের দেশে থাকা সহযোদ্ধাদের সঙ্গে প্রবাসী ভাইয়েরা অংশগ্রহণ করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কিছু লোক আটক হয়েছিল। সরকারের উদ্যোগে কিছু লোককে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে কিন্তু এখনো ২৫ জন সহযোদ্ধা সেখানে আইনি জটিলতায় আটকা রয়েছেন। সে বিষয়ে সরকার যেন উদ্যোগ গ্রহণ করে সে বিষয়ে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সরকারের পক্ষ থেকে একটি গুম কমিশন করা হয়েছে। গতকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ছিল। গুম কমিশন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে- গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার বিষয়ে তোর অভিযোগ এনেছেন এবং প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।

    আমরা সরকারের কাছে সুস্পষ্টভাবে দাবি করেছি, গুম কমিশনের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রাষ্ট্রীয় যেসব সংস্থার মধ্যে যেসব সদস্য এসব অভিযোগে অভিযুক্ত তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

    তিনি বলেন, একইসঙ্গে আমরা আশঙ্কা করছি বাংলাদেশে বিগত ১৫ বছরে যে নির্বাচন গুলো হয়েছিল সেই নির্বাচনে আমরা দেখেছিলাম রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিভিন্নভাবে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করত। কারা বিরোধী দল হবে, কারা নির্বাচন করতে পারবে, কারা পারবে নাসহ নানা বিষয় তারা প্রভাবিত করতো। সবশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখানোর জন্য বিভিন্ন লোককে গ্রেফতারসহ নানাভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।

    আদিব বলেন, জুলাই সনদের আইনি এবং সাংবিধানিকভিত্তির জন্য আগামী নির্বাচন যেন অবশ্যই গণপরিষদ নির্বাচন হয় সেটি জানানো হয়েছে। গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘ ৫৪ বছরের রাজনৈতিক সংকট, একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের কাঠামো স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা মনে করি, আগামী নির্বাচন গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে।

    তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় আমরা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম- নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা, নিরপেক্ষতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা যেন ভূমিকা রাখেন।

    এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্য প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। জাতীয় পার্টি সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার যেন আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করে সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি।