Category: ঢাকা বিভাগ

  • মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল !

    মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল !

    মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানা যায়।  কমিটি ঘোষণার খবরে অত্র জেলার সাটুরিয়ায় উপজেলা বিএনপি,  যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আনন্দমিছিল করেছে

    দলীয় সূত্রে জানাযায়, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি আফরোজা খান রিতাকে ‘আহ্বায়ক’ করে জেলা বিএনপির সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে অন্যরা সবাই সদস্য। তাঁরা হলেন- এস এ জিন্নাহ কবির, আজাদ হোসেন খান, আতাউর রহমান, নুরতাজ আলম বাহার, সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ও গোলাম আবেদিন।

    সদ্য বিলুপ্ত হওয়া জেলা বিএনপির কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এস এ জিন্নাহ কবির। এ ছাড়া আগের কমিটিতে আজাদ হোসেন খান সহ সভাপতি, আতাউর রহমান জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি, নুরতাজ আলম বাহার ও গোলাম আবেদিন কায়সার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৪ মার্চ দলের কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন আফরোজা খান রিতা। এসময় জেলায় মোট ৪৫ ভোটের মধ্যে ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে চলতি সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পাালন করে আসছিলেন । উক্ত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলে এস এ জিন্নাহ কবির।

     

  • পর্নোগ্রাফি মামলায় মা ও মেয়েকে বিয়ে করা জামাল শেখ গ্রেফতার

    পর্নোগ্রাফি মামলায় মা ও মেয়েকে বিয়ে করা জামাল শেখ গ্রেফতার

    মা ও মেয়েকে বিয়ের পর অধিক লালসা পুরণে ব্যর্থ হয়ে এবার মেয়ের অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে পর্নোগ্রাফি মামলায় জামাল শেখ নামের জনৈক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

    শনিবার ১ ফেব্রুয়ারি সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বিল-ডাউলি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জামাল শেখের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের মালিরআট গ্রামে।

    বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, ২০১৩ ইং সালে প্রথম মাকে বিয়ে করে জামাল শেখ। এরপর বিবাহীত স্ত্রীকে নিয়ে সে অণ্যত্র  বসবাস করতে থাকে। এর ফাকেঁ লম্পট জামাল শেখ কোন এক সময় মোবাইল ফোনে নিজের সতালো মেয়ের গোসলের দৃশ্য ধারন করে তাকে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। এতে মেয়ে রাজী না হলে ধারন করা ভিঢিও দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হমকি দেয়।এতে ভীত হয়ে সে জামাল শেখকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়।

    বিয়ের কিছু দিন পরই চতুর জামাল শেখ প্রবাসে (ওমান) চলে যায়। প্রবাস থেকে দেশে ফিরে সে ঐ তরুণীকে নিয়ে ঘর সংসারে করতে থাকলে  নানান কারণে তরুনী জামালকে সন্দেহ করতে থাকে ।

    এতে জামাল শেখ  ক্ষুদ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীর গোপন মেলামেশার অসংখ্য ভিডিও দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই তরুণী তার বাবার বাড়ি চলে যায়।

    পরবর্তীতে জনৈক আইনজীবীর মাধ্যমে জামাল শেখকে সে তালাক দেয়। পরে মেয়েটি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার জনৈক এক যুবককে বিবাহ করে ঘর-সংসার করতে থাকে।

    এতে জামাল শেখ ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইলে ধারনকৃত পূর্বের অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিওগুলি নতুন স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। এ প্রেক্ষিতে ওই তরুণী বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে জামালের বিরুদ্ধে মামলা করলে সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ ঘটনার সততা স্বীকারে করে বলেন, পর্নোগ্রাফি মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

     

  • সাটুরিয়ার বরাঈদে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ার বরাঈদে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

     

    সাটুরিয়ার বরাঈদ ইউনিয়নের আগ-সাভার বাজারে বেসরকারি সংস্থা সোসাইটি ফর হিউম্যানের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার(১ লা ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকা থেকে অত্র ইউনিয়নের আগ-সাভার বাজারে সোসাইটি ফর হিউম্যানের নিজস্ব অফিসে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করা হয়।

    এ সময় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়ার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দানবীর জনাব ড. মো. রফিকুল ইসলাম (সভাপতি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ মিসৌরী) সাহেব।

    অত্র অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি ফর হিউম্যান সংস্থা সভাপতি জনাব শাহানুর আলম, সাধারন সম্পাদক পলাশ মাহমুদ, মো. আবুল হোসেন. হামিদুর রহমান, মো. বাবুল হোসেন প্রমূখ।

    সকাল  ১১ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ডা. আমেনা খাতুন (লতা) ও ডা. শরিফুল ইসলাম বিনামূল্যে রোগ নির্ণয় করে রোগীদের মেডিসিন সামগ্রীসহ ওষুধ বিতরণ করেন।

    এই সময় ক্যাম্পে ৫৯ জন পুরুষ রোগী, ৮২ জন মহিলা রোগী এবং  শিশু রোগীসহ প্রায় ১৮৮ জন রোগীর রক্তের গ্রুপ পরিক্ষা করা হয়।

  • সাটুরিয়ার চাচিতারায় তিন দিন ব্যাপী বইড়া পাগলার বার্ষিক মেলা অনুষ্ঠিত !

    সাটুরিয়ার চাচিতারায় তিন দিন ব্যাপী বইড়া পাগলার বার্ষিক মেলা অনুষ্ঠিত !

    সাটুরিয়া উপজেলার চাচিতারা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল (২৮ জানু-১লা ফেব্রুয়ারি) তিনদিন ব্যাপী আশুরুদ্দিন পাগলা ওরফে বইড়া পাগলার বার্ষিক মেলা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পাগলার মেলায় বিপুল সংখ্যক-ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। ঐতিহ্যবাহী এই মেলার প্রথম দিনে পাগলার মাজারে মাল্যদান-সহ তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল ও তবারক বিতরন অনুষ্ঠিত হয়।

    মেলার দ্বিতীয় দিনে আয়োজন করা হয় সামাজিক যাত্রাপালা ‘সূর্য্য-স্বাক্ষী। চাচিতারাসহ আশে-পাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ মেলায় সমাবেত হন সামাজিক যাত্রাপালা ‘সূর্য্য-স্বাক্ষী দেখার জন্য। অভিনেতাদের অভিনয় শৈলীতে চারদিকে মুহুমুহু করতালি ভেজে উঠে। মানুষ অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে এই যাত্রাপালা উপভোগ করে।

    মেলার উদ্ভোধক জনাব মশিউর রহমান হেলালী তার এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, সামাজিক যাত্রাপালা হচ্ছে গ্রামবাংলার মানুষের প্রাণ। দীর্ঘ দুঃশাসনের পর আজ মানুষ অনেকটাই স্বাধীন। ফলে দলমত নির্বিশেষে সকলে আজকের যাত্রাপালা দেখার জন্য একত্রিত হয়েছে। যা কিছু দিন আগেও ছিল অসাধ্য।

    তিনি আরো বলেন, আওয়ামী দুঃশাসনে মানুষ স্বাধীনভাবে কথাবলার অধিকার হারিয়ে ফেলে ছিল। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তারা আবার সেই অধিকার ফিরে পেয়েছে। এ কথা সকলের মনে রাখা দরকার যে, অন্যায়কারী ও অপরাধীরা কোন দিনই সফল হয় না। মানুষ আজ তাদের ঘৃনা করে। ক্ষমতার বড়াই চিরদিন থাকে না। এই সময় তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী আফরোজা খানম রিতাকে ধানের র্শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে জয় লাভের আহ্ববান জানান।

    মেলার দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় যাত্রাপালা ‘রহিম-রুপবান। অসম প্রেম-ধাঁচের এই যাত্রাপালার কাহিনী গ্রাম বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে সুপরিচিত। চরিত্ররুপায়নে রুপবানের স্বামী বিচ্ছেদের করুন আত্ম-চিৎকার ছিল সকলের কাছে উপভোগ করার মত। এই দিনে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ জনাব খোরশেদ আলম নোমান। তিনি মেলার আগত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান আপনাদের সকলের অনুষ্ঠান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজকের অনুষ্ঠান স্বাথর্ক হয়েছে। তিনি উপস্থিত সকলকে মানিকগঞ্জের মানবিক নেত্রী আফরোজা খানমের (রিতা) সালাম পৌঁছিয়ে দেন।

    এ্যাড. অমিত হাসানের উপস্থপনায়, তিন দিন ব্যাপী এই মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক জনাব আব্দুর রহমান, দিঘলীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি জনাব সানোয়ার হোসেন (সানু), প্রভাষক রাজা মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোকছেদ আলম, উপজেলা যুবদলের আহ্ববায়ক আমীর হামজা, আমজাদ হোসেন, কৃষকদল নেতা সিরাজুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন প্রমুখ।

    এদিকে পাগলার মেলা উপলক্ষে দেশের নানাপ্রান্ত থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মুখরোচক খাবার নিয়ে হাজির হন। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে আমিত্তি, জিলেপি, সন্দেশ, বারো মিঠাই, শাহী হালিম, চটপটি, পিয়াজুসহ হরেক রকমের রসগোল্লার দোকান। এছাড়া ছিল শিশুদের খেলনা, ঘরের তৈজসপত্রসহ বাঁশ ও লোহার তৈরি নানান রকমের জিনিসপত্র।

     

  • টাঙ্গাইলে রডমিস্ত্রীকে জবাই করে হত্যা !

    টাঙ্গাইলে রডমিস্ত্রীকে জবাই করে হত্যা !

    টাঙ্গাইল এক রডমিস্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাত আটটার দিকে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ছোট বিন্নাফৈর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ১৮ বছর বয়সী ফুলচান মিয়া ওই এলাকার স্বন্দেশ মিয়ার ছেলে।

    দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু জানান, রাত আটটার দিকে স্থানীয় লোকজন রাস্তার উপর ফুলচানের জবাই করা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    তিনি জানান, ধারনা করা হচ্ছে রাত সাড়ে সাতটা থেকে আটটার মধ্যে দুর্বৃত্তরা তাকে জবাই করে মরদেহটি ফেলে রেখে গেছে।

    টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ জানান, কী কারণে, কারা তাকে হত্যা করেছে, এই মুহূর্তে তা বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে যে কারণেই হোক, অপরাধিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

  • অস্তিত্ব মেলেনি পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের !

    অস্তিত্ব মেলেনি পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের !

    অস্তিত্ব মেলেনি পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের অফিসের ঠিকানায় অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানকালে দুদক কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।

    পরে সূচনা ফাউন্ডেশনের কর মওকুফসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের নথি সংগ্রহ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) অভিযান পরিচালনা করে সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট টিম। জানা যায়, ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক উপঢৌকন আদায় করা হয়েছে।

    এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় ‘অটিস্টিক সেল’ ব্যবহার করে ভুয়া প্রকল্পে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

    দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, এনবিআরের ওপর অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ফাউন্ডেশনের নামে আনা অর্থ করমুক্ত করা এবং মানুষকে জোর করে চাঁদা দিতে বাধ্য করেন পুতুল।

  • আওয়ামী পতাকাতলে বিক্ষোভ করলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে

    আওয়ামী পতাকাতলে বিক্ষোভ করলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টা কে সুযোগ দেব না। খুনিরা কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশ করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ।

    বুধবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন। প্রেস সচিব লেখেন, আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো ন্যায্য বিক্ষোভ বন্ধ বা নিষিদ্ধ করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমাবেশ করার স্বাধীনতা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি।

    আজ সকালে গণমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সাড়ে পাঁচ মাসে কেবল ঢাকায় কমপক্ষে ১৩৬টি বিক্ষোভ হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিক্ষোভের ফলে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবুও, সরকার কখনো বিক্ষোভ-সমাবেশের ওপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করেননি।’

    জুলাই-আগস্টের ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায় যে আওয়ামী লীগের কর্মীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যায় অংশ নিয়েছিল। তাদের পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ হয়েছেন কয়েকশ তরুণ শিক্ষার্থী, এমনকি নাবালক শিশুরাও। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যা, খুন ও তাণ্ডবের জন্য দায়ী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের দলীয় সরকার।

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম আরও লেখেন, ‘গতকাল কয়েকজন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মীর সাক্ষাৎকারের বরাতে নিউইয়র্কভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, শেখ হাসিনা তার ১৬ বছরের একনায়কত্বের শাসনামলে সরাসরি হত্যা এবং জোরপূর্বক গুমের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি একটি চোরতন্ত্র (ক্লেপ্টোক্রেসি) এবং খুনি শাসনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    নিরপেক্ষ ও স্বাধীন একটি প্যানেল বলছে, শেখ হাসিনার তত্ত্বাবধানে তার ঘনিষ্ঠরা ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। দুর্নীতিগ্রস্ত চুক্তি থেকে কোটি কোটি ডলার চুরির দায়ে হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে এখন তদন্ত চলছে।

    বাংলাদেশের জনগণ এই খুনিদের যে কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশের বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে সুযোগ দেব না। আওয়ামী লীগের পতাকাতলে কেউ যদি অবৈধ বিক্ষোভ করার সাহস করে তবে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

     

     

     

  • রাস্তা পুনরুদ্ধারে ৪ ঘন্টা ধরে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

    রাস্তা পুনরুদ্ধারে ৪ ঘন্টা ধরে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

    মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গোলড়ায় তারাসীমা অ্যাপারেলস লিমিটেড এর সামনে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করছে স্থানীয়রা।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০ টা থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধনে গোলড়া গ্রামের কয়েকশত মানুষ মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছে। গোলড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ ও সাটুরিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে এলাকাবাসীর দাবী পূরণে মৌখিক আশ্বাস দিলেও স্থানীয়রা তাদের দাবি পুরণে অনড় রয়েছে।

    এলাকাবাসীরা জানান,  স্থানীয় কিছু  প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও তারাসিমা অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের দুটি কোম্পানি জোড়পূবর্ক তাদের একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।

    তারা আরো জানান, সড়কটি বন্ধ হওয়ার কারণে রোগী এবং কৃষি পণ্য নিয়ে তারা বাজারে যেতে পারছেন না। মনির হোসের নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এ রাস্তাটি আমাদের চলাচলের এক মাএ রাস্তা ছিলো। কিন্ত স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারা মিলে টাকার বিনিময়ে রাস্তাটি কোম্পানির লোকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। সুযোগ বুঝে কোম্পানী রাতারাতি রাস্তাটির উপরে পাঁকা দেয়াল তুলে দিয়েছে। এ রাস্তা অবমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা মহাসড়কে মানববন্ধন চালিয়ে যাবো।

    গোলড়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুপল চন্দ্র দাস বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের তারাসিমা অ্যাপারেলস ও পেয়াল ইঞ্জিনি-য়ারিংয়ের সীমান্তদ্বার ঘেঁষে এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য একটি রাস্তা ছিলো। কিন্তু কোম্পানী স্থানীয় ব্যক্তিদের সাহায্যে ওই জমি কিনে নিয়ে ফ্যাক্টরী নির্মাণ করলে পায়ে হাঁটার রাস্তা বন্ধ করে দেয়।

    এ সময় সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, বেলা ১০ টা থেকে গোলড়া গ্রামের কয়েকশত মানুষ মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। দুই পক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চলছে, আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

    অপরদিকে, অবরোধকারীরা জানান, যতক্ষণ না  তাদের সড়ক পুন-রুদ্ধার  হবে, ততক্ষণ আমরা মহাসড়ক ছাড়বো না। এ দিকে দীর্ঘ সময় মহাসড়কে মানববন্ধন থাকার কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে মহাসড়কের দুই পাশে ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে ।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দুপুর ২ টার দিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে অবরোধ চলমান রয়েছে।

  • মানিকগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের অডিও ভাইরাল!

    মানিকগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের অডিও ভাইরাল!

    মানিকগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।অডিও রেকর্ডটি মানিকগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের ইনভে-স্টিগেশন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে এক ইটভাটা মালিকের বলে জানা গেছে।

    কথোপকথনে ১৮ লাখ টাকা ঘুস লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।ভাইরাল অডিও কথোপকথনে শোনা যাচ্ছে, একজন ইটভাটামালিক ঘুস দেওয়া টাকা ফেরত চাচ্ছেন। ভাটার মালিক দীর্ঘদিন পার হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স না হওয়ায় জন্য আব্দুর রাজ্জাককে দোষারোপ করেন।

    এসময় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমার কোনো গাফিলতি নেই। আগে আমরা জেলা থেকে লাইসেন্স নবায়ন করেছি। বর্তমানে ঢাকা জেলার ডাইরেক্টর নিজে নবায়ন করছে। এজন্য দেরি হচ্ছে।’

    একপর্যায়ে ভাটামালিক আরেক ভাটার লাইসেন্সের জন্য ১২ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন কি-না জানতে চান। ঘুস নেওয়া টাকা ফেরত দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন আব্দুর রাজ্জাক।

    এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যার সঙ্গে কথা হয়েছে তিনি কোনো ইটভাটার মালিক নন। তবে তিনি মধ্যস্থতাকারী (দালাল) বলে স্বীকার করেন।

    এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ড. ইউসুফ আলী বলেন, বিষয়টি স্পর্শ কাতর। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত করা হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেবেন।

  • শৌলপাড়ায় চাঁদা না পেয়ে প্রতিবন্ধীর জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ

    শৌলপাড়ায় চাঁদা না পেয়ে প্রতিবন্ধীর জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুর সদর উপাজেলার শৌলপাড়ায় চাঁদার টাকা না পেয়ে প্রতিবন্ধীর জমি দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ইদ্রিস বেপারী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগ করেছে প্রতিবন্ধী প্রতিবেশি বিএম জসিম ও তার পরিবার। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বররসহ শালিশগণ তিন মাসের মধ্যে প্রতিবন্ধীর জমি দখলমুক্ত করেদিতে সিদ্ধান্ত দেয়। সেই থেকে ১ বছর পার হলেও তা মানতে নারাজ চাঁদাবাজ ইদ্রিস বেপারী। ইদ্রিস বেপারীর বৈধ কোন আয়-রোজগার না থাকলেও এলাকায় চাঁদাবাজী করে দিব্যি প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তার সাথে প্রভাবশালী নেতাদের সখ্যতাও রয়েছে বলে তিনি দাবী করেছেন।

    চাঁদার টাকা দিতে না পারায় দীর্ঘদিনেও দখলকৃত জমি মুক্ত করতে পারছে না প্রতিবন্ধী বিএম জসিম। স্থানীয় শালিশী ও চেয়ারম্যানের নির্দেশ উপেক্ষা করা এবং চাঁদা ব্যতিত জমি দখল মুক্ত করতে না পারায় জেলা প্রশাসন সহ পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটি।

    ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া মৌজার ৪২৫ নং দাগে প্রতিবন্ধী বিএম জসিমের ১৮ শতাংশ জমি রয়েছে। সেই জমির একটা অংশ প্রতিবেশী প্রভাবশালী ইদ্রিস বেপারী দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রেখেছে। অনেক মাপামাপি ও শালিশী হয়েছে। উদ্রিস তার দাবীকৃত টাকা না পেলে জমি দখলমুক্ত করবে না।

    তারা আরো জানায়, জসিম প্রায় ৩ বছর পূর্বে ইউপি মেম্বার দুলাল মোল্যা, শালিশকারী আজগর মুন্সী, মিন্টু খানসহ স্থানী গণ্যমান্যদের কাছে যায়। তারা জমি দখলমুক্ত করতে সিদ্ধান্ত দেয়। তার পরেও ইদ্রিস বেপারী কাঙ্খিত চাঁদা না পেলে জমি ফিরিয়ে দিবে না বলে জানিয়েছে। পরে প্রতিবন্ধী বিএম জসিম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ভাষানীর স্মরনাপন্ন হয়। চেয়ারম্যান ১ বছর পূর্বে ইদ্রিসকে প্রতিবন্ধী জসিমের জমি ৩ মাসের মধ্যে দখলমুক্ত করতে বলেন। বছর পার হয়ে গেলেও অদ্যবধি সে প্রতিবন্ধীর জমি দখলমুক্ত করেনি।

    এই বিষয়ে টাকা দাবী করা ইদ্রিস বেপারী জানায়, জেলার বড় বড় নেতা, চেয়াম্যান ও ঢাকার আইনজীবীদের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে। সে কাঙ্খিত টাকা না পেলে জমি দখলমুক্ত করবেন না।

    শালীশ মীমাংসাকারী আতাউর রহমান তালুকদার বলেন, বিএম জসিম ও ইদ্রিসের শ্বশুর পরিবারের মধ্যে একটা আর্থিক লেনদেন ছিল। সেই বিষয়ে আদালতে মামলা হয়। দাবীকৃত সমুদয় টাকা পেয়ে বাদী সেই মামলা তুলে নেয়। বর্তমানে জসিমের সাথে ইদ্রিসের কোন বিরোধ থাকার কথা না। কেন ইদ্রিস জমির দখল ছাড়ে না তা জানি না।

    ক্ষতিগ্রস্থ ও প্রতিবন্ধী বিএম জসিম বলেন, আমি প্রতিবন্ধী হওয়ায় সরকারী ভাতা খাই। ইদ্রিস চাঁদার জন্য আমার জমি দখল করে রেখেছে। চাঁদা না দিলে জমির দখল ছাড়বে না বলে জানিয়েছে। আমি কোন উপায় না দেখে চেয়ারম্যান-মেম্বার ও স্থানীয় শালিশদের কাছে যাই। ইদ্রিস তাদের মানতে নারাজ। এখন ভাবছি আইন আদালত ও প্রশাসনের কাছে যাবো। ইদ্রিসের বৈধ কোন রোজগারের পথ না থাকায় চাঁদাবজী করে চলে। এলাকায় সবাই জানে। এবার আমি তার খপ্পরে পড়েছি।

    এই বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার দুলাল মোল্যা জানায়, আমরা শালিশী করে বিষয়টি মীমাংসা করি। সীমানা পিলারও স্থাপন করে দেই। প্রায় তিন বছর অতিবাহিত হতে চলছে এখনও ইদ্রিস বেপারী জসিমের জমির দখল ছাড়ছে না।

    শৌলপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান ভাষানী জানায়, বছর খানেক পূর্বে প্রতিবন্ধী জসিম আমার পরিষদে এসে ইদ্রিসের বিরুদ্ধে বিচার দেয়। পরে উভয় পক্ষদের ডেকে সামনাসামনি করি। তাদের কথা শুনি। জসিমের জমি থেকে ৩ মাসের মধ্যে ইদ্রিসের রান্নাঘর ও টয়লেট সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেই। বছর পাড় হয়ে গেলেও ইদ্রিস তা সরিয়ে নেয়নি। কেন সরিয়ে নেয় না ইদ্রিসকে ডেকে তা জানতে চাইব।