মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাটপনিউজ২৪.কম-এ দেশব্যাপী জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। সরাসরি যোগাযোগ করুন -banglatopnews24@gmail.com. মোবাইল-০১৭৪৩৯৯৮৭৪১.
শিরোনাম :
সাটুরিয়ায় তামাকচাষীদের প্রনোদনা দেওয়ার আহ্বান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার ! চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান শুরু ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি প্রেসক্লাব-সাটুরিয়ার পক্ষ থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ইরানের জ্বালানি ডিপোতে হামলা করেছে ইসরায়েল সঠিক কাজের জন্য সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচন করুন- বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আজ রাতে ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হামলা হবে-স্কট বেসেন্ট মানিকগঞ্জে ৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-২

ঈদ মৌসুমেও সাটুরিয়ার তাতঁপল্লীতে চলছে হাহাধ্বনি !

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম
  • আপডেটের সময়: শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫
  • ৩৫১ সময় দেখুন

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় তৈরি লুঙ্গি ও শাড়ির চাহিদা সারাদেশে। কিন্তু দফায় দফায় সুতাসহ অন্যান্য উপকরণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে ভারতীয় শাড়ির সহজলভ্যতার কারণে এক সময়ের প্রাণচাঞ্চল্যময় সাটুরিয়ার তাঁতপল্লিতে এবার ঈদের আগেও নেই ব্যস্ততা। কারিগররা ঈদ মৌসুমেও অলস সময় পার করছেন।

উপজেলার সাভার, চাচিতারা, জালশুকা ও নতুন ভোয়া এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা শতবর্ষ পুরোনো ঐতিহ্যবাহী এ তাঁতপল্লী ঈদ এলেই তাঁতের খটখট শব্দ, আর ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠত। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। এতে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

কিছুদিন আগেও দক্ষ কারিগরের নিখুঁত হাতে বুননের জন্য এখানকার তাঁতের তৈরি লুঙ্গি ও শাড়ির ব্যাপক কদর ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির পর দফায় দফায় সুতার দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট ও দেশীয় বাজারে ভারতীয় শাড়ির সহজলভ্যতায় তাঁতপল্লির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। লোকসান গুনে গুনে দিশেহারা হয়ে এরইমধ্যে অনেকে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন অনেক কারিগর।

সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ সাভার তাঁতপল্লিতে কাজ হাবিল মিয়া। তিনি বলেন, কিছু কিছু কাজ পাই। চাচিতারা থেকে ২ কিলোমিটার পথ হেটেঁ আগ-সাভারে কাজে আসি বেশি সমযই কাজ পাই না। হাটে কেনা-বেচার পরিস্থিতি খুব খারাপ। তাই মালিক নিয়মিত বিল দিতে পারে না। তাই ভাবছি অন্য পেশা বেছে নিবো। ঈদের পর চাকরি খোঁজার জন্য ঢাকায় যাবো।

চাচিতারা গ্রামের তাতঁ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনার পর থেকেই আমাদের তাঁত ব্যবসা নেই বললেই চলে। সারা বছরে দুই মাস ভালো গেলেও, এখন পুরোদমে মন্দা চলছে। এই ব্যবসায় আর টিকতে পাছি না। সামনে ঈদ। হাতে কোন টকা পয়সা নাই। কি খাবো? বাচ্চাদের কি কিনে দিবো? নানান টেনশনে আছি। তাই স্থির করছি, ব্যবসা ছেড়ে প্রবাসে গিয়ে দিন মজুরের কাজ করবো।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © ২০২৫ বাংলা টপ নিউজ ২৪
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD