মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাটপনিউজ২৪.কম-এ দেশব্যাপী জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। সরাসরি যোগাযোগ করুন -banglatopnews24@gmail.com. মোবাইল-০১৭৪৩৯৯৮৭৪১.

তাসনিম জারার নির্বাচনী তহবিল ফান্ডে ২৪ ঘন্টায় ৪৭ লক্ষ টাকা জামা !

Reporter Name
  • আপডেটের সময়: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৯ সময় দেখুন

ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারার নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে মাত্র ২৯ ঘণ্টায় প্রায় ৪৭ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ডা. তাসনিম জারা।

পোস্টে তিনি লেখেন, “আমাদের ফান্ড রেইজিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪৭ লাখ টাকা আপনারা মাত্র ২৯ ঘণ্টায় পূরণ করে ফেলেছেন। এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরোনো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। আপনাদের প্রতি অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আর কোনো অনুদান গ্রহণ করছি না।”

তিনি বলেন, এখন শুরু হচ্ছে মূল লড়াই। তার ভাষায়, অধিকাংশ প্রার্থী এই নির্বাচনে ১০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় করবেন। অনেকেই মনে করেন টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায়, তবে তারা ভুলে গেছেন—এই লড়াইয়ে তার পাশে আছেন সাধারণ মানুষ, যারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করতেও প্রস্তুত।

নির্বাচনী কৌশল প্রসঙ্গে ডা. তাসনিম জারা বলেন, ঢাকা-৯ আসনে প্রায় পাঁচ লাখ ভোটার রয়েছেন। একজন প্রার্থী হিসেবে প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা সময় দিয়ে হেঁটে হেঁটে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১১০টি পরিবারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব।

পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় সর্বোচ্চ চার হাজার পরিবারের কাছে পৌঁছানো যাবে, ফলে কয়েক লাখ পরিবারের কাছে সরাসরি বার্তা পৌঁছানো সম্ভব নয়।

তিনি জানান, টাকার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করার অংশ হিসেবে তারা কোনো পেইড কর্মী নিয়োগ দেবেন না। মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছাতে স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি সমর্থকদের কাছে দুটি নির্দিষ্ট আহ্বান জানান- প্রথমত, সপ্তাহে ৪ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, পোলিং এজেন্ট হিসেবে অথবা ভোটের দিন ভোটারদের সহায়তায় যুক্ত হওয়া।

ডা. তাসনিম জারা বলেন, “আমরা একসঙ্গে প্রমাণ করব—জনগণের সম্মিলিত শক্তির সামনে কোটি কোটি কালো টাকা কতটা অসহায়।”

ফান্ড ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি জানান, কোনো নগদ অনুদান গ্রহণ করা হয়নি। সব অর্থ একটি নির্দিষ্ট বিকাশ নম্বর ও একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

অনুদানের প্রতিটি হিসাব নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে এবং সব নথিপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অনুদানের অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে, সেটিও স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © ২০২৫ বাংলা টপ নিউজ ২৪
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD