ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দেশটির মুদ্রা রিয়েলের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভ ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। রাজধানী ছাড়িয়ে ছোট ছোট শহরেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।
এ পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সমর্থনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মন্তব্যকে “হস্তক্ষেপমূলক ও প্রতারণামূলক” বলে আখ্যা দেয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির ভেতরে “সহিংসতা উসকে দেওয়া, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে মদদ দিচ্ছে।
তেহরান আরও অভিযোগ করে যে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে শুধু অর্থনৈতিক চাপই নয় বরং “মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ” চালাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে মিথ্যা তথ্য প্রচার, মিডিয়া প্রচারণা এবং সামরিক হুমকি।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বিবিসি পারসিয়ান ২১ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে, যাদের কয়েকজন শিশু।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা ইরান সরকারকে বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বিক্ষোভগুলো “ইরানি জনগণের ক্ষোভের স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ”, কারণ সরকার উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।