বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাটপনিউজ২৪.কম-এ দেশব্যাপী জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। সরাসরি যোগাযোগ করুন -banglatopnews24@gmail.com. মোবাইল-০১৭৪৩৯৯৮৭৪১.
শিরোনাম :
জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি তখন: তারেক রহমান ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ক্যাম্প-প্রচার নিষিদ্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইমাম সম্মেলনে গণভোটের প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণ সাফ ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন সাবিনা খাতুনের দল আমার হাঁস, আমার চাষ করা ধানই খাইবো-রুমিন ফারহানা ‘ভালো নির্বাচন ও গণভোট বাস্তবায়ন অন্তর্বর্তী সরকারের বিশেষ দায়িত্ব’-গণশিক্ষা উপদেষ্টা কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন মুনাফেকি ও ধোঁকাবাজদের থেকে সর্তক থাকতে হবে-তারেক রহমান সরকারকে ভয়শূন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে-মির্জা ফখরুল মানিকগঞ্জ -৩ আসনে কে হচ্ছেন আগামী দিনের কান্ডারী !

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪১ সময় দেখুন

আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু ঃ অবৈধভাবে ভারতে গরু চোরাচালানের সময় পদ্মা নদীতে নিখোঁজ হওয়া গোলকাজুল ওরফে কাজলকে কেন্দ্র করে নিরাপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার, পুলিশি হয়রানি বন্ধ এবং ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে অবিলম্বে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার, পুলিশি হয়রানি বন্ধ এবং গোলকাজুল নিখোঁজ ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।  একই সঙ্গে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম, আসামী নুরুল ইসলামের ভাই সোহেল রানা, আসামীর চাচা নাজমুল হোসেন, আটক কৃত কামরুল ইসলামের স্ত্রী সাবানা বেগম, আসামী নেজামের স্ত্রী পারুল বেগমসহ অন্যান্যরা।

এসময় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আমরা সংবাদ সম্মেলন ডেকেছি-চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত বর্তী এলাকায় সংঘটিত একটি নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার প্রতিবাদ এবং নির্দোষ স্থানীয় মানুষ ও পরিবারগুলোর ওপর চলমান হয়রানি বন্ধের দাবিতে।

এই সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য কোনো রাজনৈতিক নয়, ঘটনার প্রকৃত বিবরণ এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা-যাতে সত্য উদঘাটিত হয় এবং একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত হয়।

সম্মেলনে ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে বলা হয়, গত ৩ জানুয়ারি/২৬ আনুমানিক রাত ৩টার দিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের নারো-খাকি এলাকায় পদ্মা নদীতে একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় গোলকাজুল ওরফে কাজল (৩৫) নামের একজন ব্যক্তি নিখোঁজ হন।

তিনি মৃত আলতাফ হোসেন ওরফে ফিরোজ মেম্বারের ছেলে। তার বাড়ি চাকপাড়া গ্রাম, ইউনিয়ন- চরবাগডাঙ্গা, থানা ও জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর। ঘটনাটি পরদিনই দেশের একাধিক জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

একই সাথে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও নৌকাডুবির ঘটনায় একজন নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ঘটনার সময় যিনি নিখোঁজ ব্যক্তির সঙ্গে ছিলেন ও কোনোরকমে প্রাণে বেঁচে ফিরে এসেছেন-তার বক্তব্য ও প্রত্যক্ষ তথ্যের ভিত্তিতে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ঘটনার রাতে সেখানে মাত্র দুইজন ব্যক্তি ছিলেন।

নিখোঁজ ব্যক্তি গোলকাজুল ওরফে কাজল এবং তার সহযোগী বাচ্চু বাংলাদেশি সীমান্ত সংলগ্ন পদ্মা নদী দিয়ে একটি ছোট, আনুমানিক ১০ ফুটের ডিঙ্গি নৌকায় অবৈধভাবে ভারতীয় জলসীমার দিকে রওনা হন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নদীপথ ব্যবহার করে ভারত থেকে গরু আনা। নৌকাটি নদীর গভীর অংশে পৌঁছানোর পর প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাস ও তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।

ঘটনাটি পদ্মা নদীর ভারতীয় জলসীমার গভীর অংশে ঘটে বলেও জানা যায়। নৌকায় থাকা বাচ্চু কোনোরকমে সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে বেঁচে যান। অপরদিকে, গোলকাজুন ওরফে কাজল ভারী জ্যাকেট ও কাপড় পরিহিত অবস্থায় পানিতে তলিয়ে যান এবং আর উঠে আসতে পারেননি। এই ঘটনার প্রত্যক্ষ বর্ণনা বাচ্চুর দেয়া জবানবন্দী আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। এই ঘটনা একমাত্র বাচ্চুই প্রত্যক্ষ করেছেন।

স্থানীয়ভাবে বহু মানুষ এই ঘটনার প্রকৃত বিবরণ জানে এবং পুরো এলাকা শুরু থেকেই বিষয়টি অবগত। ঘটনার পরদিন প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসংশ্লিষ্টভাবে বাচ্চুসহ চারজনের নামে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে কোনো নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত ছাড়াই ঘটনার সাত দিন পর কল্পিত কাহিনি সংযোজন করে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের দোসর, রাজশাহীর সাবেক সিটি মেয়র ও নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের দুর্ধর্ষ নেতা খায়রুজ্জামান লিটনের কুখ্যাত ও দুধর্ষ ক্যাডার ও উত্তরবঙ্গের আতঙ্ক, উত্তরবঙ্গের কুখ্যাত মাদক সম্রাট, পাঁচটির অধিক হত্যা মামলার আসামি-বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধভাবে আসা ইয়াবা, হেরোইনসহ ভয়ংকর মাদক আমদানির মূল হোতা হিসেবে পরিচিত মো শাহীদ বানা টিপু ওরফে ইয়াবা টিপু ওরফে ল্যাংড়া টিপু দীর্ঘদিন ধরে মাদকের গডফাদার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কুখ্যাত, একই সঙ্গে খুনি, অবৈধ মাদক ব্যবসা, অবৈধ স্বর্ণ চোরাচালান, বালু মহলের গদফাদার ও আন্ডার গ্রাউন্ডভিত্তিক সন্ত্রাসী অপরাধচক্রের গডফাদার হিসেবে পরিচিত।

বর্তমানে তিনি দুবাইয়ে পলাতক অবস্থায় থেকেও আন্ডারগ্রাউন্ড কার্যক্রম, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে যাচ্ছেন। আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি-এই নিখোঁজ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অপহরণ মামলাটি মূলত মাদক সম্রাট শাহীদ রানা টিপুর স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি তার প্রতিপক্ষ ও এলাকার সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে নিজের ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট অপরাধের কারণ ছাড়াই শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে সাতটির অধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা পুলিশ নির্বিঘ্নে রেকর্ড করেছে।

এই প্রেক্ষাপটে আমরা উদ্বেগজনকভাবে জানাতে চায়, শহীদ রানা টিপুর নামে যখন পাঁচটির অধিক হত্যা মামলাসহ অস্ত্র বিস্ফোরক সন্ত্রাসবিরোধী ও মাদক আইনে একাধিক গুরুতর মামলা বিদ্যমান, তখন তাকে কীভাবে নির্বিঘ্নে দেশ ত্যাগ করতে দেওয়া হলো।

৫ আগস্টের পর দীর্ঘ সময় প্রকাশ্যে ও প্রভাবশালীভাবে চলাফেরা করার পরেও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হলো না? কীভাবে এবং কার সহায়তায় সে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল-এই প্রশ্নগুলোর কোনো জবাব আজও আমরা পাইনি।

একজন চিহ্নিত অপরাধ জগতের গডফাদার এর ক্ষেত্রে যখন কার্যকর বিচার, গ্রেপ্তার কিংবা জবাবদিহি দেখা যায় না, তখন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার নিয়ে গভীর হতাশা গ্রস্থ। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার (ওসি) মোঃ নূরে আলম, ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ, সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) তাদেরকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। শাহীদ রানা টিপুর নিজ দলীয় লোকজন ও নিকটাত্মীয়দের সূত্রে আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত।

একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মো মিজানুর রহমান ওরফে মিজান এবং তার মাদক সিন্ডিকেট ও দলীয় লোকজনকে সামনে রেখে একটি নাটক সাজানোর অপচেষ্টা চলছে।

এদিকে, শাহীদ রানা টিপু ও তার সহযোগীদের মতো প্রভাবশালী অপরাধীরা থেকে যাচ্ছে আইনের বাইরে, অথচ সাধারণ মানুষকে বারবার মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার শিকার হতে হচ্ছে।

চালানো হচ্ছে ভয়ভীতি, নির্যাতন ও মানসিক চাপ- যার কোনো প্রতিকার আমরা পাচ্ছি না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই নিখোঁজ ঘটনাটিও একই ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ- যার মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও মাদকচক্র আড়ালে থেকে যাচ্ছে এবং এলাকায় ভয়, আতঙ্ক ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি জিইয়ে রাখা হচ্ছে।

এ ধরনের অপচেষ্টা পুরো এলাকার শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এই নিখোঁজ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাটি নিয়ে ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্ট হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে দফায় দফায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোরালো দাবি তুলেছে। এসব প্রতিবাদ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি সচেতন মহলও প্রকাশ্যে একাত্মতা ও
সংহতি প্রকাশ করেছে।

আমরা এই সংবাদ সম্মেলন থেকে স্পষ্টভাবে বলতে চাই-এই মামলায় যেসব নির্দোষ মানুষকে আসামি করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব ধরনের শাস্তিমূলক ও হয়রানিমূলক ব্যবস্থা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

প্রাথমিক তদন্ত, সরেজমিনে ঘটনা যাচাই এবং প্রকৃত সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ না করেই, কেন তাড়াহুড়ো ও কোন্ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই মামলাটি নথিভুক্ত করা হলো? কেন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস্তবতা যাচাই না করে, প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ না করে, একটি গুরুতর মামলা এত দ্রুত রেকর্ড করা হলো?

এই মিথ্যা মামলা যারপরিকল্পিতভাবে করেছে, যারা তদন্তকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেছে এবং যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্দোষ মানুষদের ফাঁসিয়েছে-ওসি হোক বা অন্য যে-ই জড়িত থাকুক, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

স্বৈরাচার সরকারের দোসর ও প্রভাবশালী মহলের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে তরিঘড়ি করে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ৫ আগস্টের আগে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে যে অনাস্থা ও ভয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল, এই ঘটনার মাধ্যমে সেটিই আবার নতুন করে ফুটে উঠেছে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই।

আমরা কোনো অপরাধীকে রক্ষা করতে বলছিনা। যদি কেউ দোষী হয়, তবে তাকে অবশ্যই গ্রেপ্তার করা হোক এবং আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা হোক। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন না করে, প্রভাবশালী অপরাধী চক্রকে আড়াল করে এবং নির্দোষ মানুষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে যেন হয়রানি করা না হয়। প্রশাসনের কাছে জোরালোভাবে আবেদন জানাই, এই নিখোঁজ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

প্রকৃত অপরাধী যদি চিহ্নিত হয়, তার বিরুদ্ধে মামলা হোক, শাস্তি হোক-এটাই আমাদের অবস্থান। কিন্তু একজন ডুবন্ত মানুষ ও একটি নিখোঁজ লাশকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করা হচ্ছে, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টির আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

এই মিথ্যা ও সাজানো মামলার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তারা যেই হোক না কেন-তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, নির্দোষ মানুষদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই-নির্দোষ মানুষ যেন আর মিথ্যা মামলার শিকার না হয়।

 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © ২০২৫ বাংলা টপ নিউজ ২৪
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD

Warning: PHP Startup: Unable to load dynamic library 'mysqli.so' (tried: /opt/alt/php82/usr/lib64/php/modules/mysqli.so (/opt/alt/php82/usr/lib64/php/modules/mysqli.so: undefined symbol: mysqlnd_global_stats), /opt/alt/php82/usr/lib64/php/modules/mysqli.so.so (/opt/alt/php82/usr/lib64/php/modules/mysqli.so.so: cannot open shared object file: No such file or directory)) in Unknown on line 0