তিনি আজ শনিবার দুপুরে নিজ জেলা মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে শহীদ পিতা মীর কাসেম আলী–এর কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
ব্যরিস্টার আরমান বলেন, “সাংবিধানিক অধিকার আদায়ে আমরা আপোষহীন থাকবো। অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজন হলে জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি। আমরা জান দিব, তবু জুলাই দিব না।
”তিনি আরও বলেন, “শহীদ হাদি ভাইয়ের বিচার এ মাটিতেই হতে হবে। আবু সাঈদের বিচারও এই মাটিতেই হতে হবে।” তিনি দাবি করেন, “আমরা শহীদের বংশধর। অধিকার আদায়ের জন্য আমরা লড়ে যাব। আমাদের উদ্দেশ্য লক্ষ্যে পৌঁছানো—হয়তো মরে যাবো, তবুও পিছু হটবো না।”
পিতার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমার পিতা শহীদ মীর কাসেম আলীকে শহীদ করার কয়েকদিন আগে আমাকে ফ্যাসিস্ট সরকার গুম করে নিয়ে যায়। আল্লাহর অশেষ কৃপায় মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আমি যেন এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি—সবার কাছে সে দোয়া চাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, জেলা জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম, হরিরামপুর উপজেলা আমির হাফেজ লোকমান হোসেন এবং উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ ফারুক হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।কবর জিয়ারত শেষে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়ও করেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।
এর আগে সকালে হরিরামপুরের আন্ধার মানিক দারুল আমান ট্রাস্টের একমত বিনিময় সময় উপস্থিত হন। সেখানে ব্যারিস্টার আরমানকে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়।