সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের দেলুয়া গ্রামে হ্যালো-বাইক চুরি নিয়ে চলছে তেলেসমতি কারবার। বাইক চুরিতে স্থাণীয় মেম্বারের যোগ-সাজেস রয়েছে এমন অভিযোগ করেছে গ্রামবাসীর একাংশ ।
জানা যায়, গত ২৭ই মার্চ বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭: ৩০ মিনিটে অত্র গ্রামের ‘রাজাবাবু ডেইরী ফার্মের’ পাশ হতে স্বপন মিয়ার (পিতা:মানু মিয়া) একটি হ্যালো-বাইক চুরি হয়। পরে ‘জনৈক’ সিএনজি ড্রাইভার জানান যে, একই গ্রামে রাসেল (পিতা-রাজা মিয়া) ও তার বন্ধু শাকিলকে হ্যালো-বাইকটি নিয়ে দরগ্রাম পথে যেতে দেখেছে। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে গ্রামবাসী রাসেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে হ্যালো-বাইক চুরির কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুসারে ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া হতে (রাসেলের বন্ধু শাকিলসহ) হ্যালো-বাইকটি উদ্ধার করা হয়।
এই নিয়ে গ্রামবাসীর তাৎক্ষণিক বিচার চাইলে, স্থানীয় ইউপি মেম্বার ইন্তাজ আলী ঘটনার পরের দিন (অথার্ৎ ২৮শে মার্চ) চোরদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিতে একটি সালিশি-বৈঠকের আশ্বাস দেন এবং চোরদেরকে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেন। পরের দিন যথা সময়ে চোরদের বিচারে হাজির করতে না পারায় গ্রামবাসীদের সাথে মেম্বারের মনোমালিন্য হয়।

এই বিষয়ে দেলুয়া গ্রামের সবুজ বাংলা ক্লাবের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠে, মেম্বার চোরদের দায়িত্ব নিয়ে কেন তাদেরকে বিচারে হাজির করতে পারছেন না। নিশ্চিয় মেম্বারের সাথে চোরদের গোপনে আতাঁত হয়েছে। যার ফলে মেম্বার চোরদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন !
এই ব্যাপারে মেম্বার ইন্তাজ আলী জানান, তাৎক্ষণীক ভাবে উত্তেজিত জনতার হাত হতে চোরদের রক্ষায় আমি মানবিক হয়ে পরের দিন (২৮শে মার্চ) বিচারের তারিখ দিয়ে ছিলাম। কিন্তু চোররা সুযোগ বুঝে পালিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি অনুতপ্ত।
তিনি আরো বলেন, চোরদের বিচারে হাজির করতে আমি সাধ্যমত চেষ্ঠা করছি। এ ব্যাপারে তাদের অভিভাবক ও গ্রামবাসীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। যদি চোরেরা বিচারে হাজির না হয়, তবে থানা-পুলিশের সহায়তায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।