যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে ইরানকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে চীন; যাকে এই যুদ্ধে একটি বড় মোড় বদল বলা যায়।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই টেলিফোনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে কথা বলেন। ফোনালাপে আরাগচিকে ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে বেইজিং তেহরানকে সমর্থন করে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনের (সিসিটিভি) প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াং ই আরাগচিকে বলেন, “চীন-ইরানের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে আমরা মূল্য দিই। ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় চীন সমর্থন জানায়। একই সঙ্গে নিজেদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় ইরানকে সমর্থন করে।”
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। তিন দিনের টানা যুদ্ধে বহু প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরান একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও নৌবহরে যেমন হামলা চালাচ্ছে, তেমনি ইসরায়েলকেও মোকাবিলা করে হামলাও চালাচ্ছে।
সমর শক্তিতে বিশ্বের প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র এবং উন্নততর প্রযুক্তির অস্ত্রধারী ইসরায়েল কে বহু ফ্রন্টে মোকবিলা করে পাল্টা হামলা অব্যাহত রাখা ইরানের পাশে চীনের থাকার বার্তা নিঃসন্দেহে এই যুদ্ধে নতুন জ্বালানি যোগাবে।
অন্যদিকে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক এক ফোনালাপে ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ উস্কে দিয়েছে।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদিকে ওয়াং ই বলেন, চীন গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।