মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন একাধিক সেবাপ্রার্থী। আজ রোজ বৃহস্পতিবার বেলা ২ঃ২০ মিনিটে বিষয়টি প্রত্যক্ষ ভাবে অবলোকন করেন ‘প্রেসক্লাব সাটুরিয়ার সাংবাদিবৃন্দ।
জানা যায় কথিত অভিযোগের ভিত্তিতে আজ প্রেস-ক্লাব সাটুরিয়ার একটি সদস্যদল কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুম এর কার্যালয়ে গেলে তার বসার চেয়ার শূন্য দেখতে পান।
এ বিষয়ে অফিস স্টাফদের জিজ্ঞেসা করলে তারা বলেন যে, তিনি লান্সে গেছেন। তার একটু পরেই কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ জানান, তিনি লান্সে গিয়েছেন। আজ ডিডি আসার কথা রয়েছে। ডিডি আসার আগেই তিনি চলে আসবেন। পরক্ষণেই তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আপনারা কারা! পরিচয় নিশ্চিত করা সত্যেও তিনি সাংবাদিকদের না চেনার বান করে বলেন, আগে তো কখনো আপনাদের দেখি নাই!

তাৎক্ষনিক পরিচয় গোপন করে জনৈক সাংবাদিক ওই কর্মকর্তাকে তার মুঠো ফোনে দিলে তিনি বলেন, আমি অফিস শেষ করে বাসায় এসেছি। এখন বিশেষ কাজে গ্রামের বাড়ী ধামরাই যাচ্ছি। তাঁর এ বক্তব্যে অপেক্ষমাণ সেবাপ্রার্থী ও আগত অনেকের মধ্যে হতাশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, সরকারি দপ্তরে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে কর্মকর্তার অনুপস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে অফিস সময় থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে না পাওয়া সরকারী নিয়মের ‘বরখেলাপ’।
বিশ্বস্তসূত্রে আরো জানা গেছে যে, সাটুরিয়া প্রশাসনের সিংহ ভাগ কর্মকর্তাই সরকারী নিয়ম মাফিক অফিস করছে না। এ ব্যপারে, সুশীল সমাজের অনেক ব্যক্তিবর্গ জানান, এটা এখানে নিত্তনৈমিক্তিক ব্যাপার। এগুলো দেখার মত কেউ নেই।