ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন—এমন তথ্য ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বার্তাসংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম রোববার (১ মার্চ)
ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শনিবার
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে ইরান ছাড়ার জন্য নিজ দেশের নাগরিক দের নির্দেশ দিয়েছে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনগার্ড। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে স্টেনগার্ড বলেন,
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। তবে চূড়ান্ত পদক্ষেপের আগে তারা যুক্তরাষ্ট্র-এর ‘সবুজ সংকেত’-এর অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো
ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর দমন-পীড়নের জবাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বিষয়টি নিয়ে ইইউ সদস্যদের মধ্যে বহুদিনের বিভাজন থাকলেও, বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আগেরবারের তুলনায় আরও বড় ধরনের হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুমকি দেন। ট্রাম্প বলেন,
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কারও পক্ষ নেবে না৷ জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে তারা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন
ইরানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করেছে যুক্তরাজ্য। এর অংশ হিসেবে কাতারের দোহা শহরের কাছে আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিবিসি পার্সিয়ানের সাংবাদিক জিয়ার গোলসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্র। জিয়ার গোল জানান, তাঁর কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, চলমান বিক্ষোভের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কোনোভাবেই পিছু হটবে না। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে এসব কথা বলেন খামেনি। শনিবার