হে স্রোতস্বিনী’, তুমাকেই খোজেঁ মরি জগৎ প্রবাহদ্বারে করুনার ভিক্ষা মাগি- ‘হে প্রিয়’ দাও, বাহু দু‘খানি বাড়িয়ে।। তুমারী তরে ভিখারী আমি আজ, রাজন-রজত ঘুরি, স্বপ্ন দেখি, অ-দেখারে মানস- কল্পনা জুড়ি।। হে
বেশ্যার প্রেমে পড়ার ইচ্ছা -অনেক দিন থেকেই যারা `নটির’ তকমা নিয়ে জীবনের হাটে জীবিকা চালায়।। ‘দেহ’ পয়সার দরে বিক্রি করে তপ্তদেহের জ্বালা মিটায় ‘নগ্ন বুকের হিংস্র থাবায়’ -হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণে।।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আনন্দ আয়োজন শারদীয় দূর্গোৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশাল জনগোষ্ঠীর অনেক আনন্দ, উল্লাস এবং বিনোদনের আনুষ্ঠানিকতা লক্ষ করা যায় এমন উৎসবে। শুভ মহালয়া থেকে চণ্ডীপাঠ,
বাজিছে ব্রহ্মশির, পশুপত, বাসবী, তোমর ধ্বণি উচ্চ স্বরে, বীর-বারুন, শকুনী-তরুনের গর্জনী। অন্যায়-এ, শানিত ত্রিশূলের ধার- খর্ব করিব, নিলাম দেবতার বর । সেনাপতি অর্জুন দম্ভ করি ; হাকিল সৈন্য দল, প্রজ্ঞা
তোমার যত দান বন্ধন-ভেরী- শৃংখল, গিয়াছে আজ মুছেঁ- নদের-নদিয়া পড়েছে টুঁটে।। ভালবাসার যত কথা অ‘মুখ ভাবনা-বিলাশ, বিরাগ-রাগীনি তলে হয়েছে বিনাশ।। হাতে-সাথে, বুকে-মুখে যত ছিল আশা- সকলই সুদূর অতীত মিছে ভালবাসা।।
আজ, অবেলা-অবসয়ে তোমাকে বেশী মনে পড়ে, বড় তৃষিত এই অভাগীর মন, দেখিতে তুমার চাঁদবদন মুখ।। মনে পড়ে আষাঢ়ের শেষ বিকেলে বসিয়া, কদমের তলে- সারা গা লেপ্টে যেত উড়ানি -ঢালা বৃষ্টির
পাচঁ সিকির বোষ্টম আমি ভিক্ষা মাঙ্গিয়া খাই; এক-পা, দু-পা করিয়া ভুবন ঘুরিয়া বেঁড়াই।। অশ্রু জলে যজ্ঞ করি পাতিয়া ভোগের থালা; পরের অন্নে দিবস যাপন বাড়ায়- বেদন-জ্বালা। জাত ভিখারী নই আমি
আজ অব্দি আমরা গুজব ও সংর্কীণতা সীমাবদ্ধ। চিন্তার পরিধি চাহিদার বেঁড়াজালে ঘুরপাক খাচ্ছে। নিজেকে তথাকথিত সার্বিক সমাজে মানানসঁই করতেই ব্যাতি-ব্যাস্ত সময় পার করছি। জীবনের চাহিদা বেঁচে থাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে। পরিবারে-
কিংবদন্তি লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া দশটার দিকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না… রাজিউন)। তার বয়স
রাস্তার ধারে, নিষিদ্ধ আব্ছায়, মধুমাক্ষীর কামনার লোলুপ দৃষ্টি; অ-বোধ, মন-রসনায়- নষ্টামীর আহব্বান জাগায়।। স্পর্শকাত স্থানগুলোর দর্শন এক মধুময় আরতির- অনন্য অনুভূতি জাগায়; সৃষ্টির যৌবিক মাদকতায়।। সোডিয়াম লাইটের বর্নীল আলোক ছ‘টায়